সিদ্ধা গ্রুপ ‘গিভ ব্যাক টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ (Give Back to the World) শীর্ষক বিশ্ব পরিবেশ দিবস সচেতনতা প্রচার অভিযান শুরু করেছে |

কলকাতা, ৫ই জুন, ২০২৬: বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে, সিদ্ধা গ্রুপ তাদের সুপরিচিত ‘বি সেলফিশ’ (Be Selfish) দর্শনের আওতায় ‘গিভ ব্যাক টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ বা ‘পৃথিবীকে ফিরিয়ে দেওয়া’ শীর্ষক একটি উদ্যোগ চালু করেছে। এই উদ্যোগটি পরিবেশগত সচেতনতা, টেকসই জীবনযাপন এবং একটি টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সামাজিক অংশগ্রহণের বার্তা প্রচার করে।

“বি সেলফিশ। গিভ ব্যাক টু দ্য ওয়ার্ল্ড” (স্বার্থপর হোন। পৃথিবীকে ফিরিয়ে দিন)—এই চিন্তাধারাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই প্রচার অভিযানটি একটি সহজ অথচ শক্তিশালী ধারণা তুলে ধরে: নির্মল বাতাস আমাদের উপকার করে, সবুজ পরিবেশ আমাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে এবং একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ আমাদের সন্তান ও পরিবারের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করে। এই দর্শনের মাধ্যমে, সিদ্ধা গ্রুপ মানুষকে প্রকৃতির প্রতি কিছু ফিরিয়ে দিতে অনুপ্রাণিত করতে চায়, কারণ প্রকৃতি সরাসরি তাদের জীবনকে প্রভাবিত করে।

এই প্রচার অভিযানের অংশ হিসেবে, সিদ্ধা গ্রুপ শিশুদের জন্য একটি ‘সিট অ্যান্ড ড্র’ (বসে ছবি আঁকার) প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। ‘আমরা কীভাবে প্রকৃতিকে ফিরিয়ে দিতে পারি?’—এই বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধা গ্যালাক্সিয়া এবং সিদ্ধা হ্যাপিভিল-এর বাসিন্দাদের নিয়ে এই প্রতিযোগিতাটি সিদ্ধা গ্যালাক্সিয়া প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী আয়োজনে একটি সচেতনতামূলক আলোচনা পর্বও ছিল, যেখানে শিশুদের তাদের চারপাশের গাছপালা সংরক্ষণ ও পরিচর্যার গুরুত্ব বোঝানো হয়।

WhatsApp Video 2026 06 05 at 16.48.02 (2).mp4.00 00 07 26.Still002

ছবি আঁকার প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশেষ অতিথি অভিনেতা ও বিধায়ক শ্রী রুদ্রনীল ঘোষ এবং অভিনেত্রী সুশ্রী অনুশা বিশ্বনাথন।

সিদ্ধা গ্রুপের ডিরেক্টর শ্রী আয়ুষ্মান জৈন বলেন, “সিদ্ধা-তে আমরা বিশ্বাস করি যে টেকসই জীবনযাত্রার সূচনা হয় দৈনন্দিন ছোটখাটো সিদ্ধান্ত এবং সম্মিলিত অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে। ‘বি সেলফিশ। গিভ ব্যাক টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ হলো এমন একটি প্রচেষ্টা যা মানুষকে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের গণ্ডি পেরিয়ে পরিবেশের সাথে আরও দায়িত্বশীল সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহিত করে। শিশু ও পরিবারগুলোকে অর্থবহ আলোচনা ও কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে আমরা প্রকৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তুলতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রকৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরতে চাই। ‘বি সেলফিশ’ দর্শনের মাধ্যমে আমরা এটাই বোঝাতে চাই যে, পরিবেশ রক্ষা করা আসলে আমাদের নিজেদের সুস্থতা, আমাদের সমাজ এবং আমরা যে ভবিষ্যৎ রেখে যাব—তারই জন্য এক ধরণের বিনিয়োগ।”

এই প্রচার অভিযানটি দায়িত্বশীল সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই জীবনযাত্রার প্রতি সিদ্ধা গ্রুপের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করে। এটি এমন সব অর্থবহ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে যা বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে, তরুণ প্রজন্মকে ক্ষমতায়িত করে এবং পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি করে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে, সিদ্ধা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং সম্মিলিত দায়িত্ববোধকে উৎসাহিত করে চলেছে।

Related Posts

স্বাস্থ্য প্রস্তুতিতে পথ দেখাচ্ছে কলকাতার তরুণরা, জাতীয় গড়কেও ছাড়িয়ে গেল নিবা বুপার ‘ইয়াং ইন্ডিয়া হেলথ ইন্স্যুরেন্স রিপোর্ট’|
  • May 29, 2026

কলকাতা, ২৫ মে ২০২৬: নিবা বুপা হেলথ ইন্স্যুরেন্স তরুণ ভারতের স্বাস্থ্যবিমা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কিত একটি ভোক্তা-সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই রিপোর্টে উঠে এসেছে যে কলকাতার তরুণরা দেশের মধ্যে আর্থিক ও চিকিৎসাগত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অন্যতম এগিয়ে।

এই সমীক্ষাটি ২,৪০০-এরও বেশি অংশগ্রহণকারীর উপর পরিচালিত হয়েছে, যেখানে দেশের ৩৫টিরও বেশি শহর ও গ্রামীণ অঞ্চল— টিয়ার ১, টিয়ার ২, টিয়ার ৩ শহর এবং গ্রাম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই রিপোর্টে প্রথমবারের মতো Health Protection Score (HPS) চালু করা হয়েছে— যা একটি সমন্বিত সূচক, যার মাধ্যমে বোঝা যায় মানুষ চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি সামলানোর জন্য কতটা প্রস্তুত।

এই স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে চারটি মূল বিষয়ের ভিত্তিতে— ১. জীবনযাত্রার শৃঙ্খলা
২. পরিবারের স্বাস্থ্য ইতিহাস
৩. নিজের স্বাস্থ্য মূল্যায়ন ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যচর্চা
৪. আর্থিক সক্ষমতা
০–১০ স্কেলের ভিত্তিতে মানুষকে তিনটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে—
অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ (০–২.৯৯)
আংশিক ঝুঁকিপূর্ণ (৩–৫.৯৯)
নিরাপদ ও সুরক্ষিত (৬ বা তার বেশি)
তরুণ ভারত: আগ্রহ বেশি, প্রস্তুতি কম
রিপোর্টে সচেতনতা ও বাস্তব পদক্ষেপের মধ্যে একটি বড় ফারাক দেখা গেছে—

  • ভারতের ৫১% তরুণ স্বাস্থ্যবিমাকে তাদের শীর্ষ তিন আর্থিক অগ্রাধিকারের মধ্যে রাখলেও মাত্র ১৪% নিজেদের নামে স্বাস্থ্যবিমা নিয়েছেন।
  • প্রায় ৪ জনের মধ্যে ৩ জন (৭৬%) তরুণ আর্থিক বা চিকিৎসাগতভাবে অপ্রত্যাশিত স্বাস্থ্যঝুঁকির জন্য প্রস্তুত নন।
  • মাত্র ২৪% চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত।
    কলকাতা একটি উজ্জ্বল উদাহরণ
    জাতীয় চিত্রের তুলনায় কলকাতার প্রস্তুতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি—
  • HPS স্কোর ৫.৮৭, যেখানে ভারতের গড় ৪.৫৪
  • ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিমা মালিকানা ২১%, জাতীয় গড় ১৪%-এর চেয়ে বেশি
  • পলিসি ল্যাপস হার মাত্র ২%, যেখানে জাতীয় গড় ৬%
  • ৫৪% ‘নিরাপদ ও সুরক্ষিত’, যা জাতীয় গড় ২৪%-এর দ্বিগুণেরও বেশি
  • মাত্র ৩% ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’, যা দেশের মধ্যে অন্যতম কম
WhatsApp Image 2026 05 25 at 15.06.42

এই তথ্যগুলি কলকাতার মানুষের আর্থিক শৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বজায় রাখার ধারাবাহিক মনোভাবকে তুলে ধরে।

কম খরচের ধারণা, তবুও শক্তিশালী আর্থিক প্রস্তুতি
মজার বিষয় হলো, কলকাতার মানুষ জরুরি স্বাস্থ্যসেবার সম্ভাব্য খরচ গড়ে প্রায় ₹৯৬,০০০ বলে মনে করেন— যা জাতীয় গড়ের তুলনায় কম।

তবে বাস্তবে তারা জরুরি সময়ে গড়ে প্রায় ₹৪.৯ লক্ষ পর্যন্ত অর্থের ব্যবস্থা করতে সক্ষম বলে জানিয়েছেন।
এটি দেখায় যে স্বাস্থ্য খরচের অনুমানের বাইরেও তাদের আর্থিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী।

নিবা বুপার অভ্যন্তরীণ অনুমান অনুযায়ী, ২৪–৩৪ বছর বয়সীদের স্বাস্থ্যবিমা না থাকলে অন্তত ₹৩ লক্ষ জরুরি তহবিল প্রস্তুত রাখা উচিত।
আত্মবিশ্বাসভিত্তিক আচরণ স্বাস্থ্যবিমা গ্রহণে প্রভাব ফেলছে
কলকাতায় স্বাস্থ্য প্রস্তুতি ও বিমা গ্রহণ বেশি হলেও স্বাস্থ্যবিমা কেনার আগ্রহ তুলনামূলকভাবে কম— ৪৩%, যেখানে জাতীয় গড় ৫১%।

এর সম্ভাব্য কারণ হলো— আগে থেকেই বেশি কভারেজ থাকা এবং আর্থিকভাবে আত্মবিশ্বাসী হওয়া।
সমীক্ষায় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আচরণগত দিক উঠে এসেছে—

  • নিজেকে সুস্থ মনে করা স্বাস্থ্যবিমা না কেনার সবচেয়ে বড় কারণ
  • এজেন্ট, ব্যাংক ও পরিবারের মতো মানবিক যোগাযোগ এখনও বিমা কেনার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
  • স্বাস্থ্যবিমা গ্রহণ শুধু আয়ের ওপর নয়, আর্থিক শৃঙ্খলারও প্রতিফলন
    রিপোর্ট সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে নিবা বুপা হেলথ ইন্স্যুরেন্সের ডিরেক্টর – ডিজিটাল বিজনেস ইউনিট ও চিফ মার্কেটিং অফিসার নিমিশ আগরওয়াল বলেন—
    “কলকাতা এমন একটি বাজার হিসেবে উঠে এসেছে যেখানে সচেতনতা, আর্থিক প্রস্তুতি এবং স্বাস্থ্যবিমা গ্রহণ— তিনটিই শক্তিশালীভাবে একসঙ্গে দেখা যায়। এখানে বেশি বিমা গ্রহণ এবং কম ল্যাপস হার প্রমাণ করে যে মানুষ শুধু স্বাস্থ্যবিমার গুরুত্ব বোঝেন না, বরং সেই সুরক্ষা বজায় রাখতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
    সবচেয়ে উৎসাহজনক বিষয় হলো তরুণদের শক্তিশালী আর্থিক প্রস্তুতি, যা চিকিৎসাজনিত অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। একই সঙ্গে জীবনযাত্রা-সংক্রান্ত প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যচর্চা আরও জোরদার করার সুযোগ রয়েছে।
    নিবা বুপা হিসেবে আমরা এমন সমাধান নিয়ে কাজ করছি যা শুধু সুরক্ষা নয়, সুস্থ জীবনযাপন ও দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ নিশ্চিত করবে এবং আত্মবিশ্বাস ও পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির মধ্যে থাকা ব্যবধান কমাতে সাহায্য করবে।”
    স্বাস্থ্য আচরণে আরও উন্নতির সুযোগ
    স্বাস্থ্য প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কলকাতা একটি অনুকরণযোগ্য উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে। আর্থিক সক্ষমতা, স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য মূল্যায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচকে শহরটি শক্তিশালী অবস্থান দেখিয়েছে।

উচ্চ স্বাস্থ্যবিমা মালিকানা এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যা কলকাতাকে একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থার উদাহরণে পরিণত করেছে।

যদিও রিপোর্টে জীবনযাত্রা-সংক্রান্ত আচরণে কিছু উন্নতির সুযোগের কথা বলা হয়েছে, তবুও এটিই কলকাতাকে ভবিষ্যতে সমন্বিত স্বাস্থ্য প্রস্তুতির মানদণ্ড স্থাপনের আরও বড় সম্ভাবনা তৈরি করে দিয়েছে।

Continue reading
সর্দার তরঞ্জিত সিং “রূপান্তরমূলক শিক্ষা নেতৃত্বে শ্রেষ্ঠত্ব” পুরস্কারে ভূষিত
  • May 29, 2026

জেআইএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সর্দার তরঞ্জিত সিং নয়া দিল্লিতে ওয়ার্ল্ড পাঞ্জাবি অর্গানাইজেশনের “বৈশাখী অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬” নামক এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে মর্যাদাপূর্ণ “রূপান্তরমূলক শিক্ষা নেতৃত্বে শ্রেষ্ঠত্ব” পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। রূপান্তরমূলক শিক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষে সর্দার তরঞ্জিত সিং-এর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। পুরস্কারটি প্রদান করেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর সর্দার তরঞ্জিত সিং সান্ধু। এ সময় বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাঞ্জাবের গভর্নর শ্রী গুলাব চাঁদ কাটারিয়া; দিল্লি সরকারের খাদ্য সরবরাহ, শিল্প, বন ও পরিবেশ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী শ্রী মজিন্দর সিং সিরসা; এবং মাননীয় সংসদ সদস্য ও ওয়ার্ল্ড পাঞ্জাবি অর্গানাইজেশনের আন্তর্জাতিক সভাপতি শ্রী বিক্রমজিৎ সিং সাহনি।

Continue reading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মিস করে যাওয়া

সিদ্ধা গ্রুপ ‘গিভ ব্যাক টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ (Give Back to the World) শীর্ষক বিশ্ব পরিবেশ দিবস সচেতনতা প্রচার অভিযান শুরু করেছে |

সিদ্ধা গ্রুপ ‘গিভ ব্যাক টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ (Give Back to the World) শীর্ষক বিশ্ব পরিবেশ দিবস সচেতনতা প্রচার অভিযান শুরু করেছে |

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে, ধূমপানমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট ক্যাম্পাস, চিকিৎসক ও তারকাদের একত্রিত করল |

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে, ধূমপানমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট ক্যাম্পাস, চিকিৎসক ও তারকাদের একত্রিত করল |

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে তামাকবিরোধী বার্তায় একত্রিত কলকাতা |

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে  তামাকবিরোধী বার্তায় একত্রিত কলকাতা |

টেকনো মেইন সল্ট লেক জাঁকজমকপূর্ণ উদযাপনের মাধ্যমে রজত জয়ন্তী পালন করল |

টেকনো মেইন সল্ট লেক জাঁকজমকপূর্ণ উদযাপনের মাধ্যমে রজত জয়ন্তী পালন করল |

স্বাস্থ্য প্রস্তুতিতে পথ দেখাচ্ছে কলকাতার তরুণরা, জাতীয় গড়কেও ছাড়িয়ে গেল নিবা বুপার ‘ইয়াং ইন্ডিয়া হেলথ ইন্স্যুরেন্স রিপোর্ট’|

স্বাস্থ্য প্রস্তুতিতে পথ দেখাচ্ছে কলকাতার তরুণরা, জাতীয় গড়কেও ছাড়িয়ে গেল নিবা বুপার ‘ইয়াং ইন্ডিয়া হেলথ ইন্স্যুরেন্স রিপোর্ট’|

সর্দার তরঞ্জিত সিং “রূপান্তরমূলক শিক্ষা নেতৃত্বে শ্রেষ্ঠত্ব” পুরস্কারে ভূষিত

সর্দার তরঞ্জিত সিং “রূপান্তরমূলক শিক্ষা নেতৃত্বে শ্রেষ্ঠত্ব” পুরস্কারে ভূষিত