পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম আয়কর বিভাগ কর্তৃক আন্তর্জাতিক নারী দিবস” উদযাপন |
  • March 18, 2026

পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম আয়কর বিভাগ ১৭ই মার্চ ২০২৬ : কলকাতার আয়কর ভবনের বহুমুখী সভাকক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আধিকারিক এবং বিশিষ্ট অতিথিবর্গের উপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করেছেন করল।অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের প্রধান মুখ্য আয়কর কমিশনার শ্রীমতি সুরভি বর্মা গর্গ (IRS)। বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ-যাদের মধ্যে মুখ্য আয়কর কমিশনার শ্রীমতি এস্থার লাল রুয়াতকিমি (IRS) সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও আধিকারিকগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, আয়কর বিভাগের প্রধান মুখ্য কমিশনার শ্রীমতি সুরভি ভার্মা গর্গ (IRS) নারী ক্ষমতায়ন এবং জনসেবায় নারীদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, নারী আধিকারিক অনুষ্ঠানটি অভিনেত্রী রাইমা সেনের উপস্থিতিতে ধন্য হয়েছিল; তিনি এই আয়োজনে ‘সম্মানিত অতিথি’ হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি নারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কৃতিত্ব উদযাপনের লক্ষ্যে আয়কর দপ্তরের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ‘শক্তি সম্মান পুরস্কার’-প্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান।

WhatsApp Image 2026 03 18 at 16.18.55

শ্রীমতি সেন আয়কর দপ্তরের নারী কর্মকর্তাদের অনুপ্রেরণাদায়ক নেতৃত্বের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন; বিশেষত তিনি প্রিন্সিপাল চিফ কমিশনার শ্রীমতি সুরভি ভার্মা গর্গের নির্দেশনার প্রশংসা করেন, যাঁর গতিশীল নেতৃত্ব বহু তরুণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে চলেছে।এই আয়োজনে বিশিষ্ট সেতারবাদক বিদুষী মিতা নাগের একটি সঙ্গীত পরিবেশনাও ছিল; তবলার সঙ্গতে রৌদ্রাস্ব রক্ষিতকে সাথে নিয়ে তিনি এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। এই পরিবেশনাটি উদযাপনে একটি সাংস্কৃতিক মাত্রা যোগ করে এবং দর্শকদের ভূয়সী প্রশংসা লাভ করে।পুরস্কারপ্রাপ্ত লকে অভিনন্দন জ্ঞাপন এবং প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ও বাইরে লিঙ্গ সমতা, নারীর ক্ষমতায়ন ও সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভাগের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

Continue reading
ট্রান্সজেন্ডার আইনের সংশোধনী নিয়ে ট্রান্সজেন্ডার তরুণ-তরুণীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বলেছেন “নালসা থেকে পিছু হটা চলবে না”।
  • March 18, 2026

কলকাতা, ১৭ মার্চ ২০২৬: মঙ্গলবার রূপান্তরকামী যুব সম্প্রদায়ের সদস্যরা নাগরিক সমাজের সহযোগীদের সঙ্গে ‘রূপান্তরকামী ব্যক্তি (অধিকার সুরক্ষা) সংশোধনী বিল, ২০২৬’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি সুপ্রিম কোর্ট স্বীকৃত আত্মপরিচয়ের সাংবিধানিক নীতিকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে।কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সজেন্ডার অধিকার সংহতি মঞ্চের (টিএএস) প্রতিনিধিরা জানান, ২০২৬ সালের ১৩ মার্চ সংসদে উত্থাপিত সংশোধনীটি লোকসভায় কোনো আলোচনা ছাড়াই ধ্বনি ভোটে পাস হয়ে গেছে বলে জানা গেছে, যা সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।বক্তারা বলেন, “তরুণ ভারতীয় ট্রান্সজেন্ডাররা সবেমাত্র মর্যাদার সাথে মূলধারার জীবনে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। আত্মপরিচয়কে দুর্বল করে এমন আইন তাদের সেই প্রান্তিকতার দিকেই ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে, যা কাটিয়ে ওঠার জন্য তারা এত কঠোর সংগ্রাম করেছে।”সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন টিএএস-এর প্রতিষ্ঠাতা দেবাংশী বিশ্বাস চৌধুরী; টিএএস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও একজন ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ শান চৌধুরী; ট্রান্সজেন্ডার যুবনেতা রিয়ান বিশ্বাস; ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকর্মী ও অভিনেতা তিস্তা দাস; এলজিবিটিকিউ+ অধিকারকর্মী ও ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ দীপন চক্রবর্তী; জবালা অ্যাকশন রিসার্চ অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা বৈতালী গাঙ্গুলী; এবং লিঙ্গ ও অধিকারকর্মী এবং যুব উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ বাপ্পাদিত্য মুখার্জি। সমাজ সংস্কারক অলোকানন্দ রায়ও সংহতির বার্তা দেন।

WhatsApp Image 2026 03 18 at 15.59.16

বক্তাদের মতে, প্রস্তাবিত সংশোধনীটি ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি (অধিকার সুরক্ষা) আইন, ২০১৯-এর অধীনে ‘ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি’-র সংজ্ঞা সংশোধন করতে চায়, যেখানে হিজড়া, কিন্নর, আরাভানি, জোগত বা নপুংসকের মতো নির্দিষ্ট সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পাশাপাশি আন্তঃলিঙ্গ বৈচিত্র্যের ব্যক্তিদেরও উল্লেখ করা হয়েছে।সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, এই ধরনের সংজ্ঞা ট্রান্সজেন্ডার পরিচয়ের ধারণাকে সংকীর্ণ করে তুলতে পারে এবং এই ঐতিহ্যবাহী সম্প্রদায়গুলোর অন্তর্ভুক্ত নন এমন অনেক ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিকে বাদ দিতে পারে।দেবাংশী বিশ্বাস চৌধুরী বলেছেন, এই সংশোধনীটি ঐতিহাসিক নালসা বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া (২০১৪) রায়ের মাধ্যমে অর্জিত সাংবিধানিক অগ্রগতিকে দুর্বল করে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

নালসা (NALSA) রায় লিঙ্গ পরিচয়কে ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ও মর্যাদার বিষয় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আত্মপরিচয়ের এই নীতিকে দুর্বল করার যেকোনো পদক্ষেপ ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের বহু বছরের সংগ্রামকে উল্টে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ শান চৌধুরী তাঁর ব্যক্তিগত যাত্রার কথা তুলে ধরেছেন।তরুণ বয়সে আমাকে ফুটবল ছেড়ে দিতে হয়েছিল, কারণ আমার পরিবার সামাজিক কলঙ্কের ভয় পেত। প্রকাশ্যে জীবনযাপনের এই পথচলা কঠিন ছিল। যদি পরিচয়ের স্বীকৃতি মেডিকেল বোর্ড বা প্রশাসনিক অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে, তবে তা ট্রান্সজেন্ডার তরুণ-তরুণীদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলবে।দীপন চক্রবর্তী প্রস্তাবিত সংশোধনীটির সমালোচনা করেছেন।এই বিলটি ভারতের নাগরিক হিসেবে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সাংবিধানিক অধিকারকে অস্বীকার করে। একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণ করতে পারে না, অথচ এই বিলটি সেই ধরনের সংজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তিস্তা দাস মানবাধিকারের প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন।ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি সুরক্ষা আইন সংশোধনী ২০২৬ একটি নেতিবাচক ও মানবাধিকার বিরোধী বিল। এটি আইনে পরিণত হলে সমগ্র ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের জন্য গুরুতর বিপদ সৃষ্টি করবে।বক্তারা জোর দিয়ে বলেন যে, ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি (অধিকার সুরক্ষা) বিধিমালা, ২০২০ অনুযায়ী বর্তমানে ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি হলফনামা দাখিলের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয়ের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়।তাঁরা ভারত সরকারকে প্রস্তাবিত সংশোধনীটি প্রত্যাহার করতে এবং রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে এমন যেকোনো আইনগত পরিবর্তন যেন সম্প্রদায়ের সঙ্গে পরামর্শ করে ও সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিশ্চিতকৃত সাংবিধানিক সুরক্ষার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে করা হয়, তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছেন।বক্তারা এই কথা পুনর্ব্যক্ত করে উপসংহার টানেন যে, “নালসা (NALSA) রায় থেকে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।”

Continue reading
অনলাইন জেন্ডার–ভিত্তিক সহিংসতা রোধে সচেতনতা।
  • November 26, 2025

কলকাতা, ২৫ নভেম্বর ২০২৫ : ১৬ দিনব্যাপী ‘নারী ও কিশোরী নির্যাতন প্রতিরোধ’ বিশ্বব্যাপী সচেতনতা কর্মসূচির সূচনায়, নারী অধিকার সংগঠন সুইয়াম কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজন করল অনলাইন জেন্ডার–ভিত্তিক সহিংসতা নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ প্যানেল আলোচনা এবং দুটি সচেতনতামূলক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রকাশ।আইন, গণমাধ্যম, সাইবার পুলিশ ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা—বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একত্রিত করে এই আলোচনা সভায় তুলে ধরা হয় অনলাইনে নারী ও কুইয়ার ব্যক্তিদের প্রতি ক্রমবর্ধমান হুমকি, হয়রানি, নজরদারি ও অননুমোদিত ছবি প্রচারের মতো অপরাধের বাস্তবতা।

বিশেষজ্ঞরা মত দেন—অনলাইন সহিংসতা শুধু ভার্চুয়াল জগতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলা লিঙ্গ বৈষম্য ও ক্ষমতার অসাম্যকেই আরও দৃঢ় করে। তাই প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক পরিবর্তন, ডিজিটাল নৈতিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা।

Whatsapp image 2025 11 26 at 21.45.13

প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন—
অমৃতা দাশগুপ্ত (পরিচালক, সুইয়াম),কৌশিক গুপ্ত (অ্যাডভোকেট, কলকাতা হাই কোর্ট),
সময়িতা চক্রবর্তী (সাংবাদিক, ডয়চে ভেলে),অগ্নিজিৎ সেন (আরজে ও ডিজিটাল ক্রিয়েটর) এবং
সুবঙ্কর চক্রবর্তী (ওসি, সাইবার সেল ও মনিটরিং সেল, সাউথ ডিভিশন)।
সভাপতিত্ব করেন অনুরাধা কাপুর (প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্ট বোর্ড সদস্য, সুইয়াম)।

সুইয়াম এবং ওগিলভির যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। ওগিলভির প্রতিনিধি জানিয়েছেন—চলচ্চিত্রগুলো দর্শকদের ভাবতে শেখাবে, সহমর্মী হতে উদ্বুদ্ধ করবে এবং ইতিবাচক অনলাইন আচরণ উৎসাহিত করবে।অনুরাধা কাপুর বলেন, “প্রযুক্তি যেন নারীর ক্ষমতায়ন সমর্থন করে, দমন নয়—সেই লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘদিন কাজ করছি।”
মিডিয়া, ছাত্রছাত্রী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানজুড়ে উঠে আসে অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা।সুইয়াম বিশ্বাস করে—অনলাইন ও অফলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা, জবাবদিহি এবং ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের মাধ্যমেই নির্মিত হবে সমতার ও মর্যাদার সমাজ।

Continue reading
উন্নত ভারত নির্মাণ’ কে কেন্দ্র করে বিজেএমএম শ্রমিক মঞ্চের রাজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত
  • November 25, 2025

২৫ নভেম্বর,২০২৫ কলকাতা -মঙ্গলবার কলকাতায় ভারতীয় জনতা মজদুর মঞ্চ (BJMM) এবং বিকশিত ভারত সংকল্প সংস্বস্থান, পশ্চিমবঙ্গ-এর যৌথ উদ্যোগে একটি রাজ্যস্তরের শ্রমিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শ্রম সংস্কার, শ্রমিক-কেন্দ্রিক উদ্যোগ এবং “বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর জাতীয় দৃষ্টিকোণকে সামনে রেখে আযোজিত এই সম্মেলন সিয়ালদহের ডি.আর.এম. বিল্ডিং, ড. বিসি রায় ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়।সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন BJMM এবং বিকশিত ভারত সংকল্প সংস্থানের সর্বভারতীয় সভাপতি ড. মহেশ শর্মা। তিনি ভারতের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় দেশের বিশাল শ্রমিকশক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিজেপি কেন্দ্রীয় সম্পাদক শ্রীমান রাহুল সিনহা, প্রাক্তন সাংসদ শ্রী অর্জুন সিং, প্রাক্তন বিধায়ক শ্রী তাপস রায়, বিধায়ক স্ত্রী সুরত ঠাকুর (গাইঘাটা), শ্রী বিশাল লম্বা (কালচিনি), কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর স্ত্রী সজল ঘোষ, BJMM পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি শ্রী পশুপতি মণ্ডল, ও কার্যকরী সভাপতি শ্রী অমর সিং।সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের সংগঠিত ও অসংগঠিত শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা আলোচনায় উঠে আসে-চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের শোষণ, ন্যায্য মজুরি ও নিয়োগপত্রের অভাব, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা, মহিলা শ্রমিকদের মাতৃত্বসুবিধা ও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি। পাশাপাশি MSME, বিড়ি, খনি, চা-বাগান, অডিও-ভিজ্যুয়াল ও টেক্সটাইল শিল্পের শ্রমিকদের বিশেষ দাবি-দাওয়াও উপস্থাপন করা হয়। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় শ্রমসংস্কার কাঠামোয় উল্লিখিত ন্যূনতম মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী সুরক্ষা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সমান মজুরির বিধানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

Whatsapp image 2025 11 25 at 18.43.10

“উন্নত ভারতের নির্মাণে শ্রমিকদের ভূমিকা-ডিশন ২০৪৭” শিরোনামে বিশেষ বক্তৃতায় ড. শর্মা বলেন, দেশের উন্নয়নের মেরুদণ্ড হলো সংগঠিত, অসংগঠিত, MSME, চুক্তিভিত্তিক, গিগ কর্মী, প্ল‍্যাটফর্ম কর্মী, নারী ও যুব শ্রমিকরা। তিনি ২৪ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত জয়পুরঅনুষ্ঠিত বিকশিত ভারত সংকল্প মেলা-কে জাতীয় উন্নয়ন, শিল্প-বাণিজ্য, দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার এক ঐতিহাসিক মঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করেন।তিনি মেলায় উপস্থাপিত ৮টি উন্নয়ন-স্তম্ভ ব্যাখ্যা করেন-শিক্ষা, কর্মসংস্থান, শিল্প-বাণিজ্য, সংস্কৃতি-পর্যটন, স্বাস্থ্য-আয়ুর্বেদ, স্টার্টআপ-ইনভেস্টমেন্ট, কৃষি-গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবেশ-স্থিতিশীলতা।১০,০০০-এরও বেশি কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন অঞ্চল, শিল্প-শ্রমিক সরাসরি যোগাযোগ এবং শ্রমিক-বান্ধব নীতিগুলি মেলাকে শ্রমিক সমাজের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। BJMM পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি শ্রী পশুপতি মণ্ডল তাঁদের মূল দাবি উপস্থাপন করেন-

শ্রম কোড বাস্তবায়ন,নারী শ্রমিকদের উন্নত নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ,সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও ESI সুবিধা,চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের শোষণ রো্দ,ক্ষতা-উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন,MSME শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা-স্কিম,কার্যকরী সভাপতি শ্রী অমর সিং বিকশিত ভারত ২০৪৭-এ শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা ব্যাখ্যা করেন-,দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতি, আধুনিক শিল্প চালাবে উৎপাদনশীল শ্রমশক্তি, বৈদেশিক বাণিজ্য ও রপ্তানিতে শ্রমিক হবে মুখ্য চালিকা শক্তি, আর টেকসই উন্নয়ন, সবুজ শক্তি ও গ্রামীণ উন্নয়নে শ্রমিকদের অবদান হবে অপরিহার্য।।তিনি ২০২৫-২৬ সালের BJMM-এর নানা উদ্যোগ যোষণা করেন-,শ্রমিক অধিকার সচেতনতা অভিযান, নারী শ্রমিক সুরক্ষা মঞ্চ, গিগ-প্ল‍্যাটফর্ম ইউনিট, স্বাস্থা শিবির, আইন-সহায়তা কেন্দ্র, স্কিল ও জব ম্যাপিং ড্রাইভ, এবং ‘বিকাশ যাত্রা’ শ্রমিক র‍্যালি।BJMM পুনর্ব্যক্ত করে-“শ্রমিক শক্তি- ভারতের শক্তি।”

সংস্থাগুলি সংবাদমাধ্যমকে শ্রমিক-কেন্দ্রিক এই উদ্যোগগুলিকে বৃহত্তর সমাজে পৌঁছে দিতে সহযোগিতার আহ্বান জানায় এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের অনুরোধ জানায়।

Continue reading
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের উদ্যোগ”বইকথাকও” খ্যাতিসম্পন্ন বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী রাজর্ষি ব্যানার্জি।
  • November 5, 2025

Whatsapp image 2025 11 05 at 10.30.06 (1)


পূর্ব ভারতের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ তাদের অনন্য মানবকেন্দ্রিক উদ্যোগ ‘আনওইন্ড – বই কথা কও’-এর ষষ্ঠ পর্বে স্বাগত জানাল আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী রাজর্ষি ব্যানার্জিকে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সংরক্ষণ ও ফটোগ্রাফির নৈতিকতা নিয়ে তাঁর অনুপ্রেরণাদায়ক আলোচনা মুগ্ধ করল উপস্থিত ছাত্রছাত্রী ও অতিথিদের।
এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের প্রবর্তক প্রফেসর মানোশী রায়চৌধুরী, কো-চেয়ারপার্সন, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ। তাঁর কথায়,

“বই কথা কও-এর উদ্দেশ্য তরুণদের বইয়ের পৃষ্ঠা পেরিয়ে জীবনের গল্প পড়তে শেখানো। রাজর্ষি ব্যানার্জির যাত্রা আমাদের অধ্যবসায়, ভালোবাসা ও প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা শেখায়। তাঁর লেন্স আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ এবং টেকসই উন্নয়নের মূল্যবোধ।”

1000294978

অনুষ্ঠানে রাজর্ষি ব্যানার্জি তাঁর বহু বছরের জঙ্গলজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন চিত্র ও কাহিনির মাধ্যমে। কাজিরাঙার বাঘ, গণ্ডার কিংবা ‘ব্ল্যাক প্যান্থার আন্ডার দ্য স্টারস’-এর মতো বিশ্বজয়ী ছবির পেছনের গল্প শোনান তিনি। এই ছবিটি তাঁকে এনে দিয়েছে স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ৩৫তম মেমোরিয়াল মারিয়া লুইসা প্রতিযোগিতা-র গ্র্যান্ড প্রাইজ, যেখানে তিনি ৯৫টি দেশের ১,৫৯০ আলোকচিত্রীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
তাঁর সাফল্যের তালিকায় রয়েছে আরও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি — যেমন গোল্ডেন টার্টল অ্যাওয়ার্ড (রাশিয়া, ২০২৫) এবং সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫, যেখানে তিনি কেনিয়ার কিংবদন্তি হাতি ‘ক্রেগ’-এর এক অবিস্মরণীয় প্রতিকৃতি তুলে ধরেন।
প্রশ্নোত্তর পর্বে ছাত্রছাত্রীরা বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ, ধৈর্য ও বন্যজীবন ফটোগ্রাফির নৈতিকতা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করেন। প্রফেসর মানোশী রায়চৌধুরী-র সঞ্চালনায় এই সংলাপ রূপ নেয় শিল্প, বিজ্ঞান ও মানবিকতার এক অসাধারণ মেলবন্ধনে।
‘আনওইন্ড – বই কথা কও’ মূলত ‘হিউম্যান লাইব্রেরি’ আন্দোলনের অনুপ্রেরণায় তৈরি, যা ২০০০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে শুরু হয়েছিল। এর লক্ষ্য — “মানুষকে বইয়ের বদলে মানুষ পড়া”, অর্থাৎ জীবন্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া।
এর আগে এই সিরিজে অংশ নিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা — চলচ্চিত্র পরিচালক সন্দীপ রায়, প্রাক্তন আইএফএস অফিসার ড. প্রদীপ ব্যাস, আফগানিস্তানের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী রঙ্গিনা হামিদি, সেলসফোর্স ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন ও সিইও অরুন্ধতী ভট্টাচার্য, এবং মনোবিজ্ঞানী ড. সুমন্ত্র চট্টার্জি।

Continue reading
ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জন্মদিবস পালিত হোল মাই ভারত, দক্ষিণ কলকাতার উদ্যোগে।
  • July 8, 2025

কলকাতা,05 জুন 2025 – কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া দপ্তরের অন্তর্গত মাই ভারত ( আমার ভারত ), দক্ষিণ কলকাতার উদ্যোগে টালিগঞ্জ বাঁশদ্রোণীর বিকাশ ভারতী হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হলো ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জন্মদিবস সহযোগিতায় শিব শক্তি ক্লাব । এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জীবন ও অবদান সম্পর্কে যুব সমাজকে অবগত করা এবং তার আদর্শকে জানানো। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শিব শক্তি ক্লাব এর পক্ষ থেকে মিস অরিত্রি দে এবং বিকাশ ভারতী স্কুল কর্তৃপক্ষ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পশ্চিমবঙ্গের যুব ও ছাত্রসমাজের জাগরণ ছিল এই অনুষ্ঠানের উদ্দ্যেশ্য এর মাধ্যমে ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জীবনের অনেক অজানা দিক যুবসমাজের কাছে তুলে ধরা হয়
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন শ্রী সুজয় চ্যাটার্জী, মিস অরিত্রি দে, এবং শর্মিলা ম্যাডাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থেকেও সকলপ্রকারে সহযোগিতা করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল বৈজু কুমার মিশ্র কেন্দ্রীয় সরকারের এই অনুষ্ঠানের অংশ হিসাবে পালন করা হয় গাছ লাগানো কর্মসূচি, এবং বার করা হয় প্রভাত ফেরি
ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মূর্তিতে মাল্যদান করা হয় এবং তাকে ফুল দিয়ে সন্মান জানায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক , ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে সকলে তাঁকে নিয়ে একটি কুইজ এর আয়োজন ও করা হয়…কুইজ এর পুরস্কার হিসাবে দেওয়া হয় মাই ভারত এর টি শার্ট। ভারতের ইতিহাসে এক অন্যতম এবং বিরল ব্যক্তিত্ব ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী তিনি একধারে শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, সমাজ সংস্কারক, এবং স্বপ্নদ্রষ্টা হিন্দু মহাসভা থেকে জনসঙ্ঘ, সর্বত্রই তার অবদান ছড়িয়ে রয়েছে যখন ভারতের রাজনীতিতে মহাত্মা গান্ধীর ভূমিকা ছিল অপরিসীম তখন তিনি তার বিপরীত স্রোতে গিয়ে তৈরি করেন হিন্দু মহাসভার সংগঠন

Dsc 1161

ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ছিলেন বাংলার হিন্দুদের রক্ষাকর্তা এবং পশ্চিমবঙ্গের রূপকার তাকে ছাড়া বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের কল্পনা সম্ভব ছিল না দেশভাগের রক্তাক্ত রাজনীতি থেকে পশ্চিমবঙ্গের জন্ম দেন তিনি মহাত্মা গান্ধীর মুসলমান তোষন রাজনীতির বিরোধীতা করেছিলেন সেই সময়ের যে কজন হিন্দুনেতা তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম
দেশভাগের পর কংগ্রেস এর বিরোধিতায় হিন্দু মহাসভা নিষিদ্ধ হলে শ্যামাপ্রসাদ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের গুরুজীর প্রেরণায় প্রতিষ্ঠা করেন জনসঙ্ঘ এই জনসঙ্ঘ থেকে পরবর্তীকালে বিজেপির উৎপত্তি হয় স্বাধীন ভারতে নেহরুর রাজনীতির বিরোধিতা করেছিলেন তিনি সেই বিরোধিতার প্রকাশ দেখা যায় কাশ্মীরে কাশ্মীর যে ভারতের অঙ্গ এটা প্ৰমান করতে গিয়েই ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মৃত্যু হয় তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয় ভারতের রাজনীতির একটি বিশেষ অধ্যায় ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর একটি বিখ্যাত উক্তি–“অন্যায়ের প্রতিবাদ করো, প্রতিরোধ করো, প্রয়োজনে নাও প্রতিশোধ” বমাই ভারতের এই উদ্যোগ বর্তমান সময়ে ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর গ্রহণযোগ্যতা এবং বাংলা-কাশ্মীর এর ক্ষেত্রে তার চিরস্মরণীয় অবদানকে যুবসমাজের মধ্যে প্ৰচার করতে সাহায্য করবে।

Continue reading
কলকাতায় ইসকনের রথ গড়াবে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানের চাকায়।
  • June 26, 2025

কোলকাতা ২৬ জুনঃ যুদ্ধবিমান সুখোই-৩০-এর চাকা নিয়ে এগিয়ে চলেছে জগন্নাথের রথ, বিশ্বশান্তির জন্য প্রার্থনায় মগ্ন কলকাতাবিশ্ব আজ উত্তেজনায় ভরা, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা যেন মাথার ওপর ভাসছে। এমন সময়ে কলকাতা এক অনন্য বার্তা নিয়ে প্রস্তুত — ‘শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক’। ইসকন কলকাতা-র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ঐতিহাসিক ৫৪তম বার্ষিক রথযাত্রা, যা শুধু ধর্মীয় উৎসবই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ঐক্যের এক ঐকান্তিক আবাহন।
গত বছরই কলকাতার রাস্তায় জগন্নাথের রথের সামনে এক বিরল দৃশ্য দেখা গিয়েছিল — যুদ্ধরত রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে আসা ভক্তরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নেচেছিলেন। বিশ্বের অধিপতি জগন্নাথ, যিনি সব সীমার উর্দ্ধে, তাঁর সামনে আমরা সবাই এক — এই শিক্ষাই যেন বার বার মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি।
এই বছরের রথযাত্রায় যুক্ত হয়েছে আরও এক অনন্য দৃষ্টান্ত। গত চার দশক ধরে জগন্নাথের রথ চলেছে বিখ্যাত Boeing 747 বিমান-এর চাকার ওপর। সেই চাকা ১৯৭৭ সাল থেকে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে ব্যবহৃত হওয়ার পর এবার বদলে ফেলা হয়েছে ভারতের সামরিক শক্তির গর্ব, সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান-এর নতুন চাকা দিয়ে।
যেসব চাকা আকাশে যুদ্ধের তীব্রতা সামলে নিতে পারে, সেগুলোই এবার কলকাতার বুকে জগন্নাথের রথ টেনে নিয়ে চলবে — যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে, পৃথিবী যতই যুদ্ধের জন্য প্রযুক্তি নিক, প্রকৃত শক্তি আসে ভগবানের প্রতি আত্মসমর্পণ ও শান্তির বাণী প্রচারের মাধ্যমেই।

এক বিশ্ব-উৎসব, যার মূল কলকাতায়আজ বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশে, ৪,০০০-এর বেশি স্থানে রথযাত্রা পালিত হচ্ছে, যা সম্ভব হয়েছে ইসকন-এর প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়। তাঁর শৈশবে কলকাতার বড়বাজারে রথযাত্রা দেখেই জন্ম নিয়েছিল এই বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন। ১৯৬৭ সালের ৯ই জুলাই আমেরিকার সানফ্রান্সিসকোতে প্রথম আন্তর্জাতিক রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বিশ্বের প্রতিটি শহরে জগন্নাথের রথ পরিভ্রমণ করুক, আর মানুষ একত্রিত হোক ভক্তি ও শান্তির বন্ধনে।
কলকাতার রথযাত্রা, যা পুরীর পরেই সবচেয়ে বড়, প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ মানুষকে আকৃষ্ট করে, এবং গোটা শহর রঙ্গীন হয়ে ওঠে ভক্তি, আনন্দ আর উৎসবের রঙে।

Continue reading

মিস করে যাওয়া

হিমাদ্রি মেমোরিয়াল ক্যান্সার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচালিত NCRI Hospital-এ দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আগত রেডিওথেরাপি রোগীদের জন্য বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা শুরু হয়েছে।
পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রা “পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রা সকলের হৃদয়ে আনন্দ, করুণা ও শান্তির বার্তা বয়ে আনুক।
জেআইএস এডুকেশন এক্সপো ২০২৬ – কল্যাণী সংস্করণে জ্ঞান, উদ্ভাবন ও ক্যারিয়ার গঠনের দিশায় এক অনন্য উদ্যোগ |
এপিএআই-ডব্লিউবি কলকাতায় নিয়ে এলো প্রি-কাউন্সেলিং ও শিক্ষা মেলা ২০২৬ |
চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস
চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস।