জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাগত উৎকর্ষ উদযাপন করল |
কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: জেআইএস গ্রুপের একটি শিক্ষামূলক উদ্যোগ, কল্যাণীর জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সফলভাবে তাদের সপ্তম ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ২০২৩, ২০২৪ এবং ২০২৫ ব্যাচের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাগত সাফল্য ও কৃতিত্ব উদযাপন করা হয়। গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের সম্মান জানানো এবং তাদের নতুন পেশাগত যাত্রার সূচনা উদযাপন করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে রইল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র; মাকাউট (MAKAUT), পশ্চিমবঙ্গ-এর উপাচার্য অধ্যাপক তাপস চক্রবর্তী; আইআইটি (আইএসএম) ধানবাদ-এর অধিকর্তা অধ্যাপক সুকুমার মিশ্র; রামকৃষ্ণ মিশন, হাওড়া-র স্বামী সর্বত্তমানন্দ; জেআইএস গ্রুপের অধিকর্তা সর্দার সিমারপ্রীত সিং; জেআইএস গ্রুপের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের উপ-অধিকর্তা বিদ্যুৎ মজুমদার; জেআইএস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-চ্যান্সেলর অধ্যাপক (ড.) নীরজ সাক্সেনা এবং জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক (ড.) পার্থ সরকার। বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটির গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলে এবং জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ে পা রাখা গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে।
শিক্ষাগত উৎকর্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য উদযাপনের এই আয়োজনে গ্র্যাজুয়েট, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাবিদ এবং বিশিষ্ট অতিথিরা একত্রিত হয়েছিলেন। জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যয়নকালে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং অর্জিত সাফল্যের জন্য তাদের স্বীকৃতি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেআইএস গ্রুপের অধিকর্তা সর্দার সিমারপ্রীত সিং বলেন, “এই ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানটি আমাদের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার উদযাপন। জেআইএস গ্রুপে আমরা বিশ্বাস করি যে, শিক্ষা মানে কেবল ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং সমাজে অর্থবহ প্রভাব ফেলার মতো আত্মবিশ্বাস, চরিত্র ও সক্ষমতা গড়ে তোলাও। আমরা আমাদের গ্র্যাজুয়েটদের নিয়ে গর্বিত এবং তাদের জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরুর প্রাক্কালে তাদের সাফল্য কামনা করি। তারা যেন প্রতিনিয়ত শিখতে ও নতুন উদ্ভাবন করতে থাকে এবং তাদের চারপাশের পৃথিবীতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে।”









