পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রা “পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রা সকলের হৃদয়ে আনন্দ, করুণা ও শান্তির বার্তা বয়ে আনুক।
  • July 15, 2026

ভারতের ভূমি-মন্দির সংস্কৃতির ঐতিহ্য” আজকের এই অশান্ত ও অস্থির পৃথিবীতে প্রতিটি হৃদয় ভরে উঠুক আনন্দ, পরিতৃপ্তি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও শান্তির আলোয়-এই আন্তরিক প্রার্থনাই পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রার মূল বার্তা। ইসকন কলকাতার উদ্যোগে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক মহোৎসবের রথের চাকা এগিয়ে চলেছে সমগ্র বিশ্বের মঙ্গল, মানবকল্যাণ, সম্প্রীতি, শান্তি ও আনন্দের প্রার্থনা নিয়ে। ভগবান শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা দেবীর করুণাময় আশীর্বাদে এই রথযাত্রা জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও ভাষার সকল ভেদাভেদ অতিক্রম করে মানবতার এক মহামিলনের আহ্বান জানায়।

কলকাতা রথযাত্রা ভারতের চিরন্তন আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক প্রাণবন্ত প্রকাশ, যেখানে মন্দির সংস্কৃতির পবিত্র ধারা রাজপথে জীবন্ত হয়ে ওঠে। এই উৎসব ভক্তি, সেবা, ঐক্য, সহমর্মিতা এবং সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির মতো ভারতের শাশ্বত মূল্যবোধকে ধারণ করে বিশ্ববাসীর সামনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

রথযাত্রা ভগবান শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের আশীর্বাদকে মন্দিরের সীমানা অতিক্রম করে সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয় এবং প্রত্যেককে ভারতের জীবন্ত আধ্যাত্মিক সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধ ও ভক্তিময় জীবনধারার অংশীদার হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানায়। সুসজ্জিত রথ, হরিনাম সংকীর্তন, ভক্তিমূলক সঙ্গীত, মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং মহাপ্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে কলকাতা রথযাত্রা বিশ্ববাসীর সামনে ভারতকে মন্দিরের ভূমি, চিরন্তন জ্ঞানের উৎস, সর্বজনীন প্রেম, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে।

আজ বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা, সংঘাত ও অনিশ্চয়তার আবহ বিরাজ করছে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা যেন মানবসভ্যতার মাথার ওপর ভাসমান। এমন এক সময়ে ইস্কন কলকাতা নিয়ে আসছে শান্তি, সম্প্রীতি, আশা ও মানবঐক্যের এক চিরন্তন বার্তা।

ইস্কন কলকাতার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ঐতিহাসিক পঞ্চান্নতম বার্ষিক কলকাতা রথযাত্রা। এটি শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বিশ্বমানবতার উদ্দেশ্যে শান্তি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের এক আন্তরিক আহ্বান। গত বছর কলকাতার রাজপথে আমরা এক বিরল ও হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের সাক্ষী ছিলাম। ভগবান শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথের সামনে রাশিয়া ও ইউক্রেনের ভক্তরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নৃত্য ও কীর্তনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দুই দেশের মানুষের সেই মিলন যেন এই সত্যকেই প্রতিষ্ঠা করেছিল-বিশ্বের অধিপতি জগন্নাথের সামনে জাতি, দেশ ও সীমান্তের সব বিভেদ মুছে যায়; আমরা সবাই এক বিশ্বপরিবারের সদস্য। গত বছর রথযাত্রার আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল রথের চাকার পরিবর্তন। বহু বছর ধরে ব্যবহৃত, বিখ্যাত বোয়িং ৭৪৭ বিমানের চাকার পরিবর্তে রথে সংযোজিত হয় সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানের চাকা। আকাশে যে
চাকা যুদ্ধের কঠিনতম পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য নির্মিত, সেই চাকা আজ ভগবান জগন্নাথের রথ বহন করছে-যুদ্ধের শক্তিকে শান্তির সেবায় উৎসর্গ করার এক অনন্য প্রতীক হিসেবেই আমরা এই বার্তা তুলে ধরেছিলাম।এ বছর আমাদের আহ্বান আরও গভীর। মানুষের মন যতই অশান্ত হোক, যতই হতাশা, বিভেদ ও অনিশ্চয়তা ঘিরে থাকুক না কেন, রথযাত্রার প্রার্থনা, হরিনাম সংকীর্তন এবং ভগবান জগন্নাথের করুণায় প্রতিটি হৃদয় ভরে উঠুক শান্তি, প্রশান্তি, সম্প্রীতি ও আনন্দে। কলকাতা রথযাত্রা আজ শুধু কলকাতার নয়, এটি এক বিশ্বউৎসব—যার স্পন্দন কলকাতা থেকে ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র বিশ্বের মানুষের হৃদয়ে।

বিশেষ আকর্ষণ এ বছরের পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রার অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হবে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়ের শুভ উপস্থিতি। তিনি ভগবান শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসবের শুভ সূচনা করবেন। ভারতীয় ঐতিহ্য অনুসারে তিনি ভগবানের রথের সম্মুখভাগে প্রতীকী ‘ছেড়া পাহাড়া’ (Chera Pahara) সেবায় অংশগ্রহণ করে স্বর্ণঝাড়ু দিয়ে পথ পরিশোধন করবেন। এরপর তাঁর হাতেই রথের প্রথম রশি টানার মাধ্যমে পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রার শুভ সূচনা হবে।

এই শুভ অনুষ্ঠানে অসংখ্য ভক্ত, বিশিষ্ট নাগরিক এবং দেশ-বিদেশ থেকে আগত দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে কলকাতা আবারও ভগবান শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের করুণা, শান্তি ও মানবকল্যাণের বার্তায় মুখরিত হয়ে উঠবে।

আজ বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশে, ৪,০০০-এর বেশি স্থানে রথযাত্রা পালিত হচ্ছে, যা সম্ভব হয়েছে ইসকন-এর প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়। তাঁর শৈশবে কলকাতার বড়বাজারে রথযাত্রা দেখেই জন্ম নিয়েছিল এই বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন। ১৯৬৭ সালের ৯ই জুলাই আমেরিকার সানফ্রান্সিসকোতে প্রথম আন্তর্জাতিক রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বিশ্বের প্রতিটি শহরে জগন্নাথের রথ পরিভ্রমণ করুক, আর মানুষ একত্রিত হোক ভক্তি ও শান্তির বন্ধনে। কলকাতার রথযাত্রা, যা পুরীর পরেই সবচেয়ে বড়, প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ মানুষকে আকৃষ্ট করে, এবং গোটা শহর রঙ্গীন হয়ে ওঠে ভক্তি, আনন্দ আর উৎসবের রঙে।

ইসকন কলকাতা ৫৫তম রথযাত্রা ও উল্টো রথের শোভাযাত্রার সময়সূচি ও রুট শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা তারিখ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ উদ্বোধনের সময়: দুপুর ১২টা শুরুর স্থান: ইসকন কলকাতা মন্দির, ৩জি, আলবার্ট রোেড, কলকাতা রুট: ইসকন কলকাতা মন্দির > হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট এ.জে.সি. বোস রোড শরৎ বসু রোড → হাজরা রোড → শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি (এস.পি. মুখার্জি) রোেড এক্সাইড ক্রসিং জওহরলাল নেহেরু (জে.এল. নেহেরু) রোড → আউটরাম রোেড ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড।

উল্টো রথ (বাহুড়া যাত্রা) তারিখ: শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ সময়: দুপুর ১২:০০টা থেকে শুরুর স্থান: ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড (আউটরাম রোেড, পার্ক স্ট্রিট মেট্রো সংলগ্ন) রুট: ব্রিগেড
প্যারেড গ্রাউন্ড আউটরাম রোেড জওহরলাল নেহেরু (জে.এল. নেহেরু) রোড → এসপ্ল্যানেড ক্রসিং এ.জে.সি. বোস রোড রোড → পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট ক্রসিং স্ট্রিট ইসকন কলকাতা মন্দির। মৌলালি ক্রসিং ফিলিপ্স মোেড় আনন্দ পালিত সৈয়দ আমির আলি অ্যাভিনিউ হাঙ্গারফোর্ড

রথযাত্রার বিশেষত্ব যেখানে ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশেছে আধুনিক প্রযুক্তি ইসকন কলকাতার রথযাত্রার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সার্থক সমন্বয়। তিনটি রথই ঐতিহ্যবাহী নকশা বজায় রেখে আধুনিক প্রকৌশল প্রযুক্তির সাহায্যে নির্মিত, যাতে কলকাতার ব্যস্ত নগরপথে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে শোভাযাত্রা সম্পন্ন করা যায়। শ্রীশ্রী

জগন্নাথদেবের রথ উচ্চতা: ৩৮ ফুট।কলকাতার সংকীর্ণ ও ব্যস্ত রাস্তায় চলাচলের সুবিধার্থে ভাঁজ করা যায় এমন ছাউনি (Foldable Canopy) সংযোজিত।গত বছর রথে সংযোজিত হয়েছে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানের শক্তিশালী চাকা, যা ১৯৭৭ সাল থেকে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক বোয়িং ৭৪৭ বিমানের চাকার পরিবর্তে স্থাপন করা হয়েছে। শ্রীশ্রী সুভদ্রা দেবীর রথ তিনটি রথের মধ্যে আকারে সবচেয়ে ছোট। ভাঁজ করা যায় এমন নকশা এবং মজবুত লোহার চাকার সমন্বয়ে নির্মিত।

শ্রীশ্রী বলরামজীর রথ

উচ্চতা: ৩৬ ফুট।চারটি প্রায় সাড়ে চার ফুট ব্যাসের শক্তিশালী লোহার চাকা রথটিকে অধিক স্থিতিশীল ও দৃঢ়তা প্রদান করে।রথের সামনে দক্ষ দক্ষিণ ভারতীয় শিল্পীরা তৈরি করবেন মনোমুগ্ধকর রঙ্গোলী বা রাস্তার আলপনা, প্রাকৃতিক রঙের আবীর ব্যবহার করে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংকীর্তন শিল্পীরা, ডজন খানেক মৃদঙ্গ ও করতালের সঙ্গে, গর্জন তুলবেন কীর্তনের। শিশুদের ঝাঁকি, প্রসাদ বিতরণ বাস, আর লক্ষ লক্ষ ভক্তের আনন্দঘন উপস্থিতিতে কলকাতা রূপ নেবে এক বিশাল আধ্যাত্মিক মেলার।

ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জগন্নাথ মহামেলা ১৭ জুলাই (শুক্রবার) থেকে ২৩ জুলাই

Continue reading
চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস
  • July 2, 2026

কলকাতা ২ জুলাই ২০২৬ : আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কূটনীতির মাধ্যমে ভারত–চীন সংলাপের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে আরও সুদৃঢ় করে চীনের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম ২০২৬-এর সপ্তম অধিবেশন সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ার পর কলকাতায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়, যেখানে বিশিষ্ট সমাজউদ্যোক্তা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রবক্তা ডা. চৈতালি দাস চীন–দক্ষিণ এশিয়া চিন্তক ফোরাম-এ ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের কলকাতাস্থ কনসাল জেনারেল মহামান্য সু ওয়েই। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সেই সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা, যারা আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন।

ইউনান প্রদেশের বৈদেশিক বিষয়ক দপ্তরের আমন্ত্রণে ডা. চৈতালি দাস বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট চিন্তাবিদদের উদ্দেশে সুস্থতা, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব পণ্য, আঞ্চলিক স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা, পরিবেশভিত্তিক পর্যটন, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, গ্রামীণ প্রশাসন, নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

তাঁর বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল চীন–দক্ষিণ এশিয়া ক্যানসার চিকিৎসা বিনিময় কর্মসূচি গঠনের প্রস্তাব। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হবে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হাসপাতাল, গবেষক ও ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি ক্যানসার গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসাবিষয়ক জ্ঞান বিনিময় এবং ক্যানসারজয়ীদের চিকিৎসা-পরবর্তী মানসিক পুনর্বাসনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা।

WhatsApp Image 2026 07 02 at 17.56.25

ডা. দাস তাঁর বক্তব্যে যোগব্যায়াম ও তাই চি-র মতো ঐতিহ্যবাহী সুস্থতা চর্চার মাধ্যমে ভারত ও চীনের অভিন্ন সভ্যতাগত ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন। একইসঙ্গে ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটন, টেকসই জীবিকা, গ্রামীণ উদ্ভাবন এবং নারী নেতৃত্বাধীন সামাজিক উদ্যোগের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে ডা. চৈতালি দাস বলেন, “চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম প্রমাণ করেছে যে টেকসই উন্নয়নের সর্বোত্তম পথ হলো সংলাপ, জ্ঞান বিনিময় এবং মানুষকেন্দ্রিক অংশীদারিত্ব। আমার বিশ্বাস, স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত ও চীন আরও শক্তিশালী সহযোগিতার সেতুবন্ধন গড়ে তুলে এই অঞ্চলের জন্য আরও সুস্থ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে।”

ফোরামের সমাপ্তিতে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক সংযোগ এবং সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততার ওপর নতুন করে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এর মাধ্যমে ভারত ও চীনের মধ্যে গঠনমূলক সহযোগিতার সম্ভাবনা আরও জোরদার হওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে দীর্ঘমেয়াদি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

Continue reading
চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস।
  • July 2, 2026

1000620883

২ জুলাই ২০২৬ কলকাতা: আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কূটনীতির মাধ্যমে ভারত–চীন সংলাপের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে আরও সুদৃঢ় করে চীনের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম ২০২৬-এর সপ্তম অধিবেশন সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ার পর কলকাতায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়, যেখানে বিশিষ্ট সমাজউদ্যোক্তা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রবক্তা ডা. চৈতালি দাস চীন–দক্ষিণ এশিয়া চিন্তক ফোরাম-এ ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের কলকাতাস্থ কনসাল জেনারেল মহামান্য সু ওয়েই। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সেই সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা, যারা আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন।

ইউনান প্রদেশের বৈদেশিক বিষয়ক দপ্তরের আমন্ত্রণে ডা. চৈতালি দাস বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট চিন্তাবিদদের উদ্দেশে সুস্থতা, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব পণ্য, আঞ্চলিক স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা, পরিবেশভিত্তিক পর্যটন, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, গ্রামীণ প্রশাসন, নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

তাঁর বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল চীন–দক্ষিণ এশিয়া ক্যানসার চিকিৎসা বিনিময় কর্মসূচি গঠনের প্রস্তাব। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হবে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হাসপাতাল, গবেষক ও ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি ক্যানসার গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসাবিষয়ক জ্ঞান বিনিময় এবং ক্যানসারজয়ীদের চিকিৎসা-পরবর্তী মানসিক পুনর্বাসনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা।

ডা. দাস তাঁর বক্তব্যে যোগব্যায়াম ও তাই চি-র মতো ঐতিহ্যবাহী সুস্থতা চর্চার মাধ্যমে ভারত ও চীনের অভিন্ন সভ্যতাগত ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন। একইসঙ্গে ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটন, টেকসই জীবিকা, গ্রামীণ উদ্ভাবন এবং নারী নেতৃত্বাধীন সামাজিক উদ্যোগের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে ডা. চৈতালি দাস বলেন, “চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম প্রমাণ করেছে যে টেকসই উন্নয়নের সর্বোত্তম পথ হলো সংলাপ, জ্ঞান বিনিময় এবং মানুষকেন্দ্রিক অংশীদারিত্ব। আমার বিশ্বাস, স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত ও চীন আরও শক্তিশালী সহযোগিতার সেতুবন্ধন গড়ে তুলে এই অঞ্চলের জন্য আরও সুস্থ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে।”

ফোরামের সমাপ্তিতে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক সংযোগ এবং সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততার ওপর নতুন করে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এর মাধ্যমে ভারত ও চীনের মধ্যে গঠনমূলক সহযোগিতার সম্ভাবনা আরও জোরদার হওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে দীর্ঘমেয়াদি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

Continue reading
শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য সুখবর মিলছে বেশকিছু এসি লোকাল আরো বেশ কিছু নতুন ট্রেন নিত্যযাত্রীদের সুবিধের কথা মাথায় রেখেই রেল কর্তৃপক্ষের এই বিরাট ঘোষণা।
  • July 2, 2026

কলকাতা: ০১ জুন ২০২৬:ক্রমবর্ধমান যাত্রীর চাপ সামলাতে এবং ব্যস্ত সময়ে যাতায়াত সহজ করতে, পূর্ব রেলওয়ের শিয়ালদহ বিভাগ তাদের উপশহরের ট্রেন নেটওয়ার্ক উন্নত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাত্রীদের চাহিদার বিশদ মূল্যায়নের ভিত্তিতে, শিয়ালদহ বিভাগ যাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য নতুন ট্রেন এবং বর্ধিত পরিষেবা চালু করছে, যা ০৬.০৭.২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।বিভাগের ঘনবসতিপূর্ণ উপশহর এলাকাগুলোতে ভিড় কমানো এবং যাতায়াতের নির্ভরযোগ্যতা জোরদার করার লক্ষ্যে, বিভাগভিত্তিক উপশহর সংযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন ও সম্প্রসারিত পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

নতুন এসি লোকাল (শিয়ালদহ – বারাসাত): এই অত্যন্ত ঘন ঘন সেকশনে একটি আপগ্রেড, আরামদায়ক যাতায়াত প্রদানের জন্য একটি প্রিমিয়াম এসি ইএমইউ লোকাল পরিষেবা চালু করা হচ্ছে৷ ট্রেনটি থামবে বিধাননগর রোড (বিএনএক্সআর), দম দম জন (ডিডিজে), দম দম সেনানিবাস (ডিডিসি), বিরাটি (বিবিটি), এবং মধ্যমগ্রাম (এমএমজি)। শিয়ালদহ থেকে পরিষেবা 10:33 টায় ছাড়ে, যখন ফিরতি পরিষেবা বারাসত থেকে 11:29 টায় ছাড়ে।হাসনাবাদের জন্য মেট্রো সংযোগ: সন্ধ্যার প্রচণ্ড ভিড় সামাল দেওয়ার জন্যহাসনাবাদ সেকশন, ৩৩৩১৯ বারাসাত (বিটি) হাসনাবাদ (এইচএনবি) এখন থেকে বারাসাতের পরিবর্তে দমদম ক্যান্টনমেন্ট (ডিডিসি) থেকে ১৭:২৪ ঘটিকায় যাত্রা শুরু করবে এবং ১৯:২০ ঘটিকায় হাসনাবাদে পৌঁছাবে। এর ফলে যাত্রীরা মেট্রো থেকে একটি সরাসরি ও সহজ সংযোগ পাবেন এবং বারাসাত-দমদম ক্যান্টনমেন্ট লোকালের নতুন পরিষেবাও চালু করা হয়েছে।এটি হবে দমদম ক্যান্টনমেন্ট (ডিডিসি) থেকে বনগাঁ (বিএনজে)/হাসনাবাদ (এইচএনবি) পর্যন্ত ব্যস্ততম সময়ে মেট্রোর সাথে সংযোগ স্থাপনকারী তৃতীয় পরিষেবা।

WhatsApp Image 2026 07 02 at 08.25.41

শিয়ালদহ ডায়মন্ড হারবার সেকশন: সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে পরিষেবা জোরদার করতে, শিয়ালদহ (১৮:২০) – ডায়মন্ড হারবার (২০:০১) এবং ডায়মন্ড হারবার (২০:২০) – সোনারপুর (২১:১৪) রুটে ২টি অতিরিক্ত সার্ভিস যোগ করা হচ্ছে এবং নির্ভরযোগ্য দৈনিক যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য সোনারপুর-ডায়মন্ড হারবার লোকাল ও ডায়মন্ড হারবার-শিয়ালদহ লোকালের মতো বিশেষ ট্রেনগুলোকে নিয়মিত করা হচ্ছে।শিয়ালদহ ক্যানিং সেকশন: ট্রেন ৩৪৪২০ শিয়ালদহ-সোনারপুর লোকালটি ক্যানিং পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হচ্ছে (এটি শিয়ালদহ থেকে সকাল ০৯:৫০ মিনিটে ছাড়বে)। এছাড়াও, একটি নতুন ক্যানিং-সোনারপুর লোকোমোটিভ চালু হবে, যা ক্যানিং থেকে সকাল ১১:৩০ মিনিটে ছাড়বে। ইতিমধ্যে স্পেশাল হিসেবে চলমান পরিষেবাগুলিকে নিয়মিত করা হবে।বারুইপুর – লক্ষ্মীকান্তপুর সেকশন: সন্ধ্যায় আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছানোর জন্য বিদ্যমান পরিষেবাগুলি সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। শিয়ালদহ-বারুইপুর লোকাল এখন লক্ষ্মীকান্তপুর পর্যন্ত চলবে, শিয়ালদহ থেকে ১৯:৫৬ মিনিটে ছেড়ে ২১:২৭ মিনিটে লক্ষ্মীকান্তপুর পৌঁছাবে এবং বারুইপুর-সোনারপুর পরিষেবাটি এখন লক্ষ্মীকান্তপুর থেকে ২১:৩৫ মিনিটে ছেড়ে ২২:৩৮ মিনিটে সোনারপুর পৌঁছাবে।

শিয়ালদহ-কৃষ্ণনগর-শান্তিপুর সেকশন।শিয়ালদহ কৃষ্ণনগর সেকশন: কৃষ্ণনগরের দিকে গভীর রাতের ট্রেনের অভাব মেটাতে, শিয়ালদহ বিভাগ পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ-রানাঘাট লোকাল (৩১৬২৯) ট্রেনটিকে রাত ১০:০৮ মিনিটে শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে কৃষ্ণনগর (রাত ১২:২৩) পর্যন্ত চালাবে। ফিরতি পথে, ট্রেন ৩১৬১৪ এখন থেকে রানাঘাটের পরিবর্তে কৃষ্ণনগর থেকে ভোর ৫:৩৪ মিনিটে সপ্তাহে ৫ দিন (সোমবার থেকে শুক্রবার) যাত্রা শুরু করবে।

আমঘাটার সাথে সরাসরি যোগাযোগ: ট্রেন 31585 (রানাঘাট-শান্তিপুর-দিগ্ননগরের যাত্রীদের সুবিধার জন্য কৃষ্ণনগর লোকাল ট্রেনটি আমঘাটা (AHT) পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়েছে। একটি নতুন আমঘাটা-কৃষ্ণনগর লোকালও চালু হবে, যা আমঘাটার যাত্রীদের শিয়ালদহ ও শান্তিপুরগামী ট্রেনের সাথে নির্বিঘ্নে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করবে।

WhatsApp Image 2026 07 02 at 08.20.44

শিয়ালদহের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, এই নতুন পরিকল্পনাটি যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতের চাহিদার সরাসরি প্রতিক্রিয়া এবং এটি ব্যস্ততম সময়ের ভিড় কমানো, আরও ভালো আরাম প্রদান এবং মসৃণ মেট্রো সংযোগ নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমরা আমাদের যাত্রীদের কথা ক্রমাগত শুনতে এবং তাদের দৈনন্দিন যাত্রা নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ ও সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত করতে আমাদের নেটওয়ার্ক উন্নত করার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও বেশি মেল/এক্সপ্রেস ট্রেন পরিচালনার জন্য সার্কুলার লাইন শহরতলি পরিষেবার পুনর্গঠন- একটি প্রধান কোচিং টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা।সকাল ও সন্ধ্যার ব্যস্ততম সময়ে চলাচলকারী শহরতলির ট্রেনগুলো প্রভাবিত হয়নি।অফ-পিক সময়ে তালা স্টেশন থেকে ট্রেন ছেড়ে দিয়ে দূরপাল্লার ট্রেনের জন্য প্ল্যাটফর্ম ১ উপলব্ধ করতে ১১:১৫ থেকে ১৭:১৫ পর্যন্ত ৬ ঘণ্টার একটি করিডোর তৈরি করা হচ্ছে।ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা উন্নত করতে এবং টার্মিনালের ভিড় কমাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে, পূর্ব রেলওয়ের শিয়ালদহ বিভাগ সার্কুলার রেললাইনে তাদের উপশহর পরিষেবাগুলির একটি কৌশলগত পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করেছে।

সার্কুলার লাইনের এই পুনর্গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দূরপাল্লার মেল, এক্সপ্রেস এবং ট্রেন অন ডিমান্ড (টিওডি) পরিষেবার ক্রমাগত বৃদ্ধির কারণে কলকাতা স্টেশনে (KOAA) সৃষ্ট প্ল্যাটফর্মের তীব্র সংকট নিরসন করা। বর্তমানে, স্টেশনটির একমাত্র প্ল্যাটফর্ম, প্ল্যাটফর্ম নং ১—যেটির সাথে সরাসরি কনকোর্সে প্রবেশের সুবিধা রয়েছে—প্রতিদিন সকাল ৭:৩০ থেকে রাত ৯:০০ পর্যন্ত শুধুমাত্র শহরতলির ট্রেন চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য প্ল্যাটফর্মগুলো ইতোমধ্যেই প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবহৃত হওয়ায়, প্ল্যাটফর্মের অভাবে দূরপাল্লার যাত্রীরা বিলম্ব ও ভিড়ের সম্মুখীন হচ্ছেন।

এছাড়াও, গঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে দমদম জংশন থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত ১৮.৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এক লাইনের অংশটি গুরুতর স্থানীয় বিভাগীয় সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন। এর মধ্যে রয়েছে ১৭টি লেভেল ক্রসিং, তীক্ষ্ণ ভৌগোলিক বাঁকের কারণে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটারের কঠোর গতিসীমা, ঘনবসতি এবং প্রতিমা বিসর্জনের মতো উৎসবের সময় ঘন ঘন পরিষেবা বন্ধ থাকা।

সার্কুলার লাইনের শহরতলির ট্রেন পরিষেবায় বড় পরিবর্তন|বর্তমানে অফ-পিক আওয়ারে যাত্রীসংখ্যা খুবই কম থাকে, সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করা হচ্ছে যে, সকাল ও সন্ধ্যার ব্যস্ততম সময়ের সমস্ত যাত্রীবহুল পরিষেবা সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকবে, যাতে নিত্যযাত্রীরা ব্যস্ত সময়ে কোনো অসুবিধার সম্মুখীন না হন। তবে, সকাল ১১:১৫ থেকে বিকাল ৫:১৫ পর্যন্ত পরিষেবা পুনর্গঠন করা হবে, যাতে এই সময়ে KOAA স্টেশনের উপর দিয়ে কোনো শহরতলির ট্রেন না যায় এবং প্ল্যাটফর্ম ১-এ দূরপাল্লার মেল/এক্সপ্রেস ট্রেন পরিচালনার জন্য ৬ ঘণ্টার একটি ব্লক পাওয়া যায়। এই সময়ে ট্রেনগুলি তালা স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবে এবং সেখানেই শেষ করবে, যা KOAA থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত এবং আর. জি. কর মেডিকেল কলেজ ও বাজার এলাকার কাছাকাছি হওয়ায় নিত্যযাত্রীদের জন্য আরও সুবিধাজনক।

অফ-পিক সময়ের জন্য নির্ধারিত সমন্বয়গুলোর মধ্যে রয়েছে:নতুন পরিষেবা: মাঝেরহাট (MJT) ও তালার মধ্যে একটি নতুন উপশহর ট্রেন চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।বর্ধিতকরণ ও পুনঃনির্ধারণ: ৩০৪১১ এখন থেকে মাজহারহাত হয়ে তালা-শিয়ালদহ রুটে চলাচল করবে (পূর্বে যা বি.বি.ডি. বাগ থেকে শিয়ালদহ রুটে চলত)।আরেকটি সার্ভিস ৩০৩৩৩ এখন থেকে বি.বি.ডি. বাগ থেকে যাত্রা শুরু করে হাবরার পরিবর্তে বালিগঞ্জ-কাঁকুরগাছি হয়ে বনগাঁ (বিএনজে)-তে বর্ধিত গন্তব্যস্থলে যাবে।

রুট পরিবর্তন: ৩০১২১ (মাঝেরহাট-নৈহাটি) এবং ৩০৩১২ (বারাসাত-মাঝেরহাট), যেগুলি আগে সার্কুলার লাইন দিয়ে চলত, সেগুলি এখন সার্কুলার লাইন এড়িয়ে কাঁকুরগাছি-বালিগঞ্জ হয়ে চলবে।

সংক্ষিপ্ত পরিসমাপ্তি: যানজট এড়ানোর জন্য কিছু অফ-পিক পরিষেবা সময়ের আগেই শেষ হবে। উদাহরণস্বরূপ, ৩০৩৪৬ (বনগাঁ-মাঝেরহাট) মাঝেরহাটের পরিবর্তে বারাসাত (বিটি)-তে এবং ৩০১২২ (নৈহাটি-বালিগঞ্জ) বালিগঞ্জের পরিবর্তে বি.বি.ডি. বাগে সংক্ষিপ্তভাবে পরিসমাপ্ত হবে।

৩০১১১ শর্ট নামটি সুবিধার জন্য ব্যালিগঞ্জের পরিবর্তে বি.বি.ডি. ব্যাগ থেকে উদ্ভূত হয়েছে।

যে তারিখ থেকে এই পরিবর্তনগুলি কার্যকর হবে, তা বিস্তারিত সময়সূচী সহ পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে। এইভাবে, ব্যস্ততাহীন সময়ে কলকাতা টার্মিনালের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মকে উন্মুক্ত করে, এই বিভাগটি ব্যস্ততম সময়ের ট্রেনগুলিকে প্রভাবিত না করে সকলের জন্য একটি মসৃণ ও আরও কার্যকর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্য রাখে। প্রধান সুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে:স্টেশনের সর্বোত্তম ধারণক্ষমতা: কলকাতা স্টেশনের ৫টি প্ল্যাটফর্মই দক্ষতার সাথে এবং সুষম ধারণক্ষমতায় ব্যবহার করা হবে।উন্নত সময়ানুবর্তিতা: দূরপাল্লার মেল/এক্সপ্রেস ট্রেন এবং ট্রেন অন ডিমান্ড (টিওডি)-এর সময়ানুবর্তিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।মসৃণতর কার্যক্রম: লোকোমোটিভের ক্রসিং এবং শান্টিং চলাচল হ্রাস করার মাধ্যমে পরিচালনগত সংঘাত ও বিলম্ব কমবে।যানজট নিরসন: দমদম জংশন এবং শিয়ালদহ (দক্ষিণ)-এর যানজট নিরসন করা হলে সারা নেটওয়ার্ক জুড়ে রেল চলাচল আরও নিরাপদ ও সময়ানুবর্তী হবে।একটি আরও নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমাদের কার্যক্রমে শিয়ালদহ বিভাগ তার যাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করছে।

Continue reading
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে তামাকবিরোধী বার্তায় একত্রিত কলকাতা |
  • May 31, 2026

তামাকাসক্তির বিরুদ্ধে জোরালো বার্তা ছড়িয়ে দিতে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কলকাতার অন্যতম বৃহৎ জনসচেতনতামূলক উদ্যোগের আয়োজন করল শহরের শীর্ষস্থানীয় ফিটনেস ও সুস্থতা বিষয়ক সংস্থা সৌমেন’স ওয়ার্কআউট। জাগো ইন্ডিয়া জাগো ফিটনেস ক্যাম্পেইন-এর সহযোগিতায় রবিবার সফলভাবে আয়োজিত হলো বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস সচেতনতা র‍্যালি-র ১৬তম সংস্করণ।

“আকর্ষণের মুখোশ উন্মোচন – নিকোটিন ও তামাকাসক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ”— বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৬ সালের এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত র‍্যালিটি শুরু হয় এসপ্ল্যানেডের রানি রাসমণি রায় মোড় থেকে এবং শেষ হয় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন শতাধিক ফিটনেসপ্রেমী, ছাত্রছাত্রী, যুব স্বেচ্ছাসেবক, সমাজকর্মী এবং স্বাস্থ্যসচেতন নাগরিক।

অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল নাটকীয়ভাবে উপস্থাপিত “তামাক ভূত”, যার ভয়াবহ দৃশ্যায়নের মাধ্যমে তামাকাসক্তির মারণগ্রাসকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়। এই অভিনব উপস্থাপনা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অংশগ্রহণকারীরা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও সচেতনতামূলক বার্তা বহন করেন, মানববন্ধন গড়ে তোলেন এবং তামাকমুক্ত থাকার পাশাপাশি অন্যদেরও সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করার শপথ গ্রহণ করেন।

WhatsApp Image 2026 05 31 at 18.33.39

এই প্রচারাভিযানে জনস্বাস্থ্যের একাধিক উদ্বেগজনক দিক তুলে ধরা হয়। গ্লোবাল ইয়ুথ টোব্যাকো সার্ভে ২০১৯ অনুযায়ী, ভারতে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ৮.৪ শতাংশ স্কুলপড়ুয়া শিশু তামাক ব্যবহার করে। অন্যদিকে, তামাকজনিত রোগের কারণে দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩,৬০০ মানুষের মৃত্যু ঘটে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তামাক সেবনের ফলে ক্যানসার, হৃদ্‌রোগ, দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসজনিত রোগ, স্ট্রোকসহ একাধিক প্রাণঘাতী অসুস্থতার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার হন ধূমপান না-করা মানুষও, বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণরা।

এই উপলক্ষে সৌমেন’স ওয়ার্কআউট-এর কর্ণধার শ্রী সৌমেন দাস বলেন, “টানা ষোলো বছর ধরে এই র‍্যালি শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি সামাজিক পরিবর্তনের এক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তামাকের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয় সচেতনতা ও ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের মাধ্যমে। যদি আমরা একজন তরুণকেও আসক্তির পথ থেকে সরিয়ে সুস্থ জীবন ও ফিটনেসের পথে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করতে পারি, তবে একটি সুস্থ, শক্তিশালী ভারত গড়ার লক্ষ্যে আমরা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাব।”

আয়োজকরা জানান, বার্ষিক এই র‍্যালির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, স্থূলতাবিরোধী দিবস এবং দেশব্যাপী জাগো ইন্ডিয়া জাগো অভিযানের মতো বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সারা দেশে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা ও ফিটনেস সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

WhatsApp Image 2026 05 31 at 18.28.16

Continue reading
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত দলের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন শুভেন্দু অধিকারী।
  • May 10, 2026

অজিতা মুখার্জী(স্পেশাল করসপন্ডেন্ট)

কলকাতা, ৯ মে ২০২৬:পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনের চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।

DSC

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।

DSC

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।

DSC

পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।

DSC

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।

DSC

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।পশ্চিমবাংলার গত কয়েক দিনে চাপা উত্তেজনার পরে কলকাতার নিউ টাউনে অমিত শাহের হাত ধরে রাজ্যের বিজেপি দলোনেতা নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা ব্যানার্জি কে হারিয়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী , ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ ৯ই মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার সঙ্গে শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রি সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের কুড়িজন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই শনিবার শপথ নিয়েছেন আরো পাঁচজন মন্ত্রী। তারা হলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনীয়া, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু।

DSC

Continue reading
ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |
  • April 8, 2026

কলকাতা, ৭ই এপ্রিল, ২০২৬ : আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক সামাজিক বিঘ্নতা কা আইন ফেরত সরকার ইউজিসি রোলব্যাক মহাঅভিয়ান বিজয় কৌশিক সম্পাদক মহোদয়কে মূলনীতিতে জাতীয় সভাপতি শ্রী বিজয় কৌশিক জির নেত্রে দেশব্যাপি জন জাগরণ অভিযান প্রেস কথোপকথন প্রস্তাবিত ইউজিসি আইন কোজ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভারী অসমতোষ ব্যাপ্ত হচ্ছে 13 জানুয়ারী থেকে জানুয়ারিতে এই বিষয়ের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং সরকার এই আইনের পুনর্বিবেচনা করার জন্য আমরা চাই কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোন পালন করা হয় না কি করা হয়েছে তাই মজবুর হোকর দেশব্যাপি জন জাগরণ অভিযান চলিয়া যায় সতর্কতা সৃষ্টি কর এবং আপনার গুরুত্বপূর্ণ অনুরোধ জানাতে তিনি সর্বোচ্চ আদালতকে ধন্যবাদ জানান ব্যবসায়িকভাবে বলা হয়েছে যে কেন্দ্র সরকার দ্বারা দেওয়া হয়েছে কিছু সময়ের মধ্যে সমাধানের প্রত্যাশা দেশের জনগণ করছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত সরকারকেও কোনো পজিটিভ রুখ দেখতে পাওয়া যায় না তারা সরকার থেকে সংলাপ স্থাপন করে প্রবর্তিত নিয়মকানুন আবারও গ্রহণ করে কিন্তু সরকার কি নমক কাজ কিতন কারণে আজ দেশকে সনা ভাইয়ের নামক কোন মজবুর করতে হবে। আজ পর্যন্ত কোন আন্দোলন হয়নি এবং সরকার আপনার ব্যাংক সাধনার খাতির কিছু রাজ্য নির্বাচনের কারণে দেশের জনগণের মোহরা তৈরি করা হয়েছে এই বিল থেকে জাতিকে মধ্য থেকে অনেক খাই বান্টেনে। কা কাজ হয়েছে এবংসনাতনকে সহজ করার কাজ করা হয়েছে দেশটির জনসাধারণ এই বিলের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ আমার দেশের জনগণ সননী এবং ঈশ্বরের রামকে মানতে হবে, তিনি কখনই এই আইনের সমর্থন করবেন এবং ভাই সে ভাই। উধার নিয়মে জড় থেকে খাড় ছুঁড়ে, তাই সরকার থাকবেন এই বিল এই ইউজিসি এর রেকর্ডটি রোলব্যাক করুন কোন দেশ এবং প্রকাশ হবে।

WhatsApp Image 2026 04 08 at 01.41.23

কৌশিক জি বলেছে যে দেশকে যুবকের ভবিষ্যতের সাধারণ শ্রেণির কাছে হার বার সরকারকে দেওয়া হয়েছে তাকে নোটবন্দী করে করোনার মতো পরিস্থিতিও সঙ্গে দেওয়া আছে কিন্তু সরকার সাধারণ শ্রেণির জন্ম অপরাধী কা ঠাপ লাগাতে তারা আপনাকে দেয় তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এই আন্দোলনের মাধ্যম থেকে ইচ্ছাগুলোকে লোকতান্ত্রিক পদ্ধতি থেকে রাখছে আছে, তারা স্থানীয় লোকদের থেকে আপিলের এই আইনের পূর্বজোট ঘোষণা করে দেশকে বিরোধিতা করে দেশকে বিরোধিতা করে জাতিসত্তা ও সনাতন ও স্বাধীনতার স্বাধীনতার আইনকে এই রোব্যাক করতে হবে না তা সরকারের কোনো রাষ্ট্র উগ্র আন্দোলন হতে পারে। পরিষ্কারভাবে বলেছে যে একই রকমের ভবিষ্যত পরের পর আমরা চুপ না বন করতে পারি। এটা দেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্ন আছে, দেশের সাধারণ অবস্থা স্বাভাবিক শান্তির সাথে থাকে, নোটবন্দী হয়, বন্দী হয়, যেমন দেশের শান্তির সাথে সংঘটিত সমাজের সকল মমীশদের এবং সমাজ থেকে আবাহন উঠো জাগো এবং আপনার হক মঙ্গল এখনও করতে পারে না বুলন্দ, আমাদের হক মাঙ্গতে। না কোন থেকেও চাই পছন্দের নারোরা থেকে গুঞ্জা মহৌল দেশের আজাদীর পরে ৮ মার্চ ২৬ গিফ্টারিয়ান দিন হয়েছে এবং গ্রুপের ইনক্লাব জিন্দবাদ নারে হয়েছে আমরা রামলীলা হাইরন্দর প্রদর্শনী কে গিফট থি এবং লক্ষকে লক্ষ লোককে রোখা হয়েছে, বিরাজের বিরুদ্ধে দেশহার, সহ অন্যান্য রাজ্যে ইউজিসি বিলপি আন্দোলনের বিরুদ্ধে। সরকারের সময় কো ইউজিসি কালে আইন রোলব্যাক করা জাতীয় হবে হিন্দু মহাসভার জাতীয় মহা সুর যোগেশ শর্মা জি বলেছেন যে কৌশিক জিকে সারা দেশে অনেক জায়গায় যেতে হবে , সংবর্ধিত নৈত্যক ব্যক্তিত্বশীলতা কি তিনি আপনার সন্তানের নেতৃত্বে আছেন ভুবিষ্যৎ এর জন্য অগ্রগতি ইউজিসি রোলব্যাক মহাজন যোগাযোগে বাতি অংশ নিতে এবং সরকারকে তার কাছে একজুট হয়ে উঠার জন্য কোনো চাপ তার আওয়াজকে বুলন্দ করুন। আপনি আমাদের দেশে আসতে পারেন এবং কোনো দেশও খাই না এবং সমরতা বনী। প্রেস কথোকথনে আশিষ গুপ্তা, বেদ আলো দীক্ষিত, নীতা শর্মা, রবিন্দ্র নরুকা, মেঘাশ্রী সুজিত রায়, কিশন বান,এবং অন্যান্য লোকের প্রেসার সংবিধান করা হয়েছে।

Continue reading
“কলকাতা, হাওড়া পৌরসভা ও পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্যব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২৬ মেনে চলার করণীয় কর্মপন্থা। পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা।“
  • April 6, 2026

কলকাতাঃ৪ এপ্রিলঃ-২০২৬ সালের ১লা এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (এসডব্লিউএম) বিধিমালা, ২০২৬, যা ২০১৬ সালের বিধিমালাকে প্রতিস্থাপন করেছে, তাতে নগর সংস্থা (ইউএলবি) এবং বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদনকারীদের ভূমিকায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। অধিকন্তু, বিধিমালা পালনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কর্মসূচিতে পরিবেশগত এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (এসডব্লিউএম) সংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে ধরে না।
এই সংবাদ সম্মেলনে দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে:
১. কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (SWM) বিধি ২০২৬-এর পরিবর্তনসমূহ এবং তা মেনে চলার ক্ষেত্রে নগর সংস্থা (ULB) ও বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব।
২. কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো যে বিষয়গুলো উত্থাপন করতে পারে।
ক. প্রধান পরিবর্তনগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত, যা নগর সংস্থাগুলিকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

  1. উৎসস্থলে কঠিন বর্জ্যের চার-বিনে পৃথকীকরণ, বর্জ্যকে নিম্নলিখিতভাবে পৃথক করতে হবে:
    ক) ভেজা পচনশীল বর্জ্য (সবুজ বিন) এর মধ্যে রয়েছে রান্নাঘরের বর্জ্য, শাকসবজি, ফলের খোসা, মাংস, ফুল ইত্যাদি, যা নিকটতম কেন্দ্রে কম্পোস্ট বা বায়ো-মিথেনেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রস্তুত করতে হবে।
    খ) শুকনো পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য (নীল বিন) এর মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিক, কাগজ, ধাতু, কাচ, কাঠ এবং রাবার ইত্যাদি, যা বাছাই এবং পুনর্ব্যবহারের জন্য মেটেরিয়াল রিকভারি ফ্যাসিলিটিজ (MRFs)-এ পরিবহন করতে হবে।
    গ) স্যানিটারি বর্জ্য (লাল বিন) এর মধ্যে রয়েছে ব্যবহৃত ডায়াপার, স্যানিটারি প্যাড ও টাওয়েল, ট্যাম্পন, কনডম ইত্যাদি, যা এই পণ্যগুলির প্রস্তুতকারক বা ব্র্যান্ড মালিকদের সরবরাহ করা পাউচে সুরক্ষিতভাবে মুড়িয়ে রাখতে হবে;
    ঘ) বিশেষ পরিচর্যার বর্জ্য (কালো বিন) এর মধ্যে রয়েছে রঙের ক্যান, বাল্ব, পারদ থার্মোমিটার, ঔষধপত্র ইত্যাদি, যা অনুমোদিত সংস্থা দ্বারা সংগ্রহ করতে হবে অথবা নির্ধারিত সংগ্রহ কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।
  2. নগর সংস্থা কর্তৃক সংগ্রহ, পৃথকীকরণ এবং বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র (MRF) –
    ক) সংগ্রহ ও পরিবহনের সময় বর্জ্যের বিভিন্ন ধারার মিশ্রণ যাতে না ঘটে এবং নির্ধারিত বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত তা পৃথক থাকে, তা নিশ্চিত করা;
    খ) কঠোর ‘দূষণকারীই পরিশোধ করবে’ নীতি অনুযায়ী পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ এবং বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদনকারীদের (BWGs) জন্য বর্ধিত জবাবদিহিতা।
    গ) বর্জ্য সংগ্রহকারী যানবাহনে বাধ্যতামূলক ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হবে।
    ঘ) কেন্দ্রীভূত ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ: বর্জ্য নিষ্কাশন এবং নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়টি ট্র্যাক করার জন্য খণ্ডিত ম্যানুয়াল রিপোর্টিং-এর পরিবর্তে সিপিসিবি (CPCB) পরিচালিত একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে।
    ঙ) কঠোর প্রয়োগ ও জরিমানা: পৌরসভার উপ-আইনের উপর নির্ভরতার বাইরে গিয়ে, নিয়ম না মানার জন্য ‘দূষণকারীই পরিশোধ করবে’ নীতির উপর ভিত্তি করে “পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ” জরিমানা চালু করা হবে।
    চ) নগর সংস্থা বর্জ্য উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ব্যবহার ফি বাড়াতে পারবে।
    বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদকের বর্ধিত দায়িত্ব (EBWGR): বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদকদের (যেমন, > ২০,০০০ বর্গমিটার বা ১০০ কেজি/দিন) সংজ্ঞা বিস্তৃত করে এবং কঠোরতর অন-সাইট প্রক্রিয়াকরণ বা বর্জ্য শোধন সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করে।
    ল্যান্ডফিল সীমাবদ্ধতা: শুধুমাত্র অ-পুনর্ব্যবহারযোগ্য নিষ্ক্রিয় পদার্থ ল্যান্ডফিলে পাঠানোর উপর কঠোর সীমা আরোপ, এবং বর্জ্য শোধন না করার জন্য উচ্চতর খরচ আরোপ।
    আরডিএফ-এর বর্ধিত ব্যবহার: সিমেন্ট/বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনকারী প্ল্যান্টে ছয় বছরের মধ্যে রিফিউজ ডিরাইভড ফুয়েল (আরডিএফ)-এর ব্যবহার ৫% থেকে বাড়িয়ে ১৫% করা বাধ্যতামূলক।
    পর্যবেক্ষণ ও তথ্যের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক খাতের অব্যাহত, কিন্তু সীমিত, স্বীকৃতি।

কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিষয়াবলী
ক. ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এয়ার অ্যান্ড ওয়াটার (ISWMAW)-এর গবেষণা সমীক্ষা ও অনুমান অনুযায়ী, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকালে নিম্নলিখিত বর্জ্য উৎপন্ন হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের আয়তন প্রায় ৩০০ বর্গ কিমি, যেখানে কুলতলি বিধানসভা কেন্দ্রের সর্বোচ্চ আয়তন ১১৭৬ বর্গ কিমি।
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের সময় উৎপন্ন অতিরিক্ত ১৫,৩৬২ টন বর্জ্য কীভাবে অপসারণ করা হবে?
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন চলাকালীন, যদিও কলকাতা এবং সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সাধারণভাবে খুবই দুর্বল এবং বর্জ্যের কোনো সংগঠিত ব্যবহার নেই, কোনো রাজনৈতিক দলই তাদের প্রচারপত্রে এর কোনো বাস্তবসম্মত ও সুনির্দিষ্ট সমাধানের কথা উল্লেখ করেনি। কলকাতা, হাওড়া এবং শিলিগুড়িতে বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনকারী প্ল্যান্ট স্থাপনের কোনো প্রস্তাব নেই, কার্যকর সমন্বিত বর্জ্য সংগ্রহ, পরিশোধন এবং পুনর্ব্যবহৃত পণ্য বিক্রির এমআরএফ (MRF) স্থাপনেরও কোনো প্রস্তাব নেই।

Continue reading
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এবং স্টুয়ার্ডশিপ নিয়ে JISIASR এবং ICMR–NIRBI-এর যৌথ কনফারেন্স |
  • March 29, 2026

কলকাতা, ২৮ মার্চ, ২০২৬: জেআইএস ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ (জেআইএসআইএএসআর) -এর উদ্যোগে পরিচালিত ‘সেন্টার ফর হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ (সিএইচইএসটি), আইসিএমআর–ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনস (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই)-এর সহযোগিতায় সাঁতরাগাছিতে অবস্থিত জেআইএসআইএএসআর ক্যাম্পাসে “অরক্ষা’ (ARAKSHA – অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অ্যান্ড স্টুয়ার্ডশিপ) শীর্ষক একটি বিশেষ কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। এই সমস্যা মোকাবিলায় একটি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কলকাতা ও হাওড়ার প্রায় ১,৩০০ জন নন-মেডিক্যাল স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রীদের ওপর একটি বিস্তারিত সমীক্ষা চালানো হয়। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল স্থানীয় পরিসরে সচেতনতা গড়ে তোলা এবং অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা। এই সমীক্ষার ফলাফল থেকে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপের পরিস্থিতিগত বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে একটি মডেল ‘হোয়াইট পেপার’ বা শ্বেতপত্র তৈরি করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নয়াদিল্লির আইসিএমআর-এর সায়েন্টিস্ট ‘জি’ ও প্রধান, ডেস্ক্রিপটিভ রিসার্চ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ডিভিশন, ডঃ কামিনী ওয়ালিয়া। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন JISIASR-এর ডিরেক্টর অধ্যাপক অজয় কুমার রায়; অধ্যাপক রোকসানা চৌধুরী; ডঃ আশীষ কুমার মুখোপাধ্যায় (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ অরুণাংশু তালুকদার (কলকাতা মেডিকেল কলেজ); ডঃ কুমকুম ভট্টাচার্য (IPGME&R); ডঃ দীপঙ্কর সরকার (মণিপাল হাসপাতাল); ডঃ প্রমিত ঘোষ (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ দেবজিৎ চক্রবর্তী (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ মঞ্জুশ্রী রায় (প্রিন্সিপাল, জেআইএস স্কুল অফ মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ); ডঃ রাজর্ষি মুখোপাধ্যায় এবং ডঃ সন্দীপ পাল।

সম্পূর্ণ কর্মসূচিটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়েছে, যথা ওরিয়েন্টেশন সেশন, আইসিএমআর অনুমোদিত প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে সামাজিক সমীক্ষা এবং সবশেষে এই আলোচনা সভা। লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, স্কটিশ চার্চ কলেজ, বিজয়গড় কলেজ, অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটি এবং JISIASR-এর শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে তাদের সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরেন। পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীরা সচেতনতামূলক ভিডিও (Reels) এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি প্যানেল ডিসকাশন, যেখানে ভারতের স্থানীয় পরিসরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।ভারত সরকারের অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ANRF)-এর সায়েন্টিফিক সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (SSR) এবং জেআইএস গ্রুপ এই উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করেছে।

এই উপলক্ষে জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সিমরপ্রীত সিং বলেন, “অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় জনস্বাস্থ্য মূলক সমস্যা । এটি মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল পদক্ষেপ প্রয়োজন। ‘অরক্ষা’র মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো তরুণ প্রজন্মকে সঠিক জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ দিয়ে সুদক্ষ করে তোলা, যাতে তারা অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহারের দূত হয়ে উঠতে পারে। জাতীয় স্বাস্থ্যের স্বার্থে এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে আমরা সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

Continue reading
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের আগে ভোটার সচেতনতা বাড়াতে ‘ছোটা ভীম’-কে কাজে লাগাচ্ছে নির্বাচন কমিশন|
  • March 27, 2026


কলকাতা, ২৭ মার্চ ২০২৬: ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে, ভারতের নির্বাচন কমিশন হাওড়া জেলায় ভোটার সচেতনতা ও ভোটদানের হার বাড়াতে জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড চরিত্র ‘ছোটা ভীম’-কে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্যোগটি নির্বাচন কমিশনের চলমান প্রচেষ্টারই একটি অংশ, যার লক্ষ্য হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আকর্ষণীয় এবং সহজলভ্য করে তোলা—বিশেষ করে রাজ্যের তরুণ এবং প্রথমবারের মতো ভোট দিতে চলা ভোটারদের জন্য। এই প্রচারভিযানে “চুনাব কা পর্ব, পশ্চিম বেঙ্গল কা গর্ব” (নির্বাচনের উৎসব, পশ্চিমবঙ্গের গর্ব) স্লোগানটি ব্যবহার করা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করা এবং তাঁদের বিপুল সংখ্যায় ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিতে উৎসাহিত করা।
আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ দুটি ধাপে—২৩ ও ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে ২০২৬ তারিখে।

WhatsApp Image 2026 03 27 at 12.54.58 PM

এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের এক বরিষ্ঠ আধিকারিক বলেন, “আমাদের ‘সিস্টেমেটিক ভোটারস এডুকেশন অ্যান্ড ইলেক্টোরাল পার্টিসিপেশন’ (SVEEP) বা ভোটার শিক্ষা ও নির্বাচনী অংশগ্রহণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে, ‘ছোটা ভীম’-এর সহযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায় ভোটার সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হচ্ছে। ‘ছোটা ভীম’ যেহেতু একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বন্ধুত্বপূর্ণ অ্যানিমেটেড চরিত্র, তাই ভোটার সচেতনতার বার্তাটি পরিবার, শিশু এবং প্রথমবারের ভোটারদের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে সে সহায়তা করবে। এই কাজের জন্য তাকে একটি উপযুক্ত পছন্দ বলেই মনে হচ্ছে; কারণ সে ভারতের অন্যতম প্রিয় ও বিশ্বস্ত চরিত্র এবং সব বয়সের মানুষের কাছেই তার পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অত্যন্ত প্রবল।”
গ্রিন গোল্ড অ্যানিমেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রাজীব চিলাকা বলেন, “আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, নির্বাচন কমিশন তাদের সচেতনতা প্রচারভিযানে আমাদের জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড চরিত্রটিকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি আমাদের ব্র্যান্ডের বৃহত্তর জনস্বার্থমূলক কর্মকাণ্ডেরই একটি ধারাবাহিকতা; যার মধ্যে সরকার এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির (PSU) সহযোগিতায় সাক্ষরতা, জননিরাপত্তা, শিক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো ভোটার সচেতনতাকে আরও বেশি দৃশ্যমান, স্মরণীয় এবং অংশগ্রহণমূলক করে তোলা; পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের মনে একটি ইতিবাচক নাগরিক চেতনার সঞ্চার করা।”
ভারতের অন্যতম সুপরিচিত অ্যানিমেটেড চরিত্র ‘ছোটা ভীম’ এর আগেও দেশের বিভিন্ন নির্বাচিত অঞ্চলে জনসচেতনতামূলক প্রচারভিযানের অংশ হয়েছে। এই ঘটনাটি নাগরিক বার্তা বা সামাজিক সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে বিনোদনকে কাজে লাগানোর ক্রমবর্ধমান প্রবণতাকেই প্রতিফলিত করে। অতীতে ওয়েস্টার্ন রেলওয়ের উদ্যোগসহ অনুরূপ প্রচারমূলক প্রচেষ্টাগুলো দেখিয়েছে যে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সৃজনশীল যোগাযোগ এবং মাঠ পর্যায়ে সরাসরি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দর্শকের কাছে কার্যকরভাবে পৌঁছানো যায়।

Continue reading

মিস করে যাওয়া

হিমাদ্রি মেমোরিয়াল ক্যান্সার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচালিত NCRI Hospital-এ দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আগত রেডিওথেরাপি রোগীদের জন্য বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা শুরু হয়েছে।
পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রা “পঞ্চান্নতম কলকাতা রথযাত্রা সকলের হৃদয়ে আনন্দ, করুণা ও শান্তির বার্তা বয়ে আনুক।
জেআইএস এডুকেশন এক্সপো ২০২৬ – কল্যাণী সংস্করণে জ্ঞান, উদ্ভাবন ও ক্যারিয়ার গঠনের দিশায় এক অনন্য উদ্যোগ |
এপিএআই-ডব্লিউবি কলকাতায় নিয়ে এলো প্রি-কাউন্সেলিং ও শিক্ষা মেলা ২০২৬ |
চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস
চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস।