মণিপাল হসপিটালস কলকাতার উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে শিল্প, সংগীত ও কবিতার মেলবন্ধনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন |
  • May 10, 2026

কলকাতা, ৯ মে ২০২৬: স্টেথোস্কোপের জায়গা নিল গান, প্রেসক্রিপশনের পরিবর্তে শোনা গেল কবিতা, আর হাসপাতালের করিডোর যেন এক সন্ধ্যার জন্য শিল্প ও সংস্কৃতির বিস্তারে রূপ নিল ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মণিপাল হসপিটালস কলকাতার চিকিৎসকেরা যখন সাংস্কৃতিক মঞ্চে উঠে এলেন, তখন এক অনন্য আবহে ধরা পড়ল কিভাবে কবিগুরুর চিরন্তন শব্দ, সংগীত ও দর্শন প্রজন্ম, পেশা ও সীমারেখা ছাড়িয়ে আজও মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন মণিপাল হসপিটালস কলকাতার ইএম বাইপাস, মুকুন্দপুর, ঢাকুরিয়া, সল্টলেক ও ব্রডওয়ে ইউনিটের চিকিৎসকেরা। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই সন্ধ্যা হয়ে ওঠে এক আবেগঘন সাংস্কৃতিক উদযাপন।

ভারতের প্রাচীনতম ও অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের আবহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান স্বাস্থ্যসেবা, মানবিকতা ও সংস্কৃতির এক বিরল মেলবন্ধনের সাক্ষী হয়ে ওঠে। অসাধারণ ঐক্য ও শিল্পীসুলভ প্রকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিটের ১৯ জন চিকিৎসক একসঙ্গে পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত ও আবৃত্তি। চিকিৎসার ব্যস্ত দায়িত্বের বাইরে এসে তাঁরা একত্রিত হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন সৃষ্টিকে সম্মান জানাতে। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় “জাগরণে যায় বিভাবরী”, “প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে”, “আমি চিনি গো চিনি”, “মনে মোর মেঘের সঙ্গী” এবং “পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে”-র মতো জনপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীত। পাশাপাশি আবৃত্তি করা হয় “বাঁশি”, “নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ” এবং “শেষের কবিতা”-র অংশবিশেষ। এই পরিবেশনাগুলি রোগী, পরিজন, হাসপাতালের কর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এক আবেগঘন ও নস্টালজিক পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা আবারও মনে করিয়ে দেয়—সুস্থতা শুধুমাত্র চিকিৎসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

WhatsApp Image 2026 05 09 at 13.32.18

এই প্রসঙ্গে ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য, ডিরেক্টর, ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, কলকাতা (সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারত সরকার), বলেন, “রবীন্দ্রজয়ন্তী শুধুমাত্র একটি সাহিত্যিক বা সাংস্কৃতিক উদযাপন নয়, এটি ভারতের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি আবেগ। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম জাদুঘর হিসেবে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামও দেশের বৌদ্ধিক, শিল্প ও সামাজিক জাগরণের সঙ্গে পথ চলেছে, যার বড় অংশ জুড়ে রয়েছেন কবিগুরু স্বয়ং। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন এক বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক, যা জ্ঞান, মানবতা ও অন্তর্ভুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। আজ যখন বিশ্বের বিভিন্ন জাদুঘর আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুষের কাছাকাছি হয়ে উঠছে, তখন রবীন্দ্রনাথের দর্শন আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, কারণ তিনি কল্পনা করেছিলেন এমন এক সমাজের, যা শ্রেণি, ভাষা ও ভৌগোলিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে। স্বাস্থ্যসেবা পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের এই উদযাপনে অংশগ্রহণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁরা এই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে এসে তাঁদের সৃজনশীল সত্তাকে তুলে ধরেছেন। এটি ‘বিকাশ ভি, বিরাসত ভি’-র ভাবনাকে বাস্তব রূপ দেয়, যেখানে উন্নয়ন ও ঐতিহ্য একসঙ্গে এগিয়ে চলে।”

কবিগুরুর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীর প্রাক্কালে ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের মঞ্চে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনকারী মণিপাল হসপিটালস ইস্ট রিজিয়নের ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোইন্টারভেনশন ও এন্ডোভাসকুলার সার্জারি বিভাগের ডঃ সুকল্যাণ পুরকায়স্থ বলেন, “এই ঐতিহাসিক পরিবেশে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করা সত্যিই এক হৃদয়ছোঁয়া ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রতিদিন মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করি, কিন্তু সংগীত ও সংস্কৃতি আমাদের মানুষের আবেগ ও আত্মার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে সাহায্য করে। রবীন্দ্রনাথের গান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে তার গভীরতা, সংবেদনশীলতা ও মানবিকতার মাধ্যমে। সহকর্মী চিকিৎসকদের সঙ্গে এই বিশেষ উদযাপনের অংশ হতে পেরে সন্ধ্যাটি আমার কাছে আরও স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।”

মণিপাল হসপিটাল সল্টলেক-এর কনসালট্যান্ট – এমার্জেন্সি মেডিসিন বিভাগের ডঃ পরমিতা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী বলেন, “ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের মতো ঐতিহাসিক স্থানে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করা সত্যিই এক আবেগঘন ও পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা। চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রতিনিয়ত মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করি, কিন্তু শিল্প ও সাহিত্য আমাদের অনুভূতির সঙ্গে এক ভিন্ন স্তরে যুক্ত হতে সাহায্য করে। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় যে চিরন্তন মানবিক মূল্যবোধ রয়েছে, তা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সহকর্মী, রোগী ও বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে আমরা গর্বিত।”

মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর-এর ক্লিনিক্যাল লিড – পেডিয়াট্রিক সার্জারি ও পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি বিভাগের ডঃ শুভাশিস সাহা বলেন, “রবীন্দ্রসংগীতের এক চিরন্তন প্রশান্তিদায়ক শক্তি রয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে একসূত্রে বেঁধে রাখে। এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লেগেছে, কারণ এটি চিকিৎসক হিসেবে আমাদের আরেকটি দিককে তুলে ধরেছে—যেখানে শিল্প, সহমর্মিতা ও আবেগের গভীর সংযোগ রয়েছে। এমন সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন সন্ধ্যাটিকে আরও অর্থবহ ও স্মরণীয় করে তুলেছে।”

এই ব্যতিক্রমী রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপনের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস কলকাতা আবারও প্রমাণ করল যে, স্বাস্থ্যসেবা শুধুমাত্র চিকিৎসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সংস্কৃতি, সহমর্মিতা ও সামাজিক সংযোগের মধ্য দিয়েও সুস্থতার এক সামগ্রিক পরিসর গড়ে তোলা সম্ভব। এই সন্ধ্যা তাই শুধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তরাধিকারকেই উদযাপন করেনি, উদযাপন করেছে মানবিকতার সেই দিকটিকেও, যা প্রকৃত আরোগ্যের ভিত্তি।

Continue reading
হুগলী জেলার বৈদ্যবাটীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন|
  • March 1, 2026

কলকাতা,২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ঃ যথাযোগ্য মর্য্যাদার সঙ্গে হুগলী জেলার বৈদ্যবাটীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করল রজত জয়ন্তী বর্ষ অতিক্রান্ত সংগঠন “বঙ্গভাষা ও সংস্কৃতি চেতনা মঞ্চ”। অন্যান্য বৎসরের মতোই এবৎসরও ২১শে ফেব্রুয়ারীর সকালে বৈদ্যবাটী ক্লাব-এর বিপরীতে জি.টি.রোডের পার্শ্বে অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। মঞ্চে’র বর্ত্তমান সভাপতি বর্ষীয়ান ছড়াকার শান্তিপ্রিয় চট্টোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সূচনায় বাংলা ভাষার জন্য হওয়া শহীদদের স্মারক স্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও নিরবতা পালন করা হয়। এরপর পরিবেশিত হয় “মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা” সঙ্গীত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মঞ্চে’র বর্ত্তমান কার্য্যকরী সমিতি’র সদস্য অনুপম রায়-অন্যরকম সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক প্রবীর দাস-বৈদ্যবাটী-শেওড়াফুলি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেড-এর পরিচালক মণ্ডলীর সদস্য দেবাশিস চক্রবর্তী,কবিতা পাঠ করেন কাজল গুপ্ত-লায়লি মুখোপাধ্যায়-নিরুত্র সোম-ধনঞ্জয় সিংহ। এই অনুষ্ঠানের শেষপর্বে মঞ্চে’র রজত জয়ন্তী বর্ষ অতিক্রমণ উপলক্ষ্যে সহযোগী ষোলটি সংগঠনের অধ্যক্ষ-অধ্যক্ষার হাতে বিশেষ স্মারক সম্মান তুলে দেওয়া হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন মঞ্চে’র বর্ত্তমান সাধারণ সম্পাদক পণ্ডিত বিদ্যুৎ বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

WhatsApp Image 2026 02 26 at 03.11.40 (1)

Continue reading
অমিস ত্রিপার্টির উপস্থাপনায় ১৭ তম অ্যাপিজে সাহিত্য উৎসব উদ্বোধন হয়ে গেল অক্সফোর্ড বুক স্টোরে।
  • December 10, 2025

Whatsapp image 2025 12 08 at 18.10.58

কলকাতা, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫: আজ অপিজয় কলকাতা সাহিত্য উৎসবের (একেএলএফ) ১৭তম সংস্করণের উদ্বোধন করা হয়েছে অপিজয় কলকাতা সাহিত্য উৎসবের পরিচালক অঞ্জুম কাটিয়াল; এপিজয় অক্সফোর্ড বুকস্টোরের সিইও স্বাগত সেনগুপ্ত; এবং এপিজয় কলকাতা সাহিত্য উৎসবের প্রোগ্রামিং প্রধান নীতা শ্রীধরনের উপস্থিতিতে। এই ঘোষণা কলকাতার সবচেয়ে প্রিয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি হিসেবে একেএলএফের স্থানকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে, যা বই, ধারণা এবং অর্থপূর্ণ সংলাপ উদযাপন করে। এই উৎসব ৯-১১ জানুয়ারী ২০২৬ পর্যন্ত ঐতিহাসিক আলিপুর জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আমাদের সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আকর্ষণীয় সাহিত্যিক কণ্ঠস্বর একত্রিত হবে।একেএলএফ ২০২৬ এর পর্দা-উত্থাপনের মূল আকর্ষণ ছিল “দ্য থ্রিল অফ দ্য লেজেন্ড”, যেখানে প্রিয়দর্শিনী গুহের সাথে কথোপকথন করা হবে।AKLF 2026 অক্ষয় জেটলি, অমিত লোধা, আনন্দ নীলাকান্তন, অনিতা অগ্নিহোত্রী, অনিতা নায়ার, অপর্ণা সেন, অরুণাভ সিনহা, বাচি কারকরিয়া, বেনিয়ামিন, বৃন্দা কারাত, ডঃ শশী থাগার, ডঃ শশী থাগার সহ লেখক, চিন্তাবিদ, অভিনয়শিল্পী এবং জনসাধারণের ব্যক্তিত্বদের একটি দুর্দান্ত দল উপস্থাপন করবে। জিৎ থাইল, জেরি পিন্টো, লুক কৌতিনহো, মল্লিকা দুয়া, পামেলা ফিলিপোস, পবন কে. ভার্মা, প্রিয়ম্বদা জয়কুমার, রত্নবলি রায়, রিরি ত্রিবেদী, রুচির জোশী, সত্যার্থ নায়ক, শোভা দে, সুন্দর সারুক্কাই, স্বস্তিকা মুখার্জি এবং উষা উষাউপ্পা উষার মধ্যে আরও অনেকে।
তিন দিনব্যাপী এই উৎসবটি আলিপুর জাদুঘর, অক্সফোর্ড বুকস্টোর এবং দ্য পার্ক, কলকাতা জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। এই উৎসবে অপর্ণা সেন আনপ্লাগড, ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট: টেলস অফ দ্য ডার্ক সাইড, টোক ঝাল মিষ্টি: হোয়াট সেটস বেঙ্গলস কুইজিন অ্যাপার্ট, সারভাইভিং দ্য ডার্ক: অ্যাবিউজ অ্যান্ড উইমেনস এক্সপেরিয়েন্স, মাদারলোড: মাইনিং দ্য মিথস, ডিউটি ​​কলস: পুলিশ অ্যান্ড দ্য ক্রাইম থ্রিলার, সেলিব্রেটিং দ্য সিটি: কলকাতা স্টোরিজ এবং অন লিভিং, ডাইং অ্যান্ড এভরিথিং দ্যাট ম্যাটার্স সহ আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই উৎসবে সাহিত্য, সিনেমা, সঙ্গীত, ইতিহাস, সুস্থতা, রাজনীতি, খাদ্য সংস্কৃতি এবং সমসাময়িক সামাজিক আলোচনার এক প্রাণবন্ত মিশ্রণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে।

Whatsapp image 2025 12 08 at 18.10.56

অক্সফোর্ড বুকস্টোরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অক্সফোর্ড জুনিয়র লিটারেরি ফেস্টিভ্যাল (ওজেএলএফ) তরুণ পাঠকদের সাথে ইন্টারেক্টিভ ‘লেখকের সাথে দেখা করুন’ সেশন, সৃজনশীল কর্মশালা, শব্দের খেলা এবং গল্প বলার মাধ্যমে জড়িত করবে। কৌতূহল জাগিয়ে তুলতে এবং বইয়ের প্রতি ভালোবাসাকে উৎসাহিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, ওজেএলএফ পরবর্তী প্রজন্মের পাঠক এবং স্রষ্টাদের অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে কাজ করে। এদিকে, আলিপুর জাদুঘরের পোয়েট্রি ক্যাফে প্রতিষ্ঠিত এবং উদীয়মান কবিদের জন্য তাদের কাজ ভাগ করে নেওয়ার জন্য একটি গতিশীল স্থান প্রদান করবে, যা ধারণা এবং শৈল্পিক প্রকাশের সমৃদ্ধ বিনিময়কে উৎসাহিত করবে।পর্দা উত্থাপন অনুষ্ঠানে তার চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিয়ে, অপিজয় সুরেন্দ্র গ্রুপের পরিচালক প্রীতি পাল বলেন, “অপিজয় কলকাতা সাহিত্য উৎসবের ১৭তম সংস্করণের পর্দা উত্থাপনের মাধ্যমে, আমরা আবারও সৃজনশীলতা এবং সংলাপের স্থায়ী চেতনার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি যা AKLF কে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংজ্ঞায়িত করে আসছে। এই বছরটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ আমরা ঐতিহাসিক আলিপুর জাদুঘরে এই সংস্করণটি আয়োজন করছি – একটি প্রতীকী স্থান যা সমসাময়িক চিন্তাভাবনাকে লালন করার পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে। বছরের পর বছর ধরে, AKLF কেবল একটি সাহিত্য উৎসবের চেয়ে অনেক বেশি কিছুতে পরিণত হয়েছে; এটি কলকাতার সাংস্কৃতিক হৃদস্পন্দনের একটি জীবন্ত প্রমাণ হয়ে উঠেছে, একটি মিলনস্থল যেখানে বিভিন্ন কণ্ঠস্বর অর্থপূর্ণ কথোপকথনের স্ফুলিঙ্গ এবং নতুন ধারণা উড়ে যায়। আমরা যত এগিয়ে যাচ্ছি,

Continue reading
মোক্ষদা একাদশীতে গীতা জয়ন্তী পালন
  • December 4, 2025


১ ডিসেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যা ছ’টায় শতাব্দি প্রাচীন হাওড়ার রামগোপাল মঞ্চে গীতা জয়ন্তী পালিত হয়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল দেবলোক সোসিও-কালচারাল ফাউন্ডেশন ও হাওড়া সংস্কৃত সাহিত্য সমাজ। আচার্য অনুভব হাজরার তত্ত্বাবধানে শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতার সম্পূর্ণ তৃতীয় অধ্যায়ের পাঠ ও অনুপাঠ হয়, একইসঙ্গে সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন পেশার মানুষ এই দিন একত্রে গীতা পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন দুই যোগ ব্যক্তিত্ব ইন্দ্ররূপ রায়চৌধুরী ও কিরণ মন্ডল। গীতা পাঠ ছাড়াও বৈদিক মন্ত্র, সঙ্গীত ও গীতার মাহাত্ম্য কথন অনুষ্ঠিত হয়। মোক্ষদা একাদশীর পুণ্য তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে তথা সমগ্র মানব সম্প্রদায়কে গীতার উপদেশ প্রদান করেছিলেন। ঘরে ঘরে গীতা পাঠের প্রচার প্রসার ও গীতাকে অনুসরণ করে জীবনাচরণের বার্তা পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের কোনায় কোনায় পৌঁছে দিতে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। কারণ গীতাই পারে মানুষের জীবনের প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে এবং মানুষকে শান্তির পথে পরিচালিত করতে।

Whatsapp image 2025 12 04 at 10.21.43

Continue reading
৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা শুরু ২২জানুয়ারি চলবে ৩ফেব্রুয়ারি ২০২৬,পর্যন্ত
  • November 3, 2025

Whatsapp image 2025 11 03 at 18.16.55

কলকাতা ৩ নভেম্বর ২০২৫ – আর্জেন্টিনাকে ফোকাস করে শুরু হতে চলেছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলা।পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ উৎসব আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। ৪৯তম বইমেলার উদ্বোধন হবে ২২ জানুয়ারি ২০২৬, চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, স্থান সল্টলেক। উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী; উপস্থিত থাকবেন দেশ–বিদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অতিথিবৃন্দ। গিল্ড কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সহযোগী সংস্থাকে প্রাঙ্গণের উন্নয়ন ও আয়োজনে সমর্থনের জন্য।
২০২৫ সালের মেলায় ২৭ লক্ষ দর্শক এসেছিলেন, বিক্রি হয়েছিল ২৩ কোটি টাকার বই। নতুন প্রকাশকদের আগ্রহ সত্ত্বেও স্থান সংকীর্ণতার কারণে এবার স্টলের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব নয়।এই প্রথম ফোকাল থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিচ্ছে আর্জেন্তিনা, যাদের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। গিল্ড আশা করছে, এই অংশগ্রহণ দুদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে। আর্জেন্তিনা দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন।

Whatsapp image 2025 11 03 at 18.16.54

২০২৭ সালের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী—১৯৭৬ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ময়দানে আয়োজিত বইমেলার দুর্লভ ছবিগুলি থেকে সেরা দশটি ছবিকে পুরস্কৃত করা হবে। নির্বাচিত ছবি ২০২৬ সালের প্রেস কর্ণারে প্রদর্শিত হবে। ছবি পাঠানোর শেষ তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫।
২০২৬ সালের মেলায় অংশ নেবে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, পেরু, কলম্বিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড ও লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশ। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রকাশকরাও উপস্থিত থাকবেন। থাকবে লিটল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়ন, চিলড্রেনস কর্নার ও নানা আকর্ষণ।
কলকাতা লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল (KLF) অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি। গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে ও সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব কৃষ্ণ চ্যাটার্জী সকল পাঠক, লেখক ওপ্রকাশককে আসন্ন বই উৎসবে আন্তরিক স্বাগত জানিয়েছেন।উপস্থিত ছিলেন গিল্টের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে,মিসেস আনন্দী কুইপো রিয়াভিটজ, কনস্যুলার সেকশনের প্রধান,রাজু বর্মণ, কোষাধ্যক্ষ, গিল্ডসুদীপ্ত দে, নির্বাহী কমিটির সদস্যত্রিদিব কৃষ্ণ চ্যাটার্জী, মাননীয় সাধারণ সম্পাদক, গিল্ডএশা চ্যাটার্জী, নির্বাহী কমিটির সদস্যমিঃ আন্দ্রেস সেবাস্তিয়ান রোজাস, কাউন্সেলর শুভঙ্কর দে, নির্বাহী কমিটির সদস্য।

Continue reading
“মেক ক্যালকাটা রিলিভেন্টের দ্বিতীয় বছরের অন্য পুজোর সূচনা হলো খুঁটি পুজো দিয়ে”
  • August 1, 2025

কলকাতা,৩১ জুলাই, ২০২৫ :– কলকাতা উৎসবের শহর আর কলকাতার প্রধান উৎসব হল দুর্গাপুজো। এই দুর্গাপুজোকে ঘিরেই সারা বছরের অপেক্ষায় থাকে আমোর বাঙালি। পুজো আসার দুমাস আগে থেকেই পুজোর গন্ধ ছড়িয়ে পরে অলিতে গলিতে ঠিক এবারে যেমন পড়লো ক্যালকাটা রেলিভেন্টের অন্য পুজোর দ্বিতীয় বছরের আয়োজনে। হয়ে গেল অন্য পুজোর খুঁটি পুজো। কলকাতার দ্বিতীয় সংস্করণ ঘোষণা করেছে একটি ভিন্ন দুর্গা পুজো, অন্য পুজোকে শিক্ষার্থীদের হয়েছিল যা বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবের দায়িত্ব এবং সাংস্কৃতিক চেতনায় মূল্যবোধের সাধে একত্রিত করেছে।
এই অন্য পুজোর প্রতি কি সূচনা হিসেবে অন্য পুজোর খুঁটি পুজো উদযাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করে এটি এই বছরের থিম নারকোল কথা এবং ম্যাসকট ঘোষণা করা হয় যার নাম দেওয়া হয়েছে নারু দা। যার লক্ষ ছিল পরিবেশগত দায়িত্ব এবং সমসাময়িক দিক থেকে সংস্কৃতি দেখতে যুব সমাজকে অনুপ্রাণিত করা।

Whatsapp image 2025 08 04 at 11.06.27 pm

ই উদ্বোধনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মানসী রায় চৌধুরী,মিস্টার নীল ভট্টাচার্য, এর প্রতিষ্ঠাতা এবং এম ডি সুজাতা চ্যাটার্জি, মিসেস পোলিং লারাভোয়ার,এবং মিক ক্যালকাটা রিলিভেন্টের প্রতিষ্ঠাতা টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রধান উদ্যাপনা কর্মকর্তা দেবদূত রায়চৌধুরী।
এই বছর নারকোল কথা থিমটি প্রতিকি হিসেবে নারকল উপজাত তার মধ্যে রয়েছে নারকেলের দড়ি, সহিং, কাঠ কয়লা ব্যবহার করে প্যান্ডেলটি অনন্য ভাবে তৈরি করা হবে। টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় এর দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়িত হবে। টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ পালন করবে তাদের সৃজনশীলতা, কারু শিল্প এবং দায়িত্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিকে পুনর্গঠন ও উদ্ভাবনের একটি দৃশ্যমান উপস্থাপনা তৈরি করবে।
অন্য পুজো ছিল আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যকে এমন ভাবে পুরো কল্পনা করার বিষয়ে যা আজকের যুবসমাজ এবং পরিবেশের সাথে অণুরণিত হয়। সময় এসেছে আমাদের সাহিত্যের জরুরি আহবানের সাথে আমাদের ঐতিহ্যকে একত্রিত করার। আমি বিশ্বাস করি এই উদ্যোগ আরো এবং উদ্ভাবনী ভবিষ্যতের পথ প্রশস্ত করেছে। মেঘ ক্যালকাটা ইলেভেন্ট এখানের প্রতিষ্ঠাতা মিস্টার মেঘদুত রায়চৌধুরী বলেন এই প্রকল্পটি আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রমাণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে দুর্গা পূজার মতো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিতে দায়িত্বকে এর মালিকানা গ্রহণ করেছে। ঐতিহ্য এবং সাহিত্যের মিলন ঘটলে যে উদ্ভাবন হতে পারে তারই এক প্রতিমূর্তি ছিল অন্য পুজো বলেন পুনভারসাম্য ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা মিসেস লারাভোয়র।

Whatsapp image 2025 08 04 at 11.06.45 pm

অন্য পুজোর খুঁটি পুজোতে শ্রদ্ধার সাথে পালন করা হয় সমস্ত আচার অনুষ্ঠান এবং রীতিনীতি সহ সমস্ত তবুও এর ঐতিহ্যবাহী মুলের বাইরে পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়েছে অগ্রগতির যা অতীতকে সম্মান করে এবং আরো সবুজ আরো চিন্তাশীল ভবিষ্যতের পথ প্রশস্থ করবে।

Continue reading
অনুপ্রেরণা এবং অন্তর্দৃষ্টি নিয়ে সুজিত পলের লেখা বই “তুমি তোমার পথ” প্রকাশিত হলো।
  • July 7, 2025

কলকাতা, 20 জুন, 2025 — পার্ক স্ট্রিটের আইকনিক অক্সফোর্ড বুকস্টোরে প্রখ্যাত লেখক এবং জীবন প্রশিক্ষক সুজিত পল তাঁর বাংলা প্রেরণামূলক বই “তুমি তোমার পথ”প্রকাশিত হলো। পাওয়ার পাবলিশার্স অ্যান্ড মোশন পিকচার্স দ্বারা আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহর জুড়ে সাহিত্যপ্রেমী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি এবং সৃজনশীল মনকে একত্রিত করা হয়েছিল।দাভা ইন্ডিয়ার সিইও এবং ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যক্তিগত উন্নয়নে অবদান রাখা একজন সম্মানিত প্রেরণাদায়ক বক্তা সুজিত পল বইটির সৃষ্টির পেছনের হৃদয়গ্রাহী গল্পগুলি ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি এটিকে জীবনের যাত্রার সঙ্গী হিসেবে বর্ণনা করেছেন – যা প্রচার করে না, বরং মৃদুভাবে পথ দেখায়। “এই বইটি কেবল প্রেরণা সম্পর্কে নয়,” তিনি বলেন, “এটি আপনার ভিতরে ইতিমধ্যেই বহন করা আলোকে পুনরাবিষ্কার করার বিষয়ে।”

Whatsapp image 2025 07 02 at 02.37.14 (2)

এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা সুদেষ্ণা রায়, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক বিনোদ ঘোষাল, প্রশংসিত কবি ও সাংবাদিক সৈয়দ হাসমত জালাল এবং খ্যাতিমান পরিচালক অভিজিৎ চৌধুরী। প্রতিটি অতিথি আজকের বিশ্বে বইটির বার্তা এবং প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে তাদের মতামত ভাগ করে নেন।”পথ ও প্রেরণা: আলোর আলো আনলক করা” প্রতিপাদ্যের অধীনে, প্রকাশনা অংশগ্রহণকারীদের অন্তরের দিকে তাকাতে এবং ব্যক্তিগত বিকাশকে আলিঙ্গন করতে উৎসাহিত করে।”তুমি তোমার পথ” এখন শীর্ষস্থানীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলিতে উপলব্ধ, পাঠকদের তাদের অভ্যন্তরীণ উদ্দেশ্যের সাথে বিরতি, প্রতিফলন এবং পুনর্গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়।

Continue reading
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন
  • May 14, 2025


কলকাতা, ১২ই মে, ২০২৫: গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জন্য, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ, নম্রতা ওয়েভসের সাথে সহযোগিতায় “সোনার তোরি – বেঙ্গল নিমজ্জন: ড্রেপস, ডিলাইটস, ডায়ালগস” আয়োজন করেছে – একটি দিনব্যাপী অভিজ্ঞতামূলক শ্রদ্ধাঞ্জলি যা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং সম্প্রদায়কে একত্রিত করেছিল। ঠাকুরের ঐক্য, মানবতাবাদ, শৈল্পিক উৎকর্ষতা এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের দৃষ্টিভঙ্গির সম্মানে, ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, গল্প বলা এবং মননশীল ঐতিহ্যকে এক নিমজ্জিত দিনব্যাপী উদযাপনে একত্রিত করে।
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মানসী রায়চৌধুরী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার মিঃ অ্যান্ড্রু ফ্লেমিং, চীনা ডেপুটি কনসাল জেনারেল মিঃ কিন ইয়ং, শ্যুটার মিঃ জয়দীপ কর্মকার, অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক মিঃ অশোক বিশ্বনাথন, বাগ্মী মধুমন্তী মৈত্র, পরিচালক মিঃ সত্রাজিৎ সেন এবং নম্রতা ওয়েভসের প্রতিষ্ঠাতা মিঃ নম্রতা মিত্র। দিনটি শুরু হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী ‘বোরন’ (স্বাগত) দিয়ে, যা বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক কাঠামোর মধ্যে যাত্রার সুর তৈরি করে। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল বাংলার টেক্সটাইল ঐতিহ্যের একটি নির্দেশিত ওয়াকথ্রু, যেখানে কিউরেটেড ড্রেপ এবং বুনন রয়েছে।
দিনের কিউরেটেড অভিজ্ঞতাগুলির মধ্যে ছিল:

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.42


নম্রতা ওয়েভসের নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান টেক্সটাইলের সাথে ড্রেপিং এবং স্টাইলিং, ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের জটিলতা প্রদর্শন করে
আলতা প্রয়োগ, আল্পনা শিল্প, মালা গাথা (মালা তৈরি) এবং পান সাজসজ্জা সহ হাতে-কলমে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি কার্যকলাপ
প্রাণবন্ত মুহূর্তগুলি নথিভুক্ত করার জন্য কিউরেটেড ফটোগ্রাফি কর্নার দিয়ে স্মৃতি ধরে রাখা
TIGPS শিক্ষকদের দ্বারা ব্যাখ্যা করা প্রতিটি খাবারের পিছনের গল্প সহ খাঁটি বাঙালি নৈশভোজে আমোদিত
কোজি আড্ডা সেশন, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সৃজনশীল, একাডেমিক এবং টেক্সটাইল জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সাথে আলাপচারিতা করেছিলেন
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুল (TIGPS) এর শিক্ষকদের নির্দেশে (টেকনো মেইন সল্টলেকের শিক্ষার্থীদের সঙ্গীত পরিবেশনার সাথে) প্রতিটি কার্যকলাপ ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট প্রদান করে, যা বাংলার জীবন্ত ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে একটি সমৃদ্ধ, শিক্ষামূলক এবং আনন্দময় যাত্রা নিশ্চিত করে।

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.41


“সোনার তোরি হল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সারমর্মের উদযাপন – নিমজ্জিত শিক্ষার প্রতি তাঁর বিশ্বাস, দৈনন্দিন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে বোনা সৌন্দর্য এবং ভাগ করা সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা থেকে আসা গভীর আনন্দ। ঠাকুর শিক্ষাকে কেবল জ্ঞান অর্জন হিসেবেই কল্পনা করেননি, বরং মন, হৃদয় এবং আত্মাকে সংযুক্ত করে এমন একটি সামগ্রিক যাত্রা হিসেবে কল্পনা করেছিলেন। এই অনুষ্ঠানটি সেই দর্শনের প্রতীক – শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে নয়, স্পর্শ, স্বাদ, শব্দ এবং চেতনার মাধ্যমে বাংলার জীবন্ত ঐতিহ্যকে সরাসরি অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ করে দেয়। নম্রতা ওয়েভসের সাথে আমাদের সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা ঐতিহ্যবাহী শিল্পের সমৃদ্ধি সংরক্ষণ করার লক্ষ্য রাখি, একই সাথে তরুণ প্রজন্মের কাছে সেগুলিকে সহজলভ্য এবং অর্থবহ করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করি। এটি এমন একটি স্থান তৈরি করার বিষয়ে যেখানে ঐতিহ্য কৌতূহলের সাথে মিলিত হয় এবং যেখানে সাংস্কৃতিক গর্ব সৃজনশীলতা এবং সহানুভূতির জন্য একটি শক্তিশালী শক্তি হয়ে ওঠে। টেকনো ইন্ডিয়াতে

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.45

তোরি সেই দিকেই একটি পদক্ষেপ,” বলেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মানসী রায়চৌধুরী।

সোনার তোরি – বেঙ্গল ইমারসন: ড্রেপস, ডিলাইটস, ডায়ালগস একটি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে যা টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রতিশ্রুতির প্রতিধ্বনি করে যে তারা সুপরিকল্পিত, সাংস্কৃতিকভাবে সচেতন শিক্ষার্থীদের লালন-পালন করে যারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে।
গ্রুপ, আমরা কেবল পেশাদারদের নয়, বরং মূলবান, দায়িত্বশীল নাগরিকদের গঠনে বিশ্বাস করি – এবং সোনারের মতো ইভেন্টগুলি সহানুভূতি এবং সৃজনশীলতার সাথে ভারতীয় ঐতিহ্যের সমৃদ্ধি তুলে ধরে।

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.46

Continue reading

মিস করে যাওয়া

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে, ধূমপানমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট ক্যাম্পাস, চিকিৎসক ও তারকাদের একত্রিত করল |
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে  তামাকবিরোধী বার্তায় একত্রিত কলকাতা |
টেকনো মেইন সল্ট লেক জাঁকজমকপূর্ণ উদযাপনের মাধ্যমে রজত জয়ন্তী পালন করল |
স্বাস্থ্য প্রস্তুতিতে পথ দেখাচ্ছে কলকাতার তরুণরা, জাতীয় গড়কেও ছাড়িয়ে গেল নিবা বুপার ‘ইয়াং ইন্ডিয়া হেলথ ইন্স্যুরেন্স রিপোর্ট’|
সর্দার তরঞ্জিত সিং “রূপান্তরমূলক শিক্ষা নেতৃত্বে শ্রেষ্ঠত্ব” পুরস্কারে ভূষিত
২৪শে মে ২০২৬ তারিখে সাই আরসি কলকাতায় ‘ফিট ইন্ডিয়া সানডেজ অন সাইকেল’ কমনওয়েলথ দিবস উদযাপন করল।