লেটেস্ট স্টোরি
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত দলের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন শুভেন্দু অধিকারী।মণিপাল হসপিটালস কলকাতার উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে শিল্প, সংগীত ও কবিতার মেলবন্ধনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন |থ্যালাসেমিয়ারোগীদেরজন্যসমন্বিতপরিষেবারলক্ষ্যেমণিপালহসপিটালসমুকুন্দপুরক্লাস্টারেচালুহলোবিশেষথ্যালাসেমিয়াক্লিনিকওডেকেয়ারওয়ার্ড |জেআইএসসিই-তে আয়োজিত হলো জেআইএসটেক ২ কে ২৬ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রদর্শনী |কলকাতা লেডিস লিগ এই উদ্যোগটি মহিলাদের একত্রিত করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে সমর্থন, সম্প্রসারণ ও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।ডিসান হাসপাতালের উদ্যোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার দপ্তরে শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং বয়স্কদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হুইল চেয়ার প্রদান।ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনাইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ উন্মোচন করল ‘ধড়কন’ (DHADKAN): সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী হৃদরোগের অস্ত্রোপচার |

মেন স্টোরি

আজকের আপডেট

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত দলের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন শুভেন্দু অধিকারী।
  • May 10, 2026

অজিতা মুখার্জী(স্পেশাল করসপন্ডেন্ট)

কলকাতা, ৯ মে ২০২৬:পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনের চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।

DSC

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।

DSC

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।

DSC

পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।

DSC

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।

DSC

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।

DSC

Continue reading
মণিপাল হসপিটালস কলকাতার উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে শিল্প, সংগীত ও কবিতার মেলবন্ধনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন |
  • May 10, 2026

কলকাতা, ৯ মে ২০২৬: স্টেথোস্কোপের জায়গা নিল গান, প্রেসক্রিপশনের পরিবর্তে শোনা গেল কবিতা, আর হাসপাতালের করিডোর যেন এক সন্ধ্যার জন্য শিল্প ও সংস্কৃতির বিস্তারে রূপ নিল ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মণিপাল হসপিটালস কলকাতার চিকিৎসকেরা যখন সাংস্কৃতিক মঞ্চে উঠে এলেন, তখন এক অনন্য আবহে ধরা পড়ল কিভাবে কবিগুরুর চিরন্তন শব্দ, সংগীত ও দর্শন প্রজন্ম, পেশা ও সীমারেখা ছাড়িয়ে আজও মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন মণিপাল হসপিটালস কলকাতার ইএম বাইপাস, মুকুন্দপুর, ঢাকুরিয়া, সল্টলেক ও ব্রডওয়ে ইউনিটের চিকিৎসকেরা। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই সন্ধ্যা হয়ে ওঠে এক আবেগঘন সাংস্কৃতিক উদযাপন।

ভারতের প্রাচীনতম ও অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের আবহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান স্বাস্থ্যসেবা, মানবিকতা ও সংস্কৃতির এক বিরল মেলবন্ধনের সাক্ষী হয়ে ওঠে। অসাধারণ ঐক্য ও শিল্পীসুলভ প্রকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিটের ১৯ জন চিকিৎসক একসঙ্গে পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত ও আবৃত্তি। চিকিৎসার ব্যস্ত দায়িত্বের বাইরে এসে তাঁরা একত্রিত হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন সৃষ্টিকে সম্মান জানাতে। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় “জাগরণে যায় বিভাবরী”, “প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে”, “আমি চিনি গো চিনি”, “মনে মোর মেঘের সঙ্গী” এবং “পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে”-র মতো জনপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীত। পাশাপাশি আবৃত্তি করা হয় “বাঁশি”, “নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ” এবং “শেষের কবিতা”-র অংশবিশেষ। এই পরিবেশনাগুলি রোগী, পরিজন, হাসপাতালের কর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এক আবেগঘন ও নস্টালজিক পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা আবারও মনে করিয়ে দেয়—সুস্থতা শুধুমাত্র চিকিৎসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

WhatsApp Image 2026 05 09 at 13.32.18

এই প্রসঙ্গে ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য, ডিরেক্টর, ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, কলকাতা (সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারত সরকার), বলেন, “রবীন্দ্রজয়ন্তী শুধুমাত্র একটি সাহিত্যিক বা সাংস্কৃতিক উদযাপন নয়, এটি ভারতের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি আবেগ। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম জাদুঘর হিসেবে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামও দেশের বৌদ্ধিক, শিল্প ও সামাজিক জাগরণের সঙ্গে পথ চলেছে, যার বড় অংশ জুড়ে রয়েছেন কবিগুরু স্বয়ং। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন এক বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক, যা জ্ঞান, মানবতা ও অন্তর্ভুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। আজ যখন বিশ্বের বিভিন্ন জাদুঘর আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুষের কাছাকাছি হয়ে উঠছে, তখন রবীন্দ্রনাথের দর্শন আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, কারণ তিনি কল্পনা করেছিলেন এমন এক সমাজের, যা শ্রেণি, ভাষা ও ভৌগোলিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে। স্বাস্থ্যসেবা পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের এই উদযাপনে অংশগ্রহণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁরা এই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে এসে তাঁদের সৃজনশীল সত্তাকে তুলে ধরেছেন। এটি ‘বিকাশ ভি, বিরাসত ভি’-র ভাবনাকে বাস্তব রূপ দেয়, যেখানে উন্নয়ন ও ঐতিহ্য একসঙ্গে এগিয়ে চলে।”

কবিগুরুর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীর প্রাক্কালে ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের মঞ্চে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনকারী মণিপাল হসপিটালস ইস্ট রিজিয়নের ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোইন্টারভেনশন ও এন্ডোভাসকুলার সার্জারি বিভাগের ডঃ সুকল্যাণ পুরকায়স্থ বলেন, “এই ঐতিহাসিক পরিবেশে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করা সত্যিই এক হৃদয়ছোঁয়া ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রতিদিন মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করি, কিন্তু সংগীত ও সংস্কৃতি আমাদের মানুষের আবেগ ও আত্মার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে সাহায্য করে। রবীন্দ্রনাথের গান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে তার গভীরতা, সংবেদনশীলতা ও মানবিকতার মাধ্যমে। সহকর্মী চিকিৎসকদের সঙ্গে এই বিশেষ উদযাপনের অংশ হতে পেরে সন্ধ্যাটি আমার কাছে আরও স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।”

মণিপাল হসপিটাল সল্টলেক-এর কনসালট্যান্ট – এমার্জেন্সি মেডিসিন বিভাগের ডঃ পরমিতা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী বলেন, “ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের মতো ঐতিহাসিক স্থানে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করা সত্যিই এক আবেগঘন ও পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা। চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রতিনিয়ত মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করি, কিন্তু শিল্প ও সাহিত্য আমাদের অনুভূতির সঙ্গে এক ভিন্ন স্তরে যুক্ত হতে সাহায্য করে। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় যে চিরন্তন মানবিক মূল্যবোধ রয়েছে, তা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সহকর্মী, রোগী ও বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে আমরা গর্বিত।”

মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর-এর ক্লিনিক্যাল লিড – পেডিয়াট্রিক সার্জারি ও পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি বিভাগের ডঃ শুভাশিস সাহা বলেন, “রবীন্দ্রসংগীতের এক চিরন্তন প্রশান্তিদায়ক শক্তি রয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে একসূত্রে বেঁধে রাখে। এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লেগেছে, কারণ এটি চিকিৎসক হিসেবে আমাদের আরেকটি দিককে তুলে ধরেছে—যেখানে শিল্প, সহমর্মিতা ও আবেগের গভীর সংযোগ রয়েছে। এমন সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন সন্ধ্যাটিকে আরও অর্থবহ ও স্মরণীয় করে তুলেছে।”

এই ব্যতিক্রমী রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপনের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস কলকাতা আবারও প্রমাণ করল যে, স্বাস্থ্যসেবা শুধুমাত্র চিকিৎসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সংস্কৃতি, সহমর্মিতা ও সামাজিক সংযোগের মধ্য দিয়েও সুস্থতার এক সামগ্রিক পরিসর গড়ে তোলা সম্ভব। এই সন্ধ্যা তাই শুধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তরাধিকারকেই উদযাপন করেনি, উদযাপন করেছে মানবিকতার সেই দিকটিকেও, যা প্রকৃত আরোগ্যের ভিত্তি।

Continue reading
থ্যালাসেমিয়ারোগীদেরজন্যসমন্বিতপরিষেবারলক্ষ্যেমণিপালহসপিটালসমুকুন্দপুরক্লাস্টারেচালুহলোবিশেষথ্যালাসেমিয়াক্লিনিকওডেকেয়ারওয়ার্ড |
  • May 10, 2026

কলকাতা, ৭ মে ২০২৬: থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত মানুষের জীবনে ঘন ঘন হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা এক কঠিন বাস্তবতা। তাঁদের জন্য আশার নতুন দিশা নিয়ে মণিপাল হসপিটালস আজ তাদের মুকুন্দপুর ইউনিটে উদ্বোধন করল একটি বিশেষ ‘থ্যালাসেমিয়াপ্রিভিলেজক্লিনিক’ এবং‘ডেকেয়ারওয়ার্ড’। এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন প্রফেসর(ড.) রাজীবদে, হেড – ক্লিনিক্যাল হেমাটোলজি, হেমাটো-অঙ্কোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট, মণিপাল হসপিটালস মুকুন্দপুর ক্লাস্টার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. সৌমেনমেউর, এইচওডি ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – পেডিয়াট্রিক্স, মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর; ড. অতনুকুমারজানা, এইচওডি – নিওনেটাল ইউনিট, পেডিয়াট্রিশিয়ান ও নিওনেটোলজিস্ট, মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর; শ্রীমতী জয়ন্তীচ্যাটার্জী, হসপিটাল ডিরেক্টর – মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর এবং শ্রীকোমলদাশোরা, ক্লাস্টার ডিরেক্টর – মণিপাল হসপিটালস (মুকুন্দপুর ক্লাস্টার)। এই উদ্যোগ থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য আরও উন্নত, সমন্বিত ও রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

নতুন এই ক্লিনিকটি এক ছাদের নিচে থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত সমস্ত পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয়েছে। মূলত ১৮ বছর পর্যন্ত শিশু ও কিশোর রোগীদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা পরিষেবা এখানে দেওয়া হবে। এই পরিষেবার মধ্যে রয়েছে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যারিয়ার শনাক্তকরণের ডায়াগনস্টিক পরিষেবা, ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন, বিশেষ ডে কেয়ার ওয়ার্ডের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন সহায়তা, প্রি-নাটাল ডায়াগনোসিস, জেনেটিক কাউন্সেলিং, মানসিক সহায়তা, মাল্টিডিসিপ্লিনারি কেয়ার এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের সুবিধা। এর ফলে রোগীরা পাবেন সম্পূর্ণ সমন্বিত চিকিৎসা পরিষেবা। প্রফেসর (ড.) রাজীব দে সপ্তাহে একদিন এই ক্লিনিকে রোগী দেখবেন, যাতে রোগীরা নিয়মিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পান। পাশাপাশি রোগীদের দেওয়া হবে একটি থ্যালাসেমিয়া প্রিভিলেজ কার্ড’, যার মাধ্যমে তাঁরা সাশ্রয়ী খরচে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

WhatsApp Image 2026 05 07 at 22.11.59 (1)

এই প্রসঙ্গে প্রফেসর (ড.) রাজীব দে বলেন, “ভারতে থ্যালাসেমিয়া এখনও একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। দেশে প্রায় ১ লক্ষ থেকে ১.৫ লক্ষ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত এবং প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ থেকে ১২,০০০ শিশু থ্যালাসেমিয়া মেজর নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। ভারতে প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মের মধ্যে প্রায় ১.২ জন থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। এখানে ১০ শতাংশেরও বেশি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক এবং ২০,০০০-এরও বেশি রোগীর নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়, যা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর বড় চাপ সৃষ্টি করছে। বর্তমানে আজীবন রক্ত সঞ্চালন ও আয়রন কিলেশনই মূল চিকিৎসা পদ্ধতি। থ্যালাসেমিয়ার নিরাময়ের একমাত্র উপায় হল বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট। উল্লেখযোগ্যভাবে, মুকুন্দপুর ক্লাস্টারে একটি বিশেষ বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ইউনিটও রয়েছে, যা উপযুক্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসা পেতে সহায়তা করবে।”

ক্লিনিক উদ্বোধন প্রসঙ্গে ড. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর – মণিপাল হসপিটালস ইস্ট বলেন, “পূর্ব ভারতে থ্যালাসেমিয়ার প্রকোপ যথেষ্ট বেশি। পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী কিছু অঞ্চলে থ্যালাসেমিয়ার বাহকের হার ৮–১০ শতাংশ, যেখানে জাতীয় গড় ৩–৪ শতাংশ। মণিপাল হসপিটালসের এই থ্যালাসেমিয়া প্রিভিলেজ ক্লিনিক আমাদের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন, যেখানে আমরা সাশ্রয়ী ও সমন্বিত চিকিৎসা পরিষেবা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যারিয়ার শনাক্তকরণ ও জেনেটিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর জন্ম প্রতিরোধ করা থেকে শুরু করে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের মতো উন্নত চিকিৎসা প্রদান—আমাদের লক্ষ্য ধীরে ধীরে একটি থ্যালাসেমিয়া-মুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস আরও একবার প্রমাণ করল যে তারা সহজলভ্য, সমন্বিত ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দক্ষ চিকিৎসক দল, আধুনিক পরিকাঠামো এবং রোগীকেন্দ্রিক পরিষেবার মাধ্যমে হাসপাতালটি থ্যালাসেমিয়া রোগীদের উন্নত চিকিৎসা ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

Continue reading
জেআইএসসিই-তে আয়োজিত হলো জেআইএসটেক ২ কে ২৬ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রদর্শনী |
  • April 25, 2026

কলকাতা, ২৫শে এপ্রিল, ২০২৬: জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং তার কল্যাণী ক্যাম্পাসে সফলভাবে বার্ষিক প্রযুক্তি উৎসব, “জেআইএসটেক২কে২৬” আয়োজন করেছে।দুই দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল সামাজিক-পরিবেশগত এবং শিল্পক্ষেত্রের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলায় উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধানকে উৎসাহিত করা। এতে ৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উৎসাহী অংশগ্রহণ দেখা যায়, যেখানে বিভিন্ন বিভাগে মোট ২৮৩টি প্রকল্প প্রতিযোগিতা করে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নয়াদিল্লির আইএসটিই-এর কার্যনির্বাহী সচিব ডঃ এস. এম. আলী। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জেআইএস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-চ্যান্সেলর অধ্যাপক নীরজ সাক্সেনা এবং মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দেবাশিস দে। জেআইএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সর্দার তারানজিৎ সিং এবং পরিচালক সর্দার সিমারপ্রীত সিং-এর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও সমৃদ্ধ হয়েছিল। তাঁদের অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন করতে এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে অর্থপূর্ণ অবদান রাখতে উৎসাহিত করেছিল।

জেআইএসটেক২কে২৬-এ বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত এবং অ-প্রযুক্তিগত ইভেন্ট ছিল, যা অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করেছিল। মূল আকর্ষণগুলোর মধ্যে ছিল গেম ও’ ফান, কোড-ফ্লুয়েঞ্জা (কোডিং প্রতিযোগিতা), অ্যাপ-ই-টিজার, বিজ্ঞান কুইজ, রোবোটিক্স, বি-প্ল্যান ও স্টার্ট-আপ প্রস্তাবনা এবং ডিগ-ক্যাড। এই ইভেন্টগুলো বিভিন্ন আগ্রহের বিষয়কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয়েছিল, যা শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিং, উদ্ভাবন, ডিজাইন এবং সমস্যা সমাধানে তাদের দক্ষতা প্রদর্শনে সক্ষম করে।অংশগ্রহণকারীরা এআই-সক্ষম স্মার্ট সিস্টেম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি, রোবোটিক্স এবং আইওটি-চালিত অটোমেশন, টেকসই ও সবুজ প্রকৌশল এবং প্রযুক্তি-চালিত যুগে ব্যবস্থাপনার মতো সমসাময়িক বিষয়গুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্পগুলি প্রদর্শন করেছিল। এই বিষয়গুলি আধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তঃবিষয়ক পদ্ধতির মাধ্যমে বাস্তব-বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উপর একটি শক্তিশালী গুরুত্ব আরোপ করেছিল।২০ জনেরও বেশি শিল্প বিশেষজ্ঞ দ্বারা প্রকল্পগুলো মূল্যায়ন করা হয়েছিল, যা ন্যায্য মূল্যায়ন এবং বাস্তব প্রয়োগের সাথে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করেছে। তাঁদের মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি এবং মতামত অংশগ্রহণকারীদের শিল্পের প্রত্যাশা আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্য তাদের উদ্ভাবনগুলোকে পরিমার্জন করতে সক্ষম করেছে।

WhatsApp Image 2026 04 25 at 14.54.26

এই উৎসবে ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পুরস্কারের ব্যবস্থা, শিল্প ও শিক্ষাঙ্গনের মধ্যে শক্তিশালী মিথস্ক্রিয়া এবং উচ্চমানের আন্তঃবিষয়ক প্রকল্পও ছিল, যা অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে তুলে ধরেছে। সামগ্রিকভাবে, JISTech2K26 একটি বিরাট সাফল্য হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা উদ্ভাবন ও সহযোগিতাকে উৎসাহিত করেছে এবং শিক্ষার্থীদের তাদের প্রতিভা প্রদর্শন ও কার্যকর প্রযুক্তিগত সমাধান তৈরি করার জন্য একটি গতিশীল প্ল্যাটফর্ম প্রদান করেছে।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেআইএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সর্দার তারানজিৎ সিং বলেন, “সঠিক মঞ্চ ও উৎসাহ পেলে তরুণ প্রতিভারা যে অসাধারণ সম্ভাবনা দেখাতে পারে, জেআইএসটেক২কে২৬ তা আবারও প্রমাণ করেছে। ধারণাগুলোর মান এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বাস্তব জগতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ওপর তাদের দৃঢ় মনোযোগ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। জেআইএস গ্রুপে আমরা উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে, আন্তঃবিষয়ক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে এবং শিক্ষার্থীদের এমন ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যারা সমাজ ও শিল্পে অর্থবহ অবদান রাখবে।”

Continue reading
কলকাতা লেডিস লিগ এই উদ্যোগটি মহিলাদের একত্রিত করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে সমর্থন, সম্প্রসারণ ও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।
  • April 21, 2026

কলকাতা, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬: কলকাতা লেডিস লিগ (KLL), একটি অনন্য মহিলা সংগঠন। এই সংস্থার পথ চলা শুরু হল একটি বিশেষ বৈশাখী আড্ডার মাধ্যমে। রবিবার বিকেলে। বাংলা নববর্ষের চেতনাকে ধারণ করে এবং সদস্য ও অতিথিদের মধ্যে অর্থপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করে এই বৈশাখী আড্ডা। অনুষ্ঠানে “তোমার ঠিকানা”-র প্রবীণদের সঙ্গে আন্তরিক প্রজন্মগত বন্ধনও গড়ে ওঠে, যা উদযাপনে একটি সামাজিক অন্তর্ভুক্তিমূলক মাত্রা যোগ করে। এই আড্ডার আলোচনা, মতবিনিময় এবং নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টির জন্য একটি আকর্ষণীয় পরিসর প্রদান করে, যা মহিলাদের উদ্যোগগুলির জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা। লিগের লক্ষ্যকে আরও দৃঢ় করে।

WhatsApp Image 2026 04 19 at 20.48.11

এক উষ্ণ ও উদযাপনমুখর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা করল। এই উদ্যোগটি সম্পদের পারস্পরিক সহায়তা ও সহযোগিতামূলক বিকাশের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে গঠিত। নতুন এই সংগঠনে বিভিন্ন পেশাগত ও উদ্যোক্তা পটভূমি থেকে আগত ৬০-রও বেশি সদস্য রয়েছেন, যার লক্ষ্য হলো নেটওয়ার্কিং, জ্ঞান বিনিময় এবং পারস্পরিক উন্নতির জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, বিশেষত সব স্তরের ব্যবসার বিকাশে জোর দিয়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা—অদিতি দত্ত, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও মালিক, Akar, স্বাতী চক্রবর্তী দাস, কলকাতা লেডিস লিগ ও মালিক–Mishti Bahar; নন্দিনী ভট্টাচার্য, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও All Bengal Men’s Forum-এর প্রতিষ্ঠাতা; মৌমিতা মুখার্জী–প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও Sristi Boutique-এর কর্ণধার; সোমা চক্রবর্তী–প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, কলকাতা লেডিস লিগ এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর, Goodace Hospital।

সোমা চক্রবর্তী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, কলকাতা লেডিস লিগ এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেন, “আজকের দিনে কলকাতা লেডিস লিগের মতো উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের ধারণা, ব্যবসা এবং সম্প্রদায় গড়ে তুলছেন, তবুও অনেকেরই এখনও শক্তিশালী সহায়ক ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। এই সংগঠনটি এমন একটি পরিসর হিসেবে পরিকল্পিত, যেখানে নারীরা একত্রিত হয়ে সম্পদ ভাগ করে নিতে পারবেন, অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারবেন এবং নিজেদের উদ্যোগে নির্বিশেষে একে অপরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন। আমরা যে সাড়া পেয়েছি, তা আমাদের এই বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে যে প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতাই অর্থবহ বিকাশের চালিকাশক্তি হবে।”

Continue reading
ডিসান হাসপাতালের উদ্যোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার দপ্তরে শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং বয়স্কদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হুইল চেয়ার প্রদান।
  • April 21, 2026

কলকাতা, ১৭ই এপ্রিল ২০২৬: দিসান হাসপাতাল এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায়, কলকাতা প্রেস ক্লাবে “কেয়ার বিয়ন্ড হসপিটালস: এমপাওয়ারিং এভরি ভোটার উইথ অ্যাক্সেসিবিলিটি” (হাসপাতালের বাইরে সেবা: প্রবেশগম্যতার মাধ্যমে প্রতিটি ভোটারকে ক্ষমতায়ন) শীর্ষক একটি উদ্যোগের আয়োজন করে। এই উদ্যোগটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশগম্যতা, মর্যাদা এবং সমান অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য স্বাস্থ্যসেবা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে।নির্বাচন কমিশনের ‘সিস্টেমেটিক ভোটার এডুকেশন অ্যান্ড ইলেক্টরাল পার্টিসিপেশন’ (SVEEP)-এর অধীনে গৃহীত এই উদ্যোগটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল, বিশেষ করে বয়স্ক ভোটার এবং চলাচলে অসুবিধা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের জন্য। এই প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের সহায়তা করার জন্য হুইলচেয়ার হস্তান্তর করা হয়েছিল, যা ভোটদান প্রক্রিয়াকে আরও প্রবেশগম্য করতে সাহায্য করে।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিসান হাসপাতালের গ্রুপ ডিরেক্টর ডঃ সৌমিত্র ভরদ্বাজ, দিসান হাসপাতালের সিনিয়র মেডিকেল ডিরেক্টর ডঃ সুজয় রঞ্জন দেব এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি শ্রী বিশ্বজিৎ দাসগুপ্ত (নোডাল অফিসার (এসভিইইপি) ১৬৪ – বেলিয়াঘাটা বিধানসভা কেন্দ্র) ও শ্রেয়া সোম (নোডাল অফিসার (এসভিইইপি) ১৬৬ – শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্র)।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা বলেন, “গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে শক্তিশালী করার জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এই ধরনের উদ্যোগ বয়স্ক ভোটার এবং চলাচলে সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের বাস্তব প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তৃণমূল স্তরে ভোটদানকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রবেশগম্য করতে সাহায্য করার জন্য আমরা দেশুন হাসপাতালের সহায়তার প্রশংসা করি।”

WhatsApp Image 2026 04 21 at 12.24.51

“SVEEP উদ্যোগগুলোর মূল লক্ষ্য হলো ভোটার সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা এবং সহজগম্যতা একটি প্রধান অগ্রাধিকার। এই ধরনের সহযোগিতাগুলো, যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তাদের সরাসরি সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ব্যবধান কমাতে সাহায্য করে। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভোটার-বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে দেখে আমরা উৎসাহিত,” তারা আরও বলেন।

দিসান হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সজল দত্ত বলেন, “দেসুন হাসপাতালে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে স্বাস্থ্যসেবা শুধু হাসপাতালের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকৃত সেবা হলো প্রত্যেক ব্যক্তিকে মর্যাদাপূর্ণ ও ক্ষমতায়িত জীবনযাপনে সক্ষম করে তোলা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সমর্থন করতে চাই, যাতে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা কাউকে তার ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা না দেয়। অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণে ভারত সরকারের নির্বাচন কমিশনের সাথে সহযোগিতা করতে পেরে আমরা গর্বিত।”

Continue reading
ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা
  • April 14, 2026

কলকাতা, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ : চার দশকেরও বেশি সময়ের শিল্প-অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা, আধুনিক যুগের ওয়েল্ডিং সামগ্রী ও যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হলো এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এর মাধ্যমে ভারতের শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক পদার্পণ ঘটল।প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শঙ্করলাল আগরওয়াল এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সানওয়ারমাল আগরওয়াল এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন। অনুষ্ঠানে পরিচালক অখিলেশ আগরওয়াল, অনন্ত আগরওয়াল এবং আনন্দ আগরওয়াল উপস্থিত ছিলেন; পাশাপাশি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সজ্জন ভাজঙ্কা এবং সন্তোষ ভাজঙ্কা। বিদ্যা দেবী আগরওয়ালের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানে এক গভীর আবেগঘন ও প্রতীকী মাত্রা যোগ করে, যা এই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করা ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকেই প্রতিফলিত করে।

WhatsApp Image 2026 04 13 at 17.36.33

এই উপলক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শঙ্করলাল আগরওয়াল বলেন, “ইনফ্রাফিউশন কেবল একটি কোম্পানি নয়; এটি হলো কয়েক দশকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক আস্থা এবং অর্জিত শিক্ষার এক সার্থক পরিণতি। আমার মা, বিদ্যা দেবী আগরওয়াল-এর সহায়তা ছাড়া এই যাত্রাপথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব হতো না। তাঁর অদম্য শক্তি, মূল্যবোধ এবং অবিচল বিশ্বাস কেবল আমার জীবনকেই নয়, বরং এই প্রতিষ্ঠানের মূল চেতনা বা ‘ইথোস’-কেও গড়ে তুলেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো—গুণমান, সততা এবং নিরবচ্ছিন্ন উদ্ভাবনের মূলমন্ত্রে অবিচল থেকে—ওয়েল্ডার এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের সমাধান বা ‘সলিউশন’ প্রদানের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করে তোলা।”

ইনফ্রাফিউশনের লক্ষ্য হলো নির্ভরযোগ্য পরিষেবা এবং শক্তিশালী কারিগরি দক্ষতার সহায়তায় এমন সব পণ্য সরবরাহ করা, যা উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন এবং বিশ্বমানের মানদণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুত। সম্মিলিতভাবে ৬০ বছরেরও বেশি সময়ের নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই প্রতিষ্ঠানটি উদ্ভাবন, নির্ভরযোগ্যতা এবং উৎকর্ষ—এই তিনটি মূল মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হয়।৪৬ বছরেরও বেশি সময়ের ঐতিহ্য, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রকল্পে অংশগ্রহণ এবং প্রতিরক্ষা ও রেলওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর আস্থা অর্জন করে—ইনফ্রাফিউশন এখন ভারতের ওয়েল্ডিং ও শিল্প-বাস্তুতন্ত্রকে (ecosystem) এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে পুরোপুরি প্রস্তুত।

Continue reading
ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |
  • April 8, 2026

কলকাতা, ৭ই এপ্রিল, ২০২৬ : আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক সামাজিক বিঘ্নতা কা আইন ফেরত সরকার ইউজিসি রোলব্যাক মহাঅভিয়ান বিজয় কৌশিক সম্পাদক মহোদয়কে মূলনীতিতে জাতীয় সভাপতি শ্রী বিজয় কৌশিক জির নেত্রে দেশব্যাপি জন জাগরণ অভিযান প্রেস কথোপকথন প্রস্তাবিত ইউজিসি আইন কোজ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভারী অসমতোষ ব্যাপ্ত হচ্ছে 13 জানুয়ারী থেকে জানুয়ারিতে এই বিষয়ের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং সরকার এই আইনের পুনর্বিবেচনা করার জন্য আমরা চাই কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোন পালন করা হয় না কি করা হয়েছে তাই মজবুর হোকর দেশব্যাপি জন জাগরণ অভিযান চলিয়া যায় সতর্কতা সৃষ্টি কর এবং আপনার গুরুত্বপূর্ণ অনুরোধ জানাতে তিনি সর্বোচ্চ আদালতকে ধন্যবাদ জানান ব্যবসায়িকভাবে বলা হয়েছে যে কেন্দ্র সরকার দ্বারা দেওয়া হয়েছে কিছু সময়ের মধ্যে সমাধানের প্রত্যাশা দেশের জনগণ করছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত সরকারকেও কোনো পজিটিভ রুখ দেখতে পাওয়া যায় না তারা সরকার থেকে সংলাপ স্থাপন করে প্রবর্তিত নিয়মকানুন আবারও গ্রহণ করে কিন্তু সরকার কি নমক কাজ কিতন কারণে আজ দেশকে সনা ভাইয়ের নামক কোন মজবুর করতে হবে। আজ পর্যন্ত কোন আন্দোলন হয়নি এবং সরকার আপনার ব্যাংক সাধনার খাতির কিছু রাজ্য নির্বাচনের কারণে দেশের জনগণের মোহরা তৈরি করা হয়েছে এই বিল থেকে জাতিকে মধ্য থেকে অনেক খাই বান্টেনে। কা কাজ হয়েছে এবংসনাতনকে সহজ করার কাজ করা হয়েছে দেশটির জনসাধারণ এই বিলের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ আমার দেশের জনগণ সননী এবং ঈশ্বরের রামকে মানতে হবে, তিনি কখনই এই আইনের সমর্থন করবেন এবং ভাই সে ভাই। উধার নিয়মে জড় থেকে খাড় ছুঁড়ে, তাই সরকার থাকবেন এই বিল এই ইউজিসি এর রেকর্ডটি রোলব্যাক করুন কোন দেশ এবং প্রকাশ হবে।

WhatsApp Image 2026 04 08 at 01.41.23

কৌশিক জি বলেছে যে দেশকে যুবকের ভবিষ্যতের সাধারণ শ্রেণির কাছে হার বার সরকারকে দেওয়া হয়েছে তাকে নোটবন্দী করে করোনার মতো পরিস্থিতিও সঙ্গে দেওয়া আছে কিন্তু সরকার সাধারণ শ্রেণির জন্ম অপরাধী কা ঠাপ লাগাতে তারা আপনাকে দেয় তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এই আন্দোলনের মাধ্যম থেকে ইচ্ছাগুলোকে লোকতান্ত্রিক পদ্ধতি থেকে রাখছে আছে, তারা স্থানীয় লোকদের থেকে আপিলের এই আইনের পূর্বজোট ঘোষণা করে দেশকে বিরোধিতা করে দেশকে বিরোধিতা করে জাতিসত্তা ও সনাতন ও স্বাধীনতার স্বাধীনতার আইনকে এই রোব্যাক করতে হবে না তা সরকারের কোনো রাষ্ট্র উগ্র আন্দোলন হতে পারে। পরিষ্কারভাবে বলেছে যে একই রকমের ভবিষ্যত পরের পর আমরা চুপ না বন করতে পারি। এটা দেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্ন আছে, দেশের সাধারণ অবস্থা স্বাভাবিক শান্তির সাথে থাকে, নোটবন্দী হয়, বন্দী হয়, যেমন দেশের শান্তির সাথে সংঘটিত সমাজের সকল মমীশদের এবং সমাজ থেকে আবাহন উঠো জাগো এবং আপনার হক মঙ্গল এখনও করতে পারে না বুলন্দ, আমাদের হক মাঙ্গতে। না কোন থেকেও চাই পছন্দের নারোরা থেকে গুঞ্জা মহৌল দেশের আজাদীর পরে ৮ মার্চ ২৬ গিফ্টারিয়ান দিন হয়েছে এবং গ্রুপের ইনক্লাব জিন্দবাদ নারে হয়েছে আমরা রামলীলা হাইরন্দর প্রদর্শনী কে গিফট থি এবং লক্ষকে লক্ষ লোককে রোখা হয়েছে, বিরাজের বিরুদ্ধে দেশহার, সহ অন্যান্য রাজ্যে ইউজিসি বিলপি আন্দোলনের বিরুদ্ধে। সরকারের সময় কো ইউজিসি কালে আইন রোলব্যাক করা জাতীয় হবে হিন্দু মহাসভার জাতীয় মহা সুর যোগেশ শর্মা জি বলেছেন যে কৌশিক জিকে সারা দেশে অনেক জায়গায় যেতে হবে , সংবর্ধিত নৈত্যক ব্যক্তিত্বশীলতা কি তিনি আপনার সন্তানের নেতৃত্বে আছেন ভুবিষ্যৎ এর জন্য অগ্রগতি ইউজিসি রোলব্যাক মহাজন যোগাযোগে বাতি অংশ নিতে এবং সরকারকে তার কাছে একজুট হয়ে উঠার জন্য কোনো চাপ তার আওয়াজকে বুলন্দ করুন। আপনি আমাদের দেশে আসতে পারেন এবং কোনো দেশও খাই না এবং সমরতা বনী। প্রেস কথোকথনে আশিষ গুপ্তা, বেদ আলো দীক্ষিত, নীতা শর্মা, রবিন্দ্র নরুকা, মেঘাশ্রী সুজিত রায়, কিশন বান,এবং অন্যান্য লোকের প্রেসার সংবিধান করা হয়েছে।

Continue reading
আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |
  • April 8, 2026

কলকাতা, ৭ই এপ্রিল, ২০২৬ : ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চ আজ কলকাতা প্রেস ক্লাবে ২০২৬ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের বৈশ্বিক থিম “স্বাস্থ্যের জন্য ঐক্য: বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” (Together for Health: Stand with Science) শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ বছরের কর্মসূচিতে অটিজম সচেতনতা মাসকেও যুক্ত করা হয়েছে, যা নিউরো-ইনক্‌লুসিভ (স্নায়বিক বৈচিত্র্যময়) স্বাস্থ্যসেবাকে একটি মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছে। এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন আইএমএ-র অনারারি স্টেট সেক্রেটারি তথা প্রাক্তন ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ডাঃ শান্তনু সেন এবং স্টেট প্রেসিডেন্ট ডাঃ চন্দন কুমার ঘোষাল।অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ “বিজ্ঞান ও মানবতার মেলবন্ধন”: শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা আধুনিক চিকিৎসায় প্রমাণ-ভিত্তিক পদ্ধতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের সামাজিক নেতা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়, যাতে তাঁরা নিউরোডাইভারজেন্ট (স্নায়বিক বৈচিত্র্যসম্পন্ন) ব্যক্তিদের পরিবারকে সঠিক পথ দেখাতে পারেন।অটিজম সচেতনতা পোস্টার উন্মোচন: আইএমএ বেঙ্গল ২০২৬ সালের অটিজম সচেতনতা মাসের জন্য বিশেষ পোস্টার উন্মোচন করে। “অটিজম ও মানবিকতা – প্রতিটি জীবনের মূল্য আছে”-এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে পোস্টারটিতে রামধনু প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিছক সচেতনতা থেকে প্রকৃত সামাজিক স্বীকৃতির বার্তা দেয়।স্বাস্থ্য সাংবাদিকদের সংবর্ধনা: ভুল স্বাস্থ্য তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিয়ে, বিজ্ঞান-ভিত্তিক তথ্য প্রচারের জন্য বিশিষ্ট স্বাস্থ্য সাংবাদিকদের সংবর্ধনা জানানো হয়।বিজ্ঞান-ভিত্তিক স্বাস্থ্যের শপথ: অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকলে #StandWithScience বা বিজ্ঞানের পক্ষে থাকার শপথ নেন। সদস্যরা অঙ্গীকার করেন যে, প্রতিটি ব্যক্তির মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা হবে এবং অটিজম আক্রান্তদের জন্য হাসপাতাল ও চিকিৎসা পরিষেবা আরও সহজ ও বন্ধুত্বপূর্ণ করে তোলা হবে।উদ্বোধনী অধিবেশনে ডাঃ শান্তনু সেন বলেন, “ডিজিটাল যুগে ভুল তথ্যের ভিড়ে মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় আমাদের বিজ্ঞানের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে। আমাদের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে স্বাস্থ্য পরিষেবা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। চিকিৎসকদের সামাজিক নেতা হিসেবে অটিজম আক্রান্তদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”আইএমএ বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চ “ওয়ান হেলথ” (One Health) দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বাসী, যেখানে মানুষ, প্রাণী এবং পরিবেশের স্বাস্থ্য একে অপরের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত।

Continue reading
অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ উন্মোচন করল ‘ধড়কন’ (DHADKAN): সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী হৃদরোগের অস্ত্রোপচার |
  • April 6, 2026



কলকাতা, ৬ই এপ্রিল ২০২৬: অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ তাদের অন্যতম প্রধান কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) উদ্যোগ ‘ধড়কন’ (DHADKAN)-এর সূচনা করল। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জন্মগত হৃদরোগে (CHD) আক্রান্ত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ অর্থায়নে হৃদরোগের অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা।
অম্বুজা নিওটিয়া হেলথকেয়ার ভেঞ্চার লিমিটেডের প্রধান শিশুচিকিৎসা বিষয়ক সম্মেলন ‘NEOPEDICON’-এর মঞ্চে এই উদ্যোগটি উন্মোচিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অম্বুজা নিওটিয়া হেলথকেয়ার ভেঞ্চার লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব প্রদীপ লাল মেহতা; জয়েন্ট প্রেসিডেন্ট ও সিওও (COO) শ্রীমতি রুমা ব্যানার্জি; এবং নিউ টাউনে অবস্থিত ‘নিওটিয়া ভাগীরথী ওমেন অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার’ (NBWCCC)-এর ফ্যাসিলিটি ডিরেক্টর ও কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. ইন্দ্রাণী সুব্রহ্মণ্যম। এই উদ্যোগের আওতায় শিশুদের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা এবং অস্ত্রোপচারের যাবতীয় কার্যক্রম নিউ টাউনের NBWCCC-তেই সম্পন্ন হবে।
জন্মগত ত্রুটিগুলোর মধ্যে ‘জন্মগত হৃদরোগ’ (CHD) অন্যতম বহুল প্রচলিত একটি সমস্যা; অথচ অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের অনেক শিশুই সময়মতো এবং বিশেষায়িত হৃদরোগ চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকে। প্রাথমিক রোগ নির্ণয় এবং জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার মধ্যে বিদ্যমান এই গুরুতর ব্যবধানটি অনুধাবন করেই অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ ‘ধড়কন’ উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে। এটি গ্রুপের অন্যতম প্রধান একটি ‘সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিকারী কর্মসূচি’ (Social Impact Programme), যা জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য হৃদরোগের অস্ত্রোপচারের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিবেদিত। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রুপটি রোগ শনাক্তকরণ এবং সময়োপযোগী চিকিৎসার মধ্যকার ব্যবধান ঘুচিয়ে ফেলার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে আরও বেশি সংখ্যক শিশু সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা সেবাটি পেতে পারে। অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপের যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক পার্থিব নিওটিয়া বলেন, “’ধড়কন’ (Dhadkan) এমন একটি অঙ্গীকারের প্রতিফলন, যা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ধারণ করি—আর তা হলো, কোনো শিশুর জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার সুযোগ যেন কখনোই তার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে সীমাবদ্ধ না হয়ে পড়ে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, প্রতিটি শিশুরই একটি সুস্থ ও পরিপূর্ণ জীবন যাপনের অধিকার রয়েছে। অথচ, অগণিত পরিবারের কাছেই জীবনরক্ষাকারী হৃদরোগ চিকিৎসার সুযোগ আজও অধরাই রয়ে গেছে। ‘ধড়কন’-এর মাধ্যমে আমরা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে হৃদরোগের অস্ত্রোপচার বা সার্জারির ব্যবস্থা করতে চাই; এর লক্ষ্য হলো—আর্থিক সীমাবদ্ধতা যেন কখনোই কোনো শিশুর হৃদস্পন্দনের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, তা নিশ্চিত করা। এটি কেবল একটি কর্মসূচিই নয়, বরং এটি আমাদের একটি অঙ্গীকার—যেখানে আশা ম্লান হয়ে আসছে, সেখানে নতুন করে আশার সঞ্চার করা; পরিবারগুলোর সবচেয়ে সংকটময় মুহূর্তে তাদের পাশে এসে দাঁড়ানো; এবং একটি সহজ অথচ গভীর বিশ্বাসকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা—আর তা হলো: যখন জীবনটাই বিপন্ন, তখন কোনো শিশুরই যেন চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না করা হয়।”
অম্বুজা নিওটিয়া হেলথকেয়ার ভেঞ্চার লিমিটেড আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় সিম্পোজিয়াম ‘নিওপেডিকন ২০২৬’ (Neopedicon 2026)-এ উন্মোচিত ‘ধড়কন’ প্রকল্পটি এই গ্রুপের রোগী-কেন্দ্রিক, নৈতিক এবং অত্যাধুনিক স্বাস্থ্যসেবার প্রতিশ্রুতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রুপটি সমাজের আর্থ-সামাজিক স্তরে গভীরভাবে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারের শিশুদের কাছেও অত্যন্ত জরুরি ও জটিল চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের দক্ষতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অপূর্ব সমন্বয়ের মাধ্যমে এই উদ্যোগটির লক্ষ্য হলো—স্বাস্থ্যসেবার ফলাফল উন্নত করা, চিকিৎসা প্রাপ্তি ও সামর্থ্যের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যবধান দূর করা, জন্মগত হৃদরোগের চিকিৎসার অভাবজনিত বোঝা লাঘব করা এবং সমগ্র পূর্ব ভারতে শিশু-হৃদরোগ চিকিৎসার পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করে তোলা।

Continue reading

মিস করে যাওয়া

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত দলের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন শুভেন্দু অধিকারী।
মণিপাল হসপিটালস কলকাতার উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে শিল্প, সংগীত ও কবিতার মেলবন্ধনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন |
থ্যালাসেমিয়ারোগীদেরজন্যসমন্বিতপরিষেবারলক্ষ্যেমণিপালহসপিটালসমুকুন্দপুরক্লাস্টারেচালুহলোবিশেষথ্যালাসেমিয়াক্লিনিকওডেকেয়ারওয়ার্ড |
জেআইএসসিই-তে আয়োজিত হলো জেআইএসটেক ২ কে ২৬ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রদর্শনী |
কলকাতা লেডিস লিগ এই উদ্যোগটি মহিলাদের একত্রিত করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে সমর্থন, সম্প্রসারণ ও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।
ডিসান হাসপাতালের উদ্যোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার দপ্তরে শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং বয়স্কদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হুইল চেয়ার প্রদান।