লেটেস্ট স্টোরি
জেআইএসসিই-তে আয়োজিত হলো জেআইএসটেক ২ কে ২৬ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রদর্শনী |কলকাতা লেডিস লিগ এই উদ্যোগটি মহিলাদের একত্রিত করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে সমর্থন, সম্প্রসারণ ও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।ডিসান হাসপাতালের উদ্যোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার দপ্তরে শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং বয়স্কদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হুইল চেয়ার প্রদান।ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনাইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ উন্মোচন করল ‘ধড়কন’ (DHADKAN): সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী হৃদরোগের অস্ত্রোপচার |“কলকাতা, হাওড়া পৌরসভা ও পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্যব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২৬ মেনে চলার করণীয় কর্মপন্থা। পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা।“ফরচুন হাইটস নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল, বারাসাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই ৯৩৫টি বাড়ি হস্তান্তর |অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এবং স্টুয়ার্ডশিপ নিয়ে JISIASR এবং ICMR–NIRBI-এর যৌথ কনফারেন্স |

মেন স্টোরি

আজকের আপডেট

শংকর নেত্রালয়ের উদ্যোগে শিশুদের চোখের ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা শিবির।
  • May 19, 2025

কলকাতা – ১৭ মে ২০২৫ : শংকর নেত্রালয়, শিশুদের এমন এক ধরনের চোখের ক্যান্সার যার নাম রেটিনোব্লাস্টোমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।
রেটিনোব্লাস্টোমা রেটিনার একটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রভাবিত করে। এই অবস্থাটি এক বা উভয় চোখেই দেখা দিতে পারে, প্রায় ২৫% ক্ষেত্রে উভয় চোখেই এটি দেখা দেয়। প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সময় মত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বেঁচে থাকার হার ৯০% ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে বিলম্বিত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার সীমিত শুযগের ফলে অন্ধত্ব বা মৃত্যু হতে পারে।
এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল অভিভাবকদের এই রোগের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষিত করা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। উপস্থিত ছিলেন রেটিনোব্লাস্টোমা রোগে আক্রান্ত ২৫ জন শিশু এবং তাদের বাবা মা এবং সম্মানিত চিকিৎসকরা। শংকর নেত্রালয়ের সভাপতি ডাক্তার গিরিশ সি ব্রাও, রেটিনা বিভাগের পরিচালক ডাক্তার প্রমথ ভেন্ডে,শংকর নেত্রালয় চক্ষু অংক লজিস্ট ডাক্তার সু গনেশ্বরি জি।

Whatsapp image 2025 05 20 at 1.39.26 am (1)

এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল অভিভাবকদের এই রোগের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষিত করা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। উপস্থিত টাটা মেডিকেল সেন্টারের মেডিকেল অনকোলজিস্ট ডাক্তার অর্পিতা ভট্টাচার্য এবং শংকর নেত্রালয়ের সিনিয়র চক্ষু অনকোলজিস্ট ডাক্তার ইস নিগাম, এছাড়াও এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। রেটিন ব্লাস্টোমা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়। রেটিনোব্লাস্টোমা পিউপিলারি রিফ্লেক্স ,স্টাবিশ মাস স্টা বিসমাস স্ট্রবিজমাস, চোখের লাল ভাব বা জ্বালা ফুলা ভাব চোখের ব্যথা দৃষ্টিশক্তি হাসির মতো লক্ষণগুলির সাথে উপস্থিত হতে পারে রোগ নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রা সাউন্ড এমআরআই বা সিটি স্ক্যান সহ ইমেজিং পরীক্ষার অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে এই ধরনের টিউমার আকার এবং আয়ুকেশন রোগের পরিমাণ এবং ও ভাই চোখ জড়িত কিনা তার উপর নির্ভর করে। চিকিৎসার বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে কেমোথেরাপি রেজার থেরাপি ক্রায়ো থেরাপি রেডিয়েশন থেরাপি এবং আরো কিছু নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।চোখের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ চিকিৎসা প্রদান করে সেন্টারের সঙ্গে উদ্যোগ রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে ইউনিটটি প্রায় 1000 রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছে তার মধ্যে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাচ্ছেন।সবমিলিয়ে সেদিনকার অনুষ্ঠান ছিল অনবদ্য।

Continue reading
বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স এবং চাউম্যানের যৌথ উদ্যোগ ‘আহারের একাল সেকাল’
  • May 19, 2025

কলকাতা – ১৭ মে ২০২৫ : ঐতিহ্যের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে দা বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং চাউম্যান রেস্টুরেন্টের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রন্ধন সম্পর্কীয় সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান আহারের একাল সেকাল পাট ২। বিসিসিআইয়ের চেয়ারম্যান মিস্টার দেবাদিত্ব চৌধুরীর ব্যবস্থাপনায় কুড়িটিরো বেশি কলকাতার আইকনিক খাবারের দোকানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বিসিসিআইয়ের উইলিয়ামসন মাগর হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বসেছিল চাঁদের হাট কে ছিলেন না এই অনুষ্ঠানে অনুপম রায়,রজতাভ দত্ত, দেবজ্যোতি মিশ্র,তনুশ্রীশংকর এবং বিক্রম ঘোষের মতো ব্যক্তিরাও যারা খাদ্য প্রিয় মানুষ তারা ঐদিন তাদের বিভিন্ন স্মৃতি উন্মোচন করেন।

Whatsapp image 2025 05 20 at 01.20.57

এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে চাউম্যানের কর্ণধার মিস্টার দেবাদিত চৌধুরী বলেন কলকাতার খাদ্য ঐতিহ্যকে কেবল সাধের বিষয় নয় গল্প,মানুষ এবং স্থানের বিষয় যা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। আহারের একাল সেকাল প্রথম পর্ব আরেকটি অত্যন্ত সফল উদ্যোগের পর এই বছর সেইসব রন্ধন প্রণালী প্রতিষ্ঠানগুলিকে সম্মান জানানোর একটি বিনয়ী প্রচেষ্টা যারা কেবল প্রজন্মের পর প্রজন্মই নয় আমাদের শহরের সাংস্কৃতিক হৃদ স্পন্দনকেও পুষ্ঠু করেছে।
বেঙ্গল চেম্বার চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি পরিচালক মিসেস সুকন্যা বোস বলেন কলকাতা তার গভীর সংস্কৃতি শিকড় এবং প্রাণবন্ত রন্ধন সম্পর্কীয় ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত। তুই দেবাদিত্য চৌধুরী তার মস্তিষ্কপ্রসূত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের আইকনিক খাবারের দোকানগুলির ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্য রাখি স্থাপনাগুলি যা একটি শহর হিসেবে আমাদের পরিচয়কে রুপ দেয়। আহারে একাল সেকাল হল কালজয়ী স্বাদ এবং কলকাতার চেতনার উদযাপন । এটি এমন একটি অনুষ্ঠান যা বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আমরা এটি আয়োজন করতে পেরে অত্যন্ত গর্বিত।

Whatsapp image 2025 05 20 at 01.22.26

Continue reading
মায়ের অবদান অমূল্য — মাতৃদিবসে মণিপাল হসপিটালস-এরআবেগ ঘনশ্রদ্ধার্ঘ্য
  • May 15, 2025

কলকাতা, ১৩ই মে ২০২৫: মাতৃত্বের অমোঘ ছায়াকে সম্মান জানিয়ে, মণিপাল হসপিটালস কলকাতা এই বছরের মাতৃ দিবস-এ একটি হৃদয়ছোঁয়া উদ্যোগ গ্রহণ করে। সল্টলেক ও মুকুন্দপুর ইউনিটে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয় চিকিৎসকদের সেই মায়েদের প্রতি — যাঁরা নীরবে, নিঃস্বার্থভাবে গড়ে তুলেছেন তাঁদের সন্তানদের, যারা আজ মানুষের জীবন রক্ষার কাজে নিবেদিত।

সল্টলেক ইউনিটে এই অনুষ্ঠান ঘিরে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা ও তাঁদের পরিবারবর্গ একত্রিত হন। হাসপাতালের কর্মীদের সন্তানরা তাঁদের মায়েদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন বার্তা পড়ে শোনায়। উত্তরে মায়েরা তাঁদের সন্তানের জন্য ভালোবাসা ও গর্বে ভরা চিঠি লিখে পাঠান। এই বিনিময়ে আবেগের ঢেউ বইয়ে যায়, যা মনে করিয়ে দেয় — পৃথিবী যতই এগিয়ে যাক, একজন মায়ের প্রভাব চিরকালই অপরিবর্তনীয়।

সল্টলেক ইউনিটের চিকিৎসকেরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এই আয়োজনে, মায়েদের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতে। আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়, যা রচে যায় স্মৃতির পাতায় এক উজ্জ্বল মুহূর্ত।

এই শহরজুড়ে উদযাপনের অংশ হিসেবে, মণিপাল হসপিটালস-এর ধাকুরিয়া ও ব্রডওয়ে ইউনিটও মাতৃ দিবস পালনে অংশ নেয়। সেখানেও চিকিৎসকদের মায়েদের হাতে তুলে দেওয়া হয় একগুচ্ছ ফুল ও ‘ধন্যবাদ’ বার্তা — তাঁদের নীরব অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ।

এই মাতৃ দিবসে, মণিপাল হসপিটালস তাঁদের শ্রদ্ধা জানাল সেই সব নারীদের, যাঁরা নেপথ্যে থেকেও সন্তানদের আলোকিত করেছেন মানবসেবার পথ ধরে হাঁটার জন্য। এই শ্রদ্ধার্ঘ্য ছিল তাঁদের উদ্দেশেই — মাতৃত্বের মুকুটধারী সেই অদৃশ্য নায়িকাদের, যাঁরা প্রতিটি সাফল্যের পেছনের আসল শক্তি।

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.09.22 (2)

Continue reading
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন
  • May 14, 2025


কলকাতা, ১২ই মে, ২০২৫: গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জন্য, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ, নম্রতা ওয়েভসের সাথে সহযোগিতায় “সোনার তোরি – বেঙ্গল নিমজ্জন: ড্রেপস, ডিলাইটস, ডায়ালগস” আয়োজন করেছে – একটি দিনব্যাপী অভিজ্ঞতামূলক শ্রদ্ধাঞ্জলি যা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং সম্প্রদায়কে একত্রিত করেছিল। ঠাকুরের ঐক্য, মানবতাবাদ, শৈল্পিক উৎকর্ষতা এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের দৃষ্টিভঙ্গির সম্মানে, ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, গল্প বলা এবং মননশীল ঐতিহ্যকে এক নিমজ্জিত দিনব্যাপী উদযাপনে একত্রিত করে।
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মানসী রায়চৌধুরী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার মিঃ অ্যান্ড্রু ফ্লেমিং, চীনা ডেপুটি কনসাল জেনারেল মিঃ কিন ইয়ং, শ্যুটার মিঃ জয়দীপ কর্মকার, অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক মিঃ অশোক বিশ্বনাথন, বাগ্মী মধুমন্তী মৈত্র, পরিচালক মিঃ সত্রাজিৎ সেন এবং নম্রতা ওয়েভসের প্রতিষ্ঠাতা মিঃ নম্রতা মিত্র। দিনটি শুরু হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী ‘বোরন’ (স্বাগত) দিয়ে, যা বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক কাঠামোর মধ্যে যাত্রার সুর তৈরি করে। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল বাংলার টেক্সটাইল ঐতিহ্যের একটি নির্দেশিত ওয়াকথ্রু, যেখানে কিউরেটেড ড্রেপ এবং বুনন রয়েছে।
দিনের কিউরেটেড অভিজ্ঞতাগুলির মধ্যে ছিল:

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.42


নম্রতা ওয়েভসের নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান টেক্সটাইলের সাথে ড্রেপিং এবং স্টাইলিং, ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের জটিলতা প্রদর্শন করে
আলতা প্রয়োগ, আল্পনা শিল্প, মালা গাথা (মালা তৈরি) এবং পান সাজসজ্জা সহ হাতে-কলমে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি কার্যকলাপ
প্রাণবন্ত মুহূর্তগুলি নথিভুক্ত করার জন্য কিউরেটেড ফটোগ্রাফি কর্নার দিয়ে স্মৃতি ধরে রাখা
TIGPS শিক্ষকদের দ্বারা ব্যাখ্যা করা প্রতিটি খাবারের পিছনের গল্প সহ খাঁটি বাঙালি নৈশভোজে আমোদিত
কোজি আড্ডা সেশন, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সৃজনশীল, একাডেমিক এবং টেক্সটাইল জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সাথে আলাপচারিতা করেছিলেন
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুল (TIGPS) এর শিক্ষকদের নির্দেশে (টেকনো মেইন সল্টলেকের শিক্ষার্থীদের সঙ্গীত পরিবেশনার সাথে) প্রতিটি কার্যকলাপ ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট প্রদান করে, যা বাংলার জীবন্ত ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে একটি সমৃদ্ধ, শিক্ষামূলক এবং আনন্দময় যাত্রা নিশ্চিত করে।

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.41


“সোনার তোরি হল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সারমর্মের উদযাপন – নিমজ্জিত শিক্ষার প্রতি তাঁর বিশ্বাস, দৈনন্দিন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে বোনা সৌন্দর্য এবং ভাগ করা সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা থেকে আসা গভীর আনন্দ। ঠাকুর শিক্ষাকে কেবল জ্ঞান অর্জন হিসেবেই কল্পনা করেননি, বরং মন, হৃদয় এবং আত্মাকে সংযুক্ত করে এমন একটি সামগ্রিক যাত্রা হিসেবে কল্পনা করেছিলেন। এই অনুষ্ঠানটি সেই দর্শনের প্রতীক – শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে নয়, স্পর্শ, স্বাদ, শব্দ এবং চেতনার মাধ্যমে বাংলার জীবন্ত ঐতিহ্যকে সরাসরি অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ করে দেয়। নম্রতা ওয়েভসের সাথে আমাদের সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা ঐতিহ্যবাহী শিল্পের সমৃদ্ধি সংরক্ষণ করার লক্ষ্য রাখি, একই সাথে তরুণ প্রজন্মের কাছে সেগুলিকে সহজলভ্য এবং অর্থবহ করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করি। এটি এমন একটি স্থান তৈরি করার বিষয়ে যেখানে ঐতিহ্য কৌতূহলের সাথে মিলিত হয় এবং যেখানে সাংস্কৃতিক গর্ব সৃজনশীলতা এবং সহানুভূতির জন্য একটি শক্তিশালী শক্তি হয়ে ওঠে। টেকনো ইন্ডিয়াতে

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.45

তোরি সেই দিকেই একটি পদক্ষেপ,” বলেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মানসী রায়চৌধুরী।

সোনার তোরি – বেঙ্গল ইমারসন: ড্রেপস, ডিলাইটস, ডায়ালগস একটি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে যা টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রতিশ্রুতির প্রতিধ্বনি করে যে তারা সুপরিকল্পিত, সাংস্কৃতিকভাবে সচেতন শিক্ষার্থীদের লালন-পালন করে যারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে।
গ্রুপ, আমরা কেবল পেশাদারদের নয়, বরং মূলবান, দায়িত্বশীল নাগরিকদের গঠনে বিশ্বাস করি – এবং সোনারের মতো ইভেন্টগুলি সহানুভূতি এবং সৃজনশীলতার সাথে ভারতীয় ঐতিহ্যের সমৃদ্ধি তুলে ধরে।

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.46

Continue reading
কবে শুরু আইপিএল, জানিয়ে দিল বিসিসিআই। গ্রুপের বাকি ম্যাচ ৬ ভেন্যুতে।
  • May 14, 2025


কলকাতা– ১৪ মে,২০২৫ : ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে হয়েছিল আইপিএল। এক সপ্তাহের জন্য আইপিএল স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা হলেও কমেছে। সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি হয়েছে।আর এই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই স্থগিত হয়ে যাওয়া আইপিএল শুরুর দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে চলতি সপ্তাহের শেষ থেকেই আবারও শুরু হবে আইপিএল। মাঝে কিছুদিন খেলা বন্ধ থাকায় দু’টি কোয়ালিফায়ার, একটি এলিমিনেটর ও ফাইনাল সহ বাকি ১৭ টি ম্যাচের জন্য নতুন করে সূচি তৈরি করতে হয়েছে বোর্ডকে।
বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আইপিএল শুরু হবে আগামী ১৭ মে, শনিবার থেকে। ফাইনাল ৩ জুন, মঙ্গলবার। প্রথম কোয়ালিফায়ার হবে ২৯ মে, বৃহস্পতিবার। এলিমিনেটর ৩০ মে, শুক্রবার। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ১ জুন, রবিবার। নকআউট পর্বের দিন ঘোষণা হলেও ম্যাচগুলি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনও জানায়নি বোর্ড। তবে তা খুব দ্রুতই ঘোষণা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। পূর্ব সূচি অনুযায়ী একটি কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনাল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
লিগ পর্বের বাকি ১৩টি ম্যাচ মোট ৬ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। তার মধ্যে গত বৃহস্পতিবার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ধর্মশালায় মাঝপথে বদ্ধ হয়ে যাওয়া পঞ্জাব কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচটিও রয়েছে। বেঙ্গালুরু, জয়পুর, দিল্লি, আহমেদাবাদ, লখনৌ ও মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলি। তবে চেন্নাই এবং হায়দরাবাদে কোনও ম্যাচ রাখা হয়নি।
বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে পরিবর্তিত যে সূচি প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বেঙ্গালুরুতে দু’টি ম্যাচ রয়েছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু তাদের ঘরের মাঠে ১৭ মে কেকেআর এবং ২৩ মে সানরাইজার্স হায়দারাবাদের বিরুদ্ধে খেলবে।‌ রাজস্থানের জয়পুরে হবে তিনটি ম্যাচ। রাজস্থান রয়্যালস ১৮ মে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে খেলবে। গত বৃহস্পতিবার ধর্মশালায় বাতিল হয়ে যাওয়া পঞ্জাব কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচটি ২৪ মে অনুষ্ঠিত হবে জয়পুরে। এছাড়াও, ২৬ মে পঞ্জাব কিংস বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হবে জয়পুরে।
দিল্লিতেও অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ম্যাচ। ১৮ মে দিল্লি ক্যাপিটালস তাদের ঘরের মাঠে খেলবে গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে। ২০ মে দিল্লিতে মুখোমুখি হবে চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস। ২৫ মে দিল্লিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। লখনৌয়ে অনুষ্ঠিত হবে দু’টি ম্যাচ। ১৯ মে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং ২৭ মে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে নিজেদের ঘরের মাঠে খেলবে লখনৌ সুপার জায়ান্টস। গুজরাতের আহমেদাবাদেও অনুষ্ঠিত হবে দু’টি ম্যাচ। ২২মে লখনৌ সুপার জায়ান্ট ও ২৫ মে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নিজেদের ঘরের মাঠে খেলবে গুজরাত টাইটান্স। মুম্বইতে অনুষ্ঠিতে হবে একটি ম্যাচ। ২১ মে দিল্লির বিরুদ্ধে নিজেদের ঘরের মাঠে খেলবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তবে ফাইনাল-সহ প্লে-অফের ম্যাচগুলোর দিন জানানো হলেও, কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, তার চূড়ান্ত ঘোষণা এখনও করেনি বিসিসিআই। খুব শীঘ্রই তা ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিসিসিআই।

আইপিএল-এর পরিবর্তিত সূচি:

১৭ মে- আরসিবি বনাম কেকেআর (বেঙ্গালুরু, ৭:৩০)
১৮ মে- রাজস্থান বনাম পঞ্জাব (জয়পুর, ৩:৩০)
১৮ মে- দিল্লি বনাম গুজরাত (দিল্লি, ৭:৩০)
১৯ মে- এলএসজি বনাম হায়দরাবাদ (লখনৌ, ৭:৩০)
২০ মে- সিএসকে বনাম রাজস্থান (দিল্লি, ৭:৩০)
২১ মে- মুম্বই বনাম দিল্লি (মুম্বই, ৭:৩০)
২২ মে- গুজরাত টাইটান্স বনাম এলএসজি (আহমেদাবাদ, ৭:৩০)
২৩ মে- আরসিবি বনাম হায়দারাবাদ (বেঙ্গালুরু, ৭:৩০)
২৪ মে- পঞ্জাব বনাম দিল্লি (জয়পুর, ৭:৩০)
২৫ মে- গুজরাত টাইটান্স বনাম সিএসকে (আহমেদাবাদ, ৩:৩০)
২৫ মে- হায়দরাবাদ বনাম কেকেআর (দিল্লি, ৭:৩০)
২৬ মে- পঞ্জাব বনাম মুম্বই (জয়পুর, ৭:৩০)
২৭ মে- এলএসজি বনাম আরসিবি (লখনৌ, ৭:৩০)
২৯ মে- প্রথম কোয়ালিফায়ার (৭:৩০)
৩০ মে- এলিমিনেটর (৭:৩০)
১ জুন- দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার (৭:৩০)
৩ জুন- ফাইনাল (৭:৩০)

Continue reading
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তরাধিকার নিয়ে কবিতা, শক্তি এবং দৃষ্টিভঙ্গির একটি সন্ধ্যা
  • May 11, 2025


কলকাতা, ৭ মে ২০২৫— ক্লাব ফেনিসিয়া “অ্যান ওড টু টেগোর: অ্যান ইভিনিং অফ কনভারসেশনস” আয়োজন করে, একটি প্রাণবন্ত সমাবেশ যা সাহিত্য, কবিতা এবং সিনেমার কণ্ঠস্বরকে একত্রিত করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুপ্রেরণাদাতা এবং তাঁর দ্বারা অনুপ্রাণিত নারীদের সম্মান জানাতে সম্মানিত হয়েছিল। সম্মানিত উপস্থিতিতে ছিলেন লেখক ও অনুবাদক অঞ্জুম কাতিয়াল এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক ভাষ্যকার সুদেষ্ণা রায়।
যখন বিলাসিতা প্রায়শই সাংস্কৃতিক গভীরতা থেকে দূরে সরে যায়, ক্লাব ফেনিসিয়া আলাদা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এশিয়ার বৃহত্তম বিলাসবহুল লাউঞ্জ হিসাবে, এটি ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক এবং বৌদ্ধিক ঐতিহ্যকে আলিঙ্গন করে চলেছে। এই সন্ধ্যাটি কেবল উপলক্ষ নয়, বরং আমাদের সম্মিলিত চেতনাকে রূপদানকারী উত্তরাধিকার উদযাপনের ফেনিসিয়ার দৃষ্টিভঙ্গির প্রমাণ ছিল।
কথোপকথনে অঞ্জুম কাতিয়াল এবং সুদেষ্ণা রায়ের সাথে পারোমিতা ঘোষ, ক্যান্ডিড বাই পারোমিতার প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক উপস্থিত ছিলেন। তারা বিনোদিনী দাসী এবং কাদম্বরী দেবীর মতো নারীদের জীবন এবং ঠাকুরের রচনার শক্তিশালী নারী চরিত্রদের উপর প্রতিফলিত হয়েছিল। সংলাপটিতে প্রেম, স্বাধীনতা, বিদ্রোহ এবং ঠাকুরের জগৎ এবং তাঁর কল্পনার জগৎ উভয়ের নারীর শান্ত, স্থায়ী শক্তির বিষয়বস্তু অন্বেষণ করা হয়েছিল।

সন্ধ্যাটি সাহিত্য, ইতিহাস এবং নারীবাদী চিন্তাধারার প্রেমীদের আকৃষ্ট করেছিল – কেবল কথোপকথন নয়, বরং মনন এবং অনুপ্রেরণা প্রদান করেছিল। এটি একটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে ক্লাব ফেনিসিয়া হল
চেতনা। চেয়ারম্যান মিঃ কুণাল গুপ্ত সর্বদা বিশ্বাস করতেন যে, সত্যিকারের পরিশীলিততা আমাদের সংজ্ঞায়িত করে এমন মূল্যবোধ এবং গল্পের সাথে সংযুক্ত থাকার মধ্যে নিহিত। ক্লাব ফেনিসিয়ায়, প্রতিটি উদযাপন সেই কালজয়ী সংযোগগুলিকে সম্মান করার সুযোগ হয়ে ওঠে – এবং এই সন্ধ্যাটিও এর ব্যতিক্রম ছিল না।

ক্লাব ফেনিসিয়া সম্পর্কে
ক্লাব ফেনিসিয়া উপভোগের সারাংশকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করেছে। এশিয়ার বৃহত্তম বিলাসবহুল লাউঞ্জ হিসাবে পরিচিত, এটি এমন একটি পৃথিবী অফার করে যেখানে অতিথিরা আনন্দের সারাংশে নিজেদেরকে আবদ্ধ করতে পেরেছিলেন। বিলাসবহুল সাজসজ্জা এবং এপিকিউরিয়ান সুস্বাদু খাবার থেকে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পরিষেবা এবং একচেটিয়া সুযোগ-সুবিধা পর্যন্ত, ক্লাব ফেনিসিয়া একটি নিমগ্ন অভিজ্ঞতা তৈরি করেছিল। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে পরিশীলিত অবসরের সাথে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন ঘটে—যেখানে কেউ অপরাধবোধের আনন্দ উপভোগ করতে আসে এবং আরও অসংখ্য আবিষ্কার করতে থাকে। অফুরন্ত বিনোদন, কিউরেটেড সঙ্গ এবং আপনার প্রিয় পানীয় হাতে থাকায়, সময় নিজেই অফার করা অনেক বিলাসবহুল জিনিসের মধ্যে একটির মতো অনুভূত হয়। ক্লাব ফেনিসিয়ায়, পরিবেশ কেবল একটি পটভূমি নয়, বরং হৃদয়, মন এবং আত্মার জন্য অত্যন্ত আরামদায়ক।

Continue reading
CMRI বিশ্ব হাঁপানি দিবস পালন
  • May 11, 2025


কলকাতা, ৬ মে, ২০২৫ — সিকে বিড়লা হাসপাতাল, সিএমআরআই, বিশ্ব হাঁপানি দিবস উপলক্ষে একটি ইন্টারেক্টিভ অধিবেশনের আয়োজন করেছে, যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল: “সকলের জন্য ইনহেলড চিকিৎসা সহজলভ্য করা”।

সিএমআরআই হাসপাতাল, কলকাতার পালমোনোলজির পরামর্শদাতা ডঃ বিউটি বিশ্বাসের আকর্ষণীয় অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে অধিবেশনটি শুরু হয়, এরপর বিখ্যাত পালমোনোলজিস্ট – ডাঃ রাজা ধর, সিএমআরআই হাসপাতালের পালমোনোলজি বিভাগের পরিচালক ও প্রধান, একটি সচেতনতা অধিবেশনের আয়োজন করেন। তিনি কীভাবে হাঁপানি বিভিন্ন বয়সের মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং কীভাবে সময়োপযোগী চিকিৎসা, বিশেষ করে ইনহেলারের মাধ্যমে, প্রকৃত পরিবর্তন আনতে পারে সে সম্পর্কে কথা বলেন।
সিএমআরআই হাসপাতালের পালমোনোলজি বিভাগের পরিচালক ও প্রধান চিকিৎসক ডাঃ রাজা ধর বলেন, “হাঁপানি ভারতে এখনও একটি প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে, কেবল এটি কতটা সাধারণ তা নয়, বরং আমরা যে পরিমাণ মৃত্যু দেখতে পাই তার সংখ্যাও এর সাথে সম্পর্কিত। বায়ু দূষণ, জৈববস্তুপুঞ্জ পোড়ানো, ধূপের মজুদ, মশার কয়েল এবং আরও অনেক কারণের মিশ্রণ শ্বাসনালী সংকুচিত করার ক্ষেত্রে অবদান রাখে। তবে সমানভাবে উদ্বেগজনক বিষয় হল চিকিৎসায় বিলম্ব এবং ইনহেলার এবং স্টেরয়েড সম্পর্কে মানুষ এখনও যে মিথ বিশ্বাস করে। এগুলি রোগ নিয়ন্ত্রণকে যতটা প্রয়োজন তার চেয়ে কঠিন করে তোলে। আমাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। আমাদের আগে রোগ নির্ণয় করতে হবে, আগে চিকিৎসা করতে হবে এবং শিক্ষার উপর মনোযোগ দিতে হবে। সঠিক যত্নের মাধ্যমে, আমরা ভারতে হাঁপানি রোগীদের জন্য ফলাফলের উন্নতি করতে পারি।”

এই অনুষ্ঠানের একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত ছিল কোড ব্রেথ: ইন দ্য মিডস্ট অফ দ্য স্টর্ম শিরোনামের একটি ছোট নাটক। এই অনুষ্ঠানটিতে দেখানো হয়েছিল যে হাঁপানির আক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর এবং দ্রুত হতে পারে, বিশেষ করে যখন ইনহেলার ব্যবহারে দ্বিধা বা বিলম্ব হয়। এই পরিবেশনা চিকিৎসা কর্মী এবং দর্শক উভয়ের মনেই দাগ কেটেছে।
কলকাতার সিএমআরআই হাসপাতালের পালমোনোলজির পরামর্শদাতা ডাঃ অরূপ হালদার বায়ু দূষণ এবং শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উপর এর ক্রমবর্ধমান প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য মঞ্চে আসেন। তিনি উল্লেখ করেন যে কীভাবে শহরের জীবনযাত্রা, খারাপ বায়ুর গুণমান সহ, হাঁপানির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অনেক রোগীর সুস্থতা জটিল করে তুলছে। ডাঃ ধর দ্বারা সঞ্চালিত সিএমআরআই হাসপাতাল একটি প্যানেল আলোচনারও আয়োজন করেছিল, যেখানে বেশ কয়েকজন ডাক্তার হাঁপানি সম্পর্কে সাধারণ ভুল ধারণা, বিশেষ করে ইনহেলার ব্যবহার সম্পর্কে এখনও অনেক মানুষের দ্বিধা সম্পর্কে কথা বলেছিলেন। প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ এ.জি. ঘোষাল, ডাঃ মনোতোষ খানরা, ডাঃ সোমেনাথ কুণ্ডু, ডাঃ অরূপ হালদার, ডাঃ আর. শ্যাম কৃষ্ণন, ডাঃ বিউটি বিশ্বাস, ডাঃ আদিত্য সৎপতি এবং ডাঃ অমৃতা ভট্টাচার্য। অধিবেশনে পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা সুইচঅন ফাউন্ডেশনের একটি সংক্ষিপ্ত উল্লেখও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক কথোপকথনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়, যাদের অনেকেই বলেছিলেন যে তারা আগামী মাসগুলিতে এই ধরণের আরও প্রচেষ্টা দেখতে আশা করছেন।
CMRI সম্পর্কে – CK Birla Hospital, CMRI ১৯৬৯ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত একটি বিশিষ্ট NABH স্বীকৃত মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ৪৪০ শয্যা বিশিষ্ট, CMRI সমাজের সকল স্তরের জন্য উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। CMRI তার ICU-এর মাধ্যমে অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে, যার সবকটিই সুপার-স্পেশালিস্টদের একটি অভিজ্ঞ দল দ্বারা সমর্থিত। CMRI হল শহরে রোবোটিক জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট চালু করা প্রথম হাসপাতাল। হাসপাতালটি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী একটি অত্যাধুনিক রেসপিরেটরি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটও পরিচালনা করে। এটি প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু উভয়ের জন্যই ট্রান্সপ্ল্যান্ট প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। CMRI হল পূর্ব ভারতের একমাত্র হাসপাতাল যেখানে QAI স্বীকৃত স্ট্রোক সেন্টার রয়েছে। CMRI ভারত সরকারের জাতীয় উন্নয়ন বোর্ড, DNB কোর্সের জন্য স্বীকৃত। এই ইনস্টিটিউটে পশ্চিমবঙ্গ নার্সিং কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত একটি নার্স প্রশিক্ষণ স্কুলও রয়েছে।

Continue reading
বিশ্ব অ্যাজমা দিবসে শিশুদের অ্যাজমা নিয়ে সচেতনতায় উদ্যোগী মণিপাল হাসপাতাল
  • May 11, 2025


কলকাতা, ৬ই মে, ২০২৫: প্রায়শই অবহেলিত একটি স্বাস্থ্য সমস্যার উপর আলোকপাত করতে, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর, বিশ্ব অ্যাজমা দিবস উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ চ্যাপ্টার অফ পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজির সহযোগিতায় শিশু অ্যাজমা বিষয়ক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর ৬ই মে পালিত বিশ্ব অ্যাজমা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর সেশনে মণিপাল হাসপাতালের শীর্ষস্থানীয় পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞ, কার্ডিওলজিস্ট, পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজিস্ট, পেডিয়াট্রিশিয়ান ও নিওনাটোলজিস্টরা তাঁদের মূল্যবান মতামত ভাগ করে নেন, শিশু অ্যাজমার জটিলতা নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মণিপাল হাসপাতালের খ্যাতনামা চিকিৎসকবৃন্দ — ডা. সউমেন মেয়র, পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার লিড ও প্রধান, পেডিয়াট্রিক বিভাগ, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর; ডা. মনিদীপা দত্ত, কনসালট্যান্ট, পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর; ডা. পার্থ সারথি, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, কার্ডিওলজি, মণিপাল হাসপাতাল, সল্টলেক; ডা. পল্লব চ্যাটার্জী, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, পেডিয়াট্রিশিয়ান ও নিওনাটোলজিস্ট, মণিপাল হাসপাতাল, সল্টলেক; এবং ডা. সায়ন্তন ভৌমিক, কনসালট্যান্ট, পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজি, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর।
অ্যাজমা একটি দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত রোগ যা বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০% শিশুকে প্রভাবিত করে। দিন দিন দূষণ বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং অ্যালারজেনের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীলতার কারণে ভারতে বিশেষ করে শিশু অ্যাজমা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তবু, পূর্ব ভারতে অনেক শিশুই এখনও ভুলবুঝে বা ভ্রান্তভাবে নির্ণীত উপসর্গ নিয়ে সংগ্রাম করছে, যা প্রায়শই বারবার শ্বাসকষ্ট, ব্রঙ্কাইটিস অথবা অ্যালার্জিক কাশির সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। এই নির্ণয়জনিত বিভ্রান্তি অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার, বিদ্যালয় অনুপস্থিতি, ফুসফুসের স্বাস্থ্যের অবনতি এবং শিশু ও পরিবারের জন্য মানসিক চাপ তৈরি করে।
সচেতনতা বাড়াতে, এই কর্মসূচিতে বিশিষ্ট পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজিস্ট ও ইনটেনসিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞরা অ্যাজমা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ফাঁকফোকরগুলো তুলে ধরেন। ডা. পার্থ হালদার, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, কার্ডিওলজি, বৈশ্বিক অ্যাজমা নির্দেশিকা (GINA Guidelines)-এর আপডেট নিয়ে একটি তথ্যবহুল সেশনের মাধ্যমে আলোচনা শুরু করেন, যেখানে তিনি দেখান কিভাবে পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক সুপারিশগুলি ভারতের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসকে প্রভাবিত করা উচিত। এর আগে ছিল ‘শিশু অ্যাজমা ব্যবস্থাপনায় প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ প্যানেল আলোচনা, যা পরিচালনা করেন ডা. পল্লব চ্যাটার্জী। প্যানেলিস্ট হিসেবে ছিলেন ডা. অরুণ মঙ্গলিক এবং ডা. সুভাসিস রায়, যারা বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ—যেমন নির্ণয়ের জটিলতা ও চিকিৎসা অনুসরণের সমস্যাগুলি—নিয়ে আলোকপাত করেন। একাডেমিক অংশের সমাপ্তিতে, ডা. সায়ন্তন ভৌমিক, বিশেষত পাঁচ বছরের কম বয়সী অ্যাজমা রোগীদের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন, যেখানে ক্ষণস্থায়ী শ্বাসকষ্ট ও প্রারম্ভিক অ্যাজমার মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।
ডা. সউমেন মেয়র, পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার লিড ও প্রধান, পেডিয়াট্রিক বিভাগ, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর বলেন, “শিশুদের অ্যাজমা উন্নয়নজনিত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ও পরিবেশগত বিষয়গুলির একটি সূক্ষ্ম বোঝাপড়া দাবি করে, যা বেশ অনন্য। আমরা প্রায়ই দেখি শিশুরা বছরের পর বছর নীরবে ভোগে ভুল নির্ণয়ের কারণে। অনেক সময় শ্বাসকষ্টগ্রস্ত শিশুকে বারবার অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, অথচ প্রয়োজন ছিল ইনহেলেশন থেরাপি। আমাদের আজকের বার্তা স্পষ্ট—অ্যাজমা মানেই জীবন থেমে যাবে না। সঠিক নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে শিশুরা কেবল উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না, বরং পড়াশোনা, খেলাধুলা ও সামাজিক কার্যক্রমেও অংশ নিতে পারবে নির্ভয়ে।”
ডা. মনিদীপা দত্ত, কনসালট্যান্ট, পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর বলেন, “ইনহেলার আসক্তিকর বা ক্ষতিকর — এমন ভুল ধারণা অনেক সময় সময়মতো ও ধারাবাহিক চিকিৎসায় বাধা সৃষ্টি করে। অ্যাজমা-সংক্রান্ত একটি সামাজিক কলঙ্কও রয়েছে, যা পরিবারের সদস্যদের রোগ নির্ণয় স্বীকার করতে নিরুৎসাহিত করে। আমরা অভিভাবকদের শিক্ষিত করে ও অ্যাজমা ব্যবস্থাপনার সরঞ্জামগুলো সহজবোধ্য করে তুলে ধরছি যাতে পরিবারগুলো সন্তানের স্বাস্থ্যযাত্রা নিজের হাতে নিতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, চিকিৎসাহীন বা খারাপভাবে নিয়ন্ত্রিত অ্যাজমা শিশুর ফুসফুসের বৃদ্ধি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে — এই ঝুঁকি অবহেলা করা যাবে না। বিশেষভাবে, ইনহেলার ব্যবহারের সঠিক কৌশল জানা সমান জরুরি যাতে ওষুধ ফুসফুসে সঠিকভাবে পৌঁছায়। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের উচিত মাঝে মাঝে পর্যবেক্ষণ করা যে শিশু রোগীরা ইনহেলার ঠিকমতো ব্যবহার করছে কিনা, কারণ এই বয়সে যন্ত্র ব্যবহারে অসুবিধা খুব সাধারণ।”

Continue reading

মিস করে যাওয়া

জেআইএসসিই-তে আয়োজিত হলো জেআইএসটেক ২ কে ২৬ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রদর্শনী |
কলকাতা লেডিস লিগ এই উদ্যোগটি মহিলাদের একত্রিত করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে সমর্থন, সম্প্রসারণ ও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।
ডিসান হাসপাতালের উদ্যোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার দপ্তরে শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং বয়স্কদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হুইল চেয়ার প্রদান।
ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |
আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |