পূর্ব বর্ধমান, ৫ মার্চ ২০২৬:মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার কোগ্রামে পল্লিকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের জন্মদিন উপলক্ষে কুমুদ সাহিত্য মেলা মহাসমারোহে পালিত হলো। এই সাহিত্য মেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া মহকুমা পুলিশ অফিসার কাশীনাথ মিস্ত্রি, মঙ্গলকোট থানার আইসি লাল্টু ঘোষ, শ্রীখণ্ড পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান দীপক মজুমদার প্রমুখ। উচ্চশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর পার্থ কর্মকার মহাশয় কে এবছর ‘কুমুদ রত্ন’, পদ্মশ্রী প্রাপ্ত লোকসংগীত শিল্পী রতন কাহার মহাশয় কে ‘লোচনদাস রত্ন’, সাংবাদিক প্রণব দেবনাথ কে ‘কাটোয়া মহকুমা রত্ন’, অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সমীর মজুমদার মহাশয় কে ‘উত্তর ২৪ পরগণা জেলা রত্ন’, প্রকৃতিরক্ষী সমরেন্দু চক্রবর্তী মহাশয় কে ‘পরিবেশ রত্ন’, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চিকিৎসক ডক্টর অভয় সামন্ত মহাশয় কে ‘মেমারি রত্ন’, গবেষক সম্রাট কুমার পাল মহাশয় কে ‘ভাতার রত্ন’,সাংবাদিক দ্বারকানাথ দাস মহাশয় কে ‘কালনা মহকুমা রত্ন’,বিশিষ্ট লেখক অলক কুমার দত্ত মহাশয় কে ‘সমীর ভট্টাচার্য রত্ন’ সম্মান জানানো হয়। এছাড়া পশুপ্রেমী টুম্পা রায় কে মমতা মন্ডল স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয় আয়োজক কমিটির তরফে। মোল্লা শফিকুল ইসলাম, বিশ্ববন্ধু পালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়।কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা জসিমউদ্দিন জানান -” পল্লি কবির ১৪৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে এই কুমুদ সাহিত্য মেলায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের ১১ জন গুণীজনদের সংবর্ধনা জানানো হয় “।
কলকাতা, ৭ মার্চ ২০২৬: নেতৃত্ব, সাহস এবং সংগ্রামজয়ের অনুপ্রেরণাদায়ী নানা গল্পকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন করল মণিপাল হসপিটালস কলকাতা। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের অনুপ্রেরণাদায়ী নারীদের সম্মান জানাতে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারী নেতৃত্ব, চিকিৎসক এবং গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ওঠা রোগীরা। তাঁদের সাফল্য, জীবনসংগ্রাম এবং অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি নারীদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তাও তুলে ধরা হয়।এই উপলক্ষে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য একাধিক বিশিষ্ট নারীকে সম্মাননা জানানো হয়। সম্মানপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন জেসিকা গোমেস সুরানা, প্রিন্সিপাল, বিড়লা হাই স্কুল মুকুন্দপুর; নেহা সিংহ এবং রুহি সিংহ, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল (ডা.); স্মিতা রায় চৌধুরী, একটি খ্যাতনামা সংবাদপত্রের জনপ্রিয় বিনোদন সংযোজনের সম্পাদক; এবং ডা. অঞ্জনা মালহোত্রা, প্রিন্সিপাল চিফ মেডিক্যাল ডিরেক্টর, সেন্ট্রাল হসপিটাল, সাউথ ইস্টার্ন রেলওয়ে, কলকাতা। অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল একটি বিশেষ প্যানেল আলোচনা, যেখানে উপস্থিত নারী নেতৃবৃন্দ তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং কর্মজীবনে নারীদের সম্মুখীন হওয়া বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতামত ভাগ করে নেন। আলোচনায় উঠে আসে কর্মক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশের প্রয়োজনীয়তা, মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার চাপের মতো বিষয়গুলি। শহরের বিভিন্ন ইউনিট থেকে মণিপাল হসপিটালস-এর চিকিৎসকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং সমাজে নারীদের অবদানের জন্য তাঁদের সম্মান জানান। ব্রডওয়ে, ঢাকুরিয়া, ইএম বাইপাস, মুকুন্দপুর এবং সল্টলেক ইউনিটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এতে অংশগ্রহণ করেন। অর্থোপেডিক্স, অনকোলজি, নেফ্রোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, নিউরোসার্জারি, কার্ডিওলজি এবং প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের বিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত ছিলেন। ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরে ডা. অরিন্দম মন্ডল, কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল অনকোলজি, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস (যিনি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন), বলেন, “বর্তমানে ক্যান্সারের চিকিৎসা অনেকটাই উন্নত হয়েছে, কিন্তু সফল চিকিৎসার ক্ষেত্রে এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক সময় নারীরা প্রথম উপসর্গ দেখা দিলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করেন, যার ফলে রোগ নির্ণয়ে বিলম্ব হয়। সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা রোগীদের আত্মবিশ্বাস ও আশার সঙ্গে রোগের মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।” পরিপাকতন্ত্রের স্বাস্থ্য এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে ডা. সঞ্জয় বসু, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও ক্লিনিক্যাল লিড – মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর বলেন, “অনেক সময় পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা দীর্ঘদিন নীরবে এগিয়ে যায় এবং পরে গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়। বিশেষ করে নারীরা নানা দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে অনেক সময় হজমজনিত সমস্যাকে গুরুত্ব দেন না। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং পরিপাকতন্ত্রের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা ভবিষ্যতের জটিলতা প্রতিরোধ করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।”
নারীদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরে ডা. পলি চট্টোপাধ্যায়, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগ, মণিপাল হসপিটাল সল্টলেক বলেন, “নারীদের স্বাস্থ্য শুধুমাত্র গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নিয়মিত গাইনোকলজিক্যাল পরীক্ষা, হরমোনজনিত স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতনতা এবং সময়মতো স্ক্রিনিং অনেক গুরুতর সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে পারে। যখন নারীরা নিজেদের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেন এবং সময়মতো চিকিৎসা পরামর্শ নেন, তখন তা শুধু তাঁদের জন্যই নয়, পুরো পরিবারের সুস্থতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।” অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন ও অনুপ্রেরণাদায়ী মুহূর্ত তৈরি হয় যখন গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যাকে সাহসের সঙ্গে জয় করা কয়েকজন নারী রোগীকেও সম্মান জানানো হয়। তাঁরা তাঁদের সংগ্রাম, সাহস এবং সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন, যা উপস্থিত সকলকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে প্রফেসর দেবশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসে ডা. অরিন্দম মন্ডলের তত্ত্বাবধানে ক্যান্সারের চিকিৎসা নিয়েছেন, বলেন, “ক্যান্সার ধরা পড়ার মুহূর্তটি আমার জীবনের অন্যতম কঠিন সময় ছিল। কিন্তু এই অভিজ্ঞতা আমাকে সাহস এবং মানসিক দৃঢ়তার মূল্য বুঝিয়েছে। চিকিৎসক এবং পরিবারের সমর্থনে আমি দৃঢ় মনোবল নিয়ে চিকিৎসার পথ পার করতে পেরেছি। আজ আমি আগের থেকে অনেক বেশি শক্ত এবং আশা করি আমার এই অভিজ্ঞতা অন্যদেরও কঠিন সময়ে আশাবাদী থাকতে অনুপ্রাণিত করবে।”নিজের সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অরুণিমা চক্রবর্তী, যিনি মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুরে ডা. সঞ্জয় বসুর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিয়েছেন, বলেন, “হঠাৎ করে একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হওয়া প্রথমে খুবই কঠিন ছিল। কিন্তু চিকিৎসকের যত্ন, সঠিক পরামর্শ এবং আশ্বাস পুরো সময়টায় আমাকে দৃঢ় থাকতে সাহায্য করেছে। এই অভিজ্ঞতা আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছে যে সঠিক চিকিৎসা সহায়তা এবং ইতিবাচক মনোভাব থাকলে সবচেয়ে কঠিন স্বাস্থ্য সমস্যাও জয় করা সম্ভব।”এই আয়োজনের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস কলকাতা আবারও সমাজকে অনুপ্রাণিত করা নারীদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি নারীদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল।
কলকাতা,২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ঃ নিউরোসায়েন্সেস ফাউন্ডেশন, বেঙ্গল, কলকাতা পৌর কর্পোরেশন এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি অনন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ উদ্যোগ, ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস কলকাতা (আই-এনকে) গর্বের সাথে ৭ম ইনক্রেহ্যাবকন ২০২৬ ঘোষণা করছে, যা একটি জাতীয় সম্মেলন যা AI-চালিত পদ্ধতির সাথে ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরি (টিবিআই) পুনর্বাসনের জন্য নিবেদিত, যা টিবিআই যত্ন এবং পুনরুদ্ধারে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির একীকরণকে তুলে ধরে।দুই দিনের বৈজ্ঞানিক সম্মেলনটি ২৮শে ফেব্রুয়ারী এবং ১লা মার্চ ২০২৬ তারিখে কলকাতার সিসি১-এর মর্যাদাপূর্ণ রয়েল বেঙ্গল রুমে অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ই এপ্রিল, ২০০৯ তারিখে প্রতিষ্ঠার পর থেকে, আই-এনকে স্নায়ুপুনর্বাসনের যত্নে উৎকর্ষতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাঁচটি মূল স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত নিউরোপুনর্বাসন বিভাগ – ক্লিনিক্যাল এক্সিলেন্স, একাডেমিক্স, গবেষণা, এক্সট্রা-কারিকুলার এনগেজমেন্ট এবং হিউম্যানিটি – ব্যাপক এবং সহানুভূতিশীল পুনর্বাসনে মানদণ্ড স্থাপন করে চলেছে। INKREHABCON 2026 হল নিউরোরিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, I-NK এবং দ্য নিওটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি যৌথ একাডেমিক উদ্যোগ, যা নিউরোরিহ্যাবিলিটেশনে শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের অগ্রগতির জন্য একটি যৌথ প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত কর
INKREHABCON 2026 এর লক্ষ্য হল বিশিষ্ট চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষাবিদ, থেরাপিস্ট এবং অন্যান্য সহযোগী স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের একত্রিত করে ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরির ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্বাসনে অত্যাধুনিক উন্নয়ন অন্বেষণ করা, যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে একটি। TBI প্রায়শই রোগী এবং পরিবারগুলিকে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক, জ্ঞানীয়, মানসিক এবং সামাজিক পরিণতির সাথে লড়াই করতে বাধ্য করে। সম্মেলনটি আধুনিক পুনর্বাসন কৌশলগুলি তুলে ধরবে যা একটি অত্যাধুনিক এবং সামগ্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে স্বাধীনতা, মর্যাদা এবং জীবনযাত্রার মান পুনরুদ্ধার করে। I-NK-এর নিউরোরিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের অগ্রভাগে রয়েছে। ইনস্টিটিউটে এখন উন্নত উপরের অঙ্গ এবং নীচের অঙ্গের রোবোটিক পুনর্বাসন ব্যবস্থা রয়েছে, যা নির্ভুলতা-ভিত্তিক থেরাপি প্রদানের ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে
আইআইটি মাদ্রাজের সহযোগিতায়, বিভাগের প্রধান ডঃ সুপর্ণা গঙ্গোপাধ্যায়কে সম্প্রতি “লোয়ার লিম্ব রিহ্যাবিলিটেশন এক্সোস্কেলটন ডিভাইস এবং গেইট ট্রেনার সিস্টেম” এর পেটেন্ট দেওয়া হয়েছে। এই উল্লেখযোগ্য অর্জন অনুবাদমূলক গবেষণার প্রতি আই-এনকে-এর অব্যাহত প্রতিশ্রুতি এবং নিউরোরিহ্যাবিলিটেশন প্রযুক্তিতে দেশীয় উদ্ভাবনের অগ্রগতির প্রতিফলন ঘটায়।বিভাগটি আইআইটি-এর সাথে সহযোগিতামূলক গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে, রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি-ভিত্তিক পুনর্বাসন প্রোটোকলকে ক্লিনিকাল অনুশীলনে একীভূত করছে।
উন্নত টিবিআই মূল্যায়ন এবং পিএমআর-ভিত্তিক নিউরোরিহ্যাবিলিটেশন
হোলিস্টিক নিউরো-পেইন ম্যানেজমেন্ট
ভিআর এবং ইএমজি বায়োফিডব্যাক-সহায়তাপ্রাপ্ত নিউরোরিহ্যাবিলিটেশন
এফইএস, ভাইটালস্টিম এবং বডিওয়েট-সমর্থিত গেইট পুনর্বাসন
নিউরোসাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং এবং কমিউনিটি পুনঃএকত্রীকরণ
হোম-ভিত্তিক নিউরোরিহ্যাবিলিটেশন, টেলিরিহ্যাবিলিটেশন এবং কন্টিনিউয়াম অফ কেয়ার ফিজিওথেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাথলজিস্ট, রিহ্যাবিলিটেশন সাইকোলজিস্ট, প্রোস্থেটিস্ট এবং অর্থোটিস্ট, হুইলচেয়ার প্রশিক্ষক এবং বৃত্তিমূলক পরামর্শদাতা, রিহ্যাব হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট, রিহ্যাব নার্স এবং মেডিকেল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের একটি অত্যন্ত দক্ষ দল নিয়ে, বিভাগটি তীব্র ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে কমিউনিটি পুনঃএকত্রীকরণ পর্যন্ত যত্নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।
কলকাতা,২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ঃ যথাযোগ্য মর্য্যাদার সঙ্গে হুগলী জেলার বৈদ্যবাটীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করল রজত জয়ন্তী বর্ষ অতিক্রান্ত সংগঠন “বঙ্গভাষা ও সংস্কৃতি চেতনা মঞ্চ”। অন্যান্য বৎসরের মতোই এবৎসরও ২১শে ফেব্রুয়ারীর সকালে বৈদ্যবাটী ক্লাব-এর বিপরীতে জি.টি.রোডের পার্শ্বে অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। মঞ্চে’র বর্ত্তমান সভাপতি বর্ষীয়ান ছড়াকার শান্তিপ্রিয় চট্টোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সূচনায় বাংলা ভাষার জন্য হওয়া শহীদদের স্মারক স্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও নিরবতা পালন করা হয়। এরপর পরিবেশিত হয় “মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা” সঙ্গীত। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মঞ্চে’র বর্ত্তমান কার্য্যকরী সমিতি’র সদস্য অনুপম রায়-অন্যরকম সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক প্রবীর দাস-বৈদ্যবাটী-শেওড়াফুলি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেড-এর পরিচালক মণ্ডলীর সদস্য দেবাশিস চক্রবর্তী,কবিতা পাঠ করেন কাজল গুপ্ত-লায়লি মুখোপাধ্যায়-নিরুত্র সোম-ধনঞ্জয় সিংহ। এই অনুষ্ঠানের শেষপর্বে মঞ্চে’র রজত জয়ন্তী বর্ষ অতিক্রমণ উপলক্ষ্যে সহযোগী ষোলটি সংগঠনের অধ্যক্ষ-অধ্যক্ষার হাতে বিশেষ স্মারক সম্মান তুলে দেওয়া হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন মঞ্চে’র বর্ত্তমান সাধারণ সম্পাদক পণ্ডিত বিদ্যুৎ বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলকাতা,২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ঃ মহেশ্বরী ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফাউন্ডেশন (এমআইবিএফ) আইটিসি সোনার-এ এক উচ্চপর্যায়ের ইনভেস্টরস’ মিটের আয়োজন করে, যেখানে আর্থিক ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা টেকসই সম্পদ সৃষ্টির কৌশল এবং ভারতের ক্রমবিকাশমান বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।সভাটির নেতৃত্ব দেন এমআইবিএফ-এর প্রেসিডেন্ট মমতা বিনানি এবং প্রতিষ্ঠাতা ও জেনারেল সেক্রেটারি সন্তোষ কুমার লাহোটি। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য প্রদান করেন মুম্বই-ভিত্তিক চয়েস ক্যাপিটাল অ্যাডভাইজরস প্রাইভেট লিমিটেড-এর অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর বিমল পারওয়াল এবং ইন্দোর-ভিত্তিক অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারী, শেয়ারবাজারে ৩৯ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বসন্ত বাহেতি। আলোচনা সঞ্চালনা করেন সিএ বিকাশ জৈন, প্রাক্তন চেয়ারম্যান, ইআইআরসি আইসিএআই এবং প্রতিষ্ঠাতা ডিরেক্টর, মারফিন অ্যাডভাইজরস প্রাইভেট লিমিটেড।
বক্তারা সম্মিলিতভাবে ইক্যুইটি, মিউচুয়াল ফান্ড, সোনা, রূপো এবং বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় খাতে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁরা ধৈর্য, বিশ্বাসযোগ্য ব্র্যান্ডের উপর আস্থা এবং জল্পনামূলক প্রবণতার পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। সাধারণ শুরু থেকে প্রতিষ্ঠিত সাফল্যে পৌঁছানোর তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, দৃঢ় বিশ্বাস ও ধারাবাহিকতাই তাঁদের আর্থিক অগ্রগতির ভিত্তি গড়ে দিয়েছে।আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বিনিয়োগ বিশ্লেষণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনায় এআই-এর ক্রমবর্ধমান ভূমিকা। পাশাপাশি, দ্রুত পরিপক্ব হয়ে ওঠা অর্থনৈতিক পরিবেশে ভারতের বিনিয়োগ মানসিকতার পরিবর্তন নিয়েও আলোকপাত করা হয়।
মমতা বিনানি বলেন, “ভারত এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে প্রযুক্তির সহায়তায় সচেতন বিনিয়োগকারীরা ধৈর্যের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী সম্পদ গড়ে তুলতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদি মূল্য, স্বচ্ছতা এবং প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের উপর আস্থাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।”সন্তোষ কুমার লাহোটি বলেন, “ভারতের প্রবৃদ্ধির গল্প বিপুল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তবে বিনিয়োগকারীদের জ্ঞান, শৃঙ্খলা এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাজারে এগোতে হবে। টেকসই সম্পদ জল্পনার মাধ্যমে নয়, বরং ধারাবাহিক কৌশল, বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠানের উপর আস্থা এবং বিনিয়োগে স্থির থাকার সাহসের মাধ্যমে গড়ে ওঠে।”এই ইনভেস্টরস’ মিট কলকাতাকে তথ্যভিত্তিক আর্থিক সংলাপ ও কৌশলগত পুঁজি সম্পৃক্ততার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আরও সুদৃঢ় করেছে।সকল জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত হওয়ায়, আসন্ন সম্মেলনটি বাংলার বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ নীতিগত আলোচনার মঞ্চ হয়ে উঠতে চলেছে।
কলকাতা, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: এপিজয় সুরেন্দ্র পার্ক হোটেল এবং অম্বুজা নিওটিয়া, আজ যৌথভাবে দ্য পার্ক ইউনিজেন চালু করার ঘোষণা করল | যা ইএম বাইপাসে পরিষেবাকৃত আবাসনের একটি আতিথেয়তা-সমন্বিত উন্নয়ন, যা শহরের ক্রমবর্ধমান নগর করিডোরে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।এই প্রকল্পে ৬৯টি সার্ভিসড আবাস রয়েছে এবং আসন্ন দ্য পার্ক হোটেলের পাশে অবস্থিত। একসাথে, দুটি উন্নয়ন করিডোরকে একটি মিশ্র-ব্যবহারের জীবনধারা গন্তব্য হিসেবে উত্থানকে শক্তিশালী করার জন্য কল্পনা করা হয়েছে।এই সহযোগিতা দুটি গোষ্ঠীকে একত্রিত করে যারা কয়েক দশক ধরে পূর্ব ভারতের আতিথেয়তা এবং নির্মিত পরিবেশকে রূপ দিয়েছে। এই উদ্যোগটি ডিজাইন-নেতৃত্বাধীন, আতিথেয়তা-সংযুক্ত জীবনযাত্রার ফর্ম্যাটের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে প্রতিষ্ঠিত প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতার কৌশলগত সারিবদ্ধতা প্রতিফলিত করে।স্থাপত্য ও নকশা বিশ্বব্যাপী স্থাপত্য সংস্থা জেনসলার দ্বারা ডিজাইন করা, এই প্রকল্পটি সুন্দরবন ম্যানগ্রোভের স্তরযুক্ত বাস্তুতন্ত্র থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে তৈরি, যা উল্লম্বভাবে উচ্চারণের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে এবং আলো এবং জলবায়ুর প্রতি সাড়া দেয় এমন একটি সাবধানে কাঠামোগত সম্মুখভাগ।
সাধারণ এলাকা এবং ক্লাবের অভ্যন্তরীণ অংশগুলি ববি মুখার্জি দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছে স্থপতিরা, একটি কিউরেটেড উপাদান প্যালেট এবং অভিজ্ঞতামূলক বিশদ প্রবর্তন করেছেন,সমসাময়িক নান্দনিকতার সাথে প্রাসঙ্গিক সূক্ষ্মতার সারিবদ্ধকরণ।একটিপ্যানোরামিক পুল, ল্যান্ডস্কেপ জোন এবং কিউরেটেড অবসর স্থান সহ একটি উন্নত সুস্থতা টেরেস উন্নয়নের একটি কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট্য।আতিথেয়তা ইন্টিগ্রেশন এই ঠিকানার গুরুত্বকে আরও যুক্ত করছেগেনসলার দ্বারা ডিজাইন করা আসন্ন দ্য পার্ক হোটেল। ২১৮টি কক্ষ সহ, এই বিলাসবহুল আতিথেয়তা ল্যান্ডমার্কটিকে শহরের জন্য একটি প্রাণবন্ত গন্তব্য হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে, যেখানে কিউরেটেড ভোজ এবং ইভেন্ট স্পেস, সিগনেচার ডাইনিং অভিজ্ঞতা, গতিশীল নাইটলাইফ ভেন্যু এবং নিবেদিতপ্রাণ সুস্থতা এবং অবসর সুবিধা প্রদান করা হবে। হোটেলটিতে একটি এয়ার ট্যাক্সি অবতরণ সুবিধাও থাকবে।একসাথে, এই উন্নয়নগুলি কলকাতার ক্রমবর্ধমান নগর সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ইএম বাইপাসকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধির অক্ষ হিসেবে আরও শক্তিশালী করে।অপিজয় সুরেন্দ্র পার্ক হোটেলস লিমিটেডের চেয়ারপারসন প্রিয়া পল বলেন, “দ্য পার্ক সবসময়ই এমন স্থান গঠনের বিষয়ে ছিল যেখানে নকশা এবং সংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে ওঠে। ইএম বাইপাসে আমাদের নতুন বিলাসবহুল হোটেলের মাধ্যমে, আমরা সেই চেতনাকে একটি বৃহত্তর নগর ক্যানভাসে প্রসারিত করছি।
পার্ক ইউনিজেন দৈনন্দিন জীবনে আতিথেয়তা নিয়ে আসে। এটি নকশা, শক্তিএবং সংযোগের প্রতি জেগে ওঠা এবং দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসাবে কলকাতার সৃজনশীল স্পন্দন অনুভব করার বিষয়ে।আমাদের জন্য, উন্নয়ন কেবল আকাশরেখায় যোগ করার বিষয়ে নয়; এটি একটি শহরকিভাবে অনুভব করে এবং কীভাবে কাজ করে তা গঠন করার বিষয়ে। পার্ক ইউনিজেনকে একটি সীমিত ঠিকানা হিসাবে কল্পনা করা হয়েছে যেখানে অনুপাত, গোপনীয়তা এবং চিন্তাশীলতা প্রতিটি স্থানকে নির্দেশ করে। এটি আমাদের বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করে যে স্থাপত্য অবশ্যই সমসাময়িক হতে হবে কিন্তু এটি যে স্থানের অন্তর্গত তার সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত,” বলেছেন অম্বুজা নিওটিয়ার চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া।
কলকাতা, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: নিউটাউনের নিউটিয়া ভাগীরথী নারী ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র, নিউটাউনের পেডিয়াট্রিক মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে একটি অত্যাধুনিক শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট (সিআই) ক্লিনিক চালু করেছে, যা পূর্ব ভারত জুড়ে নবজাতক এবং শিশুদের জন্য প্রাথমিক শ্রবণশক্তি সনাক্তকরণ এবং হস্তক্ষেপ পরিষেবাগুলিকে শক্তিশালী করবে।জন্মগত শ্রবণশক্তি হ্রাস নবজাতকদের মধ্যে চিহ্নিত সবচেয়ে সাধারণ সংবেদনশীল অবস্থার মধ্যে একটি এবং শুধুমাত্র জন্মের পরে কাঠামোগত স্ক্রিনিং প্রোটোকলের মাধ্যমে এটি নির্ণয় করা যেতে পারে। প্রাথমিক রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্ব স্বীকার করে, হাসপাতালটি বিশ্বব্যাপী প্রস্তাবিত “১-৩-৬” প্রাথমিক শ্রবণশক্তি সনাক্তকরণ এবং হস্তক্ষেপ (EHDI) প্রোটোকলের সাথে তার পরিষেবাগুলিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করেছে – এক মাসের মধ্যে স্ক্রিনিং, যারা স্ক্রিনিং পাস করে না তাদের জন্য তিন মাসের মধ্যে ডায়াগনস্টিক নিশ্চিতকরণ এবং ছয় মাসের মধ্যে হস্তক্ষেপ। এই উদ্যোগটি নেওটিয়া ভাগীরথী নারী ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রের প্রতিরোধমূলক যত্ন কাঠামোর উপর ভিত্তি করে তৈরি, যার অধীনে হাসপাতালে প্রসব করা সকল নবজাতকের জন্য বাধ্যতামূলক নবজাতক শ্রবণশক্তি এবং দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা হয়। নতুন চালু হিয়ারিং লস অ্যান্ড কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ক্লিনিক সর্বোত্তম থেরাপিউটিক উইন্ডোর মধ্যে ব্যাপক মূল্যায়ন এবং সময়োপযোগী হস্তক্ষেপ সক্ষম করবে, যা চিকিৎসায় বিলম্ব হ্রাস করবে। প্রাথমিক শৈশবে চিকিৎসা না করা শ্রবণশক্তি হ্রাস বক্তৃতা বিকাশ, ভাষা অর্জন, জ্ঞানীয় বৃদ্ধি এবং স্কুল প্রস্তুতির উপর উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রাথমিক শ্রবণশক্তি উদ্দীপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিলম্বিত ব্যবস্থাপনা অপরিবর্তনীয় কর্টিকাল শ্রবণশক্তি বঞ্চনার দিকে পরিচালিত করতে পারে। গুরুতর থেকে গভীর সংবেদনশীল শ্রবণশক্তি হ্রাসে আক্রান্ত শিশুদের জন্য যারা শ্রবণযন্ত্র থেকে পর্যাপ্তভাবে উপকৃত হন না, তাদের জন্য কক্লিয়ার ইমপ্লান্টেশন সবচেয়ে কার্যকর পুনর্বাসন সমাধান।
ক্লিনিকটি একটি বহুমুখী, এন্ড-টু-এন্ড কেয়ার পাথওয়ে অফার করে যার মধ্যে রয়েছে নবজাতকবিদ্যা সহায়তা, পেডিয়াট্রিক অডিওলজি, উন্নত ইমেজিং, সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ, শ্রবণ-মৌখিক থেরাপি এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন। নিউটাউনের নিওটিয়া ভাগীরথী মহিলা ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রের ফ্যাসিলিটি ডিরেক্টর ডঃ ইন্দ্রাণী সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ক্লিনিকের সূচনা ইএনটি-র মতো গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। একটি সহযোগিতামূলক, বহুমুখী পদ্ধতির মাধ্যমে, প্রতিটি শিশুর সর্বাধিক উপযুক্ত চিকিৎসা নির্ধারণের জন্য ব্যাপকভাবে মূল্যায়ন করা হয় – স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং রোগী-কেন্দ্রিক যত্ন নিশ্চিত করা।”
ইএনটি বিভাগের পরামর্শদাতা ইএনটি সার্জন ডঃ সঞ্চারি নন্দী আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে সনাক্তকরণ এবং হস্তক্ষেপ সর্বোত্তম বক্তৃতা এবং বিকাশের ফলাফল অর্জনের মূল চাবিকাঠি। স্ক্রিনিং এবং শ্রবণযন্ত্রের পরীক্ষা থেকে শুরু করে ইমেজিং, সার্জারি এবং দীর্ঘমেয়াদী অডিটরি ভার্বাল থেরাপি (AVT)-এর মতো একটি কাঠামোগত পথ শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসনের সাফল্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে।”এই সূচনার মাধ্যমে, নিওটিয়া ভাগীরথী মহিলা ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র ব্যাপক, শিশু-কেন্দ্রিক স্বাস্থ্যসেবার প্রতি তার অঙ্গীকারকে আরও জোরদার করে – জন্মের পর থেকে উন্নত বক্তৃতা, ভাষা এবং সামগ্রিক বিকাশের ফলাফলকে সমর্থন করে।
কলকাতা, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ভারত সরকারের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা, গবেষণা, পরীক্ষা এবং পরামর্শের মাধ্যমে প্যাকেজিং মান উন্নত করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ জাতীয় শীর্ষ সংস্থা, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ প্যাকেজিং (IIP) গত ৬০ বছর ধরে দেশব্যাপী প্যাকেজিং এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলিকে সেবা প্রদানের জন্য গর্বের সাথে “প্যাকেজিংয়ের ভবিষ্যৎ: উদ্ভাবন করুন। একীভূত করুন। অনুপ্রেরণা দিন” শীর্ষক জাতীয় সম্মেলন ঘোষণা করছে। এই যুগান্তকারী দুই দিনের অনুষ্ঠানটি ২৬ এবং ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখে কলকাতার হোটেল আইটিসি সোনারে অনুষ্ঠিত হবে।বিশ্বব্যাপী প্যাকেজিং শিল্প ডিজিটালাইজেশন এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতার দিকে এক বিরাট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, এই সম্মেলনটি শিল্প নেতা, নীতিনির্ধারক এবং উদ্ভাবকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য হল অত্যাধুনিক প্রযুক্তি অন্বেষণ করা, বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে স্থায়িত্বকে একীভূত করা এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও নকশা প্রদর্শন করা।
উদ্ভাবন ও ডিজিটালাইজেশন: শিল্প পুনর্গঠনে AI/ML, পণ্য প্রমাণীকরণ এবং ডিজিটালাইজেশনের প্রভাব নিয়ে অধিবেশনগুলি আলোচনা করবে।টেকসইতা এবং সার্কুলার অর্থনীতি: প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ইপিআর সম্মতি এবং উন্নত পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তির উপর গভীর আলোচনা।অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: “পাইলট হিসেবে প্যাকেজিং সহ পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অর্থনীতির উত্থান” শীর্ষক একটি নিবেদিত প্যানেল আলোচনা।স্টার্ট-আপ এবং গবেষণা কনক্লেভ: পরবর্তী প্রজন্মের প্যাকেজিং সমাধানগুলিকে উৎসাহিত করার জন্য শীর্ষস্থানীয় স্টার্ট-আপগুলির সাথে মিথস্ক্রিয়া এবং একটি নিবেদিতপ্রাণ গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনী কনক্লেভ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন, যার মধ্যে রয়েছেন শ্রী রাজেশ পান্ডে, আইএএস (অতিরিক্ত মুখ্য সচিব, পশ্চিমবঙ্গ সরকার), শ্রী সুরেন্দ্র গুপ্ত, আইএএস (প্রধান সচিব, এফপিআই অ্যান্ড এইচ বিভাগ), এবং শ্রী পি. কে. ভরদ্বাজ (প্রধান মহাব্যবস্থাপক, নাবার্ড)।দুই দিন ধরে, পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন, প্রযুক্তিগত অধিবেশন, প্যানেল আলোচনা, গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনী কনক্লেভ, স্টার্ট-আপ ইনকিউবেশন কনক্লেভ এবং শিল্প ও গবেষণা ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দ্বারা পোস্টার উপস্থাপনা অনুষ্ঠিত হবে। প্যাকেজিং উদ্ভাবনে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরষ্কার বিতরণী এবং একটি সমাপনী অধিবেশনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানটি শেষ হবে।
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ : কলকাতা – প্রিয় কাকাবাবু ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ কিস্তির অসাধারণ সাড়া পাওয়ার পর, SVF এবং Nideas গর্বের সাথে পঞ্চম অধ্যায় – কাকাবাবু: ভয়ংকার সুন্দর – ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণা দর্শক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতার এক আন্তরিক নিদর্শন হিসেবে এসেছে যাদের অটল ভালোবাসা কাকাবাবু ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। প্রকাশ-পরবর্তী থিয়েটার পরিদর্শনের অংশ হিসেবে, দলটি প্রতি সপ্তাহান্তে হল জুড়ে দর্শকদের সাথে দেখা করে, অনুষ্ঠানের পরে সিনেমাপ্রেমীদের সাথে আলাপচারিতা করে, তাদের প্রতিক্রিয়া সরাসরি শুনে এবং বড় পর্দায় কাকাবাবুর ভাগ করা যাত্রা উদযাপন করে। এই আলাপচারিতার সময়, বারবার একটি প্রশ্নই উঠে আসছিল – পরবর্তী কিস্তি কখন আসছে? এমন এক মুহূর্তে যখন কেউ আসতে দেখল না, নির্মাতারা এমন একটি হল পরিদর্শনকে অবিস্মরণীয় স্মৃতিতে পরিণত করেছেন। সিনেমাপ্রেমীদের আনন্দের জন্য তারা পঞ্চম কিস্তির ঘোষণা দিয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন, যা ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতি অব্যাহত ভালোবাসা, উৎসাহ এবং বিশ্বাসের প্রতি কৃতজ্ঞতার একটি আন্তরিক নিদর্শন। যা শুরু হয়েছিল – একটি নিয়মিত মিথস্ক্রিয়া হিসেবে – একটি উদযাপনে রূপান্তরিত হয়েছে – কাকাবাবুর ক্রমবর্ধমান উত্তরাধিকারের আরেকটি উত্তেজনাপূর্ণ – অধ্যায় চিহ্নিত করে।
প্রতিটি ছবির মাধ্যমে, কাকাবাবু কেবল স্মৃতিচারণকেই পুনরুজ্জীবিত করেননি বরং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম স্থায়ী নায়কের সাথে একটি নতুন প্রজন্মের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। চতুর্থ ছবির অভূতপূর্ব অভ্যর্থনা চরিত্রটির কালজয়ী অনুরণনকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে – পঞ্চম কিস্তিকে একটি উদযাপন এবং একটি প্রতিশ্রুতি উভয়ই করে তুলেছে।ভয়ংকার সুন্দর আবারও পরিচালনা করবেন চন্দ্রাশিস রায়, যার সূক্ষ্ম – গল্প বলা এবং কাকাবাবুর জগৎ সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে – মাত্রা এবং আত্মা উভয়ই দিয়েছে। তার প্রত্যাবর্তন সিনেমাটিক দৃষ্টিভঙ্গির একটি নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে – যা দর্শকরা এত উষ্ণভাবে গ্রহণ করেছেন।
এই অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, অদম্য কাকাবাবুর ভূমিকায় পুনরায় অভিনয় করেছেন। তীব্রতা, বুদ্ধিমত্তা এবং নীরবতা দিয়ে, প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি পর্দায় সাহিত্যিক আইকনকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছেন, মানসিক গভীরতার সাথে স্থিতিস্থাপকতাকে এমনভাবে মিশ্রিত করেছেন যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অনুরণিত হয়েছে।
যাত্রা অব্যাহত রাখার বিষয়ে তার চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিতে গিয়ে পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি বলেন, “কাকাবাবু কেবল আমার চিত্রিত চরিত্র নন, তিনি এমন একটি আবেগ যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভ্রমণ করেছে। চতুর্থ ছবির জন্য আমরা যে ভালোবাসা পেয়েছি তা গভীরভাবে বিনীত। আজ দর্শকদের সামনে ভয়ংকার সুন্দরের ঘোষণা এই মুহূর্তটিকে আরও ‘বিশেষ’ করে তুলেছে। এটি একটি সম্মিলিত উদযাপনের মতো অনুভূত হচ্ছে। প্রতিটি অধ্যায়ের সাথে, আমাদের প্রচেষ্টা হল কাকাবাবুকে এমনভাবে উপস্থাপন করার পাশাপাশি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উত্তরাধিকারকে সম্মান জানানো যা ‘প্রাসঙ্গিক, মূলগত এবং অনুরণিত’ বোধ করে।পরিচালক চন্দ্রাশিস রায় আরও বলেন“আগের ছবিটির প্রতি সাড়া আমাদের বিশ্বাসকে পুনরুজ্জীবিত করেছে যে কাকাবাবুর জগতে এখনও অপার সিনেমাটিক সম্ভাবনা রয়েছে। ভয়ংকার সুন্দর নতুন আবেগঘন এবং দুঃসাহসিক ক্ষেত্র অন্বেষণ করবেন এবং মূল সাহিত্যের চেতনার প্রতি অবিচল থাকবেন। আমরা দর্শকদের জন্য গল্প বলার অভিজ্ঞতা এবং স্কেল উভয়কেই উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের উদ্দীপক সুরই আখ্যানকে আরও উন্নত করবে, যার সঙ্গীত চলচ্চিত্রের আবেগঘন এবং দুঃসাহসিক টেপেস্ট্রিকে সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেয়, এর রোমাঞ্চ এবং কোমলতা উভয়কেই বাড়িয়ে তোলে। যদিও গল্পের ধরণ এবং অতিরিক্ত অভিনেতাদের বিবরণ কঠোরভাবে গোপন রাখা হচ্ছে, ভয়ংকার সুন্দর দর্শকদের আরও একটি আকর্ষণীয় অ্যাডভেঞ্চারে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা কাশ্মীরের শ্বাসরুদ্ধকর এবং মূলত অনাবিষ্কৃত প্রাকৃতিক দৃশ্যের বিপরীতে অবস্থিত। বুদ্ধিমত্তার সাথে সাসপেন্স এবং মহিমার সাথে আবেগঘন গভীরতার মিশ্রণে, ছবিটি এমন একটি যাত্রা শুরু করবে যেখানে বিপদ এবং সৌন্দর্য সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আইকনিক সৃষ্টির চেতনা এবং উত্তরাধিকারের প্রতি অবিচল থেকে সহাবস্থান করবে। এই ঘোষণার মাধ্যমে, নির্মাতারা সমসাময়িক গল্প বলার দক্ষতাকে আলিঙ্গন করে সাহিত্যিক ঐতিহ্যকে সম্মান করে এমন সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা প্রদানের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ছবিটি মুক্তি পাবে ২য় বছরে।
কলকাতা, 9th February 2026: আরএমবিএফ কলকাতা চ্যাপ্টার, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৯১–এর সহযোগিতায়, হোটেল কেনিলওয়ার্থ, কলকাতায় সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করল তাদের ফ্ল্যাগশিপ ব্যবসায়িক সম্মেলন আরএমবি কানেক্ট ২০২৬–এর অষ্টম সংস্করণ। এই কনক্লেভে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্যোক্তা, ব্যবসায়িক পেশাজীবী, নীতিনির্ধারক ও রোটারিয়ানরা একত্রিত হন, যা ব্যবসা, উদ্ভাবন ও বুদ্ধিমত্তার এক অনন্য মিলনমঞ্চ হিসেবে এর অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে। কেবল কলকাতা থেকেই ৫০ জনের বেশি উদ্যোক্তা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
কনক্লেভের প্রধান আকর্ষণ ছিল তিন ঘণ্টার বিশেষ AI বিজনেস মাস্টারক্লাস, যা উদ্যোক্তা ও লেখক অমিত জাধব পরিচালনা করেছিলেন। এই সেশনে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তবজীবনের AI ব্যবহার করে ব্যবসা দ্রুত বাড়ানো, স্মার্টভাবে কাজ করা এবং গ্রাহক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উপায় শিখেছেন। এতে AI-রেডি লিডারশিপ মাইন্ডসেট, কোডিং ছাড়াই লিড জেনারেশন, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, ফলো-আপ এবং রিপোর্টিং অটোমেট করা, এবং একটি সাধারণ ব্যবসায়িক আইডিয়াকে AI-র সাহায্যে সোশ্যাল পোস্ট, ব্লগ, ইমেইল সিকোয়েন্স এবং ওয়েবসাইটসহ পূর্ণ ডিজিটাল ফানেলে রূপান্তর করা দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি বোঝানো হয়েছে কিভাবে AI গ্রাহক যাত্রার প্রতিটি ধাপে সহায়তা করতে পারে এবং একাধিক AI টুল একসাথে কাজ করে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া কম মানবীয় প্রচেষ্টায় চালাতে পারে।
এই কনক্লেভে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট গেস্ট অফ অনার—রটেরিয়ান শেখর মেহতা, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল; রটেরিয়ান অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী, প্রাক্তন ডিরেক্টর, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল; রটেরিয়ান অরবিন্দ বাত্রা, ইন্টারন্যাশনাল ভাইস চেয়ার, আরএমবিএফ; রটেরিয়ান ড. রামেন্দু হোম চৌধুরী, ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর, আরআইডি ৩২৯১; রটেরিয়ান পিডিজি ঝুলন বসু, ডিস্ট্রিক্ট লার্নিং ফ্যাসিলিটেটর, আরআইডি ৩২৯১; মিঃ ভলচন্দ্রসিং রাওরানে, সিএমডি, ইউসিপি (ইন্ডিয়া ও ইউরোপ) ও চেয়ারম্যান, ফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রিজ–টিএমএ, থানে; মিঃ সুশীল পোদ্দার, চেয়ারম্যান, কনফেডারেশন অব ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন; মিঃ উডো কিহনেল, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, বিএসএইচ কেমিক্যালিয়েন, জার্মানি; মিঃ সোরেন ফকেন, জেনারেল ম্যানেজার, বিএসএইচ কেমিক্যালিয়েন, জার্মানি; প্রফেসর পি. সঞ্জয়, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর (ফাইন্যান্স), আইআইএম সিরমৌর ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, আইআইটি বম্বে; এবং মিঃ এ. এস. কুমার, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ফোর্ট্রেস গ্রুপ অফ কোম্পানিজ, মুম্বাই।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক আবহ যোগ করে চেন্নাই, তামিলনাড়ুর প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী শ্রীমতী কোটেশ্বরী এম. কান্নান–এর মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা। পাশাপাশি দেশের বিশিষ্ট শিল্পনেতা ও চিন্তাবিদদের মূল বক্তৃতা ও কী-নোট সেশন ব্যবসার ভবিষ্যৎ, নেতৃত্ব ও টেকসই বৃদ্ধির বিষয়ে গভীর ও অর্থবহ আলোচনা সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আরএমবিএফ কলকাতা চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান মিঃ কৌশিক সেন বলেন, “আরএমবি কানেক্ট ২০২৬ এমন এক মঞ্চ হিসেবে ভাবা হয়েছিল, যেখানে ভাবনা বাস্তব প্রভাবের রূপ নেবে। এআই বিজনেস মাস্টারক্লাসে অংশগ্রহণকারীদের বিপুল উৎসাহ এবং সার্বিক আলোচনার গভীরতা প্রমাণ করে—আজকের ব্যবসায় প্রযুক্তিকে গ্রহণ করতে হবে স্পষ্টতা ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে। আমরা গর্বিত যে ভারত ও বিশ্বের ভবিষ্যৎ ব্যবসাকে যাঁরা দিশা দেখাচ্ছেন, তাঁদের একত্রিত করতে পেরেছি।”
মিঃ সেন কলকাতা চ্যাপ্টারের নেতৃত্ব দল ও সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আমন্ত্রিত অতিথি ও প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান এবং সহযোগিতা, উদ্ভাবন ও দায়িত্বশীল উদ্যোক্তৃত্ব গড়ে তোলার প্রতি চ্যাপ্টারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরএমবি কানেক্ট ২০২৬ শেষ হয় এক অনুপ্রেরণামূলক আবহে—অংশগ্রহণকারীরা সঙ্গে নিয়ে যান বাস্তবমুখী জ্ঞান, নতুন সম্পর্ক এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে একটি কৌশলগত ব্যবসায়িক শক্তি হিসেবে কাজে লাগানোর নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।