মণিপালহাসপাতালমুকুন্দপুরেরনিউরোসায়েন্সেসকনক্লেভেসমন্বিতস্নায়ুচিকিৎসারভবিষ্যৎনিয়েআলোচনা |


কলকাতা, ১০ আগস্ট ২০২৬: স্নায়ু ও অন্যান্য জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়টিকে সামনে রেখে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরে আয়োজিত ‘নিউরোসায়েন্সেস কনক্লেভ’-এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস’। এই অনুষ্ঠানে নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন, স্পাইন সার্জারি এবং নিউরোসায়েন্সের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আধুনিক স্নায়ু চিকিৎসার বিভিন্ন দিক এবং রোগীর চিকিৎসায় একাধিক বিভাগের বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।বিশ্বজুড়ে স্নায়ুর বিভিন্ন রোগের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ২০২৫ সালের গ্লোবাল স্টেটাস রিপোর্ট অন নিউরোলজি অনুযায়ী, স্নায়ুর রোগ বর্তমানে বিশ্বে অসুস্থতা ও শারীরিক অক্ষমতার অন্যতম প্রধান কারণ এবং বিশ্বজুড়ে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনেরও বেশি মানুষ কোনও না কোনওভাবে এর দ্বারা আক্রান্ত। ভারতে স্ট্রোক এখনও একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ভারতে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ৫৩.৫ জনের মৃত্যু স্ট্রোকের কারণে হয়েছে। স্ট্রোক, এপিলেপসি, মস্তিষ্কের রক্তনালির সমস্যা এবং জটিল নিউরোসার্জারির মতো ক্ষেত্রে দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। তাই নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন এবং রিহ্যাবিলিটেশন—এই সমস্ত পরিষেবা এক জায়গায় পাওয়া যায় এমন সমন্বিত চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রয়োজন ক্রমেই বাড়ছে।এই প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এ একাধিক বিশেষজ্ঞ বিভাগকে একসঙ্গে নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিউরোলজি, ফাংশনাল নিউরোসার্জারি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন ও এন্ডোভাসকুলার সার্জারি, স্পাইন সার্জারি, নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন, নিউরো ফিজিওথেরাপি, নিউরো সাইকোলজি এবং নিউরো অ্যানাস্থেশিয়া। এর ফলে জটিল স্নায়ুর রোগের ক্ষেত্রে রোগীরা রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার এবং পুনর্বাসন—সব ক্ষেত্রেই সমন্বিত ও রোগীকেন্দ্রিক পরিষেবা পাবেন।

জরুরি চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট কলকাতায় একটি ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস -এরও ঘোষণা করেছে। অংশগ্রহণকারী মণিপাল হাসপাতালগুলির প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে থাকা যোগ্য জরুরি রোগীরা এই পরিষেবা পাবেন। MARS কমান্ড সেন্টার এবং টিম MARS-এর মূল্যায়নে কোনও রোগীর জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রাপ্যতা এবং পরিষেবার নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে নিকটবর্তী মণিপাল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট -এ বিনামূল্যে নিয়ে যাওয়া হবে। স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, পথ দুর্ঘটনা, তীব্র শ্বাসকষ্ট, অচেতন হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য আকস্মিক জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিষেবার মাধ্যমে জরুরি সময়ে পরিবহণের অভাবে যাতে কোনও রোগীর চিকিৎসা পেতে দেরি না হয়, সেই লক্ষ্যেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিষেবার সঙ্গে রয়েছে ২৪ ঘণ্টার প্রযুক্তিনির্ভর কমান্ড সেন্টার, GPS-যুক্ত অ্যাম্বুল্যান্স, অ্যাম্বুল্যান্সের নিয়মিত ট্র্যাকিং, হোয়াটসঅ্যাপ -এর মাধ্যমে QR কোড ব্যবহার করে লোকেশন শেয়ার করার ব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত জরুরি পরিষেবা কর্মী এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম-সমৃদ্ধ অ্যাম্বুল্যান্স। এর ফলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া এবং হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সঙ্গে আগে থেকেই সমন্বয় করা সম্ভব হবে।

WhatsApp Image 2026 08 10 at 12.59.31

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর ও হেড – নিউরোলজি, ডা. জয়ন্ত রায় বলেন,
“স্নায়ুর রোগের পরিধি অনেক বড়। স্ট্রোক ও এপিলেপসি থেকে শুরু করে মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ এবং অন্যান্য জটিল স্নায়ুর সমস্যার ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা এবং সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন। স্ট্রোক এমন একটি জরুরি অবস্থা যেখানে সময়মতো রোগ নির্ণয় এবং দ্রুত সঠিক চিকিৎসা রোগীর ভবিষ্যৎ ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর মাধ্যমে আমরা আধুনিক রোগ নির্ণয়, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে নিয়ে এসে সম্পূর্ণ স্নায়ু চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি স্নায়ুর রোগের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার গুরুত্বও তুলে ধরা আমাদের লক্ষ্য।”মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও ক্লিনিক্যাল লিড – স্পাইন সার্জারি, ডা. অনিন্দ্য বসু বলেন,
“আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নতির ফলে স্পাইন সার্জারিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারির মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে কম ক্ষত তৈরি করে, কম রক্তক্ষরণ এবং কম ব্যথার সঙ্গে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে। উপযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এর ফলে সুস্থ হয়ে ওঠার সময়ও কমতে পারে। মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরে আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ও চিকিৎসা দক্ষতার মাধ্যমে রোগীকেন্দ্রিক স্পাইন চিকিৎসা দেওয়ার উপর গুরুত্ব দিই। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর মাধ্যমে জটিল স্পাইন সমস্যার রোগীরা রোগ নির্ণয়, অস্ত্রোপচার এবং রিহ্যাবিলিটেশন—প্রতিটি পর্যায়ে সমন্বিত চিকিৎসা পাবেন।”

উন্নত নিউরোইন্টারভেনশন-এর গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর – নিউরোইন্টারভেনশন অ্যান্ড এন্ডোভাসকুলার সার্জারি, ইমেজিং সায়েন্সেস অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি, ডা. সুকল্যাণ পুরকায়স্থ বলেন, “নিউরোইন্টারভেনশনের উন্নতির ফলে মস্তিষ্কের রক্তনালির বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। খুব ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে রক্তনালির ভিতর দিয়ে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে। আমাদেরহাসপাতালে থাকা বাইপ্লেন ক্যাথ ল্যাব এই ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একই সময়ে বিভিন্ন দিক থেকে  উচ্চমানের লাইভ ছবি পাওয়া যায়, ফলে জটিল নিউরোইন্টারভেনশনাল চিকিৎসা আরও নির্ভুলভাবে করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে স্ট্রোক, মস্তিষ্কের রক্তনালির অ্যানিউরিজম, রক্তনালির অস্বাভাবিক গঠন এবং অন্যান্য নিউরোভাসকুলার সমস্যার ক্ষেত্রে দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসার জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোসার্জারি, ডা. মিলিন্দ দেওগাঁওকর বলেন,
“মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারের চিকিৎসায় ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন (DBS)-এর মতো আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আমাদের হাসপাতালে ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন ক্লিনিক -এর মাধ্যমে এমন রোগীদের মূল্যায়ন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়, যাঁরা এই উন্নত চিকিৎসা থেকে উপকৃত হতে পারেন। বিশেষ করে পারকিনসন্স ডিজিজ এবং অন্যান্য মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। DBS-এর জন্য রোগী নির্বাচন, বিস্তারিত নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারি পরীক্ষা, সঠিক অস্ত্রোপচার পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলো-আপ প্রয়োজন। একটি বিশেষায়িত ক্লিনিকের মাধ্যমে আমরা রোগীদের পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগতভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

এর সঙ্গে যোগ করে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ক্লিনিক্যাল লিড ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোসার্জারি, ডা. দীপেন্দ্র কুমার প্রধান বলেন, “আধুনিক নিউরোসার্জারি শুধু অস্ত্রোপচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। উন্নত ইমেজিং, আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত সিদ্ধান্ত এখন চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মস্তিষ্ক ও স্পাইনের জটিল রোগ থেকে শুরু করে দুর্ঘটনাজনিত আঘাত এবং অন্যান্য নিউরোসার্জিক্যাল সমস্যার ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমাদের নিউরোসার্জারি টিম নিউরোলজিস্ট, নিউরোইন্টারভেনশন বিশেষজ্ঞ, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ এবং রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস এই সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জটিল রোগীদের জন্য বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের অভিজ্ঞতা এক জায়গায় নিয়ে আসবে।”

অনুষ্ঠানে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট-এর রিজিওনাল ডিরেক্টর, ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত বলেন, “সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর উদ্বোধন পূর্ব ভারতে উন্নত, সম্পূর্ণ এবং সমন্বিত স্নায়ু চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করে। মণিপাল হাসপাতালে আমরা মনে করি, স্নায়ুর জরুরি সমস্যা, বিশেষ করে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিটি মিনিট রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিদিন প্রায় ৫০০টি স্ট্রোকের ঘটনা ঘটছে। তাই দ্রুত রোগ শনাক্ত করা, জরুরি পরিষেবা দেওয়া এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার কাছে রোগীকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন। আমাদের সব হাসপাতালই স্ট্রোকের জরুরি চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত এবং সেখানে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ও আধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামো রয়েছে। মণিপাল অ্যাডভান্সড রোডসাইড ইমার্জেন্সি সার্ভিসেস (MARS) এবং নতুন ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস -এর মাধ্যমে আমরা জরুরি চিকিৎসার পুরো ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছি। আমাদের লক্ষ্য হল রোগী যেন সঠিক সময়ে সঠিক বিশেষজ্ঞের কাছে পৌঁছতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান, যাতে তাঁর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে।”

সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর উদ্বোধন এবং ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস চালু করা মণিপাল হসপিটালস ইস্ট-এর সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা তৈরির বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। দ্রুত জরুরি পরিষেবা এবং উন্নত রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে বিশেষায়িত চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার, রিহ্যাবিলিটেশন এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন—চিকিৎসার প্রতিটি ধাপকে আরও ভালোভাবে একসঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।এই দুই উদ্যোগের মাধ্যমে কলকাতায় জরুরি চিকিৎসাকে আরও সহজলভ্য করার পাশাপাশি জরুরি সময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে পরিবহণের সমস্যা যাতে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে মণিপাল হাসপাতালস ইস্ট। একই সঙ্গে রোগীকেন্দ্রিক, সহানুভূতিশীল এবং আরও দ্রুত ও কার্যকর জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও আরও শক্তিশালী হল।

Related Posts

প্রতিটি হৃদ্‌স্পন্দন হোক সুস্থ ও শক্তিশালী মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ায় হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্মেলন |
  • September 23, 2026


কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: হৃদ্রোগের উপসর্গ অনেক সময় উপেক্ষিত হওয়ায় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় দেরি হয়, যার ফলে বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে হৃদ্রোগ। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ভারতের অন্যতম বৃহৎ স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা মণিপাল হসপিটালস গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া বিশ্ব হৃদ্দিবস, ২৯ সেপ্টেম্বরের প্রাক্কালে আয়োজন করল ‘হার্ট অব ইনোভেশন কার্ডিয়াক সামিট’। অনুষ্ঠানে হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন ধরনের হৃদ্রোগের চিকিৎসা ও প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সুস্থ হয়ে বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এমন একাধিক হৃদ্রোগী অংশগ্রহণ করেন। রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি, এই সম্মেলনে হৃদ্রোগের পরিবর্তিত চিত্র নিয়ে হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ এবং রোগীদের মধ্যে মতবিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ তৈরি হয়।
২০২৬ সালের বিশ্ব হৃদ্দিবসের মূল বার্তা “ডোন্ট মিস আ বিট”-এর মাধ্যমে হৃদ্রোগের সতর্কতামূলক লক্ষণগুলি চিহ্নিত করা এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ার বিশিষ্ট হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ প্রকাশ কুমার হাজরা, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধান – কার্ডিওলজি, ডাঃ সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, ডাঃ সুপ্রতীপ কুণ্ডু, ডাঃ সৌম্য কান্তি দত্ত, ডাঃ প্রদীপ ভৌমিক, কনসালট্যান্ট – ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি এবং ডাঃ কৌশিক মুখার্জি, কনসালট্যান্ট – কার্ডিওথোরাসিক অ্যান্ড ভাসকুলার সার্জারি-কে নিয়ে একটি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার মূল বিষয় ছিল হৃদ্রোগের ক্রমশ অবনতি হয়ে কীভাবে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া দুর্বলতা বা হার্ট ফেলিওরের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। হৃদ্স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা রাজেশ শর্মা এবং কলকাতার বিশিষ্ট মডেল ও অভিনেতা দীপাঞ্জন বসাক।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় অংশগ্রহণকারীদের জন্য সিপিআর প্রশিক্ষণ দিয়ে। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন ডাঃ অশোক মিশ্র, কনসালট্যান্ট – জরুরি চিকিৎসা বিভাগ। এরপর ঢাকুরিয়া হাসপাতালের হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে “হার্ট অ্যাটাক ধীরে ধীরে হার্ট ফেলিওরে পরিণত হওয়া কি এক মহামারির রূপ নিচ্ছে?” বিষয়ের উপর একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি, হৃদ্রোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করার লক্ষ্যে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বও আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য হৃদ্স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যেখানে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন উপস্থিত সকলে এবং সঠিক উত্তরদাতাদের পুরস্কৃত করা হয়।

WhatsApp Image 2026 09 23 at 19.52.17

মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া হৃদ্রোগের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখানে ২৪ ঘণ্টার জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা, অত্যাধুনিক ক্যাথ ল্যাবরেটরি, লেজার অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, ট্যাভি, টাভর, টেভার, লিডলেস পেসমেকার, ইন্ট্রাভাসকুলার শকওয়েভ ওরবিটাল রোটেশনাল অ্যাব্লেশন, পালসড ফিল্ড অ্যাব্লেশন, মিনিমালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি, করোনারি আর্টারি বাইপাস সার্জারি এবং জন্মগত হৃদ্যন্ত্রের ত্রুটি সংশোধনের মতো উন্নত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার পরিষেবা উপলব্ধ রয়েছে।
আলোচনায় ডাঃ প্রকাশ কুমার হাজরা বলেন, “ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি জটিল হৃদ্রোগের চিকিৎসার পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছে। এর মাধ্যমে আরও নির্ভুলভাবে বহু রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই প্রচলিত ওপেন-হার্ট সার্জারির প্রয়োজন এড়ানো যায়। উন্নত অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি ও স্টেন্ট বসানোর পদ্ধতি থেকে শুরু করে নতুন ধরনের ক্যাথেটার-নির্ভর চিকিৎসা—এই ক্ষেত্রটি ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে। তবে যেকোনও চিকিৎসা পদ্ধতির সাফল্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ রোগের উপসর্গ দ্রুত চিহ্নিত করা এবং সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন সময়ে চিকিৎসা শুরু করা, যাতে হৃদ্যন্ত্রে স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায় এবং হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়।”
ডাঃ কৌশিক মুখার্জি বলেন, “হৃদ্যন্ত্রের অস্ত্রোপচারও গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। নতুন প্রযুক্তি ও চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্যে উপযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে জটিল অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে। কার্ডিওথোরাসিক ও ভাসকুলার সার্জারির ক্ষেত্রে ন্যূনতম আক্রমণাত্মক অস্ত্রোপচার এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার রোগীর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং অস্ত্রোপচারের শারীরিক প্রভাবও কমিয়ে আনতে সাহায্য করছে। আমাদের লক্ষ্য শুধু রোগের কার্যকর চিকিৎসা করা নয়, রোগী যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করা। হৃদ্রোগের চিকিৎসা ক্রমশ উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সময়মতো চিকিৎসা, উন্নত অস্ত্রোপচার পদ্ধতি এবং অস্ত্রোপচারের পর সামগ্রিক পরিচর্যার সমন্বয়ে একটি বহুমুখী চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।”
মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ার হাসপাতাল ডিরেক্টর শ্রী দিলীপ কুমার রায় বলেন, “হার্ট অব ইনোভেশন কার্ডিয়াক সামিট’-এর মাধ্যমে আমরা হৃদ্স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে রোগীকে রাখতে চেয়েছি। হৃদ্যন্ত্রের বিভিন্ন চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এমন রোগীদের উপস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে উন্নত হৃদ্রোগ চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হল মানুষকে তাদের প্রিয় ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেওয়া। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা তৈরি করতে চাই, যাতে তাঁরা সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেন এবং নিজেদের হৃদ্স্বাস্থ্যের প্রতি আরও সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।”

Continue reading
শিশুদের জন্য ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করতে রোটারি ক্লাবগুলোর সম্মিলিত প্রয়াস |
  • September 22, 2026

কলকাতা: রোটারি ক্লাব অফ সল্ট লেক মেট্রোপলিটন কলকাতা, রোটারি ক্লাব অফ সেন্ট্রাল ক্যালকাটা এবং রোটারি ক্লাব অফ গ্রিন অ্যান্ড পুটনাম কাউন্টিজ, আন্তর্জাতিক রোটারি ক্লাব এবং অ্যালায়েন্স ফর স্মাইলস-এর সহযোগিতায় ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করেছে। এটি একটি মানবিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য হলো ঠোঁট কাটা রোগের শল্যচিকিৎসার মাধ্যমে অভাবী শিশুদের মুখে হাসি, আত্মবিশ্বাস এবং আশা ফিরিয়ে আনা।এই উদ্যোগে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রাক্তন পরিচালক রোটেরিয়ান অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ২০২৬-২৭ সালের ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর রোটেরিয়ান তাপস ভট্টাচার্য; ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর মনোনীত রোটেরিয়ান ব্রতিন্দো মল্লিক এবং ডিজিএসসি রোটেরিয়ান বিনোদ খৈতান।

WhatsApp Image 2026 09 22 at 11.01.37

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রোটারি ক্লাব অফ সল্ট লেক মেট্রোপলিটন কলকাতার প্রাক্তন সভাপতি ডঃ অরুণা তাতিয়া বলেন, “প্রজেক্ট মুসকান শুধু অস্ত্রোপচার নিয়ে নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, মর্যাদা এবং আশা ফিরিয়ে আনার একটি প্রয়াস। প্রতিটি শিশুরই দ্বিধা ছাড়াই হাসার সুযোগ পাওয়া উচিত, এবং রোটারি ও আমাদের চিকিৎসা সহযোগীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা তা সম্ভব করে তুলতে পারব বলে আশা করি।”অ্যালায়েন্স ফর স্মাইল-এর মিশন ডিরেক্টর, রোটারিয়ান পিডিজি টিনা ফিঞ্চলিন বলেন, “অনিরুদ্ধের সাথে কাজ করাটা সবসময়ই আনন্দের। আমাদের বহু বছরের সহযোগিতার সময়ে, আমরা জিএসই টিম গঠন এবং মেডিকেল মিশন পরিচালনাসহ অসংখ্য প্রভাবশালী উদ্যোগের নেতৃত্ব দিয়েছি এবং রোটারি ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন হিসেবে তাঁর অব্যাহত নেতৃত্ব দেখে আমরা গর্বিত।”

এই প্রকল্পটি ভারত ও বিদেশের রোটারি ক্লাবগুলোকে, চিকিৎসা ও সামাজিক সহযোগীদের সাথে একত্রিত করে, ঠোঁট কাটা সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের জন্য সংশোধনমূলক অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করে। রোটারিয়ান উৎপল মজুমদার, রোটারিয়ান স্কারিয়া জোস, রোটারিয়ান… এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে পিডিজি টিনা ফিঞ্চলিন এবং এস.ভি.এস. মারোয়ারি হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট জনাব এস.ভি.এস. সেক্সারিয়াও উপস্থিত ছিলেন।

“একটি হাসি উপহার দিন, একটি জীবন বাঁচান” এই মূলমন্ত্র নিয়ে প্রজেক্ট মুসকান স্বাস্থ্যসেবা, সহানুভূতি এবং মানবিক সেবার প্রতি রোটারির অঙ্গীকারকে একত্রিত করে মানুষের জীবন পরিবর্তন করতে চায়।

Continue reading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মিস করে যাওয়া

প্রতিটি হৃদ্‌স্পন্দন হোক সুস্থ ও শক্তিশালী মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ায় হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্মেলন |

প্রতিটি হৃদ্‌স্পন্দন হোক সুস্থ ও শক্তিশালী মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ায় হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্মেলন |

PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে শিল্পখাতের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরল |

PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে শিল্পখাতের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরল |

শিশুদের জন্য ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করতে রোটারি ক্লাবগুলোর সম্মিলিত প্রয়াস |

শিশুদের জন্য ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করতে রোটারি ক্লাবগুলোর সম্মিলিত প্রয়াস |

কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহ 2026 পালন করল এসোসিয়েশন অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া।

কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহ 2026 পালন করল এসোসিয়েশন অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া।

উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা ও রোবোটিক CABG-এর ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য উদযাপনে শীর্ষস্থানীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে সুস্থ হওয়া রোগীদের এক বিশেষ মিলনমেলার আয়োজন করল দিশান হাসপাতাল |

উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা ও রোবোটিক CABG-এর ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য উদযাপনে শীর্ষস্থানীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে সুস্থ হওয়া রোগীদের এক বিশেষ মিলনমেলার আয়োজন করল দিশান হাসপাতাল |

কেন্দ্রীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়া উন্নয়নের পর্যালোচনা এবং তৃণমূল স্তরে খেলাধুলার প্রসার ও ক্রীড়াবিদদের অগ্রগতির পথ সুগম করতে ‘সাই’-এর সহায়তার আশ্বাস |

কেন্দ্রীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়া উন্নয়নের পর্যালোচনা এবং তৃণমূল স্তরে খেলাধুলার প্রসার ও ক্রীড়াবিদদের অগ্রগতির পথ সুগম করতে ‘সাই’-এর সহায়তার আশ্বাস |