রোগীদের অভিজ্ঞতা সপ্তাহ উদযাপনের জন্য সিএমআরআই হাসপাতাল ওয়াকাথনের আয়োজন করেছেনিরাময়, স্থিতিস্থাপকতা এবং ঐক্যের চেতনাকে সম্মান জানাতে একটি উদ্যোগ
  • October 15, 2025

Whatsapp image 2025 10 09 at 03.17.35


কলকাতা, ৯ অক্টোবর, ২০২৫: সিকে বিড়লা হাসপাতালের একটি ইউনিট, ক্যালকাটা মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিএমআরআই) ২০২৫ সালের রোগী অভিজ্ঞতা সপ্তাহ উদযাপনের জন্য একটি বিশেষ ওয়াকাথনের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানে রোগী, ডাক্তার, নার্স এবং হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে অসাধারণ বন্ধন উদযাপন করা হয়েছিল – এমন একটি বন্ধন যা চিকিৎসার বাইরেও করুণা, বিশ্বাস এবং আশার প্রতীক।
ওয়াকাথনের নেতৃত্বে ছিলেন সিকে বিড়লা হাসপাতাল – সিএমআরআই, কলকাতার ইউনিট প্রধান শ্রী সম্ব্রত রায় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বর্ধিত সিএমআরআই পরিবারকে একত্রিত করা, যত্নশীল এবং স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার থেকে শুরু করে যারা একসময় গুরুতর অসুস্থতার সাথে লড়াই করেছিলেন এবং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলেন।
এই অনুষ্ঠানে গভীর আবেগময় স্পর্শ যোগ করে, অনেক প্রাক্তন রোগী যারা একসময় জীবন-হুমকির সম্মুখীন হয়েছিলেন এবং বেঁচে থাকার সমস্ত আশা হারিয়ে ফেলেছিলেন, তারা তাদের ডাক্তার এবং যত্নশীলদের সাথে হাত ধরে ওয়াকাথনে যোগ দিয়েছিলেন। তাদের উপস্থিতি মানব স্থিতিস্থাপকতা, চিকিৎসা উৎকর্ষতা এবং সিএমআরআই-এর স্থায়ী নিরাময়ের চেতনার এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়েছিল।

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিকে বিড়লা হাসপাতাল – সিএমআরআই, কলকাতার ইউনিট প্রধান শ্রী সম্ব্রত রায় বলেন, “রোগীদের অভিজ্ঞতা সপ্তাহ হল নিরাময়ের অসাধারণ যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি যা রোগী, যত্নশীল এবং স্বাস্থ্যসেবা দলকে একত্রিত করে। এই ওয়াকাথন হল সেই বন্ধন উদযাপনের আমাদের উপায় – যা হাসপাতালের দেয়ালের বাইরেও বিস্তৃত। আমাদের প্রাক্তন রোগীদের, যাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে লড়াই করেছেন, আজ তাদের ডাক্তারদের পাশে হাঁটা দেখা আশা, বিশ্বাস এবং সহানুভূতিশীল যত্নের শক্তির সবচেয়ে বড় প্রমাণ।”

ভোরে সিএমআরআই ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে শত শত মানুষের উৎসাহী অংশগ্রহণ দেখা গেছে, যাদের মধ্যে সুস্থ রোগী, স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরাও ছিলেন – সবাই একসাথে জীবন এবং নিরাময়ের যাত্রা উদযাপন করতে হাঁটছিলেন। ওয়াকাথন সহানুভূতির সাথে ক্লিনিকাল উৎকর্ষতার প্রতি সিএমআরআই-এর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যেখানে প্রতিটি পুনরুদ্ধার কেবল একটি চিকিৎসা সাফল্য নয় বরং সাহস এবং যত্নের একটি মানবিক গল্প।

Continue reading
কলকাতা, ৬ আগস্ট ২০২৫ — পেট্রোলিয়াম খাতে অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি আরও শক্তিশালী করতে পশ্চিমবঙ্গ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (WBPDA) এবং পশ্চিমবঙ্গ অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতরের যৌথ উদ্যোগে কলকাতায় আয়োজিত হলো এক বৃহৎ ফায়ার লাইসেন্স নবীকরণ শিবির।
  • August 13, 2025

1000169347

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পেট্রোলিয়াম ডিলাররা এই শিবিরে অংশ নেন, যেখানে তারা সহজে ও দ্রুত তাদের বাধ্যতামূলক অগ্নি-নিরাপত্তা লাইসেন্স নবীকরণ সম্পন্ন করেন — যা পেট্রোল পাম্প ও জ্বালানি সম্পর্কিত ব্যবসা চালাতে অপরিহার্য।

“সেফটি ফার্স্ট, কমপ্লায়েন্স অলওয়েজ” (প্রথমে নিরাপত্তা, সর্বদা বিধি মেনে চলা) শিরোনামে আয়োজিত এই শিবিরের লক্ষ্য ছিল স্বচ্ছ, ঝামেলামুক্ত ও দ্রুত লাইসেন্স নবীকরণের পাশাপাশি অগ্নি-নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানো, বিশেষত পেট্রোলিয়াম বিতরণের মতো উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ খাতে।

✨ উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি
শিবিরে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও সরকারি ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরা—
অরুণ সিংহানিয়া – সভাপতি, WBPDA
কল্যাণ মান্না – সম্পাদক, WBPDA
বশন্ত কুমার শ’ – সহ-সভাপতি, WBPDA
উৎপল ভদ্র, আইএএস – সিনিয়র স্পেশাল সেক্রেটারি, পশ্চিমবঙ্গ অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতর
সঞ্জয় আগরওয়াল – সভাপতি, HP গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন

তাঁরা অংশগ্রহণকারীদের দিকনির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অগ্নি-নিরাপত্তা প্রয়োগ ও ডিলার সহায়তায় আরও উন্নতির প্রস্তাব রাখেন।

কেন এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ
পেট্রোলিয়াম খাতে অগ্নি-ঝুঁকি সর্বদা বিরাজমান। তাই এই শিবিরে গুরুত্ব দেওয়া হয়—
সময়মতো লাইসেন্স নবীকরণ
সর্বশেষ নিরাপত্তা বিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
অগ্নি দফতরের কর্মকর্তাদের অন-স্পট সহায়তা
সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় বৃদ্ধি

1000169735

উপস্থিতদের প্রশংসা
অংশগ্রহণকারীরা শিবিরের দক্ষতা, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ এবং সহযোগিতামূলক পরিবেশের প্রশংসা করেন। অগ্নি দফতরের মাঠ পর্যায়ের সহায়তায় সব প্রযুক্তিগত প্রশ্নের দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়।

এই উদ্যোগ কেবল লাইসেন্স নবীকরণ সহজ করেই থেমে থাকেনি, বরং স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে — অগ্নি-নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়।

Continue reading
  • August 13, 2025

ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের মেগা ফায়ার লাইসেন্স নবীকরণ শিবির ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের মেগা ফায়ার লাইসেন্স নবীকরণ শিবির

কলকাতা, ৬ আগস্ট ২০২৫ — পেট্রোলিয়াম খাতে অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি আরও শক্তিশালী করতে পশ্চিমবঙ্গ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (WBPDA) এবং পশ্চিমবঙ্গ অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতরের যৌথ উদ্যোগে কলকাতায় আয়োজিত হলো এক বৃহৎ ফায়ার লাইসেন্স নবীকরণ শিবির।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পেট্রোলিয়াম ডিলাররা এই শিবিরে অংশ নেন, যেখানে তারা সহজে ও দ্রুত তাদের বাধ্যতামূলক অগ্নি-নিরাপত্তা লাইসেন্স নবীকরণ সম্পন্ন করেন — যা পেট্রোল পাম্প ও জ্বালানি সম্পর্কিত ব্যবসা চালাতে অপরিহার্য।

“সেফটি ফার্স্ট, কমপ্লায়েন্স অলওয়েজ” (প্রথমে নিরাপত্তা, সর্বদা বিধি মেনে চলা) শিরোনামে আয়োজিত এই শিবিরের লক্ষ্য ছিল স্বচ্ছ, ঝামেলামুক্ত ও দ্রুত লাইসেন্স নবীকরণের পাশাপাশি অগ্নি-নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানো, বিশেষত পেট্রোলিয়াম বিতরণের মতো উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ খাতে।

উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি
শিবিরে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও সরকারি ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরা—
অরুণ সিংহানিয়া – সভাপতি, WBPDA
কল্যাণ মান্না – সম্পাদক, WBPDA
বশন্ত কুমার শ’ – সহ-সভাপতি, WBPDA
উৎপল ভদ্র, আইএএস – সিনিয়র স্পেশাল সেক্রেটারি, পশ্চিমবঙ্গ অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতর
সঞ্জয় আগরওয়াল – সভাপতি, HP গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন

তাঁরা অংশগ্রহণকারীদের দিকনির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অগ্নি-নিরাপত্তা প্রয়োগ ও ডিলার সহায়তায় আরও উন্নতির প্রস্তাব রাখেন।

উপস্থিতদের প্রশংসা
অংশগ্রহণকারীরা শিবিরের দক্ষতা, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ এবং সহযোগিতামূলক পরিবেশের প্রশংসা করেন। অগ্নি দফতরের মাঠ পর্যায়ের সহায়তায় সব প্রযুক্তিগত প্রশ্নের দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়।

কেন এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ
পেট্রোলিয়াম খাতে অগ্নি-ঝুঁকি সর্বদা বিরাজমান। তাই এই শিবিরে গুরুত্ব দেওয়া হয়—
সময়মতো লাইসেন্স নবীকরণ
সর্বশেষ নিরাপত্তা বিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
অগ্নি দফতরের কর্মকর্তাদের অন-স্পট সহায়তা
সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় বৃদ্ধি

এই উদ্যোগ কেবল লাইসেন্স নবীকরণ সহজ করেই থেমে থাকেনি, বরং স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে — অগ্নি-নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়।

Continue reading
দশ দিবসীয় সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবির ও ‘সংস্কৃত সংস্কৃতিক সন্ধ্যা’।
  • May 27, 2025


কলকাতা : ২৪ মে শনিবার – আয়োজক সংস্কৃত ভারতী, (দক্ষিণবঙ্গ) ও বিবেকানন্দ দশ দিবসীয় সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবিরের ও কার্যক্রম উপলক্ষে ‘সংস্কৃত সংস্কৃতিক সন্ধ্যা’যোগ অনুসন্ধান সংস্থান (কলকাতা)। সহায়ক-হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্।

সংস্কৃত হল ভারতীয় সংস্কৃতির মূল। বিশ্বের প্রায় সব ভাষার জননী হল সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃত ভাষার প্রচার এবং প্রসারের উদ্দেশ্যে সংস্কৃত ভারতী নিরন্তর কাজ করে চলেছে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংস্কৃত ভারতের বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। সংস্কৃত ভারতের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হল নিঃশুল্ক দশ দিবসীয় সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবির। মাত্র ১০ দিন ২ ঘন্টা করে সময় দিয়ে সাধারণ মানুষ এই শিবিরে অংশগ্রহণ করে সংস্কৃত ভাষায় কথা বলতে পারেন। সংস্কৃত ভারতী (দক্ষিণবঙ্গ) ও বিবেকানন্দ যোগ অনুসন্ধান সংস্থানের (কলকাতা) যৌথ উদ্যোগে গত ১০ মে থেকে ১৯ মে পর্যন্ত একটি দশ দিবসীয় সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন বয়সের প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী এই শিবিরে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। শিবিরের সবার হোক কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে একটি সংস্কৃত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার পরিকল্পনা করা হয়। এই বিষয়ে স্থান প্রদান করে এবং বিভিন্নভাবে সাহায্য করে অনুষ্ঠানটিকে বাস্তবায়িত হতে সাহায্য করে হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্ । ২৪ শে মে ২০২৫ বিকেল সাড়ে চারটে থেকে হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্-এর স্বামী বিবেকানন্দ সভাগৃহে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ছিল বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, সরস্বতী বন্দনা, সংস্কৃত নাটক, সংস্কৃত সম্ভাষণ প্রদর্শন, লঘু নাটিকা, সুভাষিত ও গীতাশ্লোক ইত্যাদি। সর্বোপরি সংস্কৃত গীতের সঙ্গে সংস্কৃত নৃত্য ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণীয় বিষয়। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বার সংস্কৃত সংগীত ও সংস্কৃত নৃত্য বাদ্যযন্ত্র সহযোগে একসঙ্গে মঞ্চে সাক্ষাৎ প্রদর্শিত হয়। বৈদিক যুগের সঙ্গীত কেমন ছিল তার একটি ক্ষুদ্র প্রতিরূপ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। সঙ্গীতের গবেষণামূলক এই বিষয়টি যাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তিনি হলেন প্রসিদ্ধ সঙ্গীতজ্ঞ আচার্য সঞ্জয় চক্রবর্তী। মহাশয়ও দশ দিন নিয়মিত সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবিরের অংশগ্রহণ করে সংস্কৃত সঙ্গীতকে নতুন রূপদান করার প্রচেষ্টা করেন। বিভিন্ন সংস্কৃত সংগীতকে নতুন করে সুর প্রদান করে এবং রবীন্দ্র সংগীতকেও নতুন করে সংস্কৃত ভাষায় উপস্থাপন করে অনুষ্ঠানটিকে অন্য মাত্রা প্রদান করেন। ভারতীয় আদি শাস্ত্রীয় সংস্কৃত সংগীতকে নতুন করে তুলে ধরার এটি ছিল একটি অনন্য প্রয়াস। এছাড়াও আচার্য সঞ্জয় মহাশয় নিজে বন্দেমাতরম সংগীতের সঙ্গে চিত্রাবীণা বাজিয়ে দর্শকদের সম্মোহিত করেন। সংস্কৃত নৃত্য কেমন হওয়া উচিত তার নিদর্শন দর্শকদের কাছে উপস্থাপিত করেন শ্রী প্রদ্যুৎ কুমার দত্ত (অধ্যাপক, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, নৃত্য বিভাগ) মহাশয়। প্রদ্যুৎ মহাশয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা সংস্কৃত সংগীতের সঙ্গে মঞ্চে সংস্কৃত নৃত্য উপস্থাপিত করেন, যা অনুষ্ঠানটিকে একটি অন্যত্র প্রদান করে। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটিকে সংস্কৃত ভাষায় পরিচালনা করেন বিশিষ্ট গায়িকা শ্রীমতি রেশমি চক্রবর্তী। সংস্কৃত ভাষায়ও যে এত সুন্দর অনুষ্ঠান পরিচালনা হতে পারে তার একটি নিদর্শন মহাশয়া তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অনেক প্রসিদ্ধ গায়ক-গায়িকা উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা মাত্র ১০ দিন শিবিরে অংশগ্রহণ করে অনন্য সংস্কৃত সংগীত উপস্থাপিত করেন। ৮ বছর বয়সের শিশু থেকে ৭৮ বছর বয়সের প্রবীণ ব্যক্তিও সংস্কৃত ভাষার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বিষয় উপস্থাপিত করেন। এ ছাড়াও সর্বতোভাবে অনুষ্ঠানটি সফল হতে সাহায্য করেন শ্রী প্রদীপ আগরওয়াল (সি.ই.ও, হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্) এবং ড. অভিজিৎ ঘোষ (অধ্যক্ষ বিবেকানন্দ যোগ অনুসন্ধান সংস্থান,কলকাতা)। এই অনুষ্ঠানের সংস্কৃত ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে নিঃশুল্ক দশ দিবসীয় সংস্কৃত শিবিরের আয়োজন করার পরিকল্পনা চলছে। আশা করি পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই বিষয়টিকে সাদরে গ্রহণ করবেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা ও রূপদান করছেন এবং ১০ দিনের শিবিরে শিক্ষক রূপে পাঠদান করেছেন আচার্য অনুভব হাজরা ( বিভাগীয় প্রধান, সংস্কৃত বিভাগ, বিবেকানন্দ যোগ অনুসন্ধান সংস্থান কলকাতা এবং কার্যকর্তা, সংস্কৃত ভারতী দক্ষিণবঙ্গ)।

Continue reading

মিস করে যাওয়া

ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |
আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |
অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ উন্মোচন করল ‘ধড়কন’ (DHADKAN): সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী হৃদরোগের অস্ত্রোপচার |
“কলকাতা, হাওড়া পৌরসভা ও পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্যব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২৬ মেনে চলার করণীয় কর্মপন্থা। পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা।“
ফরচুন হাইটস নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল, বারাসাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই ৯৩৫টি বাড়ি হস্তান্তর |