দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র

কলকাতা, ১৩ অক্টোবর ২০২৬: ভারতের স্বাধীনতার প্রায় আট দশক অতিক্রান্ত। তবুও স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অধ্যায় আজও সমগ্র জাতির চেতনা, আবেগ ও কৌতূহলের গভীরে জীবন্ত— নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্য ।ইতিহাস কি আমাদের সব কথা জানিয়েছে? নাকি এমন কিছু প্রশ্ন আজও অনুত্তরিত রয়ে গেছে, যাদের উত্তর খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশচলচ্চিত্রটির যাত্রাপথে আরও একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত হিসেবে, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে কলকাতার নন্দনে ‘দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র’-এর একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। নেতাজির জীবন, তাঁর অন্তর্ধানকে ঘিরে থাকা প্রশ্ন এবং তাঁর অমলিন উত্তরাধিকারকে দর্শকদের সামনে নতুন করে তুলে ধরার পথে এই প্রদর্শনী এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও রহস্যময় এই অধ্যায়কে কেন্দ্র করেই পরিচালক রাজেশ গুপ্ত (আইআইটি-র প্রাক্তনী) নিয়ে আসছেন ঐতিহাসিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র’ । শক্তিশালী কাহিনিবিন্যাস এবং সমকালীন অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে এই চলচ্চিত্র ফিরে দেখতে চায় নেতাজির অন্তর্ধানকে ঘিরে থাকা সেই প্রশ্নগুলিকে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভারতবাসীর মনে আলোড়ন তুলে চলেছে।

বিভিন্ন নথিপত্র, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ এবং পরস্পরবিরোধী ঐতিহাসিক বক্তব্যের ভিত্তিতে চলচ্চিত্রটি ১৯৪৫ সালে এক বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যুর বহুল প্রচলিত বিবরণকে ঘিরে থাকা প্রশ্নগুলির অনুসন্ধান করে। পাশাপাশি, তথ্য গোপন করার অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়েও উঠে আসে নানা প্রশ্ন।

এই যাত্রার উদ্দেশ্য কেবল একটি ঐতিহাসিক রহস্যের পুনরাবৃত্তি নয়। বরং নেতাজির অসামান্য ব্যক্তিত্ব, তাঁর অদম্য সাহস, তাঁর স্বপ্ন এবং তাঁর উত্তরাধিকারের প্রতি মানুষের আগ্রহকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা। একই সঙ্গে, নেতাজির অন্তর্ধানকে ঘিরে আজও যে প্রশ্নগুলির উত্তর অধরা, সেগুলিকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানায় এই চলচ্চিত্র।

চলচ্চিত্রে প্রখ্যাত অভিনেতা যতীন কার্যেকর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ভূমিকায় এবং অমিত বহল গোয়েন্দা দপ্তরের এক আধিকারিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। এছাড়াও বীরেন্দ্র সাক্সেনা, অখিলেন্দ্র মিশ্র, অপূর্বা অরোরা, আকাশদীপ অরোরা, রাজীব কুমার এবং কাশ্বী গ্রোভার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

বহু লেখকের নিবিড় গবেষণা ও অধ্যয়ন থেকে অনুপ্রাণিত এই চলচ্চিত্রটি দীর্ঘ ও বিশদ শংসাপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া অতিক্রম করে কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র শংসাপত্র বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। বড় পর্দায় পৌঁছনোর দীর্ঘ যাত্রায় এটি এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

এই চলচ্চিত্রের সৃজনশীল উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত রয়েছেন প্রাক্তন সরকারি আধিকারিক প্রশান্ত সিংহানিয়া। ঐতিহাসিক অনুসন্ধান, জনপরিসরের প্রতিষ্ঠান এবং নেতাজির উত্তরাধিকারের চিরন্তন গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগকে দিয়েছে এক বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি।

চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে গিয়ে প্রশান্ত সিংহানিয়া বলেন:

“এই চলচ্চিত্র এমন এক আদর্শকে মানুষের সামনে তুলে ধরার আন্তরিক প্রয়াস, যাঁর স্বপ্ন ছিল আগামী এক হাজার বছর ধরে একটি স্বাধীন ভারতকে গৌরবের সঙ্গে এগিয়ে যেতে দেখা। নেতাজিকে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা মানে তাঁর চেতনা ও আদর্শকে পুনর্জাগরিত করা, যাতে দেশের তরুণ প্রজন্ম তাঁর কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে জাতীয়তাবাদের পথে এগিয়ে যেতে পারে। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে বিস্মৃতির আড়ালে সরিয়ে দেওয়ার ফলে যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, তা ইচ্ছাকৃতভাবে নিম্নমানের চিন্তা ও মধ্যমেধার আধিপত্য দিয়ে পূরণ করা হয়েছে।”

এই কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে দুই প্রজন্মের দুই সত্যসন্ধানী—একটি রহস্য, আর সত্যের কাছে পৌঁছনোর অদম্য অঙ্গীকার।

একজন গবেষক, যিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের অনুসন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। প্রায় একাকী, বছরের পর বছর ধরে তিনি খুঁজে চলেছেন সেই প্রশ্নগুলির উত্তর, যেগুলি আজও অস্পষ্টতার আড়ালে রয়ে গেছে।

অন্যদিকে, এক তরুণী। সত্যকে জানার অদম্য আকাঙ্ক্ষা তাকে চালিত করে। সে এক নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি—যে প্রজন্ম ইতিহাসকে কেবল মেনে নিতে চায় না, ইতিহাসের অনুচ্চারিত অধ্যায়গুলিকেও বুঝতে চায়, প্রচলিত বয়ানের ফাঁকগুলি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চায়।

দুজনের যাত্রাপথ এক সময় এসে মিলিত হয়। কৌতূহল রূপ নেয় সংগ্রামে, প্রশ্ন পরিণত হয় সংকল্পে। আর সত্যের সন্ধান হয়ে ওঠে সাহস, ধৈর্য, অধ্যবসায় ও ন্যায়বিচারের এক আবেগঘন কাহিনি।

পরিচালক রাজেশ গুপ্তের চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রায় এই ছবিটি আরও একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। তাঁর পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘চাড্ডি বাডিজ’ এবং ‘ দ্য ফ্ল্যাট’ সম্মিলিতভাবে ১২টি পুরস্কার অর্জন করেছে। অন্যদিকে, তাঁর পরিচালিত হিন্দি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আনলক জিন্দগি’ (২০২২) নির্বাচিত হয়েছিল ১৩টি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এবং মিলান, মেক্সিকো ও বস্টনে শ্রেষ্ঠ কাহিনিনির্ভর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিল।

চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে পরিচালক রাজেশ গুপ্ত বলেন:

“এই চলচ্চিত্র কখনওই কেবল ইতিহাসকে নতুন করে দেখার প্রচেষ্টা ছিল না। এর উদ্দেশ্য ছিল সেই প্রশ্নগুলিকে সামনে আনা, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষ করে এসেছে। আমরা এমন একটি কাহিনি তুলে ধরতে চেয়েছি, যা দর্শকদের ভাবতে, আত্মসমীক্ষা করতে এবং নিজেরাই সত্যের অনুসন্ধানে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। সমস্ত বাধা অতিক্রম করে আজকের এই পর্যায়ে পৌঁছনো আমাদের প্রত্যেকের কাছে অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও অর্থবহ একটি মুহূর্ত।”

‘দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র’ -এর মাধ্যমে রিয়েল রিলস প্রোডাকশন নেতাজির অসামান্য উত্তরাধিকার, ঐতিহাসিক স্মৃতির জটিলতা এবং কঠিন প্রশ্ন তোলার গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে জাতীয় আলোচনার সূত্রপাত করতে চায়।

এই চলচ্চিত্র বিশেষত তরুণ প্রজন্ম-সহ প্রত্যেক দর্শককে আহ্বান জানায়, যাঁরা ইতিহাসকে কেবল প্রচলিত বয়ান বা শোনা কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না। বরং ইতিহাসের বিভিন্ন দিককে বুঝতে চান এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই অধ্যায়ের মুখোমুখি হতে চান, যা আজও রহস্য, কৌতূহল ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।

কারণ, নেতাজি কেবল ইতিহাসের একটি নাম নন। তিনি একটি আদর্শ, একটি সংকল্প, একটি স্বাধীন ভারতের স্বপ্নের প্রতীক—যে স্বপ্নের জন্য অসংখ্য ভারতবাসী নিজেদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছিলেন।

তাঁর কাহিনি আজও আমাদের আহ্বান জানায়। তাঁর জীবনকে ঘিরে থাকা প্রশ্নগুলি আজও আমাদের তাড়া করে ফেরে। আর তাঁর উত্তরাধিকার আজও আমাদের সত্যের সন্ধান চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

Related Posts

পন্ডিত বাড়ির দুর্গাপুজো এক ইতিহাস বহন করে চলেছে।
  • October 20, 2026

কলকাতা ১৯ আগস্ট ২০২৬:আমাদের দুর্গাপুজোর ইতিহাস প্রথাগত বনেদি বাড়ির পুজোর ইতিহাসের থেকে বেশ স্বতন্ত্র। ১৯৫১ সালে আমাদের পরিবার চট্টগ্রাম থেকে কলকাতায় চলে আসে। তার আগের কয়েক বছরে পূর্ববঙ্গ যে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল, তার রেশ তখনও কাটেনি। ১৯৫০ সালের দাঙ্গা-অশান্তি এবং ১৯৫১ সালের অক্টোবরে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানের হত্যাকাণ্ড—সব মিলিয়ে সদ্যগঠিত পাকিস্তানের ইতিহাসের সেই অধ্যায় ছিল গভীর অনিশ্চয়তায় ঘেরা।
তাই আমাদের দুর্গাপুজো কেবল উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কোনও ধর্মীয় আচার নয়; এটি এক ভাঙা ভূগোল পেরিয়ে বয়ে আনা এক ঐতিহ্য। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ফেলে আসা এক ভিটেমাটির স্মৃতি এবং কলকাতায় নতুন করে একটি ঘর, একটি জীবন ও একটি শিকড় গড়ে তোলার নিরলস প্রচেষ্টা ও অদম্য মানসিক দৃঢ়তার কাহিনি।

Continue reading
হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টে ৭.৫ ফুটের চকলেট দুর্গা প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করলেন মিঠুন চক্রবর্তী |
  • October 11, 2026

কলকাতা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬: দুর্গাপূজার মহিমা উদযাপনের এক আন্তরিক প্রয়াস হিসেবে, হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্ট আজ তাদের অনন্য ও আকর্ষণীয় ‘চকলেট দুর্গা’ প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করল। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা এবং পদ্মভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার বিজয়ী শ্রী মিঠুন চক্রবর্তী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘ফিউচার হোপ’ (Future Hope)-এর শিশুরা—যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, বাসস্থান, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে চলেছে।

হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শ্রী মিঠুন চক্রবর্তী আনুষ্ঠানিকভাবে ৭.৫ ফুট উচ্চতার এই চকলেট দুর্গা প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করেন; এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শ্রী ঋষি জৈন, শ্রী শ্রেয়াংশ জৈন এবং ‘ফিউচার হোপ’-এর উৎসাহী শিশুরা।

WhatsApp Image 2026 10 11 at 22.53.46

সম্পূর্ণরূপে খাঁটি ডার্ক চকলেট দিয়ে তৈরি এই প্রতিমাটি বাংলার সমৃদ্ধ কারুশিল্পের ঐতিহ্য এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মানসিকতার এক চমৎকার নিদর্শন। এই আয়োজনের ১০ম বর্ষপূর্তিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করে, প্রবীণ ও দক্ষ কারিগর শ্রী সুজিত পালের নেতৃত্বে এই প্রতিমাটি তৈরি করা হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা তৈরির পরিবার থেকে আসা এবং ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সুজিত পালের তৈরি প্রতিমা বাগুইআটি জোড়া মন্দিরের মতো বিখ্যাত কমিউনিটি পূজায় যেমন শোভা পেয়েছে, তেমনি গ্লাসগোর মতো আন্তর্জাতিক গন্তব্যও ভ্রমণ করেছে। হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টের রন্ধনশিল্পীদের দলের সহযোগিতায় এই অনন্য শিল্পকর্মটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি ১০ জনেরও বেশি কারিগরের একটি নিবেদিতপ্রাণ দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
“হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টে আমরা বিশ্বাস করি যে, দুর্গাপূজার প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত রয়েছে সর্বজনীনতা, আনন্দ ভাগ করে নেওয়া এবং সমাজের প্রতিটি কোণে উৎসবের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মধ্যে। এই আয়োজনে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শ্রী মিঠুন চক্রবর্তী এবং ‘ফিউচার হোপ’-এর প্রাণবন্ত শিশুদের আমাদের মাঝে পাওয়াটা অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। এই উদ্যোগটি সৃজনশীল শিল্পকলাকে সামাজিক উষ্ণতার সাথে একীভূত করেছে এবং আরও বৃহত্তর পরিসরে এই ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরে আমরা গর্বিত।” এ কথা জানিয়েছেন জৈন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টের মালিক শ্রী শ্রেয়াংস জৈন।
জৈন গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী ঋষি জৈন বলেন, “দুর্গাপূজা হলো এমন এক আবেগ যা সমগ্র বাংলাকে একসূত্রে বাঁধে; আর ঐতিহ্যবাহী প্রতিমা-নির্মাণশৈলী ও রন্ধনশিল্পের এমন এক অভিনব মেলবন্ধন সত্যিই অসাধারণ। দক্ষ কারিগর সুজিত পালের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ঐতিহ্যবাহী নান্দনিকতা বজায় রেখে চকলেট দিয়ে মা দুর্গার প্রতিমা গড়ে তোলার এই প্রয়াস বাংলার বৃহত্তম উৎসবের প্রকৃত ও কল্যাণময়ী চেতনাকেই তুলে ধরে।”
৭.৫ ফুট উচ্চতার খাঁটি ডার্ক চকলেটে তৈরি দুর্গা প্রতিমাটি ২০২৬ সালের ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টে সর্বসাধারণের দর্শনের জন্য রাখা থাকবে।

Continue reading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মিস করে যাওয়া

দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র

দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র

পন্ডিত বাড়ির দুর্গাপুজো এক ইতিহাস বহন করে চলেছে।

পন্ডিত বাড়ির দুর্গাপুজো এক ইতিহাস বহন করে চলেছে।

হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টে ৭.৫ ফুটের চকলেট দুর্গা প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করলেন মিঠুন চক্রবর্তী |

হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টে ৭.৫ ফুটের চকলেট দুর্গা প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করলেন মিঠুন চক্রবর্তী |

টেকনো ইন্ডিয়া ডামা হাসপাতাল এবং ইন্ডিয়ান অর্থোপেডিক রিউম্যাটোলজি অ্যাসোসিয়েশন একাডেমি অর্থো রিউম্যাটোলজি দিবস উদযাপন করে।

টেকনো ইন্ডিয়া ডামা হাসপাতাল এবং ইন্ডিয়ান অর্থোপেডিক রিউম্যাটোলজি অ্যাসোসিয়েশন একাডেমি অর্থো রিউম্যাটোলজি দিবস উদযাপন করে।

পুজোর প্রাক্কালে অতিরিক্ত পরিষেবা ও এসি ইএমইউ-র নতুন স্টপেজের মাধ্যমে শহরতলির রেল যোগাযোগ আরও উন্নত করল শিয়ালদহ ডিভিশন |

পুজোর প্রাক্কালে অতিরিক্ত পরিষেবা ও এসি ইএমইউ-র নতুন স্টপেজের মাধ্যমে শহরতলির রেল যোগাযোগ আরও উন্নত করল শিয়ালদহ ডিভিশন |

ডানকুনিতে ওয়্যারহাউস প্রকল্পে ₹১,০০০ কোটি বিনিয়োগের ঘোষণা অলকার্গো লজিস্টিক্সের |

ডানকুনিতে ওয়্যারহাউস প্রকল্পে ₹১,০০০ কোটি বিনিয়োগের ঘোষণা অলকার্গো লজিস্টিক্সের |