লেটেস্ট স্টোরি
হার্ট ভালভের চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী সাফল্য হাট বিশেষজ্ঞ ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায়ের |জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাগত উৎকর্ষ উদযাপন করল |PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখা ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন’ (EPFO)-এর সহযোগিতায় কলকাতায় EPFO-র নতুন নীতিমালার ওপর একটি সেমিনারের আয়োজন করে।উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের ঘোষণা; মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠানে সাজবে কলকাতা |GNIT-এর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম ‘প্রবেশ উৎসব ২০২৬’-এ নতুন ব্যাচকে স্বাগত |হাওড়ায় আয়শার ট্রাকস এন্ড বাসেসে Eicher Pro – X এর নতুন ডিলারশিপের উদ্বোধন।গ্রামীণ শিক্ষার পুনর্কল্পনা: পরিবর্ধনযোগ্য এনইপি ২০২০ বাস্তবায়ন প্রত্যক্ষ করতে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপালের ‘হেল্প আস হেল্প দেম’ (HUHT)-এর অধিগম ভূমি পরিদর্শন।মণিপালহাসপাতালমুকুন্দপুরেরনিউরোসায়েন্সেসকনক্লেভেসমন্বিতস্নায়ুচিকিৎসারভবিষ্যৎনিয়েআলোচনা |ভবিষ্যৎ-উপযোগী পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ডিজিটাল রূপান্তর, স্বচ্ছতা ও শিল্পখাতের সহযোগিতার ওপর মন্ত্রীর গুরুত্বারোপ |‘দ্য কনক্লেভ’-এ হর্ষবর্ধন নেওটিয়া কর্তৃক সেনসেই ইয়াল নির-এর ‘বুডো ফর লাইফ’ ​​(Budo for Life) বইয়ের মোড়ক উন্মোচন |

মেন স্টোরি

আজকের আপডেট

হার্ট ভালভের চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী সাফল্য হাট বিশেষজ্ঞ ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায়ের |
  • September 2, 2026

কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬:প্রখ্যাত স্ট্রাকচারাল হাট বিশেষজ্ঞ ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালে, দেশে এই প্রথম সফল হল হার্ট ভালভের চিকিৎসার এক নতুন ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিওর ট্রান্সক্যাথেটার ট্রাইকাসপিড ভালভ রিপ্লেসমেন্ট (TTVR)|স্ট্রাকচারাল হার্ট ইন্টারভেনশনের ক্ষেত্রে এই অপারেশনের মাধ্যমে কলকাতা নতুন এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের অধিকারী হল। ভারতে এই প্রথম প্রখ্যাত স্ট্রাকচারাল হাট বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পরপর দুটি জটিল ট্রান্সক্যাথেটার ট্রাইকাসপিড ভালভ রিপ্লেসমেন্ট (TTVR) সফল হয়েছে।যে সব রোগী গুরুতর ট্রাইকাসপিড ভালভ রিগারজিটেশনে (হৃদযন্ত্রের ডানদিকের ভালভের লিকেজ) ভুগছেন এবং যাদের জন্য প্রচলিত ওপেন হার্ট সার্জারি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, তাদের জন্য TTVR এক জীবনদায়ী, নন-সার্জিক্যাল বিকল্প পদ্ধতি।

ট্রাইকাসপিড ভালভ ডান অলিন্দ এবং ডান নিলয়ের মধ্যে রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। যখন এই ভালভ ঠিকমতো বন্ধ হয় না, তখন রক্ত পিছনের দিকে লিক করে যায় (ট্রাইকাসপিড রিগারজিটেশন বা TR), যার ফলে শরীরে জল জমা, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হওয়া, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি এবং শেষ পর্যন্ত হার্ট ফেলিওরের মতো লক্ষণ দেখা দেয়। আগে, ট্রাইকাসপিড ভালভকে “বিস্মৃত ভালভ” (forgotten valve) বলা হত, কারণ বয়স্ক বা দুর্বল রোগীদের ক্ষেত্রে এই ভালভের সার্জারিতে মৃত্যুর ঝুঁকি ছিল অত্যন্ত বেশি।TTVR হল একটি অত্যাধুনিক, ন্যূনতম ইনভেসিভ কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশন। একটি বায়োপ্রস্থেটিক ভালভকে সংকুচিত করে একটি সরু ক্যাথেটারের মাধ্যমে ফিমোরাল/জুগুলার ভেইনে একটি ছোট ছিদ্র করে হৃদযন্ত্রে প্রবেশ করানো হয়। ক্ষতিগ্রস্ত নেটিভ ভালভের মধ্যে সঠিকভাবে স্থাপন করার পর নতুন ভালভটিকে প্রসারিত করা হয়, যা সঙ্গে সঙ্গেই সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহকে চালু করে।

WhatsApp Image 2026 09 02 at 22.46.16

ওপেন হার্ট সার্জারি নয়: বুক কাটা (স্টারনোটমি) বা হার্ট-লাং বাইপাস মেশিনের প্রয়োজন হয় না।

  • দ্রুত আরোগ্য: রোগীরা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাঁটতে পারেন এবং সাধারণত ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান, যেখানে ওপেন হার্ট সার্জারিতে সপ্তাহের পর সপ্তাহ লেগে যায়।
  • তাৎক্ষণিক আরাম: ফোলা, শ্বাসকষ্ট এবং হার্ট ফেলিওরের উপসর্গগুলি দ্রুত কমে যায়

ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং অ্যাপোলো কলকাতার নিবেদিতপ্রাণ স্ট্রাকচারাল হাট টিমের তত্ত্বাবধানে দুইজন উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর এই পদ্ধতির কার্যকারিতার সাফল্য প্রমাণিত হয়।উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর প্রোফাইল: দুটি ক্ষেত্রেই বয়স্ক ও দুর্বল এই দুইজন রোগীই গুরুতর ট্রাইকাসপিড রিগারজিটেশনে ভুগছিলেন এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতার কারণে প্রচলিত ওপেন হার্ট সার্জারি তাদের জন্য নিরাপদ ছিল না।ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এঁদের দুইজনের ক্ষেত্রেই অত্যন্ত নিখুঁতভাবে LuX-Valve Plus সিস্টেম (Jenscare Scientific Co., Ltd, China) সফলভাবে স্থাপন করা হয়।তাৎক্ষণিক ক্লিনিকাল উন্নতি: প্রক্রিয়ার পর মূল্যায়নে দেখা যায় ভালভের কার্যকারিতা সর্বোত্তম হয়েছে, ব্যাকফ্লো (রিগারজিটেশন) সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়েছে ও কোনো জটিলতা ছাড়াই রোগীরা উল্লেখযোগ্য উপসর্গ থেকে মুক্তি পেয়েছেন।অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালস, কলকাতায় কর্মরত ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায় (MBBS, MD, DM, MRCP London) ভারতের একজন অগ্রণী স্ট্রাকচারাল হাট ইন্টারভেনশন বিশেষজ্ঞ। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত সেন্ট বার্থোলোমিউ হাসপাতাল এবং রয়‍্যাল ব্রম্পটন হাসপাতালে কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন এবং স্ট্রাকচারাল হাটে অ্যাডভান্সড ফেলোশিপ সম্পূর্ন করেছেন। তিনি ২,০০০-এরও বেশি TAVI/TAVR প্রসিডিওর করেছেন এবং TMVR, TEER (MitraClip/TriClip/Pascal) এবং TTVR-এ তার বিপুল অভিজ্ঞতা রয়েছে। ডা. মুখোপাধ্যায় একজন স্বীকৃত প্রক্টর এবং ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসাবে নিয়মিত ভারতজুড়ে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্টদের প্রশিক্ষণ দেন।

“ট্রাইকাসপিড ভালভ রিগারজিটেশন দীর্ঘদিন ধরে বয়স্ক বা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অবস্থা ছিল। TTVR-এর মাধ্যমে, আমরা স্ট্রাকচারাল হার্ট ইন্টারভেনশনে যা সম্ভব তার সীমানা পেরিয়ে যাচ্ছি। ফিমোরাল/জুগুলার ভেইন দিয়ে একটি ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে একেবারে নতুন ভালভ প্রতিস্থাপন করে আমরা রোগীদের ন্যূনতম কষ্ট এবং কম হাসপাতালে থাকার মধ্যে তাদের জীবনযাত্রার মান ফিরিয়ে দিতে পারছি।” জানালেন ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায়।

জন সাধারণকে এই নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি সম্মন্ধে অবহিত করতে কলকাতা প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায় বিষয়টি বিস্তারিত ভাবে ব্যখ্যা করেন।

Continue reading
জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাগত উৎকর্ষ উদযাপন করল |
  • September 2, 2026

কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: জেআইএস গ্রুপের একটি শিক্ষামূলক উদ্যোগ, কল্যাণীর জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সফলভাবে তাদের সপ্তম ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ২০২৩, ২০২৪ এবং ২০২৫ ব্যাচের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাগত সাফল্য ও কৃতিত্ব উদযাপন করা হয়। গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের সম্মান জানানো এবং তাদের নতুন পেশাগত যাত্রার সূচনা উদযাপন করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে রইল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র; মাকাউট (MAKAUT), পশ্চিমবঙ্গ-এর উপাচার্য অধ্যাপক তাপস চক্রবর্তী; আইআইটি (আইএসএম) ধানবাদ-এর অধিকর্তা অধ্যাপক সুকুমার মিশ্র; রামকৃষ্ণ মিশন, হাওড়া-র স্বামী সর্বত্তমানন্দ; জেআইএস গ্রুপের অধিকর্তা সর্দার সিমারপ্রীত সিং; জেআইএস গ্রুপের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের উপ-অধিকর্তা বিদ্যুৎ মজুমদার; জেআইএস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-চ্যান্সেলর অধ্যাপক (ড.) নীরজ সাক্সেনা এবং জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক (ড.) পার্থ সরকার। বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটির গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলে এবং জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ে পা রাখা গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে।

শিক্ষাগত উৎকর্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য উদযাপনের এই আয়োজনে গ্র্যাজুয়েট, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাবিদ এবং বিশিষ্ট অতিথিরা একত্রিত হয়েছিলেন। জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যয়নকালে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং অর্জিত সাফল্যের জন্য তাদের স্বীকৃতি জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেআইএস গ্রুপের অধিকর্তা সর্দার সিমারপ্রীত সিং বলেন, “এই ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানটি আমাদের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার উদযাপন। জেআইএস গ্রুপে আমরা বিশ্বাস করি যে, শিক্ষা মানে কেবল ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং সমাজে অর্থবহ প্রভাব ফেলার মতো আত্মবিশ্বাস, চরিত্র ও সক্ষমতা গড়ে তোলাও। আমরা আমাদের গ্র্যাজুয়েটদের নিয়ে গর্বিত এবং তাদের জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরুর প্রাক্কালে তাদের সাফল্য কামনা করি। তারা যেন প্রতিনিয়ত শিখতে ও নতুন উদ্ভাবন করতে থাকে এবং তাদের চারপাশের পৃথিবীতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে।”

Continue reading
PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখা ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন’ (EPFO)-এর সহযোগিতায় কলকাতায় EPFO-র নতুন নীতিমালার ওপর একটি সেমিনারের আয়োজন করে।
  • September 2, 2026

কলকাতা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: PHD চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (PHDCCI), ভারত সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের অধীনস্থ ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন’ (EPFO)-এর পূর্ব অঞ্চলের জোনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায়, ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নিয়োগকর্তাদের জন্য EPFO-র নতুন নীতিমালার ওপর একটি সেমিনারের আয়োজন করে।
এই সেমিনারে নিয়োগকর্তা, শিল্পপতি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা একত্রিত হয়ে EPFO-র নীতিমালা, বিভিন্ন প্রকল্প এবং বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন বা কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ—যেমন ‘নতুন EPF স্কিম ২০২৬’, ‘প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা’, ‘এমপ্লয়ি এনরোলমেন্ট স্কিম ২০২৬’, ‘বিশ্বাস (VISHWAS) স্কিম ২০২৬’ এবং ‘অ্যামনেস্টি স্কিম ২০২৬’-এর খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এই অধিবেশনের লক্ষ্য ছিল নিয়োগকর্তাদের মধ্যে সর্বশেষ নীতিগত পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং EPFO-র কাঠামোর অধীনে বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন পালনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে তাদের বোঝাপড়া আরও উন্নত করা। PHDCCI-এর এই সেমিনারটি নিয়োগকর্তাদের জন্য ‘পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ন্যাশনাল একাডেমি অফ সোশ্যাল সিকিউরিটি’ (PDNASS)-এর ঊর্ধ্বতন EPFO ​​কর্মকর্তাদের সাথে অর্থপূর্ণ আলোচনার সুযোগ করে দেয়; এর মাধ্যমে তারা প্রভিডেন্ট ফান্ডের নতুন নীতিমালা, প্রকল্প এবং নিয়োগকর্তাদের পালনীয় বিধিনিষেধ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও তথ্য জানার সুযোগ পান।
সেমিনারে বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী রাজীব ভট্টাচার্য (অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় পিএফ কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, PDNASS কলকাতা ক্যাম্পাস), শ্রী অভিজিৎ কুণ্ডু (আঞ্চলিক পিএফ কমিশনার ও উপ-পরিচালক, PDNASS কলকাতা ক্যাম্পাস) এবং শ্রী দেবকুমার মৈত্র (ডেটা প্রসেসিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, EPFO ​​জোনাল অফিস, কলকাতা)।
সেমিনারটি পরিচালনা করেন PHDCCI কলকাতা শাখার চেয়ারপারসন শ্রী ভাবেন কামদার। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “PHDCCI-তে আমাদের লক্ষ্য হলো আমাদের সদস্যদের জন্য সরকারি কর্তৃপক্ষের সাথে শিল্প-কেন্দ্রিক আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা। এই সেমিনারটি ব্যবসায়িক সম্প্রদায় এবং EPFO ​​কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি অর্থপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করবে এবং সর্বশেষ নীতি ও প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের বিষয়ে সঠিক পরামর্শ ও অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।” পিএইচডিসিআই (PHDCCI)-এর কলকাতা শাখার কো-চেয়ার শ্রী বিকাশ পারখ বলেন, “এই কর্মসূচিটি সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং শিল্পক্ষেত্রের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির ক্ষেত্রে পিএইচডিসিআই-এর নিরন্তর প্রচেষ্টাকেই প্রতিফলিত করে। আমরা বিশ্বাস করি, এই সেমিনারটি অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের স্তরে নতুন ইপিএফও (EPFO) ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ করে তুলবে।”
অংশগ্রহণকারীদের ইতিবাচক সাড়ার মধ্য দিয়ে সেমিনারটি শেষ হয় এবং এটি নিয়োগকর্তাদের ইপিএফও-র সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগানোর বিষয়ে বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা প্রদান করে।

Continue reading
উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের ঘোষণা; মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠানে সাজবে কলকাতা |
  • August 26, 2026

কলকাতা, ২৫ আগস্ট ২০২৬: কিংবদন্তি বাঙালি অভিনেতা উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে একাধিক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা ঘোষণা করল টালিগঞ্জ মহানায়ক উত্তম কুমার কালচারাল ও ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশেষ জন্মশতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান।

সংবাদমাধ্যমের সামনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট প্রতিনিধিদের পাশাপাশি নবগঠিত উত্তম কুমার জন্মশতবর্ষ উদযাপন কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। মহানায়কের অবিস্মরণীয় অবদানকে উদযাপন করা এবং বাংলা চলচ্চিত্র ও কলকাতার সাংস্কৃতিক পরিচিতিতে তাঁর অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ৩ সেপ্টেম্বর উত্তম কুমারের জন্মদিন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচির আয়োজন করে আসছে এই সমিতি। দীর্ঘদিনের এই দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই, উত্তম কুমারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা এবং বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবীণ ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল চলচ্চিত্র কলাকুশলীদের আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তাও দিয়ে আসছে সংগঠনটি।

জন্মশতবর্ষ উদযাপন কমিটিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের একত্রিত করা হয়েছে। অভিনেতা কুশল চক্রবর্তী, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও গায়ক শ্রীকান্ত আচার্য এবং সুব্রত দত্ত, রাজীব পাল-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করবেন তন্ময় কর।সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রীকান্ত আচার্য বলেন, “উত্তম কুমার শুধু একজন কিংবদন্তি অভিনেতাই ছিলেন না, তাঁর সঙ্গে কাজ করা বহু মানুষের জীবনেরও তিনি ছিলেন এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বছরের পর বছর ধরে সমিতি উত্তম কুমারের সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ ও অসহায় কলাকুশলীদের পাশে দাঁড়িয়ে এসেছে, যাঁরা আজ চিকিৎসার খরচ ও আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি। প্রতি বছরের মতো এ বছরও আমরা তাঁদের চিকিৎসা সহায়তা ও আর্থিক সাহায্য প্রদান করব। চলচ্চিত্রের সেই সোনালি যুগকে যাঁরা গড়ে তুলতে অবদান রেখেছিলেন, তাঁরা যেন বিস্মৃত না হন, তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।”

জন্মশতবর্ষ উদযাপন কমিটির সম্পাদক তন্ময় কর বলেন, “উত্তম কুমারের উত্তরাধিকার শুধু চলচ্চিত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তা বাংলার সাংস্কৃতিক আত্মার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাঁর জন্মশতবর্ষ তাঁর অবদানকে স্মরণ করার এবং তাঁর মূল্যবোধ ও শিল্পসত্তার উত্তরাধিকার যাতে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলে, তা নিশ্চিত করার এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।”আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের অনুষ্ঠানে উত্তম কুমারকে উৎসর্গ করে একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। মহানায়কের স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং তাঁর সময়কে সমৃদ্ধ করে তোলা মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য—এই তিনের সমন্বয়ে সাজবে জন্মশতবর্ষের এই বিশেষ উদযাপন।

Continue reading
GNIT-এর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম ‘প্রবেশ উৎসব ২০২৬’-এ নতুন ব্যাচকে স্বাগত |
  • August 26, 2026

কলকাতা, ২৫ আগস্ট ২০২৬: জেআইএস (JIS) গ্রুপের শিক্ষা উদ্যোগ ‘গুরু নানক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’ (GNIT) কলকাতার ‘ধানো ধান্য’ অডিটোরিয়ামে তাদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম ‘প্রবেশ উৎসব ২০২৬’-এর আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো হয় এবং অনুপ্রেরণা, নতুন অভিজ্ঞতা ও সামগ্রিক বিকাশের সুযোগের মধ্য দিয়ে তাদের শিক্ষাজীবনের সূচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানটি চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ও শিক্ষা জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে মহিমান্বিত হয়ে ওঠে। বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ভারতীয় অভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও টেলিভিশন উপস্থাপক জিৎ; নেপথ্য গায়ক ও সঙ্গীত পরিচালক রূপঙ্কর বাগচী; সঙ্গীত পরিচালক ও সুরকার শান্তনু মৈত্র (যিনি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন); জেআইএস গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার অমরীক সিং; জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সিমারপ্রীত সিং; জেআইএস গ্রুপের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর বিদ্যুৎ মজুমদার এবং গুরু নানক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির অধ্যক্ষ অধ্যাপক (ড.) স্বরূপ কুমার মিত্র।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী সুমনসানন্দজি মহারাজ; AEKA-র উপদেষ্টা ও পার্টনার অনুপম দত্ত; কগনিজ্যান্ট টেকনোলজি সলিউশনস-এর এইচআর ম্যানেজার অভিক চক্রবর্তী; পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের বিশেষ সচিব সঞ্জয় কুমার দাস; জেএম কনসাল্টিং অ্যান্ড অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং কনসালট্যান্ট জয়দীপ মুখার্জি এবং এসএপি (SAP) বিশেষজ্ঞ ও এসসিএম (SCM) বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার পবন কুমার।

WhatsApp Image 2026 08 26 at 20.24.40

অনুষ্ঠানটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল বিশিষ্ট অতিথি এবং সদ্য ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিনিময়। বক্তারা তাঁদের বৈচিত্র্যময় পেশাগত জীবন ও অভিজ্ঞতার আলোকে অধ্যবসায়, সৃজনশীলতা, শৃঙ্খলা, আবেগ এবং নিষ্ঠা ও অঙ্গীকারের সাথে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের গুরুত্ব সম্পর্কে মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন। এই মতবিনিময় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিকাশ, পেশাগত উৎকর্ষ এবং আজীবন শেখার বিষয়ে আরও বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের সুযোগ করে দেয়।’প্রবেশ উৎসব ২০২৬’ এমন একটি শিক্ষামূলক পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে GNIT-এর প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে, যা শিক্ষার উৎকর্ষ, উদ্ভাবন এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশকে উৎসাহিত করে। এই পরিচিতি পর্বটি শিক্ষার্থীদের এমন এক পরিবেশ বা ‘ইকোসিস্টেম’-এর সাথে পরিচিত করিয়েছে, যা শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে শেখার আগ্রহ জাগিয়ে তোলে এবং একই সাথে মূল্যবোধ, কৌতূহল, পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্ববোধের মতো গুণাবলি গড়ে তোলে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেআইএস (JIS) গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সিমারপ্রীত সিং বলেন, “‘প্রবেশ উৎসব’-এর মধ্য দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের এক রূপান্তরমূলক যাত্রার সূচনা হচ্ছে; তারা শিক্ষা, নতুন কিছু আবিষ্কার ও ব্যক্তিগত বিকাশের এক নতুন পর্যায়ে পা রাখছে। জেআইএস গ্রুপে আমরা সর্বদা বিশ্বাস করি যে, শিক্ষার পরিধি কেবল প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষাকে সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব এবং জীবনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে হবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রের সফল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সাথে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করতে, দৃঢ় সংকল্পের সাথে নিজেদের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যেতে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল ও পারস্পরিকভাবে সংযুক্ত এই বিশ্বে সফল হওয়ার জন্য প্রস্তুত করে তুলতে চেয়েছি।”

Continue reading
হাওড়ায় আয়শার ট্রাকস এন্ড বাসেসে Eicher Pro – X এর নতুন ডিলারশিপের উদ্বোধন।
  • August 20, 2026

হাওড়া, ১৯ আগস্ট ২০২৬: VE Commercial Vehicles Ltd. (VECV)-এর একটি ব্যবসায়িক ইউনিট আয়শার ট্রাকস অ্যান্ড বাসেস হাওড়ায় তাদের Eicher Pro X Small Truck রেঞ্জের জন্য একটি বিশেষায়িত ডিলারশিপ উদ্বোধন করেছে। অত্যাধুনিক Future Automobile Agency Private Limited-এর 3S ডিলারশিপ সুবিধাটি Dey Motors Compound, NH-6, Chamrail, Kona, Howrah, West Bengal – 711114-এ, NH-16-এর উপর অবস্থিত।
Eicher Pro X শোরুমে EV, ডিজেল এবং CNG ভ্যারিয়েন্টে 3T ও 3.5T GVW রেঞ্জের ছোট বাণিজ্যিক যানবাহন পাওয়া যাবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনের জন্য গ্রাহকদের উপযুক্ত সমাধান দেওয়া হবে। প্রায় ৮,০০০ বর্গফুট জুড়ে বিস্তৃত এই ডিলারশিপে Pro X গ্রাহকদের জন্য বিক্রয়, পরিষেবা এবং স্পেয়ার পার্টস—সব সুবিধাই এক ছাদের নিচে পাওয়া যাবে।
এই সুবিধায় রয়েছে নির্দিষ্ট সার্ভিস বে, একটি প্রশস্ত ডিসপ্লে এলাকা, গ্রাহক ও চালকদের জন্য লাউঞ্জ এবং ইউটিলিটি এলাকা, যা গ্রাহকদের আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডিজিটাল ডিসপ্লে-সমৃদ্ধ এই ডিলারশিপ ফ্লিট মালিক ও পরিবহণকারীদের Eicher Pro X রেঞ্জ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি Eicher-এর কানেক্টেড ও গ্রাহক-কেন্দ্রিক মোবিলিটি ইকোসিস্টেমের অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ দেবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে S S Gill, Chief Commercial Officer, VECV, বলেন, “পূর্ব ভারতে আমাদের প্রথম Eicher Pro X ডিলারশিপের উদ্বোধন Pro X ইকোসিস্টেমকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও লজিস্টিক্স বাজারে সম্প্রসারণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। হাওড়া বৃহত্তর কলকাতা অঞ্চলের সঙ্গে মিলে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও লজিস্টিক্স কেন্দ্র, যেখানে দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য লাস্ট-মাইল লজিস্টিক্সের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। Future Automobile Agency-এর সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বাজারে Eicher-এর Pro X রেঞ্জকে গ্রাহকদের আরও কাছে নিয়ে আসছি। একই সঙ্গে পূর্ব ভারতে আমাদের উপস্থিতি ও পরিষেবা সহায়তাও আরও শক্তিশালী করছি।”

WhatsApp Image 2026 08 20 at 11.11.53

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে Abhishek Chaudhary, SVP, SCV – Sales & Marketing, VECV, বলেন, “Eicher Pro X রেঞ্জ আধুনিক লাস্ট-মাইল লজিস্টিক্সের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এতে দক্ষতা, কানেক্টিভিটি, চালকের আরাম এবং আপটাইমের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনটি জ্বালানি-সাশ্রয়ী পাওয়ারট্রেন, 100% কানেক্টেড প্রযুক্তি এবং একাধিক কনফিগারেশন বিকল্পের সঙ্গে Eicher Pro X ই-কমার্স, পার্সেল কুরিয়ার, FMCG এবং শিল্পপণ্য পরিবহণের জন্য প্রস্তুত। একইসঙ্গে চালকদের প্রয়োজনের কথাও বিবেচনায় রাখা হয়েছে, যাতে দক্ষতা, নিরাপত্তা এবং সময়মতো ডেলিভারি নিশ্চিত করা যায়। হাওড়া অঞ্চলের সম্মানিত গ্রাহকদের কাছে Eicher Pro X ইকোসিস্টেমকে সহজলভ্য করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আমরা Future Automobile Agency Private Limited-কে আমাদের পরিবারে স্বাগত জানাই।”
নতুন Eicher Pro X ডিলারশিপ হাওড়া অঞ্চলের গ্রাহক ও ফ্লিট অপারেটরদের আরও উন্নত পরিষেবা ও সহজে পৌঁছনোর সুযোগ দেবে। ডিলারশিপটি Jalan Industrial Complex, Lakshmanpur Industrial Estate, Sankrail Industrial Park এবং Jangalpur–Dhulagarh শিল্পাঞ্চলের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্রগুলির কাছে কৌশলগতভাবে অবস্থিত। NH-16, কোনা এক্সপ্রেসওয়ে, NH-19 এবং কলকাতা পোর্ট করিডরের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায় এই ডিলারশিপ হাওড়ার দ্রুত বিকাশশীল শিল্প ও লজিস্টিক্স ইকোসিস্টেমকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে।
Eicher-এর এই সুবিধায় বিক্রয়, সার্ভিসিং এবং স্পেয়ার পার্টস পরিষেবাকে এক ছাদের নিচে একীভূত করা হয়েছে। এর সঙ্গে এমন একটি সার্ভিস অবকাঠামো রয়েছে, যা সর্বাধিক আপটাইম (পরিচালনাগত উপলভ্যতা) এবং কার্যকর অপারেশন নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই অঞ্চলের ফ্লিট মালিক ও পরিবহণকারীরা Eicher-এর ছোট বাণিজ্যিক যানবাহনের রেঞ্জে দ্রুত অ্যাক্সেসের সুবিধা পাবেন। এর ফলে দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য লাস্ট-মাইল লজিস্টিক্স সক্ষম করার ক্ষেত্রে কোম্পানির প্রতিশ্রুতি আরও শক্তিশালী হবে।
ডিজিটাল-ফার্স্ট এবং গ্রাহক-কেন্দ্রিক এই ডিলারশিপে রয়েছে একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ কাস্টমাইজেশন জোন। এখানে গ্রাহকরা কার্গো বডির প্রয়োজনীয়তা, লোড ডেকের বিকল্প, জ্বালানির ধরন এবং রঙের পছন্দ অনুযায়ী নিজেদের যানবাহন কনফিগার করতে পারবেন। এর ফলে বাণিজ্যিক যানবাহন কেনার অভিজ্ঞতায় আরও বেশি নমনীয়তা এবং ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচন করার সুযোগ যুক্ত হয়েছে। প্রশিক্ষিত প্রযুক্তিবিদ, উন্নত সার্ভিস সাপোর্ট টুল এবং গ্রাহক এনগেজমেন্ট প্ল্যাটফর্ম দ্রুত পরিষেবা প্রদান এবং ঝামেলাহীন যানবাহন মালিকানার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেও সহায়তা করবে।
এই সুবিধায় রয়েছে বিশেষায়িত EV চার্জিং পরিকাঠামো এবং EV-প্রশিক্ষিত প্রযুক্তিবিদ, যা ভবিষ্যতের মোবিলিটি চাহিদা পূরণে Eicher-এর প্রস্তুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এছাড়াও পাওয়ার ব্যাকআপ পরিকাঠামো, বাড়ি/কাজের স্থানে পরিষেবা প্রদানের জন্য EOS Vans ও EOS Bikes এবং GPS-সক্ষম ব্রেকডাউন সহায়তার মতো অতিরিক্ত গ্রাহক সহায়তা ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলি গ্রাহক পরিষেবার মান আরও উন্নত করার পাশাপাশি যানবাহনের সর্বাধিক আপটাইম নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
ভাষাগত নোট: “Uptime” বলতে প্রসঙ্গ অনুযায়ী “যানবাহনের উপলভ্যতা” বা “পরিচালনাগত উপলভ্যতা” বোঝানো যায়—অর্থাৎ যানবাহন যত কম সময় বন্ধ থাকবে এবং যত বেশি সময় কাজে ব্যবহারযোগ্য থাকবে। “Last-mile logistics”-এর স্বাভাবিক বাংলা হলো “শেষ-মাইল লজিস্টিক্স” বা “সরবরাহের শেষ পর্যায়ের লজিস্টিক্স”।

Continue reading
গ্রামীণ শিক্ষার পুনর্কল্পনা: পরিবর্ধনযোগ্য এনইপি ২০২০ বাস্তবায়ন প্রত্যক্ষ করতে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপালের ‘হেল্প আস হেল্প দেম’ (HUHT)-এর অধিগম ভূমি পরিদর্শন।
  • August 11, 2026

কলকাতা, ৮ই আগস্ট, ২০২৫: সমগ্র অঞ্চলে গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থার রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি বড় উদ্যোগের অংশ হিসেবে, পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী আর. এন. রবি অলাভজনক সংস্থা ‘হেল্প আস হেল্প দেম’ (HUHT) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ফ্ল্যাগশিপ আবাসিক সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ‘অধিগম ভূমি’ পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনে একটি উদ্ভাবনী ও পরীক্ষিত মডেলের উপর আলোকপাত করা হয়, যা জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করে এবং ‘বিক্ষুব্ধ ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে মূলধারার প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যক্রমের সাথে গ্রামীণ ব্যবহারিক দক্ষতার সংযোগ স্থাপন করে।

মাননীয় রাজ্যপাল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ১,০০০ আদিবাসী ও গ্রামীণ ছাত্রীর সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন, যারা শতভাগ বিনামূল্যে আবাসিক শিক্ষা গ্রহণ করছে। এছাড়াও তিনি তাদের অভিভাবকদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। রাজ্যপাল শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত সরাসরি শিক্ষাকেন্দ্রগুলি পরিদর্শন করেন, যেখানে রুটি (কৃষি), কাপড়া (বস্ত্রশিল্প) এবং মাকান (গ্রামীণ স্থাপত্য) কাঠামোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি এবং উদ্যোক্তা বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ১৮টি সমন্বিত দক্ষতার ক্ষেত্র প্রদর্শন করা হয়। এর মাধ্যমে দেখানো হয়, কীভাবে গণিত, বিজ্ঞান এবং ভাষার মতো মূল বিষয়গুলির সাথে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষাকে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

DSC

একটি স্বতন্ত্র আবাসিক ক্যাম্পাস হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি, অধিগম ভূমি একটি শিক্ষামূলক পরীক্ষাগার হিসেবে কাজ করে যা পদ্ধতিগত সম্প্রসারণের জন্য পরিকল্পিত। ‘হেল্প আস হেল্প দেম’-এর ‘আপনি মিট্টি সে জুড়ি শিক্ষা’ শীর্ষক প্রাসঙ্গিক শিক্ষণ পদ্ধতিটি তার ‘১০০ স্কুল প্রকল্প’ (অধিগম গ্রাম শিক্ষা অভিযান)-এর মাধ্যমে ইতোমধ্যেই ব্যাপকতার প্রমাণ দিয়েছে, যা পশ্চিমবঙ্গের স্বল্প খরচের বেসরকারি স্কুলগুলিতে ১০,০০০-এরও বেশি ছাত্রছাত্রীকে প্রভাবিত করেছে।এর ব্যাপক প্রচলনকে সমর্থন করার জন্য, হেল্প আস হেল্প দেম (HUHT) একটি পূর্ণাঙ্গ ও সহজে প্রয়োগযোগ্য বাস্তবায়ন প্যাকেজ তৈরি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষক নির্দেশিকা, শিক্ষার্থী সহায়িকা, মূল্যায়ন সরঞ্জাম এবং পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, যা প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রতিস্থাপন না করেই বিদ্যমান রাজ্য বোর্ডের পাঠ্যসূচিতে নির্বিঘ্নে একীভূত হওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

এই উদ্যোগের পেছনের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে, মুক্তি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং হেল্প আস হেল্প দেম (HUHT)-এর প্রতিষ্ঠাতা শ্রীমতি মুক্তি গুপ্তা বলেন: “আমাদের ‘আপনি মাটি থেকে জোড়ি শিক্ষা’র মূল দর্শনের লক্ষ্য হলো, শিশুদের আধুনিক জীবনযাত্রার জন্য প্রস্তুত করার পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষা প্রদান করা। প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষের সাথে ব্যবহারিক, হাতে-কলমে শিক্ষাকে একীভূত করে আমরা এমন একটি সম্প্রসারণযোগ্য পরিমণ্ডল তৈরি করছি যা গ্রামীণ উদ্ভাবন এবং আত্মনির্ভরশীলতাকে উৎসাহিত করে। এই শিশুরা গ্রামীণ উদ্যোক্তা হিসেবে বেড়ে উঠবে, যারা তাদের গ্রাম ও সম্প্রদায়ে ফিরে গিয়ে উদ্যোগ প্রতিষ্ঠা করবে, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে, স্থানীয় কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পরিশেষে ‘বিক্ষুব্ধ ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যে অবদান রাখবে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, দক্ষতা-কেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা শিশুদের চাকরিপ্রার্থী না হয়ে সুযোগ সৃষ্টিকারী হিসেবে ক্ষমতায়ন করার মাধ্যমে গ্রামীণ ভারতকে রূপান্তরিত করতে পারে।”

DSC

যেহেতু জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ আগামী দশকে দক্ষতা-সমন্বিত শিক্ষার উপর জোরালো গুরুত্ব আরোপ করেছে, তাই হেল্প আস হেল্প দেম (HUHT) এখন এর কার্যকর বাস্তবায়নে সহায়তা করার জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার উভয়ের সাথেই কাজ করতে চায়। গ্রামীণ ভারত জুড়ে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৪ লক্ষ স্কুলসহ ১২ লক্ষেরও বেশি সরকারি স্কুল থাকায়, সংস্থাটি এই মডেলটিকে আরও বিস্তৃত করতে কেন্দ্রীয় স্তরের প্রচার, রাজ্য স্তরের অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় অলাভজনক সংস্থাগুলির সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করার পরিকল্পনা করছে। হেল্প আস হেল্প দেম (HUHT) ইতোমধ্যে একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন কাঠামো তৈরি করেছে, যা তারা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তায় দেশজুড়ে সরকারি স্কুলগুলিতে প্রাসঙ্গিক ও দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয় সহজতর করার জন্য সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে চায়।২০৩১ সালের মধ্যে ভারতজুড়ে গ্রামীণ সরকারি বিদ্যালয়গুলোকে শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে, রাজ্য নেতৃত্বের সাথে HUHT-এর এই সম্পৃক্ততা সুশীল সমাজ ও সরকারের অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করতে এবং দেশব্যাপী NEP 2020-এর বাস্তবায়নকে সমর্থন করার লক্ষ্যে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করে। তৃণমূল স্তরের শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষার অগ্রাধিকারের সাথে সংযুক্ত করার মাধ্যমে, এই উদ্যোগটি এমন স্বনির্ভর শিক্ষার্থী, গ্রামীণ উদ্যোক্তা এবং ভবিষ্যৎ সমাজনেতা তৈরি করতে চায়, যারা গ্রামীণ ভারতে টেকসই উন্নয়নকে চালনা করতে সক্ষম।

Continue reading
মণিপালহাসপাতালমুকুন্দপুরেরনিউরোসায়েন্সেসকনক্লেভেসমন্বিতস্নায়ুচিকিৎসারভবিষ্যৎনিয়েআলোচনা |
  • August 11, 2026


কলকাতা, ১০ আগস্ট ২০২৬: স্নায়ু ও অন্যান্য জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়টিকে সামনে রেখে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরে আয়োজিত ‘নিউরোসায়েন্সেস কনক্লেভ’-এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস’। এই অনুষ্ঠানে নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন, স্পাইন সার্জারি এবং নিউরোসায়েন্সের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আধুনিক স্নায়ু চিকিৎসার বিভিন্ন দিক এবং রোগীর চিকিৎসায় একাধিক বিভাগের বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।বিশ্বজুড়ে স্নায়ুর বিভিন্ন রোগের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ২০২৫ সালের গ্লোবাল স্টেটাস রিপোর্ট অন নিউরোলজি অনুযায়ী, স্নায়ুর রোগ বর্তমানে বিশ্বে অসুস্থতা ও শারীরিক অক্ষমতার অন্যতম প্রধান কারণ এবং বিশ্বজুড়ে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনেরও বেশি মানুষ কোনও না কোনওভাবে এর দ্বারা আক্রান্ত। ভারতে স্ট্রোক এখনও একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ভারতে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ৫৩.৫ জনের মৃত্যু স্ট্রোকের কারণে হয়েছে। স্ট্রোক, এপিলেপসি, মস্তিষ্কের রক্তনালির সমস্যা এবং জটিল নিউরোসার্জারির মতো ক্ষেত্রে দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। তাই নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন এবং রিহ্যাবিলিটেশন—এই সমস্ত পরিষেবা এক জায়গায় পাওয়া যায় এমন সমন্বিত চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রয়োজন ক্রমেই বাড়ছে।এই প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এ একাধিক বিশেষজ্ঞ বিভাগকে একসঙ্গে নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিউরোলজি, ফাংশনাল নিউরোসার্জারি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন ও এন্ডোভাসকুলার সার্জারি, স্পাইন সার্জারি, নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন, নিউরো ফিজিওথেরাপি, নিউরো সাইকোলজি এবং নিউরো অ্যানাস্থেশিয়া। এর ফলে জটিল স্নায়ুর রোগের ক্ষেত্রে রোগীরা রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার এবং পুনর্বাসন—সব ক্ষেত্রেই সমন্বিত ও রোগীকেন্দ্রিক পরিষেবা পাবেন।

জরুরি চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট কলকাতায় একটি ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস -এরও ঘোষণা করেছে। অংশগ্রহণকারী মণিপাল হাসপাতালগুলির প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে থাকা যোগ্য জরুরি রোগীরা এই পরিষেবা পাবেন। MARS কমান্ড সেন্টার এবং টিম MARS-এর মূল্যায়নে কোনও রোগীর জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রাপ্যতা এবং পরিষেবার নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে নিকটবর্তী মণিপাল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট -এ বিনামূল্যে নিয়ে যাওয়া হবে। স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, পথ দুর্ঘটনা, তীব্র শ্বাসকষ্ট, অচেতন হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য আকস্মিক জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিষেবার মাধ্যমে জরুরি সময়ে পরিবহণের অভাবে যাতে কোনও রোগীর চিকিৎসা পেতে দেরি না হয়, সেই লক্ষ্যেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিষেবার সঙ্গে রয়েছে ২৪ ঘণ্টার প্রযুক্তিনির্ভর কমান্ড সেন্টার, GPS-যুক্ত অ্যাম্বুল্যান্স, অ্যাম্বুল্যান্সের নিয়মিত ট্র্যাকিং, হোয়াটসঅ্যাপ -এর মাধ্যমে QR কোড ব্যবহার করে লোকেশন শেয়ার করার ব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত জরুরি পরিষেবা কর্মী এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম-সমৃদ্ধ অ্যাম্বুল্যান্স। এর ফলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া এবং হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সঙ্গে আগে থেকেই সমন্বয় করা সম্ভব হবে।

WhatsApp Image 2026 08 10 at 12.59.31

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর ও হেড – নিউরোলজি, ডা. জয়ন্ত রায় বলেন,
“স্নায়ুর রোগের পরিধি অনেক বড়। স্ট্রোক ও এপিলেপসি থেকে শুরু করে মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ এবং অন্যান্য জটিল স্নায়ুর সমস্যার ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা এবং সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন। স্ট্রোক এমন একটি জরুরি অবস্থা যেখানে সময়মতো রোগ নির্ণয় এবং দ্রুত সঠিক চিকিৎসা রোগীর ভবিষ্যৎ ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর মাধ্যমে আমরা আধুনিক রোগ নির্ণয়, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে নিয়ে এসে সম্পূর্ণ স্নায়ু চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি স্নায়ুর রোগের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার গুরুত্বও তুলে ধরা আমাদের লক্ষ্য।”মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও ক্লিনিক্যাল লিড – স্পাইন সার্জারি, ডা. অনিন্দ্য বসু বলেন,
“আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নতির ফলে স্পাইন সার্জারিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারির মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে কম ক্ষত তৈরি করে, কম রক্তক্ষরণ এবং কম ব্যথার সঙ্গে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে। উপযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এর ফলে সুস্থ হয়ে ওঠার সময়ও কমতে পারে। মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরে আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ও চিকিৎসা দক্ষতার মাধ্যমে রোগীকেন্দ্রিক স্পাইন চিকিৎসা দেওয়ার উপর গুরুত্ব দিই। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর মাধ্যমে জটিল স্পাইন সমস্যার রোগীরা রোগ নির্ণয়, অস্ত্রোপচার এবং রিহ্যাবিলিটেশন—প্রতিটি পর্যায়ে সমন্বিত চিকিৎসা পাবেন।”

উন্নত নিউরোইন্টারভেনশন-এর গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর – নিউরোইন্টারভেনশন অ্যান্ড এন্ডোভাসকুলার সার্জারি, ইমেজিং সায়েন্সেস অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি, ডা. সুকল্যাণ পুরকায়স্থ বলেন, “নিউরোইন্টারভেনশনের উন্নতির ফলে মস্তিষ্কের রক্তনালির বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। খুব ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে রক্তনালির ভিতর দিয়ে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে। আমাদেরহাসপাতালে থাকা বাইপ্লেন ক্যাথ ল্যাব এই ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একই সময়ে বিভিন্ন দিক থেকে  উচ্চমানের লাইভ ছবি পাওয়া যায়, ফলে জটিল নিউরোইন্টারভেনশনাল চিকিৎসা আরও নির্ভুলভাবে করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে স্ট্রোক, মস্তিষ্কের রক্তনালির অ্যানিউরিজম, রক্তনালির অস্বাভাবিক গঠন এবং অন্যান্য নিউরোভাসকুলার সমস্যার ক্ষেত্রে দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসার জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোসার্জারি, ডা. মিলিন্দ দেওগাঁওকর বলেন,
“মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারের চিকিৎসায় ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন (DBS)-এর মতো আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আমাদের হাসপাতালে ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন ক্লিনিক -এর মাধ্যমে এমন রোগীদের মূল্যায়ন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়, যাঁরা এই উন্নত চিকিৎসা থেকে উপকৃত হতে পারেন। বিশেষ করে পারকিনসন্স ডিজিজ এবং অন্যান্য মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। DBS-এর জন্য রোগী নির্বাচন, বিস্তারিত নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারি পরীক্ষা, সঠিক অস্ত্রোপচার পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলো-আপ প্রয়োজন। একটি বিশেষায়িত ক্লিনিকের মাধ্যমে আমরা রোগীদের পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগতভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

এর সঙ্গে যোগ করে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ক্লিনিক্যাল লিড ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোসার্জারি, ডা. দীপেন্দ্র কুমার প্রধান বলেন, “আধুনিক নিউরোসার্জারি শুধু অস্ত্রোপচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। উন্নত ইমেজিং, আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত সিদ্ধান্ত এখন চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মস্তিষ্ক ও স্পাইনের জটিল রোগ থেকে শুরু করে দুর্ঘটনাজনিত আঘাত এবং অন্যান্য নিউরোসার্জিক্যাল সমস্যার ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমাদের নিউরোসার্জারি টিম নিউরোলজিস্ট, নিউরোইন্টারভেনশন বিশেষজ্ঞ, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ এবং রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস এই সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জটিল রোগীদের জন্য বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের অভিজ্ঞতা এক জায়গায় নিয়ে আসবে।”

অনুষ্ঠানে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট-এর রিজিওনাল ডিরেক্টর, ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত বলেন, “সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর উদ্বোধন পূর্ব ভারতে উন্নত, সম্পূর্ণ এবং সমন্বিত স্নায়ু চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করে। মণিপাল হাসপাতালে আমরা মনে করি, স্নায়ুর জরুরি সমস্যা, বিশেষ করে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিটি মিনিট রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিদিন প্রায় ৫০০টি স্ট্রোকের ঘটনা ঘটছে। তাই দ্রুত রোগ শনাক্ত করা, জরুরি পরিষেবা দেওয়া এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার কাছে রোগীকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন। আমাদের সব হাসপাতালই স্ট্রোকের জরুরি চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত এবং সেখানে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ও আধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামো রয়েছে। মণিপাল অ্যাডভান্সড রোডসাইড ইমার্জেন্সি সার্ভিসেস (MARS) এবং নতুন ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস -এর মাধ্যমে আমরা জরুরি চিকিৎসার পুরো ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছি। আমাদের লক্ষ্য হল রোগী যেন সঠিক সময়ে সঠিক বিশেষজ্ঞের কাছে পৌঁছতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান, যাতে তাঁর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে।”

সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর উদ্বোধন এবং ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস চালু করা মণিপাল হসপিটালস ইস্ট-এর সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা তৈরির বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। দ্রুত জরুরি পরিষেবা এবং উন্নত রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে বিশেষায়িত চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার, রিহ্যাবিলিটেশন এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন—চিকিৎসার প্রতিটি ধাপকে আরও ভালোভাবে একসঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।এই দুই উদ্যোগের মাধ্যমে কলকাতায় জরুরি চিকিৎসাকে আরও সহজলভ্য করার পাশাপাশি জরুরি সময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে পরিবহণের সমস্যা যাতে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে মণিপাল হাসপাতালস ইস্ট। একই সঙ্গে রোগীকেন্দ্রিক, সহানুভূতিশীল এবং আরও দ্রুত ও কার্যকর জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও আরও শক্তিশালী হল।

Continue reading
ভবিষ্যৎ-উপযোগী পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ডিজিটাল রূপান্তর, স্বচ্ছতা ও শিল্পখাতের সহযোগিতার ওপর মন্ত্রীর গুরুত্বারোপ |
  • August 6, 2026

কলকাতা | ৫ আগস্ট ২০২৬: ভারতের অটোমোবাইল খুচরা বিক্রয় খাতের প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষ সংস্থা ‘ফেডারেশন অফ অটোমোবাইল ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনস’ (FADA) ৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কলকাতার আইটিসি রয়্যাল বেঙ্গলের ‘বেঙ্গল স্টেট রুম’-এ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় পরিবহন মন্ত্রীর সাথে একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ‘ফায়ার-সাইড চ্যাট’ (অনানুষ্ঠানিক ও খোলামেলা আলোচনা)-এর আয়োজন ও সফল সমাপ্তি ঘটায়।এই অনুষ্ঠানে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৫০ জনেরও বেশি অটোমোবাইল ডিলার প্রধান, FADA-র কেন্দ্রীয় দলের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। ডিলার সম্প্রদায় ও রাজ্য সরকারের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনার জন্য এই অনুষ্ঠানটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করে। এর ফলে শিল্প ও সরকারের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা এবং একটি অধিকতর স্বচ্ছ, দক্ষ ও প্রবৃদ্ধি-সহায়ক অটোমোটিভ খুচরা বিক্রয় ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে যৌথ অঙ্গীকার গৃহীত হয়।

সমবেতদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় পরিবহন মন্ত্রী শ্রী অর্জুন সিং রাজ্যের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অটোমোবাইল ডিলার সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য অবদানের কথা স্বীকার করেন। সড়ক নিরাপত্তা, সহজে যানবাহন নিবন্ধন এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি, মন্ত্রী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন পরিষেবা এবং প্রযুক্তি-চালিত প্রশাসনের ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণের পরিকল্পনার ওপর আলোকপাত করেন।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় পরিবহন মন্ত্রী শ্রী অর্জুন সিং বলেন, “একটি স্বচ্ছ, প্রযুক্তি-চালিত এবং নাগরিক-কেন্দ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার। ডিজিটালাইজেশন, অনলাইন পরিষেবা প্রদান এবং অটোমেশনের মাধ্যমে আমরা অদক্ষতা দূর করতে এবং পুরো ব্যবস্থায় অধিকতর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করছি। আমরা CMVR (সেন্ট্রাল মোটর ভেহিকেল রুলস) বিধিমালা পুরোপুরি কার্যকর করতে এবং সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ ‘মাল্টি-ব্র্যান্ড আউটলেট’ (MBO) কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই যাত্রায় FADA-র মতো শিল্প সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে; আমরা ডিলার সম্প্রদায়ের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের জন্য আরও দক্ষ, সহজলভ্য এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী পরিবহন পরিবেশ গড়ে তোলার অপেক্ষায় রয়েছি।”

WhatsApp Image 2026 08 05 at 20.54.36

আলোচনাকালে FADA শিল্পের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—সেন্ট্রাল মোটর ভেহিকেল রুলস (CMVR) বাস্তবায়ন, রাজ্যজুড়ে অবৈধ ‘মাল্টি-ব্র্যান্ড আউটলেট’ (MBO)-এর মাধ্যমে যানবাহন কেনাবেচার প্রসার, ব্যবহৃত বা পুরনো গাড়ির (pre-owned vehicle) নিবন্ধনের প্রবর্তন এবং সম্পূর্ণ অনলাইন-ভিত্তিক পাঁচ বছর মেয়াদী ট্রেড সার্টিফিকেট কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা। ফাডা (FADA)-র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব সাই গিরিধর বলেছেন—”পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহন মন্ত্রী শ্রী অর্জুন সিং-এর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ; তিনি সিএমভিআর (CMVR) বিধিমালা পুরোপুরি কার্যকর করার এবং রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অবৈধ ‘মাল্টি-ব্র্যান্ড আউটলেট’ (MBO) বা বহু-ব্র্যান্ডের বিক্রয়কেন্দ্রের ব্যবসা সম্পূর্ণ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন। মন্ত্রী আমাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো আমলে নিয়েছেন এবং উভয় ক্ষেত্রেই অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন—এজন্যও আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। এছাড়া, আমরা রাজ্যে ব্যবহৃত বা পুরনো গাড়ি নিবন্ধনের ব্যবস্থা চালু করার পাশাপাশি সম্পূর্ণ অনলাইন-ভিত্তিক পাঁচ বছর মেয়াদী ‘ট্রেড সার্টিফিকেট’ বা ব্যবসায়িক সনদ ব্যবস্থা প্রবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছি। এই পদক্ষেপগুলো নিয়মকানুন মেনে চলার প্রবণতা বৃদ্ধি, গ্রাহকদের সুবিধা বাড়ানো এবং অনুমোদিত ডিলারদের জন্য একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

ফাডা মন্ত্রীর এই আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়েছে এবং দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেছে যে, প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো সুষ্ঠু ব্যবসায়িক চর্চাকে উৎসাহিত করবে, বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়টিকে উন্নত করবে এবং পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে অনুমোদিত অটোমোবাইল ডিলারদের জন্য ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করে তুলবে।একটি ইতিবাচক আবহে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। এতে ফাডা এবং পরিবহন বিভাগ—উভয় পক্ষই সড়ক নিরাপত্তা, ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা, বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন মেনে চলা এবং রাজ্যের অটোমোটিভ খুচরা বিক্রয় খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক আলোচনা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

Continue reading
‘দ্য কনক্লেভ’-এ হর্ষবর্ধন নেওটিয়া কর্তৃক সেনসেই ইয়াল নির-এর ‘বুডো ফর লাইফ’ ​​(Budo for Life) বইয়ের মোড়ক উন্মোচন |
  • August 4, 2026


কলকাতা, ৬ জুলাই, ২০২৬:‘দ্য কনক্লেভ’-এ হর্ষবর্ধন নেওটিয়া কর্তৃক সেনসেই ইয়াল নির-এর ‘বুডো ফর লাইফ’ ​​(Budo for Life) বইয়ের মোড়ক উন্মোচন|পরিবর্তনশীল বিশ্বে আত্ম-নিয়ন্ত্রণের (self-mastery) চিরস্থায়ী গুরুত্ব নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সন্ধ্যা
প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল এই যুগে ভারসাম্য, জীবনের উদ্দেশ্য এবং মানসিক স্বচ্ছতার সন্ধান আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মার্শাল আর্টিস্ট এবং লিডারশিপ মেন্টর সেনসেই ইয়াল নির-এর লেখা নতুন বই ‘বুডো ফর লাইফ’-এ ‘বুডো’ (BuDo)-র দর্শনের আলোকে এই বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। ‘বুডো’ হলো জাপানের এক প্রাচীন ঐতিহ্য যা কেবল মার্শাল আর্টের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়। কলকাতার ‘দ্য কনক্লেভ’-এ আম্বুজা নেওটিয়া-র চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন।
‘বুডো ফর লাইফ’ ​​বইটিতে ‘বুডো’-র নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে একটি সুসংহত ও সুবিন্যস্ত পদ্ধতি উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে ১০টি সুনির্দিষ্ট ও ব্যবহারিক কৌশলের কথা বলা হয়েছে, যা পাঠকরা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করতে পারেন। বইটি এমন একটি স্পষ্ট ও কার্যকর কাঠামো প্রদান করে যা মানুষকে শৃঙ্খলা, সহনশীলতা, আত্ম-সচেতনতা, সততা এবং মানসিক ভারসাম্য গড়ে তুলতে সহায়তা করে—আর এই গুণাবলি ব্যক্তিগত পরিতৃপ্তি ও পেশাগত উৎকর্ষ—উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে হর্ষবর্ধন নেওটিয়া বলেন:
“সেনসেই ইয়াল নির-এর দৃষ্টিভঙ্গি অনন্য হওয়ার কারণ হলো, এটি কেবল মার্শাল আর্টে তাঁর দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি; বরং নেতৃত্ব, শিক্ষা এবং দৈনন্দিন জীবনে এর নীতিমালার দীর্ঘদিনের প্রয়োগ থেকেই এই দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে। ‘বুডো ফর লাইফ’ ​​আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে আত্ম-নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। এমন এক বিশ্বে যেখানে প্রায়শই গতি ও ফলাফলকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেখানে এই বইটি স্বচ্ছতা, সহনশীলতা ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে জীবনযাপনের বিষয়ে কালজয়ী অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।”
বইটি সম্পর্কে সেনসেই ইয়াল নির বলেন:
“’বুডো ফর লাইফ’ ​​কেবল উপদেশ বা অনুপ্রেরণা প্রদানকারী সাধারণ কোনো বই নয়। এটি বিশ্বের সামনে ‘বুডো’-র শতাব্দীর পর শতাব্দীর প্রজ্ঞা থেকে আহরিত একটি নতুন পদ্ধতি তুলে ধরে এবং পাঠকদের দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য ও সুস্থতার জন্য ১০টি ব্যবহারিক কৌশল প্রদান করে।”
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের পর লেখকের সাথে সমসাময়িক জীবনে ‘বুডো’-র নীতিমালার প্রয়োগ নিয়ে এক প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা (emotional intelligence), আজীবন শিক্ষা এবং ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠা বিশ্বে চরিত্র গঠনের গুরুত্বের মতো বিষয়গুলো উঠে আসে। এছাড়া, বই স্বাক্ষর পর্বের সময় অতিথিরা সেনসেই ইয়াল নির-এর সাথে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগও পান। এই সন্ধ্যায় জাপানের ডেপুটি কনসাল জেনারেল (কলকাতা) জনাব আশিদা কাতসুনোরি, ‘অল ইন্ডিয়া বুদো শিতোকান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন’ (AIBSKA)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জনাব তীর্থঙ্কর নন্দী এবং আরও অনেক বিশিষ্ট অতিথি একত্রিত হয়েছিলেন। এই আয়োজনটি ‘বুদো’ (BuDo)-র দীর্ঘস্থায়ী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সমসাময়িক জীবনে এর প্রাসঙ্গিকতাকে তুলে ধরেছে।

Continue reading

মিস করে যাওয়া

হার্ট ভালভের চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী সাফল্য হাট বিশেষজ্ঞ ডা. সুমন্ত মুখোপাধ্যায়ের  |
জেআইএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষাগত উৎকর্ষ উদযাপন করল |
PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখা ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন’ (EPFO)-এর সহযোগিতায় কলকাতায় EPFO-র নতুন নীতিমালার ওপর একটি সেমিনারের আয়োজন করে।
উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের ঘোষণা; মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠানে সাজবে কলকাতা |
GNIT-এর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম ‘প্রবেশ উৎসব ২০২৬’-এ নতুন ব্যাচকে স্বাগত |
হাওড়ায় আয়শার ট্রাকস এন্ড বাসেসে  Eicher Pro – X এর নতুন ডিলারশিপের উদ্বোধন।