লেটেস্ট স্টোরি
প্রতিটি হৃদ্‌স্পন্দন হোক সুস্থ ও শক্তিশালী মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ায় হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্মেলন |PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে শিল্পখাতের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরল |শিশুদের জন্য ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করতে রোটারি ক্লাবগুলোর সম্মিলিত প্রয়াস |কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহ 2026 পালন করল এসোসিয়েশন অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া।উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা ও রোবোটিক CABG-এর ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য উদযাপনে শীর্ষস্থানীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে সুস্থ হওয়া রোগীদের এক বিশেষ মিলনমেলার আয়োজন করল দিশান হাসপাতাল |কেন্দ্রীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়া উন্নয়নের পর্যালোচনা এবং তৃণমূল স্তরে খেলাধুলার প্রসার ও ক্রীড়াবিদদের অগ্রগতির পথ সুগম করতে ‘সাই’-এর সহায়তার আশ্বাস |দূর্গা পূজা ও কালী পূজা থেকে দীপাবলি এবং ভাইফোঁটা, দ্য বডি শপের প্রি-প্যাকড গিফট সেটগুলি প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত উপহার |JIS গ্রুপ SurTech-এর শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এল যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পরিচালিত অত্যাধুনিক AR-VR শিক্ষা কার্যক্রম |দুর্গাপুজোর নেপথ্যের শিল্পীদের সম্মান জানাল মণিপাল হসপিটাল কলকাতা‘পুজোর রূপকার ২.০’-এর মাধ্যমে |

মেন স্টোরি

আজকের আপডেট

ফরচুন হাইটস নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল, বারাসাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই ৯৩৫টি বাড়ি হস্তান্তর |
  • April 6, 2026

কলকাতা:৫ই এপ্রিলঃ পূর্ব ভারতের রিয়েল এস্টেট ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে, বারাসাতে অবস্থিত প্রিমিয়াম আবাসন প্রকল্প ফরচুন হাইটস নির্ধারিত সময়ের আগেই তাদের বিস্তৃত ৯৩৫ ইউনিটের হাউজিং প্রকল্প সম্পূর্ণ করেছে, যা সময়মতো প্রকল্প হস্তান্তরের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় করেছে—যেখানে বিলম্ব একটি সাধারণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা যায়।পাঁচটি ধাপে পরিকল্পিত এই প্রকল্পটি ২০১৮ সালে শুরু হয়ে ২০২৫ সালে সম্পন্ন হয়েছে, যা কার্যকর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। শিল্প পর্যবেক্ষকদের মতে, বৃহৎ আবাসন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন করা প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যকারী হিসেবে বিবেচিত হয়।

20260404

ফরচুন হাইটসকে আধুনিক জীবনযাপন এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের এক সুষম সমন্বয় হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে। এই গেটেড কমিউনিটিতে ২, ২.৫ এবং ৩ বিএইচকে অ্যাপার্টমেন্টের পাশাপাশি পেন্টহাউস রয়েছে, যেখানে ৭০% এরও বেশি উন্মুক্ত স্থান, ল্যান্ডস্কেপড সবুজ এলাকা এবং সুপরিকল্পিত অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত। প্রকল্পটিতে ক্লাবহাউস, জিমনেসিয়াম, রুফটপ সুইমিং পুল, ইনডোর গেমস, শিশুদের খেলার জায়গা এবং কমিউনিটি প্যাভিলিয়নের মতো নানা লাইফস্টাইল সুবিধাও রয়েছে।কৌশলগতভাবে বারাসাতে অবস্থিত এই প্রকল্পটি সড়ক ও রেলপথের মাধ্যমে কলকাতার সঙ্গে শক্তিশালী যোগাযোগ সুবিধা ভোগ করে, পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবার কাছাকাছি অবস্থান—যা ক্রমশ উদীয়মান উপশহরগুলিতে আবাসনের চাহিদা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।এ প্রসঙ্গে ফরচুন রিয়েলটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট – মার্কেটিং, মি. সঞ্জীত ঘোষ বলেন, “এই পরিসরের একটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন করা আমাদের সময়নিষ্ঠা এবং গ্রাহকদের প্রতি বিশ্বাসের প্রতিফলন। আমরা এমন একটি সামগ্রিক জীবনযাপনের পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম, যা আধুনিক সুবিধা এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক নকশার সুষ্ঠু সমন্বয় ঘটায়।”

নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন করা এবং দৃঢ় পরিকল্পনার মাধ্যমে ফরচুন হাইটস একটি উল্লেখযোগ্য আবাসন প্রকল্প হিসেবে উঠে এসেছে, যা অঞ্চলের পরিবর্তনশীল রিয়েল এস্টেট ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যতা, গুণমান এবং সমন্বিত জীবনযাপনের দিকে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

Continue reading
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এবং স্টুয়ার্ডশিপ নিয়ে JISIASR এবং ICMR–NIRBI-এর যৌথ কনফারেন্স |
  • March 29, 2026

কলকাতা, ২৮ মার্চ, ২০২৬: জেআইএস ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ (জেআইএসআইএএসআর) -এর উদ্যোগে পরিচালিত ‘সেন্টার ফর হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ (সিএইচইএসটি), আইসিএমআর–ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনস (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই)-এর সহযোগিতায় সাঁতরাগাছিতে অবস্থিত জেআইএসআইএএসআর ক্যাম্পাসে “অরক্ষা’ (ARAKSHA – অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অ্যান্ড স্টুয়ার্ডশিপ) শীর্ষক একটি বিশেষ কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। এই সমস্যা মোকাবিলায় একটি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কলকাতা ও হাওড়ার প্রায় ১,৩০০ জন নন-মেডিক্যাল স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রীদের ওপর একটি বিস্তারিত সমীক্ষা চালানো হয়। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল স্থানীয় পরিসরে সচেতনতা গড়ে তোলা এবং অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা। এই সমীক্ষার ফলাফল থেকে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপের পরিস্থিতিগত বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে একটি মডেল ‘হোয়াইট পেপার’ বা শ্বেতপত্র তৈরি করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নয়াদিল্লির আইসিএমআর-এর সায়েন্টিস্ট ‘জি’ ও প্রধান, ডেস্ক্রিপটিভ রিসার্চ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ডিভিশন, ডঃ কামিনী ওয়ালিয়া। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন JISIASR-এর ডিরেক্টর অধ্যাপক অজয় কুমার রায়; অধ্যাপক রোকসানা চৌধুরী; ডঃ আশীষ কুমার মুখোপাধ্যায় (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ অরুণাংশু তালুকদার (কলকাতা মেডিকেল কলেজ); ডঃ কুমকুম ভট্টাচার্য (IPGME&R); ডঃ দীপঙ্কর সরকার (মণিপাল হাসপাতাল); ডঃ প্রমিত ঘোষ (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ দেবজিৎ চক্রবর্তী (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ মঞ্জুশ্রী রায় (প্রিন্সিপাল, জেআইএস স্কুল অফ মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ); ডঃ রাজর্ষি মুখোপাধ্যায় এবং ডঃ সন্দীপ পাল।

সম্পূর্ণ কর্মসূচিটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়েছে, যথা ওরিয়েন্টেশন সেশন, আইসিএমআর অনুমোদিত প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে সামাজিক সমীক্ষা এবং সবশেষে এই আলোচনা সভা। লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, স্কটিশ চার্চ কলেজ, বিজয়গড় কলেজ, অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটি এবং JISIASR-এর শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে তাদের সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরেন। পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীরা সচেতনতামূলক ভিডিও (Reels) এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি প্যানেল ডিসকাশন, যেখানে ভারতের স্থানীয় পরিসরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।ভারত সরকারের অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ANRF)-এর সায়েন্টিফিক সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (SSR) এবং জেআইএস গ্রুপ এই উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করেছে।

এই উপলক্ষে জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সিমরপ্রীত সিং বলেন, “অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় জনস্বাস্থ্য মূলক সমস্যা । এটি মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল পদক্ষেপ প্রয়োজন। ‘অরক্ষা’র মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো তরুণ প্রজন্মকে সঠিক জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ দিয়ে সুদক্ষ করে তোলা, যাতে তারা অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহারের দূত হয়ে উঠতে পারে। জাতীয় স্বাস্থ্যের স্বার্থে এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে আমরা সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

Continue reading
তিনটে নতুন শোরুম খুলে পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের উপস্থিতি সম্প্রসারিত করল মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস |
  • March 29, 2026

কলকাতা ,মার্চ ২৮, ২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আজ তিনটে নতুন শোরুম উদ্বোধন করল মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। এর ফলে রাজ্যে তার উপস্থিতি আরও জোরদার হল এবং ভিআইপি রোড, শ্রীরামপুর, কাঁচরাপাড়া আর কলকাতায় মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের গয়নার সম্ভার আরও বেশি মানুষের নাগালে এসে গেল। এই লঞ্চগুলোর মাধ্যমে এই ব্র্যান্ডের নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ল পশ্চিমবঙ্গের ১০ খানা শোরুম, যা এই অঞ্চলের বিশ্বস্ত খুচরো গয়না বিক্রেতা হিসাবে তার অবস্থান আরও জোরদার করল।এই রাজ্যের অষ্টম স্টোর হল শ্রীরামপুরের শোরুম। এর উদ্বোধন হল ২৭ মার্চ। ২৮ মার্চ লঞ্চ হল পশ্চিমবঙ্গের নবম ও দশম আউটলেট, কাঁচরাপাড়া ও ভিআইপি রোড শোরুম। তিনটে শোরুমেরই উদ্বোধন করেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্রাভিনেত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গে মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রুক্মিণী মৈত্র। উপস্থিত ছিলেন মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অমিত রাউত, বিজনেস হেড – ইস্ট রিজিয়ন এবং তহসিল আহমেদ, রিজিওনাল হেড – ইস্ট রিজিয়ন। সঙ্গে ছিলেন আমন্ত্রিত অতিথি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সদস্যরা।

প্রত্যেকটা শোরুম ডিজাইন করা হয়েছে ক্রেতাকে একটা সুগঠিত ও বন্ধুত্বপূর্ণ খুচরো কেনাকাটার পরিবেশ জোগানোর জন্য। এগুলোর লেআউট এমন যে সহজে হাঁটাচলা করা যায়, পণ্যের ডিসপ্লে স্পষ্ট এবং প্রত্যেকের জন্য আলাদা রকমের ক্রেতা সহায়তা রয়েছে। মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের আন্তর্জাতিক খুচরো ব্যবসার মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তৈরি এই শোরুমগুলোতে সোনা, হীরে, প্ল্যাটিনাম এবং মূল্যবান রত্নের বিস্তৃত সম্ভার এক জায়গায় আনা হয়েছে। ফলে সাবেকি ও আধুনিক— দুরকম পছন্দের মানুষই এখানে সমাদৃত হবেন।এই শোরুমগুলোতে আছে গয়নার বহু বিচিত্র সম্ভার। তার মধ্যে আছে বিয়ের কনের গয়না, অনুষ্ঠানভিত্তিক সম্ভার, উৎসবে পরার মত গয়না, দৈনন্দিন গয়নার ডিজাইন এবং সমসাময়িক স্টাইল। হীরে, না-কাটা হীরে, রত্ন, হাতে তৈরি সোনার জিনিস এবং পলকাটা গয়নার সিগনেচার গয়না কারিগরি, ডিজাইন ডিটেইলিং আর ক্রেতাদের বদলাতে পছন্দের মধ্যে ভারসাম্যের সূচক।এই লঞ্চ সম্পর্কে মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের পক্ষ থেকে এম পি আহমেদ, চেয়ারম্যান, মালাবার গ্রুপ, বললেন “মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের জন্য পশ্চিমবঙ্গ হল অন্যতম প্রধান বাজার, যেখানে ক্রেতারা ডিজাইন আর গুণমান— দুটোকেই গুরুত্ব দেন। এই তিনটে শোরুম আমাদের একাধিক এলাকা জুড়ে বাড়তে থাকা চাহিদা পূরণ করার সুযোগ দেবে এমন এক পরিবেশে, যা সুগঠিত, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং আমাদের আন্তর্জাতিক খুচরো ব্যবসার মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।”

WhatsApp Image 2026 03 29 at 20.10.28

শোরুমে আসা ক্রেতারা স্বচ্ছ দাম নির্ধারণ, পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটন, HUID অনুযায়ী তৈরি সোনার গয়না, সার্টিফায়েড হীরে, ওয়ান ইন্ডিয়া ওয়ান গোল্ড রেট নীতি আশা করতে পারেন। ফলে সারা ভারতে সোনার একই দাম নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। ক্রেতারা তিনটে শোরুমেই এক্সক্লুসিভ অক্ষয় তৃতীয়া অ্যাডভান্স বুকিং অফারের সুবিধা পাবেন, ফলে উৎসবের হুড়োহুড়ি পড়ে যাওয়ার আগেই সোনা কেনা নিশ্চিত করতে পারবেন। এই ব্র্যান্ড গয়না বানানোর মজুরি শুরু করছে ৪.৯% থেকে, পাশাপাশি আছে পুরনো সোনার বিনিময়ে ০% টাকা কেটে নেওয়া। ফলে যেসব ক্রেতা এই শুভ দিনগুলোতে গয়নার আপগ্রেড করতে চাইছেন বা গয়নার লগ্নি করতে চাইছেন, তাঁদের আরও বেশি মূল্য এবং স্বচ্ছতা দেওয়া নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।এই লঞ্চগুলোর মাধ্যমে মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করা চালু রাখল। এর ফলে তার খুচরো ব্যবসা ফরম্যাট স্থানীয় ক্রয় অভ্যাসের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ থাকল, পাশাপাশি গুণমান, স্বচ্ছতা ও পরিষেবার মানের ধারাবাহিকতাও বজায় থাকল।

Continue reading
কলকাতা নিউমার্কেটে উদ্বোধন হলো “কেকসে”র ১৬ তম আউটলেট।
  • March 28, 2026

কলকাতা, ২৭ মার্চ ২০২৬:চৈত্র মাসের এক ঝলমলে বিকেলে, কনফেকশনারি জগতের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড ‘কেকস’ নিউ মার্কেটের কোলাহলের মাঝে তাদের নতুন আউটলেট চালুর ঘোষণা দেয়। এই সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য ছিল, প্রিমিয়াম গুণমান ও স্বাস্থ্যকর বিকল্পের সন্ধানকারী গ্রাহকদের জন্য একটি অনন্য, উচ্চ মানের এবং তৃপ্তিদায়ক স্ন্যাকিং অভিজ্ঞতা নিয়ে আসা। শুধু তাই নয়, এই আয়োজনটি ছিল ‘কেকস’-এর অগ্রগতি এবং গ্রাহকদের আনন্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতির এক প্রমাণ।

খ্যাতিমান অভিনেত্রী ও প্রযোজক সঙ্গীতা সিনহা এবং কলকাতার দুজন মডেল এই আনন্দময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে একে অলঙ্কৃত করেন।ভোক্তাদের চাহিদায় অনুপ্রাণিত হয়ে, কেকস একটি অনন্য সংবেদনশীল অভিজ্ঞতা তৈরি করতে তাদের সর্বশেষ উদ্ভাবন ‘প্যাটি সেগমেন্টে ফিশ ক্রোসাঁ’ এবং ‘স্যান্ডউইচ সেগমেন্টে চিকেন ক্রোসাঁ স্যান্ডউইচ’ উন্মোচন করেছে।

20260327 143810

এই নতুন পণ্যগুলো গ্রাহকদের সর্বকালের প্রিয় হয়ে উঠেছে।যেমন: প্যাটি বিভাগে কর্ন পাফ, চিকেন টিক্কা প্যাটি, মাটন প্যাটি, চিকেন এনভেলপ, চিকেন কিশ; স্যান্ডউইচ বিভাগে ভেজ স্যান্ডউইচ, চিকেন স্যান্ডউইচ, চিকেন গ্রিলড স্যান্ডউইচ; এবং পেস্ট্রি বিভাগে নুগাট স্লাইস, লেমন টার্ট, চকলেট বোট, পিরামিড, লেমন সুইস রোল, এগলেস স্পেশাল চকলেট এক অবিস্মরণীয় স্বাদের অভিজ্ঞতা দিয়েছে।

গুণমানসম্পন্ন উপাদান ও উদ্ভাবনের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে, ‘কেকস’ এমন সব উৎকৃষ্ট মানের বিলাসবহুল পণ্য তৈরিতে নিবেদিত যা এক অসামান্য স্বাদের অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

Continue reading
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের আগে ভোটার সচেতনতা বাড়াতে ‘ছোটা ভীম’-কে কাজে লাগাচ্ছে নির্বাচন কমিশন|
  • March 27, 2026


কলকাতা, ২৭ মার্চ ২০২৬: ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে, ভারতের নির্বাচন কমিশন হাওড়া জেলায় ভোটার সচেতনতা ও ভোটদানের হার বাড়াতে জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড চরিত্র ‘ছোটা ভীম’-কে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্যোগটি নির্বাচন কমিশনের চলমান প্রচেষ্টারই একটি অংশ, যার লক্ষ্য হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আকর্ষণীয় এবং সহজলভ্য করে তোলা—বিশেষ করে রাজ্যের তরুণ এবং প্রথমবারের মতো ভোট দিতে চলা ভোটারদের জন্য। এই প্রচারভিযানে “চুনাব কা পর্ব, পশ্চিম বেঙ্গল কা গর্ব” (নির্বাচনের উৎসব, পশ্চিমবঙ্গের গর্ব) স্লোগানটি ব্যবহার করা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করা এবং তাঁদের বিপুল সংখ্যায় ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিতে উৎসাহিত করা।
আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ দুটি ধাপে—২৩ ও ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে ২০২৬ তারিখে।

WhatsApp Image 2026 03 27 at 12.54.58 PM

এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের এক বরিষ্ঠ আধিকারিক বলেন, “আমাদের ‘সিস্টেমেটিক ভোটারস এডুকেশন অ্যান্ড ইলেক্টোরাল পার্টিসিপেশন’ (SVEEP) বা ভোটার শিক্ষা ও নির্বাচনী অংশগ্রহণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে, ‘ছোটা ভীম’-এর সহযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায় ভোটার সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হচ্ছে। ‘ছোটা ভীম’ যেহেতু একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বন্ধুত্বপূর্ণ অ্যানিমেটেড চরিত্র, তাই ভোটার সচেতনতার বার্তাটি পরিবার, শিশু এবং প্রথমবারের ভোটারদের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে সে সহায়তা করবে। এই কাজের জন্য তাকে একটি উপযুক্ত পছন্দ বলেই মনে হচ্ছে; কারণ সে ভারতের অন্যতম প্রিয় ও বিশ্বস্ত চরিত্র এবং সব বয়সের মানুষের কাছেই তার পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অত্যন্ত প্রবল।”
গ্রিন গোল্ড অ্যানিমেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রাজীব চিলাকা বলেন, “আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, নির্বাচন কমিশন তাদের সচেতনতা প্রচারভিযানে আমাদের জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড চরিত্রটিকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি আমাদের ব্র্যান্ডের বৃহত্তর জনস্বার্থমূলক কর্মকাণ্ডেরই একটি ধারাবাহিকতা; যার মধ্যে সরকার এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির (PSU) সহযোগিতায় সাক্ষরতা, জননিরাপত্তা, শিক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো ভোটার সচেতনতাকে আরও বেশি দৃশ্যমান, স্মরণীয় এবং অংশগ্রহণমূলক করে তোলা; পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের মনে একটি ইতিবাচক নাগরিক চেতনার সঞ্চার করা।”
ভারতের অন্যতম সুপরিচিত অ্যানিমেটেড চরিত্র ‘ছোটা ভীম’ এর আগেও দেশের বিভিন্ন নির্বাচিত অঞ্চলে জনসচেতনতামূলক প্রচারভিযানের অংশ হয়েছে। এই ঘটনাটি নাগরিক বার্তা বা সামাজিক সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে বিনোদনকে কাজে লাগানোর ক্রমবর্ধমান প্রবণতাকেই প্রতিফলিত করে। অতীতে ওয়েস্টার্ন রেলওয়ের উদ্যোগসহ অনুরূপ প্রচারমূলক প্রচেষ্টাগুলো দেখিয়েছে যে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সৃজনশীল যোগাযোগ এবং মাঠ পর্যায়ে সরাসরি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দর্শকের কাছে কার্যকরভাবে পৌঁছানো যায়।

Continue reading
মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টারের ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’সেশন এবং পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে সমন্বিত গ্রন্থও প্রকাশ |
  • March 26, 2026


কলকাতা, ২৪ মার্চ ২০২৬: মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টার আজ সল্টলেকের ব্রডওয়ে ইউনিটে “ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড” শীর্ষক একটি তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় সেশনের সফল আয়োজন করেছে। এই উপলক্ষে পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে একটি সমন্বিত গ্রন্থও প্রকাশ করা হয়, যা মণিপাল হসপিটাল ব্রডওয়ে ও সল্টলেকের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে তৈরি।
এই গ্রন্থটি পাচনতন্ত্র সংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান সমস্যাগুলির উপর একটি ব্যবহারিক ও বিস্তৃত নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, প্রতিরোধমূলক উপায়, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং জীবনযাত্রা-ভিত্তিক সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই সেশনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের একটি দল, যার মধ্যে ছিলেন ডা. সুজিত চৌধুরী (হেড, মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুদীপ্ত ঘোষ (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুজয় মৈত্র (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. দেবকুমার রায় (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সঞ্জয় মণ্ডল (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. অরিজিৎ সিংহ মহাপাত্র (কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কিংশুক ধর (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কুশান সেনগুপ্ত (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) এবং ডা. অভিষেক ব্যানার্জি (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)।

WhatsApp Image 2026 03 24 at 21.01.55 (1)

বিশেষজ্ঞরা জানান, আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে পাচনতন্ত্রের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘ সময় বসে থাকা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং প্রসেসড খাবারের ব্যবহার – এসবই এর প্রধান কারণ। অ্যাসিডিটি, ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS), ফ্যাটি লিভার, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ এবং কোলোরেক্টাল সমস্যার মতো রোগ ক্রমেই বাড়ছে, যা অনেক ক্ষেত্রেই দেরিতে ধরা পড়ে।
সেশনে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এবং আধুনিক মিনিমালি ইনভেসিভ ও জটিল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উপস্থিতরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে পাচনতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখার বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ পান।
এই প্রসঙ্গে ডা. সুজিত চৌধুরী বলেন, “বর্তমান জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও সচেতনতার অভাবে পাচনতন্ত্রের রোগ দ্রুত বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় প্রতি ৫ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন কোনো না কোনো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া, শহুরে জনসংখ্যার প্রায় ২৫–৩০ শতাংশ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। অনেকেই অ্যাসিডিটি, ফাঁপা ভাব বা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তনের মতো প্রাথমিক লক্ষণ উপেক্ষা করেন, যা কখনও গুরুতর রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’ উদ্যোগ এবং এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসা-সংক্রান্ত জ্ঞান সহজভাবে পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তারা প্রতিরোধ ও উন্নত চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন।”

Continue reading
পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম আয়কর বিভাগ কর্তৃক আন্তর্জাতিক নারী দিবস” উদযাপন |
  • March 18, 2026

পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম আয়কর বিভাগ ১৭ই মার্চ ২০২৬ : কলকাতার আয়কর ভবনের বহুমুখী সভাকক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আধিকারিক এবং বিশিষ্ট অতিথিবর্গের উপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করেছেন করল।অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের প্রধান মুখ্য আয়কর কমিশনার শ্রীমতি সুরভি বর্মা গর্গ (IRS)। বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ-যাদের মধ্যে মুখ্য আয়কর কমিশনার শ্রীমতি এস্থার লাল রুয়াতকিমি (IRS) সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও আধিকারিকগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, আয়কর বিভাগের প্রধান মুখ্য কমিশনার শ্রীমতি সুরভি ভার্মা গর্গ (IRS) নারী ক্ষমতায়ন এবং জনসেবায় নারীদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, নারী আধিকারিক অনুষ্ঠানটি অভিনেত্রী রাইমা সেনের উপস্থিতিতে ধন্য হয়েছিল; তিনি এই আয়োজনে ‘সম্মানিত অতিথি’ হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি নারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কৃতিত্ব উদযাপনের লক্ষ্যে আয়কর দপ্তরের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ‘শক্তি সম্মান পুরস্কার’-প্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান।

WhatsApp Image 2026 03 18 at 16.18.55

শ্রীমতি সেন আয়কর দপ্তরের নারী কর্মকর্তাদের অনুপ্রেরণাদায়ক নেতৃত্বের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন; বিশেষত তিনি প্রিন্সিপাল চিফ কমিশনার শ্রীমতি সুরভি ভার্মা গর্গের নির্দেশনার প্রশংসা করেন, যাঁর গতিশীল নেতৃত্ব বহু তরুণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে চলেছে।এই আয়োজনে বিশিষ্ট সেতারবাদক বিদুষী মিতা নাগের একটি সঙ্গীত পরিবেশনাও ছিল; তবলার সঙ্গতে রৌদ্রাস্ব রক্ষিতকে সাথে নিয়ে তিনি এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। এই পরিবেশনাটি উদযাপনে একটি সাংস্কৃতিক মাত্রা যোগ করে এবং দর্শকদের ভূয়সী প্রশংসা লাভ করে।পুরস্কারপ্রাপ্ত লকে অভিনন্দন জ্ঞাপন এবং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ও বাইরে লিঙ্গ সমতা, নারীর ক্ষমতায়ন ও সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভাগের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

Continue reading
ট্রান্সজেন্ডার আইনের সংশোধনী নিয়ে ট্রান্সজেন্ডার তরুণ-তরুণীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বলেছেন “নালসা থেকে পিছু হটা চলবে না”।
  • March 18, 2026

কলকাতা, ১৭ মার্চ ২০২৬: মঙ্গলবার রূপান্তরকামী যুব সম্প্রদায়ের সদস্যরা নাগরিক সমাজের সহযোগীদের সঙ্গে ‘রূপান্তরকামী ব্যক্তি (অধিকার সুরক্ষা) সংশোধনী বিল, ২০২৬’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি সুপ্রিম কোর্ট স্বীকৃত আত্মপরিচয়ের সাংবিধানিক নীতিকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে।কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সজেন্ডার অধিকার সংহতি মঞ্চের (টিএএস) প্রতিনিধিরা জানান, ২০২৬ সালের ১৩ মার্চ সংসদে উত্থাপিত সংশোধনীটি লোকসভায় কোনো আলোচনা ছাড়াই ধ্বনি ভোটে পাস হয়ে গেছে বলে জানা গেছে, যা সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।বক্তারা বলেন, “তরুণ ভারতীয় ট্রান্সজেন্ডাররা সবেমাত্র মর্যাদার সাথে মূলধারার জীবনে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। আত্মপরিচয়কে দুর্বল করে এমন আইন তাদের সেই প্রান্তিকতার দিকেই ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে, যা কাটিয়ে ওঠার জন্য তারা এত কঠোর সংগ্রাম করেছে।”সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন টিএএস-এর প্রতিষ্ঠাতা দেবাংশী বিশ্বাস চৌধুরী; টিএএস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও একজন ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ শান চৌধুরী; ট্রান্সজেন্ডার যুবনেতা রিয়ান বিশ্বাস; ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকর্মী ও অভিনেতা তিস্তা দাস; এলজিবিটিকিউ+ অধিকারকর্মী ও ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ দীপন চক্রবর্তী; জবালা অ্যাকশন রিসার্চ অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা বৈতালী গাঙ্গুলী; এবং লিঙ্গ ও অধিকারকর্মী এবং যুব উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ বাপ্পাদিত্য মুখার্জি। সমাজ সংস্কারক অলোকানন্দ রায়ও সংহতির বার্তা দেন।

WhatsApp Image 2026 03 18 at 15.59.16

বক্তাদের মতে, প্রস্তাবিত সংশোধনীটি ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি (অধিকার সুরক্ষা) আইন, ২০১৯-এর অধীনে ‘ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি’-র সংজ্ঞা সংশোধন করতে চায়, যেখানে হিজড়া, কিন্নর, আরাভানি, জোগত বা নপুংসকের মতো নির্দিষ্ট সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পাশাপাশি আন্তঃলিঙ্গ বৈচিত্র্যের ব্যক্তিদেরও উল্লেখ করা হয়েছে।সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, এই ধরনের সংজ্ঞা ট্রান্সজেন্ডার পরিচয়ের ধারণাকে সংকীর্ণ করে তুলতে পারে এবং এই ঐতিহ্যবাহী সম্প্রদায়গুলোর অন্তর্ভুক্ত নন এমন অনেক ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিকে বাদ দিতে পারে।দেবাংশী বিশ্বাস চৌধুরী বলেছেন, এই সংশোধনীটি ঐতিহাসিক নালসা বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া (২০১৪) রায়ের মাধ্যমে অর্জিত সাংবিধানিক অগ্রগতিকে দুর্বল করে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

নালসা (NALSA) রায় লিঙ্গ পরিচয়কে ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ও মর্যাদার বিষয় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আত্মপরিচয়ের এই নীতিকে দুর্বল করার যেকোনো পদক্ষেপ ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের বহু বছরের সংগ্রামকে উল্টে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ শান চৌধুরী তাঁর ব্যক্তিগত যাত্রার কথা তুলে ধরেছেন।তরুণ বয়সে আমাকে ফুটবল ছেড়ে দিতে হয়েছিল, কারণ আমার পরিবার সামাজিক কলঙ্কের ভয় পেত। প্রকাশ্যে জীবনযাপনের এই পথচলা কঠিন ছিল। যদি পরিচয়ের স্বীকৃতি মেডিকেল বোর্ড বা প্রশাসনিক অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে, তবে তা ট্রান্সজেন্ডার তরুণ-তরুণীদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলবে।দীপন চক্রবর্তী প্রস্তাবিত সংশোধনীটির সমালোচনা করেছেন।এই বিলটি ভারতের নাগরিক হিসেবে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সাংবিধানিক অধিকারকে অস্বীকার করে। একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণ করতে পারে না, অথচ এই বিলটি সেই ধরনের সংজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তিস্তা দাস মানবাধিকারের প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন।ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি সুরক্ষা আইন সংশোধনী ২০২৬ একটি নেতিবাচক ও মানবাধিকার বিরোধী বিল। এটি আইনে পরিণত হলে সমগ্র ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের জন্য গুরুতর বিপদ সৃষ্টি করবে।বক্তারা জোর দিয়ে বলেন যে, ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি (অধিকার সুরক্ষা) বিধিমালা, ২০২০ অনুযায়ী বর্তমানে ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি হলফনামা দাখিলের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয়ের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়।তাঁরা ভারত সরকারকে প্রস্তাবিত সংশোধনীটি প্রত্যাহার করতে এবং রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে এমন যেকোনো আইনগত পরিবর্তন যেন সম্প্রদায়ের সঙ্গে পরামর্শ করে ও সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিশ্চিতকৃত সাংবিধানিক সুরক্ষার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে করা হয়, তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছেন।বক্তারা এই কথা পুনর্ব্যক্ত করে উপসংহার টানেন যে, “নালসা (NALSA) রায় থেকে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।”

Continue reading
বিশ্ব কিডনি দিবস উদযাপন কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউটের।
  • March 13, 2026

DSC

কলকাতা, ১২ মার্চ ২০২৬:বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে, কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউট সম্প্রদায়ের প্রতি কিডনি রোগকে একটি গুরুতর এবং দ্রুত বর্ধনশীল জনস্বাস্থ্য উদ্বেগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যা প্রায়শই নীরবে বিকশিত হয় এবং কেবলমাত্র উন্নত পর্যায়ে সনাক্ত করা যায়।বিশ্বজুড়ে, প্রায় ৮৫ কোটি মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত এবং প্রায় ১০ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ১ জন দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে (CKD) আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের প্রকল্প যে CKD ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী জীবনের হারানোর পঞ্চম প্রধান কারণ হয়ে উঠতে পারে, সচেতনতা, প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক হস্তক্ষেপের জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।ভারতেও পরিস্থিতি একই রকম উদ্বেগজনক। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সিকেডির প্রাদুর্ভাব ৮% থেকে ১৭% এর মধ্যে বলে অনুমান করা হয়, যার প্রধান কারণ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার অভ্যাসের ক্রমবর্ধমান বোঝা। অনুমান করা হয় যে প্রতি বছর ২ লক্ষেরও বেশি নতুন রোগীর শেষ পর্যায়ের কিডনি রোগ হয়, যাদের অনেকের বেঁচে থাকার জন্য ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়।

DSC

কলকাতা এবং পূর্ব ভারতে, ক্রমবর্ধমান নগরায়ণ, বসে থাকা জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অভাব কিডনি রোগের সংখ্যা বৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করছে। এই অঞ্চল জুড়ে হাসপাতাল এবং ডায়ালাইসিস সেন্টারগুলিতে দীর্ঘমেয়াদী কিডনি যত্নের প্রয়োজন এমন রোগীদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং সীমিত সচেতনতা এখনও প্রধান চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে সম্প্রদায় এবং আধা-শহুরে জনসংখ্যার ক্ষেত্রে।”কিডনির রোগ কেবল একজন ব্যক্তিকেই প্রভাবিত করে না, বরং পুরো পরিবারকে মানসিক, সামাজিক এবং আর্থিকভাবে প্রভাবিত করে। অনেক রোগী এমন এক পর্যায়ে আমাদের কাছে পৌঁছায় যখন প্রতিরোধ আর সম্ভব হয় না, এবং আজীবন ডায়ালাইসিসই একমাত্র বিকল্প হয়ে ওঠে। এই কারণেই সচেতনতা এবং প্রাথমিক রোগ নির্ণয় কেবল চিকিৎসা অগ্রাধিকার নয়, বরং সামাজিক দায়িত্ব।”এই ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ মোকাবেলায়, কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউট কিডনি স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আয়োজন করছে যার মধ্যে রয়েছে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি এবং নিকটবর্তী আবাসিক কমপ্লেক্স, কমিউনিটি লোকেশন, স্থানীয় কর্পোরেশন অফিস এবং পুলিশ স্টেশনে বিনামূল্যে কিডনি চেক-আপ ক্যাম্প। এই উদ্যোগগুলির লক্ষ্য হল মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা, রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করা, পর্যাপ্ত জলীয়তা বজায় রাখা, সুষম খাদ্য গ্রহণ করা এবং স্ব-ঔষধ এড়ানো।

এই বিশ্ব কিডনি দিবসে, ইনস্টিটিউট নাগরিকদের কিডনি স্বাস্থ্যের প্রতি সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছে।

Continue reading
মনিপাল হসপিটাল গুলিতে বহু অঙ্গ প্রতিস্থাপন সেবা চালু করার জন্য কম্প্রেহেনসিভ ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টারের উদ্বোধন।
  • March 13, 2026


কলকাতা, ১২ মার্চ ২০২৬: পূর্ব ভারতে উন্নত অঙ্গ প্রতিস্থাপন সেবার সুযোগ জোরদার করে, মণিপাল হাসপাতাল কলকাতা বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে হৃদপিণ্ড, কিডনি, লিভার এবং অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপনের জন্য সমন্বিত ট্রান্সপ্ল্যান্ট পরিষেবা প্রদানকারী একটি নিবেদিতপ্রাণ কেন্দ্র মণিপাল কম্প্রিহেনসিভ ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার চালু করেছে। এই কেন্দ্রটি নেতৃস্থানীয় বিশেষজ্ঞ, উন্নত অবকাঠামো এবং রোগীর মূল্যায়ন এবং অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে প্রতিস্থাপন পরবর্তী পুনরুদ্ধার এবং দীর্ঘমেয়াদী ফলোআপ পর্যন্ত নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের জন্য একটি বহুমুখী ক্লিনিকাল পদ্ধতিকে একত্রিত করেছে।এই উদ্বোধনটি পূর্ব ভারতে ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্ষমতা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যেখানে উন্নত অঙ্গ প্রতিস্থাপন পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, হেপাটোলজি, ইউরোলজি, অনকোলজি এবং ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারিতে দক্ষতা একীভূত করে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য একটি শক্তিশালী বাস্তুতন্ত্র তৈরি করা।

কর্মসূচী চলাকালীন, হাসপাতাল গোষ্ঠীর শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা বর্তমান ট্রান্সপ্ল্যান্ট ল্যান্ডস্কেপ এবং এই অঞ্চলে বিশেষায়িত ট্রান্সপ্ল্যান্ট পরিষেবার ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি ভাগ করে নেন। ক্রমবর্ধমান প্রতিস্থাপনের প্রবণতা সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর ক্লাস্টারের কার্ডিওভাসকুলার এবং থোরাসিক সার্জারির পরিচালক এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডঃ কুণাল সরকার পূর্ব ভারতে হৃদরোগ প্রতিস্থাপনের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন। অন্যদিকে, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাসের নেফ্রোলজির পরিচালক ডঃ দিলীপ কুমার পাহাড়ি এবং মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া, টিম নেফ্রোলজি এবং ক্লিনিক্যাল লিড, মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে, সল্ট লেক এবং মুকুন্দপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডঃ উপল সেনগুপ্ত কিডনি প্রতিস্থাপনের বর্তমান দৃশ্যপট নিয়ে আলোচনা করেন এবং মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাসের পরামর্শদাতা এবং ক্লিনিক্যাল লিড – ক্লিনিক্যাল হেমাটোলজি, হেমাটো-অনকোলজি এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট (বিএমটি) অধ্যাপক (ডঃ) রাজীব দে, এই অঞ্চলে অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপনের অবস্থা এবং অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি ভাগ করে নেন।
ট্রান্সপ্ল্যান্ট সাফল্যে সহযোগিতামূলক যত্নের গুরুত্ব তুলে ধরে, ডাঃ উপল সেনগুপ্ত, পরিচালক – টিম নেফ্রোলজি এবং ক্লিনিক্যাল লিড, মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া, এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট – মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে, সল্ট লেক এবং মুকুন্দপুর, বলেন, “শেষ পর্যায়ের কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য কিডনি প্রতিস্থাপন সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা। তবে, ট্রান্সপ্ল্যান্টের চাহিদা এবং প্রাপ্যতার মধ্যে ব্যবধান ভারতে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর, দেশে প্রায় ২ লক্ষ রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়, কিন্তু মাত্র ৫,০০০ থেকে ৭,০০০ পদ্ধতি সম্পন্ন হয়। মণিপাল কম্প্রিহেনসিভ ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার চালু করার মাধ্যমে, আমরা পূর্ব ভারতে নেফ্রোলজি, ইউরোলজি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার এবং ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারির বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে বহুমুখী ট্রান্সপ্ল্যান্ট কেয়ারকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছি, রোগীদের জন্য নির্বিঘ্ন মূল্যায়ন, সার্জারি এবং দীর্ঘমেয়াদী ফলো-আপ নিশ্চিত করা।”ডঃ উপল সেনগুপ্তের পরিচালনায় একটি প্যানেল আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে নেতৃস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা এই অঞ্চলে ট্রান্সপ্ল্যান্ট পরিষেবা শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় চ্যালেঞ্জ, অগ্রগতি এবং সহযোগিতামূলক কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।প্যানেলে বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ছিলেন: ডাঃ অর্ঘ্য মজুমদার, সিনিয়র কনসালটেন্ট এবং অ্যাডভাইজার – নেফ্রোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া; ডাঃ অবিনন্দন ব্যানার্জি, ক্লিনিক্যাল লিড – মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট – টিম নেফ্রোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে, সল্টলেক এবং ঢাকুরিয়া; ডাঃ স্মার্টিয়া পুলাই, ক্লিনিক্যাল লিড – মণিপাল হাসপাতাল সল্টলেক ক্লাস্টার এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট – টিম নেফ্রোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া ও মুকুন্দপুর; ডাঃ দিলীপ কুমার পাহাড়ি, ডিরেক্টর – নেফ্রোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস; ডাঃ রঞ্জন সরকার, সিনিয়র কনসালটেন্ট এবং অ্যাডভাইজার – নেফ্রোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ব্রডওয়ে ও সল্টলেক; ডাঃ অভয় কুমার, ডিরেক্টর – ইউরোলজি অ্যান্ড ইউরো-অনকোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট – ইউরোলজি, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর, ব্রডওয়ে ও সল্টলেক; ডাঃ টি. কে. সাহা, সিনিয়র কনসালটেন্ট – ইউরোলজি অ্যান্ড রেনাল ট্রান্সপ্ল্যান্ট, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর ক্লাস্টার; ডাঃ পি. কে. মিশ্র, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – ইউরোলজি এবং রেনাল ট্রান্সপ্ল্যান্ট, মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর ও ঢাকুরিয়া; ডাঃ বাস্তব ঘোষ, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – ইউরোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়া; এবং ডাঃ রাজীব সিনহা, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি (পেডিয়াট্রিক কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট), মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুর।

WhatsApp Image 2026 03 12 at 18.22.56

এই উদ্যোগটির গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে মণিপাল হসপিটালস-এর পূর্বাঞ্চলীয় পরিচালক (Regional Director – East) ডা. অয়নভ দেবগুপ্ত বলেন, “মণিপাল কম্প্রিহেনসিভ ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টার-এর শুভ সূচনা পূর্ব ভারতের স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হলো। এই অঞ্চলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার সমস্যাটি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তা এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে; মূলত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের মতো শারীরিক অসুস্থতাগুলোই এর প্রধান কারণ। সমগ্র ভারতজুড়েই অঙ্গ প্রতিস্থাপনের চাহিদার তুলনায় এর প্রাপ্যতা অত্যন্ত নগণ্য; প্রতি বছর হাজার হাজার রোগী কিডনি, যকৃৎ এবং হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা তালিকায় (waitlist) নাম লেখান, অথচ এর মধ্যে মাত্র অতি সামান্য সংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রেই এই প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এই সুসংহত কেন্দ্রের মাধ্যমে আমরা বিশ্বমানের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান, অত্যাধুনিক পরিকাঠামো এবং একটি বহুমুখী চিকিৎসা সেবা পদ্ধতিকে একত্রিত করার লক্ষ্য নিয়েছি—যাতে এই অঞ্চলে অঙ্গ প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত পরিষেবাগুলোকে আরও শক্তিশালী করা যায়, রোগীদের চিকিৎসার ফলাফল বা ‘আউটকাম’ উন্নত করা যায় এবং অঙ্গদানের বিষয়ে বৃহত্তর সচেতনতা গড়ে তোলা যায়।”
মণিপাল কম্প্রিহেনসিভ ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টার-এর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে, মণিপাল হসপিটালস কলকাতা অঙ্গ প্রতিস্থাপন চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতি সাধন এবং সমগ্র পূর্ব ভারত জুড়ে জীবনরক্ষাকারী অঙ্গ প্রতিস্থাপন পরিষেবাগুলোকে আরও সহজলভ্য করে তোলার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকারকে পুনরায় সুদৃঢ় করল।

Continue reading

মিস করে যাওয়া

প্রতিটি হৃদ্‌স্পন্দন হোক সুস্থ ও শক্তিশালী মণিপাল হাসপাতাল ঢাকুরিয়ায় হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্মেলন |
PHDCCI-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে শিল্পখাতের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরল |
শিশুদের জন্য ‘প্রজেক্ট মুসকান’ চালু করতে রোটারি ক্লাবগুলোর সম্মিলিত প্রয়াস |
কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশ্ব বধিরতা সপ্তাহ 2026 পালন করল এসোসিয়েশন অটোল্যারিঙ্গোলজিস্টস অফ ইন্ডিয়া।
উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা ও রোবোটিক CABG-এর ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য উদযাপনে শীর্ষস্থানীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে সুস্থ হওয়া রোগীদের এক বিশেষ মিলনমেলার আয়োজন করল দিশান হাসপাতাল |
কেন্দ্রীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী রক্ষা খাড়সে পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়া উন্নয়নের পর্যালোচনা এবং তৃণমূল স্তরে খেলাধুলার প্রসার ও ক্রীড়াবিদদের অগ্রগতির পথ সুগম করতে ‘সাই’-এর সহায়তার আশ্বাস |