মণিপাল হসপিটালস কলকাতার উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে শিল্প, সংগীত ও কবিতার মেলবন্ধনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন |

কলকাতা, ৯ মে ২০২৬: স্টেথোস্কোপের জায়গা নিল গান, প্রেসক্রিপশনের পরিবর্তে শোনা গেল কবিতা, আর হাসপাতালের করিডোর যেন এক সন্ধ্যার জন্য শিল্প ও সংস্কৃতির বিস্তারে রূপ নিল ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মণিপাল হসপিটালস কলকাতার চিকিৎসকেরা যখন সাংস্কৃতিক মঞ্চে উঠে এলেন, তখন এক অনন্য আবহে ধরা পড়ল কিভাবে কবিগুরুর চিরন্তন শব্দ, সংগীত ও দর্শন প্রজন্ম, পেশা ও সীমারেখা ছাড়িয়ে আজও মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন মণিপাল হসপিটালস কলকাতার ইএম বাইপাস, মুকুন্দপুর, ঢাকুরিয়া, সল্টলেক ও ব্রডওয়ে ইউনিটের চিকিৎসকেরা। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই সন্ধ্যা হয়ে ওঠে এক আবেগঘন সাংস্কৃতিক উদযাপন।

ভারতের প্রাচীনতম ও অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের আবহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান স্বাস্থ্যসেবা, মানবিকতা ও সংস্কৃতির এক বিরল মেলবন্ধনের সাক্ষী হয়ে ওঠে। অসাধারণ ঐক্য ও শিল্পীসুলভ প্রকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিটের ১৯ জন চিকিৎসক একসঙ্গে পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত ও আবৃত্তি। চিকিৎসার ব্যস্ত দায়িত্বের বাইরে এসে তাঁরা একত্রিত হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন সৃষ্টিকে সম্মান জানাতে। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় “জাগরণে যায় বিভাবরী”, “প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে”, “আমি চিনি গো চিনি”, “মনে মোর মেঘের সঙ্গী” এবং “পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে”-র মতো জনপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীত। পাশাপাশি আবৃত্তি করা হয় “বাঁশি”, “নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ” এবং “শেষের কবিতা”-র অংশবিশেষ। এই পরিবেশনাগুলি রোগী, পরিজন, হাসপাতালের কর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এক আবেগঘন ও নস্টালজিক পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা আবারও মনে করিয়ে দেয়—সুস্থতা শুধুমাত্র চিকিৎসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

WhatsApp Image 2026 05 09 at 13.32.18

এই প্রসঙ্গে ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য, ডিরেক্টর, ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, কলকাতা (সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারত সরকার), বলেন, “রবীন্দ্রজয়ন্তী শুধুমাত্র একটি সাহিত্যিক বা সাংস্কৃতিক উদযাপন নয়, এটি ভারতের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি আবেগ। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম জাদুঘর হিসেবে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামও দেশের বৌদ্ধিক, শিল্প ও সামাজিক জাগরণের সঙ্গে পথ চলেছে, যার বড় অংশ জুড়ে রয়েছেন কবিগুরু স্বয়ং। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন এক বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক, যা জ্ঞান, মানবতা ও অন্তর্ভুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। আজ যখন বিশ্বের বিভিন্ন জাদুঘর আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুষের কাছাকাছি হয়ে উঠছে, তখন রবীন্দ্রনাথের দর্শন আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, কারণ তিনি কল্পনা করেছিলেন এমন এক সমাজের, যা শ্রেণি, ভাষা ও ভৌগোলিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে। স্বাস্থ্যসেবা পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের এই উদযাপনে অংশগ্রহণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁরা এই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে এসে তাঁদের সৃজনশীল সত্তাকে তুলে ধরেছেন। এটি ‘বিকাশ ভি, বিরাসত ভি’-র ভাবনাকে বাস্তব রূপ দেয়, যেখানে উন্নয়ন ও ঐতিহ্য একসঙ্গে এগিয়ে চলে।”

কবিগুরুর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীর প্রাক্কালে ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের মঞ্চে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনকারী মণিপাল হসপিটালস ইস্ট রিজিয়নের ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোইন্টারভেনশন ও এন্ডোভাসকুলার সার্জারি বিভাগের ডঃ সুকল্যাণ পুরকায়স্থ বলেন, “এই ঐতিহাসিক পরিবেশে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করা সত্যিই এক হৃদয়ছোঁয়া ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রতিদিন মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করি, কিন্তু সংগীত ও সংস্কৃতি আমাদের মানুষের আবেগ ও আত্মার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে সাহায্য করে। রবীন্দ্রনাথের গান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে তার গভীরতা, সংবেদনশীলতা ও মানবিকতার মাধ্যমে। সহকর্মী চিকিৎসকদের সঙ্গে এই বিশেষ উদযাপনের অংশ হতে পেরে সন্ধ্যাটি আমার কাছে আরও স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।”

মণিপাল হসপিটাল সল্টলেক-এর কনসালট্যান্ট – এমার্জেন্সি মেডিসিন বিভাগের ডঃ পরমিতা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী বলেন, “ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের মতো ঐতিহাসিক স্থানে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করা সত্যিই এক আবেগঘন ও পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা। চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রতিনিয়ত মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করি, কিন্তু শিল্প ও সাহিত্য আমাদের অনুভূতির সঙ্গে এক ভিন্ন স্তরে যুক্ত হতে সাহায্য করে। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় যে চিরন্তন মানবিক মূল্যবোধ রয়েছে, তা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সহকর্মী, রোগী ও বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে আমরা গর্বিত।”

মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর-এর ক্লিনিক্যাল লিড – পেডিয়াট্রিক সার্জারি ও পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি বিভাগের ডঃ শুভাশিস সাহা বলেন, “রবীন্দ্রসংগীতের এক চিরন্তন প্রশান্তিদায়ক শক্তি রয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে একসূত্রে বেঁধে রাখে। এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লেগেছে, কারণ এটি চিকিৎসক হিসেবে আমাদের আরেকটি দিককে তুলে ধরেছে—যেখানে শিল্প, সহমর্মিতা ও আবেগের গভীর সংযোগ রয়েছে। এমন সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন সন্ধ্যাটিকে আরও অর্থবহ ও স্মরণীয় করে তুলেছে।”

এই ব্যতিক্রমী রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপনের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস কলকাতা আবারও প্রমাণ করল যে, স্বাস্থ্যসেবা শুধুমাত্র চিকিৎসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সংস্কৃতি, সহমর্মিতা ও সামাজিক সংযোগের মধ্য দিয়েও সুস্থতার এক সামগ্রিক পরিসর গড়ে তোলা সম্ভব। এই সন্ধ্যা তাই শুধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তরাধিকারকেই উদযাপন করেনি, উদযাপন করেছে মানবিকতার সেই দিকটিকেও, যা প্রকৃত আরোগ্যের ভিত্তি।

Related Posts

হুগলী জেলার বৈদ্যবাটীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন|
  • March 1, 2026

কলকাতা,২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ঃ যথাযোগ্য মর্য্যাদার সঙ্গে হুগলী জেলার বৈদ্যবাটীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করল রজত জয়ন্তী বর্ষ অতিক্রান্ত সংগঠন “বঙ্গভাষা ও সংস্কৃতি চেতনা মঞ্চ”। অন্যান্য বৎসরের মতোই এবৎসরও ২১শে ফেব্রুয়ারীর সকালে বৈদ্যবাটী ক্লাব-এর বিপরীতে জি.টি.রোডের পার্শ্বে অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। মঞ্চে’র বর্ত্তমান সভাপতি বর্ষীয়ান ছড়াকার শান্তিপ্রিয় চট্টোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সূচনায় বাংলা ভাষার জন্য হওয়া শহীদদের স্মারক স্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও নিরবতা পালন করা হয়। এরপর পরিবেশিত হয় “মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা” সঙ্গীত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মঞ্চে’র বর্ত্তমান কার্য্যকরী সমিতি’র সদস্য অনুপম রায়-অন্যরকম সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক প্রবীর দাস-বৈদ্যবাটী-শেওড়াফুলি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেড-এর পরিচালক মণ্ডলীর সদস্য দেবাশিস চক্রবর্তী,কবিতা পাঠ করেন কাজল গুপ্ত-লায়লি মুখোপাধ্যায়-নিরুত্র সোম-ধনঞ্জয় সিংহ। এই অনুষ্ঠানের শেষপর্বে মঞ্চে’র রজত জয়ন্তী বর্ষ অতিক্রমণ উপলক্ষ্যে সহযোগী ষোলটি সংগঠনের অধ্যক্ষ-অধ্যক্ষার হাতে বিশেষ স্মারক সম্মান তুলে দেওয়া হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন মঞ্চে’র বর্ত্তমান সাধারণ সম্পাদক পণ্ডিত বিদ্যুৎ বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

WhatsApp Image 2026 02 26 at 03.11.40 (1)

Continue reading
অমিস ত্রিপার্টির উপস্থাপনায় ১৭ তম অ্যাপিজে সাহিত্য উৎসব উদ্বোধন হয়ে গেল অক্সফোর্ড বুক স্টোরে।
  • December 10, 2025

Whatsapp image 2025 12 08 at 18.10.58

কলকাতা, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫: আজ অপিজয় কলকাতা সাহিত্য উৎসবের (একেএলএফ) ১৭তম সংস্করণের উদ্বোধন করা হয়েছে অপিজয় কলকাতা সাহিত্য উৎসবের পরিচালক অঞ্জুম কাটিয়াল; এপিজয় অক্সফোর্ড বুকস্টোরের সিইও স্বাগত সেনগুপ্ত; এবং এপিজয় কলকাতা সাহিত্য উৎসবের প্রোগ্রামিং প্রধান নীতা শ্রীধরনের উপস্থিতিতে। এই ঘোষণা কলকাতার সবচেয়ে প্রিয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি হিসেবে একেএলএফের স্থানকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে, যা বই, ধারণা এবং অর্থপূর্ণ সংলাপ উদযাপন করে। এই উৎসব ৯-১১ জানুয়ারী ২০২৬ পর্যন্ত ঐতিহাসিক আলিপুর জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আমাদের সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আকর্ষণীয় সাহিত্যিক কণ্ঠস্বর একত্রিত হবে।একেএলএফ ২০২৬ এর পর্দা-উত্থাপনের মূল আকর্ষণ ছিল “দ্য থ্রিল অফ দ্য লেজেন্ড”, যেখানে প্রিয়দর্শিনী গুহের সাথে কথোপকথন করা হবে।AKLF 2026 অক্ষয় জেটলি, অমিত লোধা, আনন্দ নীলাকান্তন, অনিতা অগ্নিহোত্রী, অনিতা নায়ার, অপর্ণা সেন, অরুণাভ সিনহা, বাচি কারকরিয়া, বেনিয়ামিন, বৃন্দা কারাত, ডঃ শশী থাগার, ডঃ শশী থাগার সহ লেখক, চিন্তাবিদ, অভিনয়শিল্পী এবং জনসাধারণের ব্যক্তিত্বদের একটি দুর্দান্ত দল উপস্থাপন করবে। জিৎ থাইল, জেরি পিন্টো, লুক কৌতিনহো, মল্লিকা দুয়া, পামেলা ফিলিপোস, পবন কে. ভার্মা, প্রিয়ম্বদা জয়কুমার, রত্নবলি রায়, রিরি ত্রিবেদী, রুচির জোশী, সত্যার্থ নায়ক, শোভা দে, সুন্দর সারুক্কাই, স্বস্তিকা মুখার্জি এবং উষা উষাউপ্পা উষার মধ্যে আরও অনেকে।
তিন দিনব্যাপী এই উৎসবটি আলিপুর জাদুঘর, অক্সফোর্ড বুকস্টোর এবং দ্য পার্ক, কলকাতা জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। এই উৎসবে অপর্ণা সেন আনপ্লাগড, ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট: টেলস অফ দ্য ডার্ক সাইড, টোক ঝাল মিষ্টি: হোয়াট সেটস বেঙ্গলস কুইজিন অ্যাপার্ট, সারভাইভিং দ্য ডার্ক: অ্যাবিউজ অ্যান্ড উইমেনস এক্সপেরিয়েন্স, মাদারলোড: মাইনিং দ্য মিথস, ডিউটি ​​কলস: পুলিশ অ্যান্ড দ্য ক্রাইম থ্রিলার, সেলিব্রেটিং দ্য সিটি: কলকাতা স্টোরিজ এবং অন লিভিং, ডাইং অ্যান্ড এভরিথিং দ্যাট ম্যাটার্স সহ আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই উৎসবে সাহিত্য, সিনেমা, সঙ্গীত, ইতিহাস, সুস্থতা, রাজনীতি, খাদ্য সংস্কৃতি এবং সমসাময়িক সামাজিক আলোচনার এক প্রাণবন্ত মিশ্রণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে।

Whatsapp image 2025 12 08 at 18.10.56

অক্সফোর্ড বুকস্টোরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অক্সফোর্ড জুনিয়র লিটারেরি ফেস্টিভ্যাল (ওজেএলএফ) তরুণ পাঠকদের সাথে ইন্টারেক্টিভ ‘লেখকের সাথে দেখা করুন’ সেশন, সৃজনশীল কর্মশালা, শব্দের খেলা এবং গল্প বলার মাধ্যমে জড়িত করবে। কৌতূহল জাগিয়ে তুলতে এবং বইয়ের প্রতি ভালোবাসাকে উৎসাহিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, ওজেএলএফ পরবর্তী প্রজন্মের পাঠক এবং স্রষ্টাদের অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে কাজ করে। এদিকে, আলিপুর জাদুঘরের পোয়েট্রি ক্যাফে প্রতিষ্ঠিত এবং উদীয়মান কবিদের জন্য তাদের কাজ ভাগ করে নেওয়ার জন্য একটি গতিশীল স্থান প্রদান করবে, যা ধারণা এবং শৈল্পিক প্রকাশের সমৃদ্ধ বিনিময়কে উৎসাহিত করবে।পর্দা উত্থাপন অনুষ্ঠানে তার চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিয়ে, অপিজয় সুরেন্দ্র গ্রুপের পরিচালক প্রীতি পাল বলেন, “অপিজয় কলকাতা সাহিত্য উৎসবের ১৭তম সংস্করণের পর্দা উত্থাপনের মাধ্যমে, আমরা আবারও সৃজনশীলতা এবং সংলাপের স্থায়ী চেতনার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি যা AKLF কে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংজ্ঞায়িত করে আসছে। এই বছরটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ আমরা ঐতিহাসিক আলিপুর জাদুঘরে এই সংস্করণটি আয়োজন করছি – একটি প্রতীকী স্থান যা সমসাময়িক চিন্তাভাবনাকে লালন করার পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে। বছরের পর বছর ধরে, AKLF কেবল একটি সাহিত্য উৎসবের চেয়ে অনেক বেশি কিছুতে পরিণত হয়েছে; এটি কলকাতার সাংস্কৃতিক হৃদস্পন্দনের একটি জীবন্ত প্রমাণ হয়ে উঠেছে, একটি মিলনস্থল যেখানে বিভিন্ন কণ্ঠস্বর অর্থপূর্ণ কথোপকথনের স্ফুলিঙ্গ এবং নতুন ধারণা উড়ে যায়। আমরা যত এগিয়ে যাচ্ছি,

Continue reading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মিস করে যাওয়া

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত দলের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন শুভেন্দু অধিকারী।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত দলের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন শুভেন্দু অধিকারী।

মণিপাল হসপিটালস কলকাতার উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে শিল্প, সংগীত ও কবিতার মেলবন্ধনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন |

মণিপাল হসপিটালস কলকাতার উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে শিল্প, সংগীত ও কবিতার মেলবন্ধনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন |

থ্যালাসেমিয়ারোগীদেরজন্যসমন্বিতপরিষেবারলক্ষ্যেমণিপালহসপিটালসমুকুন্দপুরক্লাস্টারেচালুহলোবিশেষথ্যালাসেমিয়াক্লিনিকওডেকেয়ারওয়ার্ড |

থ্যালাসেমিয়ারোগীদেরজন্যসমন্বিতপরিষেবারলক্ষ্যেমণিপালহসপিটালসমুকুন্দপুরক্লাস্টারেচালুহলোবিশেষথ্যালাসেমিয়াক্লিনিকওডেকেয়ারওয়ার্ড |

জেআইএসসিই-তে আয়োজিত হলো জেআইএসটেক ২ কে ২৬ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রদর্শনী |

জেআইএসসিই-তে আয়োজিত হলো জেআইএসটেক ২ কে ২৬ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রদর্শনী |

কলকাতা লেডিস লিগ এই উদ্যোগটি মহিলাদের একত্রিত করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে সমর্থন, সম্প্রসারণ ও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।

কলকাতা লেডিস লিগ এই উদ্যোগটি মহিলাদের একত্রিত করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে সমর্থন, সম্প্রসারণ ও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।

ডিসান হাসপাতালের উদ্যোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার দপ্তরে শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং বয়স্কদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হুইল চেয়ার প্রদান।

ডিসান হাসপাতালের উদ্যোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার দপ্তরে শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং বয়স্কদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হুইল চেয়ার প্রদান।