লেটেস্ট স্টোরি
প্রতিটি হৃদ্‌স্পন্দন হোক সুস্থ ও শক্তিশালী মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ায় হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্মেলন |PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে শিল্পখাতের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরল |শিশুদের জন্য ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করতে রোটারি ক্লাবগুলোর সম্মিলিত প্রয়াস |কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহ 2026 পালন করল এসোসিয়েশন অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া।উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা ও রোবোটিক CABG-এর ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য উদযাপনে শীর্ষস্থানীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে সুস্থ হওয়া রোগীদের এক বিশেষ মিলনমেলার আয়োজন করল দিশান হাসপাতাল |কেন্দ্রীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়া উন্নয়নের পর্যালোচনা এবং তৃণমূল স্তরে খেলাধুলার প্রসার ও ক্রীড়াবিদদের অগ্রগতির পথ সুগম করতে ‘সাই’-এর সহায়তার আশ্বাস |দূর্গা পূজা ও কালী পূজা থেকে দীপাবলি এবং ভাইফোঁটা, দ্য বডি শপের প্রি-প্যাকড গিফট সেটগুলি প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত উপহার |JIS গ্রুপ SurTech-এর শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এল যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পরিচালিত অত্যাধুনিক AR-VR শিক্ষা কার্যক্রম |দুর্গাপুজোর নেপথ্যের শিল্পীদের সম্মান জানাল মণিপাল হসপিটাল কলকাতা‘পুজোর রূপকার ২.০’-এর মাধ্যমে |

মেন স্টোরি

আজকের আপডেট

প্রতিটি হৃদ্‌স্পন্দন হোক সুস্থ ও শক্তিশালী মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ায় হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্মেলন |
  • September 23, 2026


কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: হৃদ্রোগের উপসর্গ অনেক সময় উপেক্ষিত হওয়ায় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় দেরি হয়, যার ফলে বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে হৃদ্রোগ। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ভারতের অন্যতম বৃহৎ স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা মণিপাল হসপিটালস গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া বিশ্ব হৃদ্দিবস, ২৯ সেপ্টেম্বরের প্রাক্কালে আয়োজন করল ‘হার্ট অব ইনোভেশন কার্ডিয়াক সামিট’। অনুষ্ঠানে হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন ধরনের হৃদ্রোগের চিকিৎসা ও প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সুস্থ হয়ে বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এমন একাধিক হৃদ্রোগী অংশগ্রহণ করেন। রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি, এই সম্মেলনে হৃদ্রোগের পরিবর্তিত চিত্র নিয়ে হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ এবং রোগীদের মধ্যে মতবিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ তৈরি হয়।
২০২৬ সালের বিশ্ব হৃদ্দিবসের মূল বার্তা “ডোন্ট মিস আ বিট”-এর মাধ্যমে হৃদ্রোগের সতর্কতামূলক লক্ষণগুলি চিহ্নিত করা এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ার বিশিষ্ট হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ প্রকাশ কুমার হাজরা, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধান – কার্ডিওলজি, ডাঃ সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, ডাঃ সুপ্রতীপ কুণ্ডু, ডাঃ সৌম্য কান্তি দত্ত, ডাঃ প্রদীপ ভৌমিক, কনসালট্যান্ট – ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি এবং ডাঃ কৌশিক মুখার্জি, কনসালট্যান্ট – কার্ডিওথোরাসিক অ্যান্ড ভাসকুলার সার্জারি-কে নিয়ে একটি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার মূল বিষয় ছিল হৃদ্রোগের ক্রমশ অবনতি হয়ে কীভাবে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া দুর্বলতা বা হার্ট ফেলিওরের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। হৃদ্স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা রাজেশ শর্মা এবং কলকাতার বিশিষ্ট মডেল ও অভিনেতা দীপাঞ্জন বসাক।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় অংশগ্রহণকারীদের জন্য সিপিআর প্রশিক্ষণ দিয়ে। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন ডাঃ অশোক মিশ্র, কনসালট্যান্ট – জরুরি চিকিৎসা বিভাগ। এরপর ঢাকুরিয়া হাসপাতালের হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে “হার্ট অ্যাটাক ধীরে ধীরে হার্ট ফেলিওরে পরিণত হওয়া কি এক মহামারির রূপ নিচ্ছে?” বিষয়ের উপর একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি, হৃদ্রোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করার লক্ষ্যে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বও আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য হৃদ্স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যেখানে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন উপস্থিত সকলে এবং সঠিক উত্তরদাতাদের পুরস্কৃত করা হয়।

WhatsApp Image 2026 09 23 at 19.52.17

মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া হৃদ্রোগের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখানে ২৪ ঘণ্টার জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা, অত্যাধুনিক ক্যাথ ল্যাবরেটরি, লেজার অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, ট্যাভি, টাভর, টেভার, লিডলেস পেসমেকার, ইন্ট্রাভাসকুলার শকওয়েভ ওরবিটাল রোটেশনাল অ্যাব্লেশন, পালসড ফিল্ড অ্যাব্লেশন, মিনিমালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি, করোনারি আর্টারি বাইপাস সার্জারি এবং জন্মগত হৃদ্যন্ত্রের ত্রুটি সংশোধনের মতো উন্নত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার পরিষেবা উপলব্ধ রয়েছে।
আলোচনায় ডাঃ প্রকাশ কুমার হাজরা বলেন, “ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি জটিল হৃদ্রোগের চিকিৎসার পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছে। এর মাধ্যমে আরও নির্ভুলভাবে বহু রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই প্রচলিত ওপেন-হার্ট সার্জারির প্রয়োজন এড়ানো যায়। উন্নত অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি ও স্টেন্ট বসানোর পদ্ধতি থেকে শুরু করে নতুন ধরনের ক্যাথেটার-নির্ভর চিকিৎসা—এই ক্ষেত্রটি ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে। তবে যেকোনও চিকিৎসা পদ্ধতির সাফল্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ রোগের উপসর্গ দ্রুত চিহ্নিত করা এবং সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন সময়ে চিকিৎসা শুরু করা, যাতে হৃদ্যন্ত্রে স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায় এবং হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়।”
ডাঃ কৌশিক মুখার্জি বলেন, “হৃদ্যন্ত্রের অস্ত্রোপচারও গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। নতুন প্রযুক্তি ও চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্যে উপযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে জটিল অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে। কার্ডিওথোরাসিক ও ভাসকুলার সার্জারির ক্ষেত্রে ন্যূনতম আক্রমণাত্মক অস্ত্রোপচার এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার রোগীর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং অস্ত্রোপচারের শারীরিক প্রভাবও কমিয়ে আনতে সাহায্য করছে। আমাদের লক্ষ্য শুধু রোগের কার্যকর চিকিৎসা করা নয়, রোগী যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করা। হৃদ্রোগের চিকিৎসা ক্রমশ উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সময়মতো চিকিৎসা, উন্নত অস্ত্রোপচার পদ্ধতি এবং অস্ত্রোপচারের পর সামগ্রিক পরিচর্যার সমন্বয়ে একটি বহুমুখী চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।”
মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ার হাসপাতাল ডিরেক্টর শ্রী দিলীপ কুমার রায় বলেন, “হার্ট অব ইনোভেশন কার্ডিয়াক সামিট’-এর মাধ্যমে আমরা হৃদ্স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে রোগীকে রাখতে চেয়েছি। হৃদ্যন্ত্রের বিভিন্ন চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এমন রোগীদের উপস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে উন্নত হৃদ্রোগ চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হল মানুষকে তাদের প্রিয় ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেওয়া। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা তৈরি করতে চাই, যাতে তাঁরা সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেন এবং নিজেদের হৃদ্স্বাস্থ্যের প্রতি আরও সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।”

Continue reading
PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে শিল্পখাতের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরল |
  • September 23, 2026


কলকাতা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: পিএইচডি চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (PHDCCI)-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সম্প্রতি কলকাতার লোক ভবনে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী আর. এন. রবির সাথে সাক্ষাৎ করেছে। এই প্রতিনিধিদলের যৌথ নেতৃত্বে ছিলেন শ্রী বিনোদ দুগার (চেয়ার – PHDCCI পূর্ব অঞ্চল ও চেয়ারম্যান, আরডিবি গ্রুপ; যিনি কলকাতায় মালাউই প্রজাতন্ত্রের অনারারি কনসালও বটে) এবং শ্রী ভাবেন কামদার (চেয়ার – PHDCCI পশ্চিমবঙ্গ শাখা)। এই বৈঠকে বিশিষ্ট শিল্পনেতা এবং PHDCCI-এর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা পশ্চিমবঙ্গের বিনিয়োগ পরিবেশ, শিল্পগত প্রতিযোগিতা-সক্ষমতা এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বৃদ্ধির মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রতিনিধিদলে আরও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন সিএ বিকাশ পারখ (সহ-চেয়ার, PHDCCI পশ্চিমবঙ্গ শাখা), শ্রী অরুণ সাঞ্চেতি (পরিচালক, পিএস গ্রুপ), শ্রী সিদ্ধার্থ পানসারি (পরিচালক, প্রাইমার্ক গ্রুপ), শ্রী অপূর্ব সালারপুরিয়া (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সালারপুরিয়া গ্রুপ), শ্রী পবন ধুত (এমডি, ধুত গ্রুপ) এবং শ্রী বজরং বামালওয়া (পরিচালক, নেমিচাঁদ বামালওয়া অ্যান্ড সন্স)-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট শিল্প প্রতিনিধিরা।

DSC

সরকার ও শিল্পের মধ্যে আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে PHDCCI পূর্ব অঞ্চলের চেয়ার ও আরডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী বিনোদ দুগার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের রয়েছে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক শক্তি, কৌশলগত ভৌগোলিক সুবিধা, সমৃদ্ধ মেধা-ভাণ্ডার এবং বৈচিত্র্যময় শিল্প-কাঠামো। পূর্ব ভারতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা এই রাজ্যের রয়েছে। PHDCCI-তে আমাদের লক্ষ্য হলো সরকার ও শিল্পের মধ্যে অর্থবহ আলোচনার পথ সুগম করা এবং এমন একটি অনুকূল পরিবেশ বা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা যা বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা-সৃষ্টি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে। বাংলার প্রবৃদ্ধির যাত্রায় অবদান রাখতে এবং ‘পূর্বাঞ্চল ও তার বাইরের প্রবেশদ্বার’ হিসেবে রাজ্যের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” পিএইচডিসিআই (PHDCCI)-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার চেয়ারম্যান শ্রী ভাবেন কামদার আশ্বাস দিয়ে বলেন, “বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা-সক্ষমতা জোরদার এবং খাত-ভিত্তিক উন্নয়নের পথ সুগম করতে সরকার, শিল্পসংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং বৃহত্তর ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করতে পিএইচডিসিআই-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার ও শিল্পমহলের মধ্যে ধারাবাহিক ও সুসংহত আলোচনা বাংলার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে অধিকতর বিনিয়োগ, নতুন শিল্পোদ্যোগ, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।”
পিএইচডিসিআই বিশ্বাস করে যে, সরকার, শিল্পমহল, উদ্যোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজনদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব পশ্চিমবঙ্গে একটি অধিকতর গতিশীল, প্রতিযোগিতামূলক এবং উদ্ভাবন-চালিত অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বৃহৎ শিল্প, এমএসএমই (MSME), স্টার্টআপ এবং উদীয়মান উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make in India)-র বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখতে সক্ষম এমন সব উদ্যোগকে সহায়তা করা এবং সুসংহত আলোচনার আয়োজন করার বিষয়ে এই চেম্বার সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Continue reading
শিশুদের জন্য ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করতে রোটারি ক্লাবগুলোর সম্মিলিত প্রয়াস |
  • September 22, 2026

কলকাতা: রোটারি ক্লাব অফ সল্ট লেক মেট্রোপলিটন কলকাতা, রোটারি ক্লাব অফ সেন্ট্রাল ক্যালকাটা এবং রোটারি ক্লাব অফ গ্রিন অ্যান্ড পুটনাম কাউন্টিজ, আন্তর্জাতিক রোটারি ক্লাব এবং অ্যালায়েন্স ফর স্মাইলস-এর সহযোগিতায় ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করেছে। এটি একটি মানবিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য হলো ঠোঁট কাটা রোগের শল্যচিকিৎসার মাধ্যমে অভাবী শিশুদের মুখে হাসি, আত্মবিশ্বাস এবং আশা ফিরিয়ে আনা।এই উদ্যোগে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রাক্তন পরিচালক রোটেরিয়ান অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ২০২৬-২৭ সালের ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর রোটেরিয়ান তাপস ভট্টাচার্য; ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর মনোনীত রোটেরিয়ান ব্রতিন্দো মল্লিক এবং ডিজিএসসি রোটেরিয়ান বিনোদ খৈতান।

WhatsApp Image 2026 09 22 at 11.01.37

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রোটারি ক্লাব অফ সল্ট লেক মেট্রোপলিটন কলকাতার প্রাক্তন সভাপতি ডঃ অরুণা তাতিয়া বলেন, “প্রজেক্ট মুসকান শুধু অস্ত্রোপচার নিয়ে নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, মর্যাদা এবং আশা ফিরিয়ে আনার একটি প্রয়াস। প্রতিটি শিশুরই দ্বিধা ছাড়াই হাসার সুযোগ পাওয়া উচিত, এবং রোটারি ও আমাদের চিকিৎসা সহযোগীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা তা সম্ভব করে তুলতে পারব বলে আশা করি।”অ্যালায়েন্স ফর স্মাইল-এর মিশন ডিরেক্টর, রোটারিয়ান পিডিজি টিনা ফিঞ্চলিন বলেন, “অনিরুদ্ধের সাথে কাজ করাটা সবসময়ই আনন্দের। আমাদের বহু বছরের সহযোগিতার সময়ে, আমরা জিএসই টিম গঠন এবং মেডিকেল মিশন পরিচালনাসহ অসংখ্য প্রভাবশালী উদ্যোগের নেতৃত্ব দিয়েছি এবং রোটারি ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন হিসেবে তাঁর অব্যাহত নেতৃত্ব দেখে আমরা গর্বিত।”

এই প্রকল্পটি ভারত ও বিদেশের রোটারি ক্লাবগুলোকে, চিকিৎসা ও সামাজিক সহযোগীদের সাথে একত্রিত করে, ঠোঁট কাটা সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের জন্য সংশোধনমূলক অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করে। রোটারিয়ান উৎপল মজুমদার, রোটারিয়ান স্কারিয়া জোস, রোটারিয়ান… এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে পিডিজি টিনা ফিঞ্চলিন এবং এস.ভি.এস. মারোয়ারি হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট জনাব এস.ভি.এস. সেক্সারিয়াও উপস্থিত ছিলেন।

“একটি হাসি উপহার দিন, একটি জীবন বাঁচান” এই মূলমন্ত্র নিয়ে প্রজেক্ট মুসকান স্বাস্থ্যসেবা, সহানুভূতি এবং মানবিক সেবার প্রতি রোটারির অঙ্গীকারকে একত্রিত করে মানুষের জীবন পরিবর্তন করতে চায়।

Continue reading
কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহ 2026 পালন করল এসোসিয়েশন অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া।
  • September 20, 2026

কলকাতা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬:প্রতি বছর ২১শে থেকে ২৭শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহ হিসাবে পালিত হয় ও এই সপ্তাহের শেষ রবিবারকে বিশ্ব বধিরতা দিবস হিসাবে পালন করা হয়। এই উপলক্ষে, অ্যাসোসিয়েশন অফ অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া (AOI), কলকাতা শাখার পক্ষ থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে শ্রবণশক্তি হ্রাসের সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ এবং সময়মতো চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শ্রবণশক্তি যোগাযোগ, শিক্ষা, পেশাগত উন্নয়ন এবং সামাজিক অংশগ্রহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। AOI, পশ্চিমবঙ্গের সদ্য প্রাক্তন সভাপতি ডা উৎপল জানা বলেন, “শ্রবণশক্তি হ্রাস গ্রায় ক্ষেত্রে বোঝা যায় না, কিন্তু এর পরিণতি হয় সুদূরপ্রসারী। প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্তকরণ, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে, একজন মানুষের পুরো জীবনই বদলে দিতে পারে। কিন্তু বাস্তবে, শিশুদের মধ্যে অনেক সময়েই শ্রবণশক্তি হ্রাস প্রায়ই অসনাক্ত বা চিকিৎসাহীন থেকে যায়।”

“প্রাথমিক পর্যায়ে কম শুনতে পাওয়ার বিষয়টা ধরতে পারলে জীবন বদলে যেতে পারে,” বললেন অ্যাসোসিয়েশন অফ অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া (AOI)-এর সর্বভারতীয় সদ্য প্রাক্তন সভাপতি ডাঃ দ্বৈপায়ন মুখার্জি। ডাঃ মুখার্জির মতে, শিশুদের ক্ষেত্রে জন্মের সময় এবং শৈশবকালে শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করা অপরিহার্য, কারণ সনাক্ত না হওয়া শ্রবণশক্তি হ্রাস বাকশক্তি, ভাষা এবং শিক্ষাগত বিকাশকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে। প্রাপ্তবয়স্ক এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে, সময়মতো মূল্যায়ন যোগাযোগের অসুবিধা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং জীবনের মান হ্রাস রোধ করতে পারে।

WhatsApp Image 2026 09 20 at 13.01.34

AOI পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত সভাপতি ডাঃ শুভেন্দু কর বলেন যে, AOI, পশ্চিমবঙ্গ, সাধারণ মানুষকে উচ্চস্বরে গান শোনা, হেডফোন ব্যবহার, যানবাহনের শব্দ, শিল্প-কারখানার শব্দ এবং বাজির শব্দের অতিরিক্ত সংস্পর্শ সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছে। শব্দদূষনজনিত শ্রবণশক্তি হ্রাস অনেকাংশেই প্রতিরোধযোগ্য। মানুষের অপ্রয়োজনীয়ভাবে উচ্চ ভলিউমে শোনা এড়ানো উচিত এবং কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে উপযুক্ত শ্রবণ সুরক্ষা ব্যবহার করা উচিত।

AOI পশ্চিমবঙ্গের সম্পাদক ডাঃ অজয় খাওয়াস বলেন, “আমরা শ্রবণযন্ত্র এবং শ্রবণ পুনর্বাসনের সাথে যুক্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে চাই। শ্রবণযন্ত্র দুর্বলতা বা বার্ধক্যের লক্ষণ নয়; এটি যোগাযোগ, আত্মবিশ্বাস এবং উন্নত জীবনের একটি সেতু।” এটি এমন একটি সরঞ্জাম যা মানুষকে পরিবার, সমাজ এবং দৈনন্দিন জীবনের সাথে পুনরায় সংযুক্ত হতে সাহায্য করে। কক্লিয়ার ইমপ্লান্টের মতো আধুনিক শ্রবণ সমাধান এবং অন্যান্য পুনর্বাসন বিকল্পগুলি উল্লেখযোগ্য শ্রবণ প্রতিবন্ধকতাযুক্ত অনেক মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে।

AOI পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকে ডাঃ সৌমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিভাবকদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন যে, শিশুর শব্দে সাড়া না দেওয়া, কথা বলতে দেরি হওয়া, বারবার একই কথা শুনতে চাওয়া বা টেলিভিশনের ভলিউম বাড়িয়ে দেওয়ার মতো অভ্যাসগুলি তাঁরা যেন উপেক্ষা না করেন। একইভাবে, প্রাপ্তবয়স্করা কথোপকথন শুনতে অসুবিধা অনুভব করলে, বিশেষ করে কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে, তাদের শ্রবণশক্তি হ্রাসকে বার্ধক্যের স্বাভাবিক অংশ হিসাবে মেনে না নিয়ে একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

AOI-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহের মূল দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি আগামীকাল, ২১শে সেপ্টেম্বর, রবিবার, হুগলির চন্দননগরের আইএমএ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি ‘ওয়াক ফর দ্য ডেফ’ দিয়ে শুরু হবে এবং সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত বধির ব্যক্তিদের সংবর্ধনা, শ্রবণযন্ত্র বিতরণ এবং বধির ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশনা দিয়ে চলবে।

Continue reading
উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা ও রোবোটিক CABG-এর ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য উদযাপনে শীর্ষস্থানীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে সুস্থ হওয়া রোগীদের এক বিশেষ মিলনমেলার আয়োজন করল দিশান হাসপাতাল |
  • September 20, 2026

কলকাতা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬: হার্ট অ্যাটাক থেকে সুস্থ হওয়া প্রায় ১০ জন ব্যক্তি এবং শীর্ষস্থানীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে দেসুন হাসপাতাল একটি বিশেষ মিলনমেলার আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি হৃদরোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে আধুনিক অগ্রগতির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। ‘বিশ্ব হৃদ-স্বাস্থ্য মাস’ (World Heart Health Month) উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি হৃদরোগ বিষয়ক সচেতনতা ও সেবার প্রতি হাসপাতালের অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করে।

এই আলোচনার অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন এমন একজন রোগী যিনি রোবোটিক CABG সার্জারি করিয়েছিলেন এবং নিজের চিকিৎসা ও সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা সবার সাথে ভাগ করে নেন। এই সেশনটি রোগীর অভিজ্ঞতা জানার পাশাপাশি হৃদরোগের চিকিৎসায় উন্নত অস্ত্রোপচার পদ্ধতির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা সম্পর্কেও আলোকপাত করার সুযোগ করে দেয়।

উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন বিহারের ৬৪ বছর বয়সী রোগী জনাব আহমেদ কামাল। তাঁর হৃদপিণ্ডের তিনটি প্রধান ধমনীতেই গুরুতর সমস্যা (থ্রি-ভেসেল ডিজিজ) ধরা পড়েছিল, যার মধ্যে প্রধান ধমনীটিও (main artery) আক্রান্ত ছিল। পাশাপাশি তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তাল্পতা এবং দুর্বল হৃদপিণ্ডের সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল করার পর, তাঁর ‘রোবোটিক-অ্যাসিস্টেড মিনিমালি ইনভেসিভ বাইপাস সার্জারি’ করা হয়, যার মাধ্যমে রক্ত ​​চলাচলের দুটি নতুন পথ তৈরি করা হয়। সুস্থ হয়ে ওঠার সময় কিছু জটিলতা দেখা দিলেও, হাসপাতালের মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি বা বহু-বিভাগীয় চিকিৎসকের দল সফলভাবে তা মোকাবিলা করেন। অস্ত্রোপচারের পর প্রথম দিন থেকেই তিনি নিজে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সক্ষম হন এবং নবম দিনের মাথায় তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল হয়ে ওঠে।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, শুরুতে রাত ৯টার দিকে তাঁর বুকে হালকা ব্যথা ও কাশি অনুভূত হয় এবং বোনের পরামর্শে চিকিৎসার জন্য তিনি কলকাতায় আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁর পরিবারকে তাঁকে দেসুন হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, হাসপাতালে আসার পর থেকে তিনি কখনোই নিজেকে কেবল একজন ‘রোগী’ বলে মনে করেননি; বরং তিনি এখানকার সেবা, চিকিৎসা ও পরিষেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আরও বলেন, অস্ত্রোপচারের পর খুব সামান্য ব্যথা অনুভূত হওয়ায় তাঁর মনেই হয়নি যে বড় কোনো অপারেশন হয়েছে। তিনি অত্যন্ত ভালো বোধ করছেন এবং পুরো চিকিৎসা দলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

20260919

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কার্ডিওলজি বিভাগের ডিরেক্টর ডা. সঞ্জীব পাত্র; ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. অভিক কারক, ডা. বিয়াস সামন্ত ও ডা. সুদেব মুখার্জি; এবং সিটিভিএস (CTVS) কনসালট্যান্ট ডা. সৌম্যজিৎ ঘোষ। এবং সিটিভিএস (CTVS) পরামর্শক ডা. ঝুলনা কে. জেনা, যিনি হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে যাওয়া রোগীদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং হার্ট অ্যাটাক ব্যবস্থাপনা, সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া ও উন্নত কার্ডিয়াক চিকিৎসার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেসুন হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের পরিচালক ডা. সঞ্জীব পাত্র বলেন, “হার্ট অ্যাটাক মানুষের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনতে পারে, তবে সময়মতো চিকিৎসা সহায়তা, সঠিক চিকিৎসা এবং নিয়মিত ফলো-আপ বা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। বেঁচে যাওয়া রোগীদের একত্রিত করার মাধ্যমে আমরা যেমন তাঁদের লড়াই ও অভিজ্ঞতার কথা জানতে পারি, তেমনি হৃদরোগের লক্ষণ বোঝা এবং দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কেও সচেতনতা গড়ে তুলতে পারি। ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি ও কার্ডিয়াক সার্জারির ক্ষেত্রে আধুনিক অগ্রগতি—যার মধ্যে রয়েছে নতুন সব ‘মিনিমালি ইনভেসিভ’ বা স্বল্প কাটাছেঁড়ার পদ্ধতি—উপযুক্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসার নতুন নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করছে।”এই মতবিনিময় সভায় হৃদরোগ ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা, দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্বের ওপরও আলোকপাত করা হয়। অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা হৃদরোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত ঘটে চলা পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা করেন এবং হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে যাওয়া রোগীরা তাঁদের চিকিৎসা ও সুস্থ হয়ে ওঠার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

দেসুন হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সজল দত্ত বলেন, “হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে যাওয়া প্রতিটি মানুষের মধ্যেই সাহস, সময়মতো চিকিৎসা এবং সুস্থ হয়ে ওঠার এক একটি গল্প লুকিয়ে থাকে। এই আয়োজনটি সেই গল্পগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরার এবং সহজলভ্য, সময়োপযোগী ও উন্নতমানের হৃদরোগ চিকিৎসার গুরুত্বকে প্রতিষ্ঠিত করার একটি প্রচেষ্টা। দেসুন হাসপাতালে আমরা আমাদের কার্ডিয়াক চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে রোগীদের জন্য আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি নিশ্চিত করতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”‘হার্ট অ্যাটাক সারভাইভারস মিট’ বা হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে যাওয়া রোগীদের এই মিলনমেলা উন্নত চিকিৎসা দক্ষতা এবং রোগীর সচেতনতা ও সহায়তার সমন্বয়ের গুরুত্বকে তুলে ধরে; পাশাপাশি এটি বেঁচে যাওয়া রোগীদের তাঁদের অভিন্ন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার একটি মঞ্চও প্রদান করে।

Continue reading
কেন্দ্রীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়া উন্নয়নের পর্যালোচনা এবং তৃণমূল স্তরে খেলাধুলার প্রসার ও ক্রীড়াবিদদের অগ্রগতির পথ সুগম করতে ‘সাই’-এর সহায়তার আশ্বাস |
  • September 17, 2026

কলকাতা | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬:কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে কলকাতার সল্টলেকে অবস্থিত স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (SAI)-র আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার ক্রীড়া পরিকাঠামো, ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নের সুবিধা ও সহায়তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শনকালে শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে নেতাজি সুভাষের আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর তিনি হকি মাঠ পরিদর্শন করেন এবং সেখানে প্রশিক্ষণার্থী ও প্রশিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের প্রশিক্ষণ, সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিযোগিতামূলক প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে মতামত নেন। তিনি জিমন্যাস্টিকস ও টেবিল টেনিসের ইনডোর বা অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া পরিকাঠামোও পরিদর্শন করেন এবং ক্রীড়াবিদ ও প্রশিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

শ্রীমতী খাড়সে ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগ পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ক্রীড়াবিদদের উন্নয়ন, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (কন্ডিশনিং), পুনরুদ্ধার (রিকভারি) এবং পারফরম্যান্স বা ক্রীড়া-নৈপুণ্য উন্নত করার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক সহায়তার ভূমিকা পর্যালোচনা করেন। এই মতবিনিময় সভায় ‘সাই’ কলকাতার আঞ্চলিক অধিকর্তা শ্রী শিবানন্দ মিশ্র-সহ ‘সাই’-এর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা, অলিম্পিয়ান শ্রীমতী সোমা বিশ্বাস ও শ্রীমতী পৌলমী ঘটক, ‘মাই ভারত’ (MY Bharat)-এর আঞ্চলিক অধিকর্তা শ্রী দেব কুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ভারতীয় মহিলা রাগবি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি উন্নত মানের প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত প্রতিযোগিতার সুযোগের পাশাপাশি ক্রীড়া বিজ্ঞান, পুষ্টি, পুনর্বাসন এবং পারফরম্যান্স সহায়তার সমন্বয় সাধনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী নতুন ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট ‘খেলো ইন্ডিয়া’ হোস্টেলটিও পরিদর্শন করেন এবং ক্রীড়াবিদদের জন্য গড়ে তোলা আবাসন ও সহায়তা পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন। এরপর তিনি তিরন্দাজি মাঠ ও অ্যাথলেটিক্সের পরিকাঠামো পরিদর্শন করেন; প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরিকাঠামো পরিদর্শনের পর, শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে ‘সাই’-এর আধিকারিকদের সঙ্গে আঞ্চলিক কেন্দ্রের কাজকর্ম নিয়ে একটি পর্যালোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন। এই সভায় ক্রীড়াবিদদের উন্নয়ন, পরিকাঠামো, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং সহায়তা ব্যবস্থার মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি তৃণমূল স্তরে খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি এবং তরুণ ক্রীড়াবিদদের উচ্চতর প্রতিযোগিতার স্তরে পৌঁছানোর পথ সুগম করার ক্ষেত্রে ‘সাই’-এর পক্ষ থেকে অব্যাহত সহায়তার আশ্বাস দেন।

শ্রীমতী খাদসে জোর দিয়ে বলেন যে, উন্নত পরিকাঠামো, বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ, মানসম্মত কোচিং এবং প্রতিযোগিতার অধিকতর সুযোগের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ ক্রীড়া সংস্কৃতি ও প্রতিভার ভাণ্ডারকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। তিনি তরুণ ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়াক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, প্রশিক্ষণ ও সহায়তা ব্যবস্থার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Continue reading
দূর্গা পূজা ও কালী পূজা থেকে দীপাবলি এবং ভাইফোঁটা, দ্য বডি শপের প্রি-প্যাকড গিফট সেটগুলি প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত উপহার |
  • September 17, 2026

ভারত, ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬: সারা দেশে উৎসবের মরশুম জমে ওঠার সাথে সাথে, আইকনিক ব্রিটিশ-উদ্ভূত নৈতিক সৌন্দর্যচর্চার জনপ্রিয় ব্র্যান্ড দ্য বডি শপ এই মিলনমুখর উৎসবের মরশুমের জন্য নিয়ে এসেছে বাছাই করা প্রি-প্যাকড গিফট সেটের একটি বিশেষ সংগ্রহ। কালজয়ী জনপ্রিয় বডি কেয়ার সামগ্রীর সঙ্গে বিলাসবহুল সুগন্ধের সমন্বয়ে তৈরি, এই প্রিয় পণ্যগুলি সারা বছরের প্রতিটি উদযাপনের জন্য সাবলীল এবং চিন্তাশীল উপহার হিসেবেও উপযুক্ত।

বিভিন্ন বাজেট ও পছন্দের কথা মাথায় রেখে তৈরি ব্র্যান্ডটির মূল গিফট বক্সগুলিতে রয়েছে এমন কিছু সিগনেচার কম্বিনেশন, যা দুর্গা পূজা দীপাবলি, কালী পূজা এবং ভাইফোঁটার সময়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করা বা একে অপরকে উপহার দেওয়াকে আরও সহজ করে তোলে। এই সংগ্রহে রয়েছে জনপ্রিয় জুটি যেমন আরামদায়ক কমফর্টিং নাটি শিয়া ডিলাইট, সতেজতা ও আনন্দে ভরপুর ফ্লোরাল ব্রিটিশ ব্লুম ডুয়ো, প্রাণবন্ত ভেরি বেরি ট্রিটস ডুয়ো, এবং প্রশান্তিদায়ক মিল্ক অ্যান্ড হানি ট্রিটস।

যাঁরা আরও একটু বিলাসবহুল উপহার দিতে চান, তাঁদের জন্য এই সংগ্রহে রয়েছে উৎসবের আবহের উপযোগী সমৃদ্ধ ও ভোজনবিলাসীদের নানা বিকল্প। এর মধ্যে রয়েছে আজওয়া ডেট অ্যান্ড হানি গিফট কালেকশন, যেখানে উষ্ণ ও মিষ্টি সুগন্ধের সঙ্গে একটি শাওয়ার জেল এবং ফ্র্যাগ্রেন্স মিস্ট-এর জুটি রয়েছে, এবং ভেলভেট ফিগ & পিস্টাচিও কালেকশন, যা অত্যন্ত ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য এক বডি কেয়ার অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

যাঁরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী উপহার সাজাতে চান, তাঁরা দ্য বডি শপের স্টোরে থাকা ক্রিয়েট ইয়োর ওন (CYO) কাস্টম গিফটিং পরিষেবার দিকে যেতে পারেন, যেখানে তাঁরা প্রাপকের পছন্দ অনুযায়ী নিজের হাতে বিভিন্ন পণ্যের বিশেষ কম্বিনেশন বেছে নিতে পারেন।

এই উৎসবের গিফটিং এডিট সারা দেশের সমস্ত দ্য বডি শপ স্টোরে এবং অনলাইনে thebodyshop.in-এ পাওয়া যাচ্ছে।

উৎসবের উপহারের বিশেষ আকর্ষণ

  1. নাটি শিয়া ডিলাইট (₹995): শিয়া শাওয়ার ক্রিম (60ml) এবং শিয়া বডি বাটার (50ml) যা ঘানার হাতে তৈরি কমিউনিটি ফেয়ার ট্রেড শিয়া বাটার সমৃদ্ধ, শুষ্ক ত্বকের জন্য এটি অত্যন্ত পুষ্টিদায়ক।
  2. ফ্লোরাল ব্রিটিশ ব্লুম ডুয়ো (₹905): ব্রিটিশ রোজ শাওয়ার জেল (60ml) এবং বডি বাটার (50ml) – এর সতেজ জুটি কোমল, ফুলেল আর্দ্রতা প্রদান করে।
  3. ভেরি বেরি ট্রিটস ডুয়ো (₹905): স্ট্রবেরি শাওয়ার জেল (60ml) এবং বডি বাটার (50ml)-এর এই ফলের সংমিশ্রিত জুটি মিষ্টি সুবাসের সঙ্গে ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে।
  4. মিল্ক অ্যান্ড হানি ট্রিটস (₹905): অ্যালমন্ড মিল্ক শাওয়ার ক্রিম (60ml) এবং এবং বডি বাটার (50ml) -এর এই সেটটি কোমলভাবে ত্বক পরিষ্কার করে এবং গভীর আর্দ্রতা প্রদান করে, সংবেদনশীল ত্বকের জন্য বিশেষ উপযোগী।

Continue reading
  • September 17, 2026

কলকাতা: নিউ টাউন সনাতনী দুর্গাপূজার আয়োজকরা বুধবার প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনে গত চার বছরে স্থান পেতে অসুবিধা এবং আইনি লড়াই সহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেছেন।

২০২২ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই পূজার উদ্বোধন করেন। আয়োজকদের মতে, পরবর্তী বছরগুলিতে পূজা আয়োজন করতে গিয়ে, বিশেষ করে একটি উপযুক্ত স্থান জোগাড় করতে, তাঁদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।আয়োজকরা দাবি করেছেন যে, নানা অসুবিধার কারণে এক পর্যায়ে তাঁরা একটি বাসস্ট্যান্ডে দুর্গাপূজা করতে বাধ্য হয়েছিলেন।আয়োজকরা দাবি করেছেন যে, স্থান সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এক পর্যায়ে তাঁরা একটি বাসস্ট্যান্ডে দুর্গাপূজা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। পূজা আয়োজনের বিষয়ে তাঁরা যে আইনি প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন এবং বারবার আদালতে গেছেন, সে কথাও তাঁরা জানিয়েছেন।বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা এ বছরের দুর্গাপূজা নিয়ে তাঁদের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন এবং জানিয়েছেন যে এটি আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে।সংবাদ সম্মেলনে সুব্রত গুপ্তের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়, যাঁকে আয়োজকরা পূজা কমিটির চেয়ারম্যান এবং একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আয়োজকেরা তাঁদের সম্পূর্ণ দলসহ পূজাটির চার বছরের যাত্রাপথ, তাঁদের সম্মুখীন হওয়া প্রতিবন্ধকতা এবং এ বছরের উদযাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।এ বছরের দুর্গাপূজা আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে বলে তাঁরা তাঁদের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন।সংবাদ সম্মেলনে সুব্রত গুপ্তের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়, যাঁকে আয়োজকরা পূজা কমিটির চেয়ারম্যান এবং মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।আয়োজকেরা তাঁদের সম্পূর্ণ দলসহ পূজাটির চার বছরের যাত্রাপথ, তাঁদের সম্মুখীন হওয়া প্রতিবন্ধকতা এবং এ বছরের উদযাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

Continue reading
JIS গ্রুপ SurTech-এর শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এল যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পরিচালিত অত্যাধুনিক AR-VR শিক্ষা কার্যক্রম |
  • September 17, 2026

কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: JIS গ্রুপের একটি শিক্ষা উদ্যোগ—’ডঃ সুধীর চন্দ্র সুর ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড স্পোর্টস কমপ্লেক্স’ (SurTech)—নতুন দিল্লিতে অবস্থিত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি সেকশন’-এর সহায়তায় ‘ইয়াং ইনোভেটরস স্টেম ল্যাব’ (YISL)-এর অধীনে অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) বিষয়ক একটি কর্মশালার আয়োজন করে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে কাজের মাধ্যমে উদীয়মান প্রযুক্তিগুলো সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিয়ে তাদের মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি, সৃজনশীলতা এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক STEM শিক্ষার প্রসার ঘটানো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইন্দো-ইউএস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ফোরাম (IUSSTF)-এর অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান বিজ্ঞান কর্মকর্তা ডঃ চৈতালি ভট্টাচার্য; IUSSTF-এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শ্রীমতী প্রিয়া থমাস; STEAM Varsity-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা শ্রী ধরম রাজ পানওয়ার; JIS গ্রুপের SurTech-এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক (ডঃ) সরদিন্দু পান্ডা এবং STEAM Varsity-র প্রশিক্ষকবৃন্দ।

এই কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা AR/VR ডেভেলপমেন্ট, WebXR, থ্রি-ডি (3D) পরিবেশ, ইমার্সিভ টেকনোলজি এবং মেটা কোয়েস্ট (Meta Quest) হেডসেট ব্যবহারের বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করে। এছাড়া তারা ‘ডিজাইন থিংকিং’, প্রোটোটাইপিং এবং দলগতভাবে সমস্যা সমাধানের কার্যক্রমে অংশ নেয়, যা তাদের ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তিগুলো অন্বেষণের সুযোগ করে দেয়।

JIS ড্রোন একাডেমি (RPTO)-র সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচিটি উদীয়মান প্রযুক্তি এবং শিল্প-কেন্দ্রিক ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এই কর্মশালাটি STEM শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক শিক্ষার প্রসারে JIS গ্রুপ ও SurTech-এর অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের উপযোগী দক্ষতায় গড়ে তোলা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে JIS গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সিমারপ্রীত সিং বলেন, “JIS গ্রুপে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের উদীয়মান প্রযুক্তি এবং শিল্পক্ষেত্রের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে অর্থবহ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা তাদের সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ও উদ্ভাবনকে গ্রহণ করতে এবং বাস্তব বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনে উৎসাহিত করি; এর মাধ্যমে আমরা তাদের ভবিষ্যতের উপযোগী পেশাদার ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে গড়ে তুলছি।”

Continue reading
দুর্গাপুজোর নেপথ্যের শিল্পীদের সম্মান জানাল মণিপাল হসপিটাল কলকাতা‘পুজোর রূপকার ২.০’-এর মাধ্যমে |
  • September 12, 2026

কলকাতা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলায় মা দুর্গাকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। এই সময় দুর্গাপুজোকে সুন্দর করে তোলার নেপথ্যে থাকা শিল্পী ও কারিগরদের সম্মান জানাতে মণিপাল হসপিটাল কলকাতা আয়োজন করল ‘পুজোর রূপকার ২.০’। এই উদ্যোগে কুমোরটুলির মৃৎশিল্পী, চন্দননগরের আলোকশিল্পী, ঢাকি এবং পুজো কমিটির সম্পাদকদের সম্মান জানানো হয়।বাংলার সংস্কৃতি ও দুর্গাপুজোর সঙ্গে জড়িত এই মানুষগুলির গুরুত্বপূর্ণ কাজকে সম্মান জানানোই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। দুর্গাপুজো ২০২১ সালে ইউনেস্কোর মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে। বাংলার কাছে দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়। হাজার হাজার পুজোমণ্ডপ, সুন্দর প্রতিমা, চোখ ধাঁধানো আলো এবং ঢাকের শব্দের পিছনে রয়েছেন বহু প্রজন্ম ধরে কাজ করে আসা শিল্পীরা। তাঁদের দক্ষতা, পরিশ্রম এবং সৃজনশীলতাই দুর্গাপুজোকে আরও সুন্দর করে তোলে।অনুষ্ঠানের শুরু হয় প্রদীপ জ্বালানোর মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে মণিপাল হসপিটাল কলকাতার নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিরা, কুমোরটুলি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং কলকাতার মণিপাল হসপিটাল গোষ্ঠীর বিভিন্ন বিভাগের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর নার্সিং টিমের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ দেবী বরণ অনুষ্ঠান করা হয়।এরপর মণিপাল হসপিটাল ইস্ট-এর রিজিওনাল ডিরেক্টর ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি দুর্গাপুজোকে সুন্দর করে তুলতে শিল্পী ও অন্যান্য কারিগরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করেন।

এরপর কুমোরটুলির শিল্পী, ঢাকি এবং চন্দননগরের আলোকশিল্পীদের বিশেষভাবে সম্মান জানানো হয়। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে স্মারক ও উত্তরীয় দিয়ে সম্মানিত করা হয়। সম্মানিত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন কুমোরটুলি সর্বজনীনের সেক্রেটারি শ্রী সমর মিত্র এবং ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট শ্রী দেবাশিস ভট্টাচার্য; কুমোরটুলি মৃৎশিল্পী সংস্কৃতি সমিতির মৃৎশিল্পী অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শ্রী বাবু পাল; জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মৃৎশিল্পী শ্রীমতী মালা পাল শ্রীমতী ঝুলন পাল; প্রবীণ মৃৎশিল্পী শ্রী নিমাই পাল; এশিয়ান পেইন্টস পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী শ্রী নব পাল, শ্রী সৌমেন পাল এবং শ্রী সনাতন পাল। এছাড়াও সম্মানিত করা হয় শ্রীমতী কাকলি পাল, শ্রী অরূপ পাল, শ্রী পশুপতি রুদ্র পাল, শ্রী সঞ্জয় পাল, শ্রী রামিত পাল, শ্রী ইন্দ্রজিৎ পাল, শ্রী রঞ্জিত সরকার, শ্রী বঙ্কিম পাল, শ্রী দীপঙ্কর পাল, শ্রী ভানু রুদ্র পাল, শ্রী সুজিত পাল, শ্রী প্রদীপ দে, শ্রী রুদ্রজিৎ পাল, শ্রী সুভাষ পাল এবং শ্রী সমীর পালকে।পুজো কমিটির পক্ষ থেকে সেক্রেটারি শ্রী চন্দ্রনাথ দে এবং কোষাধ্যক্ষ শ্রী সানু বিশ্বাস এবং চন্দননগরের আলোকশিল্পী শ্রী তপন ঘোষ, শ্রী তাপস ঘোষ, শ্রী আশিস দে, শ্রী দিব্যেন্দু বিশ্বাস এবং শ্রী অমিয় দাসকেও তাঁদের কাজ পরিশ্রমের জন্য সম্মান জানানো হয়।

WhatsApp Image 2026 09 10 at 18.39.44

অনুষ্ঠানে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের কনসালট্যান্ট, ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. পারিজাত দেব চৌধুরী বলেন,“উৎসবের আগে শিল্পীদের অনেকক্ষণ ধরে কাজ করতে হয় এবং সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চাপও থাকে। তাই এই সময় হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখা খুবই জরুরি। বেশি পরিশ্রম, মানসিক চাপ, কম ঘুম এবং অনিয়মিত জীবনযাপন হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যাঁদের আগে থেকেই কোনও শারীরিক সমস্যা রয়েছে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, শরীরে কোনও অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। উৎসবের সময় কাজের পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্যের দিকেও নজর রাখা দরকার।”মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট, অর্থোপেডিকস ডা. সুতনু হাজরা বলেন,“প্রতিমা তৈরির সময় একই ধরনের কাজ বারবার করা, অনেকক্ষণ বসে থাকা, ঝুঁকে কাজ করা এবং ভারী জিনিস তোলার কারণে পেশি, হাড়, জয়েন্ট এবং মেরুদণ্ডে চাপ পড়তে পারে। কাজের সময় সঠিকভাবে বসা ও দাঁড়ানো, কিছুক্ষণ পর পর অবস্থান বদলানো, ঠিকমতো কাজের সরঞ্জাম ব্যবহার করা এবং মাঝেমধ্যে ছোট বিরতি নেওয়া উপকারী। দীর্ঘদিন ধরে কোনও ব্যথা থাকলে তা এড়িয়ে না গিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।”

মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাসের কনসালট্যান্ট গাইনোকলজি অ্যান্ড অবস্টেট্রিকস ডা. শিলপিতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মহিলা শিল্পীদের অনেক সময় কঠিন শারীরিক কাজের পাশাপাশি বাড়ির দায়িত্বও সামলাতে হয়। ফলে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়ার সময় কমে যায়। মাসিকের অনিয়ম, রক্তশূন্যতা, শরীরে পুষ্টির অভাব এবং অন্যান্য মহিলাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা অবহেলা করা উচিত নয়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুষ্টিকর খাবার, আয়রনযুক্ত খাবার খাওয়া এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া তাঁদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। এতে তাঁরা আরও ভালোভাবে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।”মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাসের সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং এইচওডি অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি কেয়ার ডা. ইন্দ্রনীল দাস বলেন, “শিল্পীদের দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয়। অনেক সময় বেশি শারীরিক পরিশ্রমের পাশাপাশি গরম, ধুলো এবং কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ জিনিসের সংস্পর্শেও আসতে হয়। তাই এই সময় কাজের ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ নিরাপত্তার নিয়ম মেনে চলা, পর্যাপ্ত জল খাওয়া এবং কোনও চোট বা হঠাৎ কোনও শারীরিক সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, গুরুতর চোট বা হঠাৎ শরীরের কোনও অংশ দুর্বল হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে তা কখনওই অবহেলা করা উচিত নয় এবং দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন।”

অনুষ্ঠানের শেষে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে কুমোরটুলির শিল্পীদের তাঁদের কাজ এবং বাংলার সংস্কৃতিতে তাঁদের অবদানের জন্য সম্মান জানানো হয়। চন্দননগরের আলোকশিল্পী এবং ঢাকিদের উপস্থিতি আরও একবার মনে করিয়ে দেয় যে, দুর্গাপুজোর এই বিশাল আয়োজনের পিছনে রয়েছেন বহু মানুষ, যাঁরা নেপথ্যে থেকে উৎসবকে সুন্দর করে তোলেন।

Continue reading

মিস করে যাওয়া

প্রতিটি হৃদ্‌স্পন্দন হোক সুস্থ ও শক্তিশালী মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ায় হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্মেলন |
PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে শিল্পখাতের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরল |
শিশুদের জন্য ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করতে রোটারি ক্লাবগুলোর সম্মিলিত প্রয়াস |
কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহ 2026 পালন করল এসোসিয়েশন অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া।
উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা ও রোবোটিক CABG-এর ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য উদযাপনে শীর্ষস্থানীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে সুস্থ হওয়া রোগীদের এক বিশেষ মিলনমেলার আয়োজন করল দিশান হাসপাতাল |
কেন্দ্রীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়া উন্নয়নের পর্যালোচনা এবং তৃণমূল স্তরে খেলাধুলার প্রসার ও ক্রীড়াবিদদের অগ্রগতির পথ সুগম করতে ‘সাই’-এর সহায়তার আশ্বাস |