মণিপাল হসপিটালস কলকাতার উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে শিল্প, সংগীত ও কবিতার মেলবন্ধনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন |
  • May 10, 2026

কলকাতা, ৯ মে ২০২৬: স্টেথোস্কোপের জায়গা নিল গান, প্রেসক্রিপশনের পরিবর্তে শোনা গেল কবিতা, আর হাসপাতালের করিডোর যেন এক সন্ধ্যার জন্য শিল্প ও সংস্কৃতির বিস্তারে রূপ নিল ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মণিপাল হসপিটালস কলকাতার চিকিৎসকেরা যখন সাংস্কৃতিক মঞ্চে উঠে এলেন, তখন এক অনন্য আবহে ধরা পড়ল কিভাবে কবিগুরুর চিরন্তন শব্দ, সংগীত ও দর্শন প্রজন্ম, পেশা ও সীমারেখা ছাড়িয়ে আজও মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন মণিপাল হসপিটালস কলকাতার ইএম বাইপাস, মুকুন্দপুর, ঢাকুরিয়া, সল্টলেক ও ব্রডওয়ে ইউনিটের চিকিৎসকেরা। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই সন্ধ্যা হয়ে ওঠে এক আবেগঘন সাংস্কৃতিক উদযাপন।

ভারতের প্রাচীনতম ও অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের আবহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান স্বাস্থ্যসেবা, মানবিকতা ও সংস্কৃতির এক বিরল মেলবন্ধনের সাক্ষী হয়ে ওঠে। অসাধারণ ঐক্য ও শিল্পীসুলভ প্রকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিটের ১৯ জন চিকিৎসক একসঙ্গে পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত ও আবৃত্তি। চিকিৎসার ব্যস্ত দায়িত্বের বাইরে এসে তাঁরা একত্রিত হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন সৃষ্টিকে সম্মান জানাতে। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় “জাগরণে যায় বিভাবরী”, “প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে”, “আমি চিনি গো চিনি”, “মনে মোর মেঘের সঙ্গী” এবং “পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে”-র মতো জনপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীত। পাশাপাশি আবৃত্তি করা হয় “বাঁশি”, “নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ” এবং “শেষের কবিতা”-র অংশবিশেষ। এই পরিবেশনাগুলি রোগী, পরিজন, হাসপাতালের কর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এক আবেগঘন ও নস্টালজিক পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা আবারও মনে করিয়ে দেয়—সুস্থতা শুধুমাত্র চিকিৎসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

WhatsApp Image 2026 05 09 at 13.32.18

এই প্রসঙ্গে ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য, ডিরেক্টর, ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, কলকাতা (সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারত সরকার), বলেন, “রবীন্দ্রজয়ন্তী শুধুমাত্র একটি সাহিত্যিক বা সাংস্কৃতিক উদযাপন নয়, এটি ভারতের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি আবেগ। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম জাদুঘর হিসেবে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামও দেশের বৌদ্ধিক, শিল্প ও সামাজিক জাগরণের সঙ্গে পথ চলেছে, যার বড় অংশ জুড়ে রয়েছেন কবিগুরু স্বয়ং। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন এক বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক, যা জ্ঞান, মানবতা ও অন্তর্ভুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। আজ যখন বিশ্বের বিভিন্ন জাদুঘর আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুষের কাছাকাছি হয়ে উঠছে, তখন রবীন্দ্রনাথের দর্শন আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, কারণ তিনি কল্পনা করেছিলেন এমন এক সমাজের, যা শ্রেণি, ভাষা ও ভৌগোলিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে। স্বাস্থ্যসেবা পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের এই উদযাপনে অংশগ্রহণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁরা এই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে এসে তাঁদের সৃজনশীল সত্তাকে তুলে ধরেছেন। এটি ‘বিকাশ ভি, বিরাসত ভি’-র ভাবনাকে বাস্তব রূপ দেয়, যেখানে উন্নয়ন ও ঐতিহ্য একসঙ্গে এগিয়ে চলে।”

কবিগুরুর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীর প্রাক্কালে ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের মঞ্চে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনকারী মণিপাল হসপিটালস ইস্ট রিজিয়নের ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোইন্টারভেনশন ও এন্ডোভাসকুলার সার্জারি বিভাগের ডঃ সুকল্যাণ পুরকায়স্থ বলেন, “এই ঐতিহাসিক পরিবেশে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করা সত্যিই এক হৃদয়ছোঁয়া ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রতিদিন মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করি, কিন্তু সংগীত ও সংস্কৃতি আমাদের মানুষের আবেগ ও আত্মার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে সাহায্য করে। রবীন্দ্রনাথের গান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে তার গভীরতা, সংবেদনশীলতা ও মানবিকতার মাধ্যমে। সহকর্মী চিকিৎসকদের সঙ্গে এই বিশেষ উদযাপনের অংশ হতে পেরে সন্ধ্যাটি আমার কাছে আরও স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।”

মণিপাল হসপিটাল সল্টলেক-এর কনসালট্যান্ট – এমার্জেন্সি মেডিসিন বিভাগের ডঃ পরমিতা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী বলেন, “ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের মতো ঐতিহাসিক স্থানে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করা সত্যিই এক আবেগঘন ও পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা। চিকিৎসক হিসেবে আমরা প্রতিনিয়ত মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য কাজ করি, কিন্তু শিল্প ও সাহিত্য আমাদের অনুভূতির সঙ্গে এক ভিন্ন স্তরে যুক্ত হতে সাহায্য করে। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় যে চিরন্তন মানবিক মূল্যবোধ রয়েছে, তা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সহকর্মী, রোগী ও বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে আমরা গর্বিত।”

মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর-এর ক্লিনিক্যাল লিড – পেডিয়াট্রিক সার্জারি ও পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি বিভাগের ডঃ শুভাশিস সাহা বলেন, “রবীন্দ্রসংগীতের এক চিরন্তন প্রশান্তিদায়ক শক্তি রয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে একসূত্রে বেঁধে রাখে। এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লেগেছে, কারণ এটি চিকিৎসক হিসেবে আমাদের আরেকটি দিককে তুলে ধরেছে—যেখানে শিল্প, সহমর্মিতা ও আবেগের গভীর সংযোগ রয়েছে। এমন সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন সন্ধ্যাটিকে আরও অর্থবহ ও স্মরণীয় করে তুলেছে।”

এই ব্যতিক্রমী রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপনের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস কলকাতা আবারও প্রমাণ করল যে, স্বাস্থ্যসেবা শুধুমাত্র চিকিৎসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সংস্কৃতি, সহমর্মিতা ও সামাজিক সংযোগের মধ্য দিয়েও সুস্থতার এক সামগ্রিক পরিসর গড়ে তোলা সম্ভব। এই সন্ধ্যা তাই শুধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তরাধিকারকেই উদযাপন করেনি, উদযাপন করেছে মানবিকতার সেই দিকটিকেও, যা প্রকৃত আরোগ্যের ভিত্তি।

Continue reading
থ্যালাসেমিয়ারোগীদেরজন্যসমন্বিতপরিষেবারলক্ষ্যেমণিপালহসপিটালসমুকুন্দপুরক্লাস্টারেচালুহলোবিশেষথ্যালাসেমিয়াক্লিনিকওডেকেয়ারওয়ার্ড |
  • May 10, 2026

কলকাতা, ৭ মে ২০২৬: থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত মানুষের জীবনে ঘন ঘন হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা এক কঠিন বাস্তবতা। তাঁদের জন্য আশার নতুন দিশা নিয়ে মণিপাল হসপিটালস আজ তাদের মুকুন্দপুর ইউনিটে উদ্বোধন করল একটি বিশেষ ‘থ্যালাসেমিয়াপ্রিভিলেজক্লিনিক’ এবং‘ডেকেয়ারওয়ার্ড’। এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন প্রফেসর(ড.) রাজীবদে, হেড – ক্লিনিক্যাল হেমাটোলজি, হেমাটো-অঙ্কোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট, মণিপাল হসপিটালস মুকুন্দপুর ক্লাস্টার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. সৌমেনমেউর, এইচওডি ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – পেডিয়াট্রিক্স, মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর; ড. অতনুকুমারজানা, এইচওডি – নিওনেটাল ইউনিট, পেডিয়াট্রিশিয়ান ও নিওনেটোলজিস্ট, মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর; শ্রীমতী জয়ন্তীচ্যাটার্জী, হসপিটাল ডিরেক্টর – মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুর এবং শ্রীকোমলদাশোরা, ক্লাস্টার ডিরেক্টর – মণিপাল হসপিটালস (মুকুন্দপুর ক্লাস্টার)। এই উদ্যোগ থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য আরও উন্নত, সমন্বিত ও রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

নতুন এই ক্লিনিকটি এক ছাদের নিচে থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত সমস্ত পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয়েছে। মূলত ১৮ বছর পর্যন্ত শিশু ও কিশোর রোগীদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা পরিষেবা এখানে দেওয়া হবে। এই পরিষেবার মধ্যে রয়েছে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যারিয়ার শনাক্তকরণের ডায়াগনস্টিক পরিষেবা, ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন, বিশেষ ডে কেয়ার ওয়ার্ডের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন সহায়তা, প্রি-নাটাল ডায়াগনোসিস, জেনেটিক কাউন্সেলিং, মানসিক সহায়তা, মাল্টিডিসিপ্লিনারি কেয়ার এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের সুবিধা। এর ফলে রোগীরা পাবেন সম্পূর্ণ সমন্বিত চিকিৎসা পরিষেবা। প্রফেসর (ড.) রাজীব দে সপ্তাহে একদিন এই ক্লিনিকে রোগী দেখবেন, যাতে রোগীরা নিয়মিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পান। পাশাপাশি রোগীদের দেওয়া হবে একটি থ্যালাসেমিয়া প্রিভিলেজ কার্ড’, যার মাধ্যমে তাঁরা সাশ্রয়ী খরচে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

WhatsApp Image 2026 05 07 at 22.11.59 (1)

এই প্রসঙ্গে প্রফেসর (ড.) রাজীব দে বলেন, “ভারতে থ্যালাসেমিয়া এখনও একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। দেশে প্রায় ১ লক্ষ থেকে ১.৫ লক্ষ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত এবং প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ থেকে ১২,০০০ শিশু থ্যালাসেমিয়া মেজর নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। ভারতে প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মের মধ্যে প্রায় ১.২ জন থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। এখানে ১০ শতাংশেরও বেশি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক এবং ২০,০০০-এরও বেশি রোগীর নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়, যা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর বড় চাপ সৃষ্টি করছে। বর্তমানে আজীবন রক্ত সঞ্চালন ও আয়রন কিলেশনই মূল চিকিৎসা পদ্ধতি। থ্যালাসেমিয়ার নিরাময়ের একমাত্র উপায় হল বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট। উল্লেখযোগ্যভাবে, মুকুন্দপুর ক্লাস্টারে একটি বিশেষ বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ইউনিটও রয়েছে, যা উপযুক্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসা পেতে সহায়তা করবে।”

ক্লিনিক উদ্বোধন প্রসঙ্গে ড. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর – মণিপাল হসপিটালস ইস্ট বলেন, “পূর্ব ভারতে থ্যালাসেমিয়ার প্রকোপ যথেষ্ট বেশি। পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী কিছু অঞ্চলে থ্যালাসেমিয়ার বাহকের হার ৮–১০ শতাংশ, যেখানে জাতীয় গড় ৩–৪ শতাংশ। মণিপাল হসপিটালসের এই থ্যালাসেমিয়া প্রিভিলেজ ক্লিনিক আমাদের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন, যেখানে আমরা সাশ্রয়ী ও সমন্বিত চিকিৎসা পরিষেবা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যারিয়ার শনাক্তকরণ ও জেনেটিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর জন্ম প্রতিরোধ করা থেকে শুরু করে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের মতো উন্নত চিকিৎসা প্রদান—আমাদের লক্ষ্য ধীরে ধীরে একটি থ্যালাসেমিয়া-মুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটালস আরও একবার প্রমাণ করল যে তারা সহজলভ্য, সমন্বিত ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দক্ষ চিকিৎসক দল, আধুনিক পরিকাঠামো এবং রোগীকেন্দ্রিক পরিষেবার মাধ্যমে হাসপাতালটি থ্যালাসেমিয়া রোগীদের উন্নত চিকিৎসা ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

Continue reading
মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টারের ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’সেশন এবং পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে সমন্বিত গ্রন্থও প্রকাশ |
  • March 26, 2026


কলকাতা, ২৪ মার্চ ২০২৬: মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টার আজ সল্টলেকের ব্রডওয়ে ইউনিটে “ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড” শীর্ষক একটি তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় সেশনের সফল আয়োজন করেছে। এই উপলক্ষে পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে একটি সমন্বিত গ্রন্থও প্রকাশ করা হয়, যা মণিপাল হসপিটাল ব্রডওয়ে ও সল্টলেকের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে তৈরি।
এই গ্রন্থটি পাচনতন্ত্র সংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান সমস্যাগুলির উপর একটি ব্যবহারিক ও বিস্তৃত নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, প্রতিরোধমূলক উপায়, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং জীবনযাত্রা-ভিত্তিক সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই সেশনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের একটি দল, যার মধ্যে ছিলেন ডা. সুজিত চৌধুরী (হেড, মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুদীপ্ত ঘোষ (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুজয় মৈত্র (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. দেবকুমার রায় (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সঞ্জয় মণ্ডল (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. অরিজিৎ সিংহ মহাপাত্র (কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কিংশুক ধর (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কুশান সেনগুপ্ত (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) এবং ডা. অভিষেক ব্যানার্জি (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)।

WhatsApp Image 2026 03 24 at 21.01.55 (1)

বিশেষজ্ঞরা জানান, আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে পাচনতন্ত্রের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘ সময় বসে থাকা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং প্রসেসড খাবারের ব্যবহার – এসবই এর প্রধান কারণ। অ্যাসিডিটি, ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS), ফ্যাটি লিভার, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ এবং কোলোরেক্টাল সমস্যার মতো রোগ ক্রমেই বাড়ছে, যা অনেক ক্ষেত্রেই দেরিতে ধরা পড়ে।
সেশনে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এবং আধুনিক মিনিমালি ইনভেসিভ ও জটিল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উপস্থিতরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে পাচনতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখার বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ পান।
এই প্রসঙ্গে ডা. সুজিত চৌধুরী বলেন, “বর্তমান জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও সচেতনতার অভাবে পাচনতন্ত্রের রোগ দ্রুত বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় প্রতি ৫ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন কোনো না কোনো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া, শহুরে জনসংখ্যার প্রায় ২৫–৩০ শতাংশ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। অনেকেই অ্যাসিডিটি, ফাঁপা ভাব বা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তনের মতো প্রাথমিক লক্ষণ উপেক্ষা করেন, যা কখনও গুরুতর রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’ উদ্যোগ এবং এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসা-সংক্রান্ত জ্ঞান সহজভাবে পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তারা প্রতিরোধ ও উন্নত চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন।”

Continue reading
বিশ্ব কিডনি দিবস উদযাপন কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউটের।
  • March 13, 2026

DSC

কলকাতা, ১২ মার্চ ২০২৬:বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে, কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউট সম্প্রদায়ের প্রতি কিডনি রোগকে একটি গুরুতর এবং দ্রুত বর্ধনশীল জনস্বাস্থ্য উদ্বেগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যা প্রায়শই নীরবে বিকশিত হয় এবং কেবলমাত্র উন্নত পর্যায়ে সনাক্ত করা যায়।বিশ্বজুড়ে, প্রায় ৮৫ কোটি মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত এবং প্রায় ১০ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ১ জন দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে (CKD) আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের প্রকল্প যে CKD ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী জীবনের হারানোর পঞ্চম প্রধান কারণ হয়ে উঠতে পারে, সচেতনতা, প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক হস্তক্ষেপের জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।ভারতেও পরিস্থিতি একই রকম উদ্বেগজনক। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সিকেডির প্রাদুর্ভাব ৮% থেকে ১৭% এর মধ্যে বলে অনুমান করা হয়, যার প্রধান কারণ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার অভ্যাসের ক্রমবর্ধমান বোঝা। অনুমান করা হয় যে প্রতি বছর ২ লক্ষেরও বেশি নতুন রোগীর শেষ পর্যায়ের কিডনি রোগ হয়, যাদের অনেকের বেঁচে থাকার জন্য ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়।

DSC

কলকাতা এবং পূর্ব ভারতে, ক্রমবর্ধমান নগরায়ণ, বসে থাকা জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অভাব কিডনি রোগের সংখ্যা বৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করছে। এই অঞ্চল জুড়ে হাসপাতাল এবং ডায়ালাইসিস সেন্টারগুলিতে দীর্ঘমেয়াদী কিডনি যত্নের প্রয়োজন এমন রোগীদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেরিতে রোগ নির্ণয় এবং সীমিত সচেতনতা এখনও প্রধান চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে সম্প্রদায় এবং আধা-শহুরে জনসংখ্যার ক্ষেত্রে।”কিডনির রোগ কেবল একজন ব্যক্তিকেই প্রভাবিত করে না, বরং পুরো পরিবারকে মানসিক, সামাজিক এবং আর্থিকভাবে প্রভাবিত করে। অনেক রোগী এমন এক পর্যায়ে আমাদের কাছে পৌঁছায় যখন প্রতিরোধ আর সম্ভব হয় না, এবং আজীবন ডায়ালাইসিসই একমাত্র বিকল্প হয়ে ওঠে। এই কারণেই সচেতনতা এবং প্রাথমিক রোগ নির্ণয় কেবল চিকিৎসা অগ্রাধিকার নয়, বরং সামাজিক দায়িত্ব।”এই ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ মোকাবেলায়, কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউট কিডনি স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আয়োজন করছে যার মধ্যে রয়েছে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি এবং নিকটবর্তী আবাসিক কমপ্লেক্স, কমিউনিটি লোকেশন, স্থানীয় কর্পোরেশন অফিস এবং পুলিশ স্টেশনে বিনামূল্যে কিডনি চেক-আপ ক্যাম্প। এই উদ্যোগগুলির লক্ষ্য হল মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা, রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করা, পর্যাপ্ত জলীয়তা বজায় রাখা, সুষম খাদ্য গ্রহণ করা এবং স্ব-ঔষধ এড়ানো।

এই বিশ্ব কিডনি দিবসে, ইনস্টিটিউট নাগরিকদের কিডনি স্বাস্থ্যের প্রতি সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছে।

Continue reading
নিউটাউনের নিউটিয়া ভাগীরথী নারী ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র, শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ইউনিট চালু করার মাধ্যমে, নবজাতক কক্লিয়ার ইমপ্লান্টেশনে বিলম্ব কমাতে সর্বোত্তম ১-৬ মাসের মধ্যে হস্তক্ষেপ করার লক্ষ্যে কাজ করছে |
  • February 28, 2026

কলকাতা, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: নিউটাউনের নিউটিয়া ভাগীরথী নারী ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র, নিউটাউনের পেডিয়াট্রিক মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে একটি অত্যাধুনিক শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট (সিআই) ক্লিনিক চালু করেছে, যা পূর্ব ভারত জুড়ে নবজাতক এবং শিশুদের জন্য প্রাথমিক শ্রবণশক্তি সনাক্তকরণ এবং হস্তক্ষেপ পরিষেবাগুলিকে শক্তিশালী করবে।জন্মগত শ্রবণশক্তি হ্রাস নবজাতকদের মধ্যে চিহ্নিত সবচেয়ে সাধারণ সংবেদনশীল অবস্থার মধ্যে একটি এবং শুধুমাত্র জন্মের পরে কাঠামোগত স্ক্রিনিং প্রোটোকলের মাধ্যমে এটি নির্ণয় করা যেতে পারে। প্রাথমিক রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্ব স্বীকার করে, হাসপাতালটি বিশ্বব্যাপী প্রস্তাবিত “১-৩-৬” প্রাথমিক শ্রবণশক্তি সনাক্তকরণ এবং হস্তক্ষেপ (EHDI) প্রোটোকলের সাথে তার পরিষেবাগুলিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করেছে – এক মাসের মধ্যে স্ক্রিনিং, যারা স্ক্রিনিং পাস করে না তাদের জন্য তিন মাসের মধ্যে ডায়াগনস্টিক নিশ্চিতকরণ এবং ছয় মাসের মধ্যে হস্তক্ষেপ।
এই উদ্যোগটি নেওটিয়া ভাগীরথী নারী ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রের প্রতিরোধমূলক যত্ন কাঠামোর উপর ভিত্তি করে তৈরি, যার অধীনে হাসপাতালে প্রসব করা সকল নবজাতকের জন্য বাধ্যতামূলক নবজাতক শ্রবণশক্তি এবং দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা হয়। নতুন চালু হিয়ারিং লস অ্যান্ড কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ক্লিনিক সর্বোত্তম থেরাপিউটিক উইন্ডোর মধ্যে ব্যাপক মূল্যায়ন এবং সময়োপযোগী হস্তক্ষেপ সক্ষম করবে, যা চিকিৎসায় বিলম্ব হ্রাস করবে।
প্রাথমিক শৈশবে চিকিৎসা না করা শ্রবণশক্তি হ্রাস বক্তৃতা বিকাশ, ভাষা অর্জন, জ্ঞানীয় বৃদ্ধি এবং স্কুল প্রস্তুতির উপর উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রাথমিক শ্রবণশক্তি উদ্দীপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিলম্বিত ব্যবস্থাপনা অপরিবর্তনীয় কর্টিকাল শ্রবণশক্তি বঞ্চনার দিকে পরিচালিত করতে পারে। গুরুতর থেকে গভীর সংবেদনশীল শ্রবণশক্তি হ্রাসে আক্রান্ত শিশুদের জন্য যারা শ্রবণযন্ত্র থেকে পর্যাপ্তভাবে উপকৃত হন না, তাদের জন্য কক্লিয়ার ইমপ্লান্টেশন সবচেয়ে কার্যকর পুনর্বাসন সমাধান।

ক্লিনিকটি একটি বহুমুখী, এন্ড-টু-এন্ড কেয়ার পাথওয়ে অফার করে যার মধ্যে রয়েছে নবজাতকবিদ্যা সহায়তা, পেডিয়াট্রিক অডিওলজি, উন্নত ইমেজিং, সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ, শ্রবণ-মৌখিক থেরাপি এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন।
নিউটাউনের নিওটিয়া ভাগীরথী মহিলা ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রের ফ্যাসিলিটি ডিরেক্টর ডঃ ইন্দ্রাণী সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শ্রবণশক্তি হ্রাস ও কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ক্লিনিকের সূচনা ইএনটি-র মতো গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। একটি সহযোগিতামূলক, বহুমুখী পদ্ধতির মাধ্যমে, প্রতিটি শিশুর সর্বাধিক উপযুক্ত চিকিৎসা নির্ধারণের জন্য ব্যাপকভাবে মূল্যায়ন করা হয় – স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং রোগী-কেন্দ্রিক যত্ন নিশ্চিত করা।”

ইএনটি বিভাগের পরামর্শদাতা ইএনটি সার্জন ডঃ সঞ্চারি নন্দী আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে সনাক্তকরণ এবং হস্তক্ষেপ সর্বোত্তম বক্তৃতা এবং বিকাশের ফলাফল অর্জনের মূল চাবিকাঠি। স্ক্রিনিং এবং শ্রবণযন্ত্রের পরীক্ষা থেকে শুরু করে ইমেজিং, সার্জারি এবং দীর্ঘমেয়াদী অডিটরি ভার্বাল থেরাপি (AVT)-এর মতো একটি কাঠামোগত পথ শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসনের সাফল্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে।”এই সূচনার মাধ্যমে, নিওটিয়া ভাগীরথী মহিলা ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র ব্যাপক, শিশু-কেন্দ্রিক স্বাস্থ্যসেবার প্রতি তার অঙ্গীকারকে আরও জোরদার করে – জন্মের পর থেকে উন্নত বক্তৃতা, ভাষা এবং সামগ্রিক বিকাশের ফলাফলকে সমর্থন করে।


Continue reading
কোলকাতায় আরএমবি কানেক্ট ২০২৬: এআই–এর শক্তিতে নতুন দিশা পেল ব্যবসা
  • February 9, 2026

কলকাতা, 9th February 2026: আরএমবিএফ কলকাতা চ্যাপ্টার, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৯১–এর সহযোগিতায়, হোটেল কেনিলওয়ার্থ, কলকাতায় সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করল তাদের ফ্ল্যাগশিপ ব্যবসায়িক সম্মেলন আরএমবি কানেক্ট ২০২৬–এর অষ্টম সংস্করণ। এই কনক্লেভে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্যোক্তা, ব্যবসায়িক পেশাজীবী, নীতিনির্ধারক ও রোটারিয়ানরা একত্রিত হন, যা ব্যবসা, উদ্ভাবন ও বুদ্ধিমত্তার এক অনন্য মিলনমঞ্চ হিসেবে এর অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে। কেবল কলকাতা থেকেই ৫০ জনের বেশি উদ্যোক্তা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

কনক্লেভের প্রধান আকর্ষণ ছিল তিন ঘণ্টার বিশেষ AI বিজনেস মাস্টারক্লাস, যা উদ্যোক্তা ও লেখক অমিত জাধব পরিচালনা করেছিলেন। এই সেশনে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তবজীবনের AI ব্যবহার করে ব্যবসা দ্রুত বাড়ানো, স্মার্টভাবে কাজ করা এবং গ্রাহক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উপায় শিখেছেন। এতে AI-রেডি লিডারশিপ মাইন্ডসেট, কোডিং ছাড়াই লিড জেনারেশন, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, ফলো-আপ এবং রিপোর্টিং অটোমেট করা, এবং একটি সাধারণ ব্যবসায়িক আইডিয়াকে AI-র সাহায্যে সোশ্যাল পোস্ট, ব্লগ, ইমেইল সিকোয়েন্স এবং ওয়েবসাইটসহ পূর্ণ ডিজিটাল ফানেলে রূপান্তর করা দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি বোঝানো হয়েছে কিভাবে AI গ্রাহক যাত্রার প্রতিটি ধাপে সহায়তা করতে পারে এবং একাধিক AI টুল একসাথে কাজ করে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া কম মানবীয় প্রচেষ্টায় চালাতে পারে।

এই কনক্লেভে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট গেস্ট অফ অনার—রটেরিয়ান শেখর মেহতা, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল; রটেরিয়ান অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী, প্রাক্তন ডিরেক্টর, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল; রটেরিয়ান অরবিন্দ বাত্রা, ইন্টারন্যাশনাল ভাইস চেয়ার, আরএমবিএফ; রটেরিয়ান ড. রামেন্দু হোম চৌধুরী, ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর, আরআইডি ৩২৯১; রটেরিয়ান পিডিজি ঝুলন বসু, ডিস্ট্রিক্ট লার্নিং ফ্যাসিলিটেটর, আরআইডি ৩২৯১; মিঃ ভলচন্দ্রসিং রাওরানে, সিএমডি, ইউসিপি (ইন্ডিয়া ও ইউরোপ) ও চেয়ারম্যান, ফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রিজ–টিএমএ, থানে; মিঃ সুশীল পোদ্দার, চেয়ারম্যান, কনফেডারেশন অব ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন; মিঃ উডো কিহনেল, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, বিএসএইচ কেমিক্যালিয়েন, জার্মানি; মিঃ সোরেন ফকেন, জেনারেল ম্যানেজার, বিএসএইচ কেমিক্যালিয়েন, জার্মানি; প্রফেসর পি. সঞ্জয়, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর (ফাইন্যান্স), আইআইএম সিরমৌর ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, আইআইটি বম্বে; এবং মিঃ এ. এস. কুমার, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ফোর্ট্রেস গ্রুপ অফ কোম্পানিজ, মুম্বাই।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক আবহ যোগ করে চেন্নাই, তামিলনাড়ুর প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী শ্রীমতী কোটেশ্বরী এম. কান্নান–এর মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা। পাশাপাশি দেশের বিশিষ্ট শিল্পনেতা ও চিন্তাবিদদের মূল বক্তৃতা ও কী-নোট সেশন ব্যবসার ভবিষ্যৎ, নেতৃত্ব ও টেকসই বৃদ্ধির বিষয়ে গভীর ও অর্থবহ আলোচনা সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আরএমবিএফ কলকাতা চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান মিঃ কৌশিক সেন বলেন,
“আরএমবি কানেক্ট ২০২৬ এমন এক মঞ্চ হিসেবে ভাবা হয়েছিল, যেখানে ভাবনা বাস্তব প্রভাবের রূপ নেবে। এআই বিজনেস মাস্টারক্লাসে অংশগ্রহণকারীদের বিপুল উৎসাহ এবং সার্বিক আলোচনার গভীরতা প্রমাণ করে—আজকের ব্যবসায় প্রযুক্তিকে গ্রহণ করতে হবে স্পষ্টতা ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে। আমরা গর্বিত যে ভারত ও বিশ্বের ভবিষ্যৎ ব্যবসাকে যাঁরা দিশা দেখাচ্ছেন, তাঁদের একত্রিত করতে পেরেছি।”

মিঃ সেন কলকাতা চ্যাপ্টারের নেতৃত্ব দল ও সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আমন্ত্রিত অতিথি ও প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান এবং সহযোগিতা, উদ্ভাবন ও দায়িত্বশীল উদ্যোক্তৃত্ব গড়ে তোলার প্রতি চ্যাপ্টারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরএমবি কানেক্ট ২০২৬ শেষ হয় এক অনুপ্রেরণামূলক আবহে—অংশগ্রহণকারীরা সঙ্গে নিয়ে যান বাস্তবমুখী জ্ঞান, নতুন সম্পর্ক এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে একটি কৌশলগত ব্যবসায়িক শক্তি হিসেবে কাজে লাগানোর নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।

Continue reading
অনলাইন জেন্ডার–ভিত্তিক সহিংসতা রোধে সচেতনতা।
  • November 26, 2025

কলকাতা, ২৫ নভেম্বর ২০২৫ : ১৬ দিনব্যাপী ‘নারী ও কিশোরী নির্যাতন প্রতিরোধ’ বিশ্বব্যাপী সচেতনতা কর্মসূচির সূচনায়, নারী অধিকার সংগঠন সুইয়াম কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজন করল অনলাইন জেন্ডার–ভিত্তিক সহিংসতা নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ প্যানেল আলোচনা এবং দুটি সচেতনতামূলক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রকাশ।আইন, গণমাধ্যম, সাইবার পুলিশ ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা—বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একত্রিত করে এই আলোচনা সভায় তুলে ধরা হয় অনলাইনে নারী ও কুইয়ার ব্যক্তিদের প্রতি ক্রমবর্ধমান হুমকি, হয়রানি, নজরদারি ও অননুমোদিত ছবি প্রচারের মতো অপরাধের বাস্তবতা।

বিশেষজ্ঞরা মত দেন—অনলাইন সহিংসতা শুধু ভার্চুয়াল জগতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলা লিঙ্গ বৈষম্য ও ক্ষমতার অসাম্যকেই আরও দৃঢ় করে। তাই প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক পরিবর্তন, ডিজিটাল নৈতিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা।

Whatsapp image 2025 11 26 at 21.45.13

প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন—
অমৃতা দাশগুপ্ত (পরিচালক, সুইয়াম),কৌশিক গুপ্ত (অ্যাডভোকেট, কলকাতা হাই কোর্ট),
সময়িতা চক্রবর্তী (সাংবাদিক, ডয়চে ভেলে),অগ্নিজিৎ সেন (আরজে ও ডিজিটাল ক্রিয়েটর) এবং
সুবঙ্কর চক্রবর্তী (ওসি, সাইবার সেল ও মনিটরিং সেল, সাউথ ডিভিশন)।
সভাপতিত্ব করেন অনুরাধা কাপুর (প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্ট বোর্ড সদস্য, সুইয়াম)।

সুইয়াম এবং ওগিলভির যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। ওগিলভির প্রতিনিধি জানিয়েছেন—চলচ্চিত্রগুলো দর্শকদের ভাবতে শেখাবে, সহমর্মী হতে উদ্বুদ্ধ করবে এবং ইতিবাচক অনলাইন আচরণ উৎসাহিত করবে।অনুরাধা কাপুর বলেন, “প্রযুক্তি যেন নারীর ক্ষমতায়ন সমর্থন করে, দমন নয়—সেই লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘদিন কাজ করছি।”
মিডিয়া, ছাত্রছাত্রী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানজুড়ে উঠে আসে অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা।সুইয়াম বিশ্বাস করে—অনলাইন ও অফলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা, জবাবদিহি এবং ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের মাধ্যমেই নির্মিত হবে সমতার ও মর্যাদার সমাজ।

Continue reading
আকাশ ইনস্টিটিউটের দুর্দান্ত সাফল্য পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীদের।
  • June 30, 2025

নিট ইউজি ২০২৫-এ আকাশের শিক্ষার্থীরা শীর্ষ ১০-এর মধ্যে ৫টি স্থান (এ আই আর ২, ৩, ৫, ৯ এবং ১০) অর্জন করেছে। এছাড়াও শীর্ষ ৫০-এ ১৮ জন এবং শীর্ষ ১০০-তে ৩৫ জন স্থান অর্জন করে জাতীয় স্তরে সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে।

Whatsapp image 2025 06 30 at 08.53.31

পশ্চিমবঙ্গেও ছিল উল্লেখযোগ্য সাফল্য। রাজ্যে র‍্যাঙ্ক ১ এবং র‍্যাঙ্ক ২—দুজনই আকাশ-এর ছাত্র, এবং শীর্ষ ৫-এর মধ্যে ৪ জনই আকাশ-এর পশ্চিমবঙ্গের সেন্টার থেকে। রাজ্যের ১৮ জনেরও বেশি ছাত্রছাত্রী শীর্ষ ১০০০-এর মধ্যে স্থান পেয়েছে। অভিভাবকদের সহযোগিতা, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিষ্ঠা এবং ছাত্রছাত্রীদের কঠোর পরিশ্রমের ফলে প্রায় ১৫০ জন (সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ১৪৭ জন) ছাত্রছাত্রী শীর্ষ ১০,০০০-এ জায়গা করে নিয়েছে এবং প্রায় ৪০০ জন শীর্ষ ৩৫,০০০-এর মধ্যে স্থান পেয়ে দেশের সেরা সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রেও আকাশ-এর ধারাবাহিক সাফল্য বজায় ছিল। জেইই অ্যাডভান্সড-এ ২৯ জন ছাত্রছাত্রী শীর্ষ ১০০-তে এবং ৫১ জন শীর্ষ ৫০০-র মধ্যে র‍্যাঙ্কে পেয়েছে। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ থেকেই ৫ জন ছাত্রছাত্রী শীর্ষ ১০০০-এ এবং ৫০ জন শীর্ষ ১০,০০০-এ নিজেদের র‍্যাঙ্ক অর্জন করেছে।
এই অসাধারণ সাফল্যকে সম্মানিত করতে, এইএসএল আয়োজন করে তার বার্ষিক সম্মাননা অনুষ্ঠান ‘ব্যোম ২০২৫’, যা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ জুন ২০২৫, বিস্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার, নিউ টাউন, কলকাতা-য়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডার ডিরেক্টর শ্রী সঞ্জয় খেমকা, সম্মানীয় ডিরেক্টরস শ্রীমতি অম্বিকা খেমকা, শ্রী কুমার মঙ্গলম এবং শ্রী তিলক রাজ খেমকা।

Whatsapp image 2025 06 30 at 08.53.31 (1)

এই উপলক্ষে শ্রী সঞ্জয় খেমকা বলেন: “এই সাফল্য এইএসএল পরিবারও আমাদের সবার জন্য এক গর্বের মুহূর্ত। আকাশ-এ আমরা এমন শিক্ষার্থীদের তৈরি করতে চাই যারা কঠিন সময়েও শান্ত, মনোযোগী এবং সমাধানমুখী থেকে এগিয়ে যেতে পারে। এই বছরের পরীক্ষার অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও আমাদের ফলাফল আমাদের অ্যাকাডেমিক পদ্ধতির দৃঢ়তা, শিক্ষকদের নিষ্ঠা এবং ছাত্রছাত্রীদের সাফল্যের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে প্রমাণ করে। আমরা প্রতিটি কৃতী শিক্ষার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই যারা আমাদের গর্বিত করেছে।”

আকাশ এডুকেশনাল সার্ভিসেস লিমিটেড (এইএসএল) হলো ভারতের প্রধান টেস্ট প্রিপারেশন প্রতিষ্ঠান, যা মেডিকেল (নিট), ইঞ্জিনিয়ারিং (জেইই) এবং এনটিএসই, অলিম্পিয়াডের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বিস্তৃত কোচিং প্রদান করে।

দেশজুড়ে ৪০০-র ও বেশি সেন্টার এবং ৪ লাখের ও বেশি ছাত্র ছাত্রী নিয়ে এইএসএল গত ৩৬ বছরে একটি প্রভাবশালী বাজার অবস্থান গড়ে তুলেছে। প্রতিটি ছাত্রের সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে এবং তাদের ক্যারিয়ারের লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করতে এইএসএল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এইএসএল একটি ছাত্র কেন্দ্রিক দর্শন অনুসরণ করে—বিশ্বাস করি প্রতিটি ছাত্র ই আলাদা। উচ্চমানের শিক্ষকদের একটি টিম, আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি এবং টেকনোলজি-ভিত্তিক লার্নিং এনভায়রনমেন্ট এর সাহায্যে এইএসএল নিশ্চিত করে যে তার ছাত্র ছাত্রীরা ভবিষ্যতের জন্য সুসজ্জিত ও প্রস্তুত।

Whatsapp image 2025 06 30 at 08.53.32

Continue reading

মিস করে যাওয়া

অম্বুজা নিওটিয়া আয়োজিত নবম চার্লস কোরিয়া স্মারক বক্তৃতা |
কলকাতার এইচসিজি ক্যান্সার হাসপাতালের ব্রেস্ট সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট ডঃ জ্যোতি গুপ্তা, স্তন ক্যান্সার নিয়ে আলোচনাকে উদ্বেগ থেকে কর্মে পরিণত করার আহ্বান |
রোবোটিক-সহায়তাযুক্ত কার্ডিয়াক সার্জারি চালুর মাধ্যমে বিএম বিড়লা হার্ট হসপিটাল তার কার্ডিয়াক সার্জারি কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে।
অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালস, কলকাতা: ‘প্রিসিশন পার্শিয়াল নি রিকনস্ট্রাকশন’-এর মাধ্যমে অর্থোপেডিক চিকিৎসায় এক নতুন যুগের সূচনা |
২৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক দল নিয়ে ‘রাগবি প্রিমিয়ার লিগ’-এ ঐতিহাসিক অভিষেকের অপেক্ষায় ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’ |
বাণিজ্য বিভাগের গত ১২ বছরের যুগান্তকারী অগ্রগতির চিত্র ও চা খাতের ঐতিহাসিক রপ্তানি সাফল্য তুলে ধরা হলো কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে |