JIS গ্রুপ SurTech-এর শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এল যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পরিচালিত অত্যাধুনিক AR-VR শিক্ষা কার্যক্রম |
কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: JIS গ্রুপের একটি শিক্ষা উদ্যোগ—’ডঃ সুধীর চন্দ্র সুর ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড স্পোর্টস কমপ্লেক্স’ (SurTech)—নতুন দিল্লিতে অবস্থিত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি সেকশন’-এর সহায়তায় ‘ইয়াং ইনোভেটরস স্টেম ল্যাব’ (YISL)-এর অধীনে অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) বিষয়ক একটি কর্মশালার আয়োজন করে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে কাজের মাধ্যমে উদীয়মান প্রযুক্তিগুলো সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিয়ে তাদের মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি, সৃজনশীলতা এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক STEM শিক্ষার প্রসার ঘটানো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইন্দো-ইউএস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ফোরাম (IUSSTF)-এর অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান বিজ্ঞান কর্মকর্তা ডঃ চৈতালি ভট্টাচার্য; IUSSTF-এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শ্রীমতী প্রিয়া থমাস; STEAM Varsity-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা শ্রী ধরম রাজ পানওয়ার; JIS গ্রুপের SurTech-এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক (ডঃ) সরদিন্দু পান্ডা এবং STEAM Varsity-র প্রশিক্ষকবৃন্দ।
এই কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা AR/VR ডেভেলপমেন্ট, WebXR, থ্রি-ডি (3D) পরিবেশ, ইমার্সিভ টেকনোলজি এবং মেটা কোয়েস্ট (Meta Quest) হেডসেট ব্যবহারের বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করে। এছাড়া তারা ‘ডিজাইন থিংকিং’, প্রোটোটাইপিং এবং দলগতভাবে সমস্যা সমাধানের কার্যক্রমে অংশ নেয়, যা তাদের ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তিগুলো অন্বেষণের সুযোগ করে দেয়।
JIS ড্রোন একাডেমি (RPTO)-র সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচিটি উদীয়মান প্রযুক্তি এবং শিল্প-কেন্দ্রিক ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এই কর্মশালাটি STEM শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক শিক্ষার প্রসারে JIS গ্রুপ ও SurTech-এর অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের উপযোগী দক্ষতায় গড়ে তোলা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে JIS গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সিমারপ্রীত সিং বলেন, “JIS গ্রুপে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের উদীয়মান প্রযুক্তি এবং শিল্পক্ষেত্রের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে অর্থবহ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা তাদের সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ও উদ্ভাবনকে গ্রহণ করতে এবং বাস্তব বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনে উৎসাহিত করি; এর মাধ্যমে আমরা তাদের ভবিষ্যতের উপযোগী পেশাদার ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে গড়ে তুলছি।”













