মুখ ও গলার ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে মণিপাল হসপিটাল, ইএম বাইপাস-এ ক্যান্সার সার্ভাইভার মিট
  • November 30, 2025

কলকাতা, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫: মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস, যা ভারতের অন্যতম বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা চেইন মণিপাল হসপিটালস গ্রুপের একটি অংশ, মুখগহ্বর ও মাথা-ঘাড়ের ক্যানসার সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে একটি বিশেষ ক্যানসার সারভাইভার মিটের আয়োজন করে। ভারতে মোট ক্যানসার রোগীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশই মুখগহ্বর ও মাথা-ঘাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত, যার প্রধান কারণ তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ব্যাপক ব্যবহার। পাশাপাশি, নিয়মিত অ্যালকোহল সেবন মুখগহ্বরের ক্যানসারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। এ ধরনের ক্যানসার সাধারণত পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও সাম্প্রতিক বছরে নারীদের মধ্যেও উদ্বেগজনক হারে এই রোগের বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, সঙ্গে ছিলেন মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসের সিনিয়র অনকোলজিস্টরা। ক্যানসার সারভাইভাররা এদিন তাঁদের লড়াইয়ের গল্প, ভয়কে জয় করার মুহূর্ত এবং নবউদ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।মুখের ক্যান্সারের প্রধান চিকিৎসা সার্জারি। প্রাথমিক স্তরে (Early Oral Cancer) অপারেশনের পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে স্টেজ ৩ ও ৪ এর রোগীদের ক্ষেত্রে অপারেশনের পর রেডিয়েশন থেরাপি এবং কিছু ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি প্রয়োজন হয়।

Whatsapp image 2025 11 29 at 20.40.39 (1)

ড. সৌরভ দত্ত, , ডিরেক্টর – মণিপাল অঙ্কোলজি, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – হেড অ্যান্ড নেক সার্জিক্যাল অনকোলজি , মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস, মুকুন্দপুর এবং ব্রডওয়ে বলেন, “ভারতে এখনও মুখগহ্বর ও মাথা-ঘাড়ের ক্যান্সারের বোঝা অত্যন্ত বেশি, প্রতি বছরই ২ লক্ষেরও বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হন। এদের প্রায় ৬৫–৭০%-ই তামাক বা তামাকজাত পণ্যের ব্যবহারকারী। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে মুখের ক্যান্সার সম্পূর্ণভাবে নিরাময়যোগ্য—এই পর্যায়ে সাফল্যের হার ৭৫–৮০%-এরও বেশি। তাই উপসর্গের প্রতি সময়মতো নজর দেওয়া এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।“পুনর্গঠন সার্জারির ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে ড. হর্ষ ধর, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিকাল অঙ্কোলজি, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস এবং ব্রডওয়ে বলেন, “আমাদের অধিকাংশ রোগীই দেরিতে বা অগ্রসর পর্যায়ে হাসপাতালে আসেন, যেখানে জটিল অস্ত্রোপচার ও পুনর্গঠনের প্রয়োজন হয়। মাইক্রোভাসকুলার ফ্রি ফ্ল্যাপ এখন মুখগহ্বর ও মাথা-ঘাড়ের ক্যান্সারের অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত সবচেয়ে উন্নত ও নির্ভরযোগ্য পুনর্গঠন পদ্ধতিগুলির মধ্যে একটি। অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে রোগীর শরীরের অন্য অংশ থেকে টিস্যু সংগ্রহ করে আক্রান্ত স্থানে প্রতিস্থাপন করা হয় এবং রক্তনালীর সঙ্গে পুনরায় সংযুক্ত করা হয়। এর ফলে শুধু মুখমণ্ডলের গঠনই পুনরুদ্ধার হয় না, রোগী আবার স্বাভাবিকভাবে কথা বলা, চিবোনো ও গিলতে পারার মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্ষমতাও ফিরে পান। সফল পুনর্গঠন ক্যান্সারজয়ীর চিকিৎসা-পরবর্তী জীবনের মানকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে পারে।”সঠিক সময়ে রোগনির্ণয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে ইভেন্টে উপস্থিত অন্য বিশেষজ্ঞ ড. কিংশুক চ্যাটার্জি, কনসালট্যান্ট – সার্জিকাল অঙ্কোলজি, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস এবং ব্রডওয়ে বলেন,“যেসব রোগীর ক্যান্সার প্রাথমিক স্তরে শনাক্ত করা যায়, তাঁদের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র সার্জারির মাধ্যমেই সফল চিকিৎসা সম্ভব হয়। রেডিয়েশন বা কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয় না। এর ফলে রোগীর পরবর্তী জীবনযাত্রার মান অত্যন্ত ভালো থাকে এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।”

প্লাস্টিক ও রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারির গুরুত্ব নিয়ে ড. সিঞ্জিনি দাস, কনসালট্যান্ট – প্লাস্টিক, রিকনস্ট্রাকটিভ & কসমেটিক সার্জারি, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস,, বলেন, “মুখের ক্যান্সারের অস্ত্রোপচারে অনেক সময় গাল, জিহ্বা বা চোয়ালের কিছু অংশ অপসারণ করতে হয়, যা স্বাভাবিকভাবেই রোগীদের মনে আবার আগের মতো কথা বলা বা খাওয়া-দাওয়া করতে পারবে কি না—এই নিয়ে ভয় তৈরি করে। কিন্তু আধুনিক পুনর্গঠন প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা এই অংশগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পুনর্গঠন করতে পারি, ফলে রোগীরা ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে কথা বলা, খাবার গ্রহণ এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে ফিরে যেতে পারেন। আজকের দিনে পুনর্গঠনমূলক সার্জারি মুখের ক্যান্সার চিকিৎসার অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই মাইক্রোভাসকুলার ফ্রি ফ্ল্যাপ ব্যবহার করা হয়। গত চার বছরে আমাদের বিভাগে ৮০০-রও বেশি ফ্রি ফ্ল্যাপ সার্জারি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৬৫০টি ছিল মুখের ক্যান্সার রোগীদের জন্য।”এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, যার নির্মিত জনপ্রিয় চলচ্চিত্র কণ্ঠ–তে একজন ল্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার সার্ভাইভারের সংগ্রাম, তাঁর কণ্ঠনালী অপসারণের পর নতুনভাবে কথা বলতে শেখা এবং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার লড়াই অত্যন্ত বাস্তব ও সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর এই চরিত্রায়ণ কেবল দর্শকদের অনুপ্রাণিতই করেনি, বরং মুখ ও গলার ক্যান্সার নিয়ে সমাজে বহমান ভয়, অস্বস্তি ও ভুল ধারণা দূর করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। তাই এই ইভেন্টে তাঁর উপস্থিতি ছিল গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

ইভেন্টে উপস্থিত সকল ক্যান্সার সার্ভাইভাররা তাঁদের ভয়কে জয় করার অভিজ্ঞতা, চিকিৎসকদের সঠিক পরামর্শ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি ও পরিবারের সহায়তা কীভাবে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত কীভাবে তাঁরা আজ সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছেন—এই সবকিছু বিভিন্ন গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেন।একজন ক্যান্সার সার্ভাইভার, এস. কে. আমিন আলি (বয়স ৪৭), যিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নিজের জীবনের লড়াইয়ের কথা বলেন, “আমি সবসময় শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পরিশ্রমী জীবন যাপন করেছি। দীর্ঘ কর্মসময় সামলে বডিবিল্ডিংয়ের প্রতি আমার ভালোবাসা এবং ট্রেকিংয়ের আগ্রহ, দুটোকেই সমান গুরুত্ব দিয়েছি। কিন্তু যখন বুঝতে পারলাম শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তখন এক মুহূর্ত দেরি করিনি। অনলাইনে খুঁজে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করি এবং দ্রুত চিকিৎসার জন্য এখানে আসি। প্রতিটি ধাপে চিকিৎসকেরা আমাকে আত্মবিশ্বাস এবং দৃঢ় সমর্থন দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য,আবার শক্তি ফিরে পেয়ে নতুন উদ্যমে ২০২৬ সালের জাতীয় বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে দাঁড়ানো।”আরেকজন ক্যান্সার সার্ভাইভার, শাশ্বতী বিশ্বাস (বয়স ৪৫), নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “যখন আমার রোগ নির্ণয় হলো, আমি সম্পূর্ণ একা ছিলাম, কি করব? কোথায় যাব, কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কিন্তু মণিপাল হাসপাতালে পৌঁছানোর পর সবকিছু বদলে গেল। ডাক্তার, নার্স এবং পুরো টিম আমাকে আন্তরিক যত্নে আগলে রাখলেন। তাঁরা আমাকে মানসিক শক্তি দিয়েছেন, সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, আর সেই আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিয়েছেন যা আমি খুঁজছিলাম। আমি এনজিওর সঙ্গে কাজ করেছি এবং অসংখ্য ক্যান্সার রোগীকে চিকিৎসা না পাওয়ায় ভয়াবহ কষ্ট সহ্য করতে দেখেছি। কিন্তু এখানে আমি সময়মতো রোগ নির্ণয়, সম্পূর্ণ চিকিৎসা এবং মর্যাদাপূর্ণ আচরণ—সবই পেয়েছি। আজ আমার অস্ত্রোপচারের পর আপনাদের সামনে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছি, জীবনের প্রতি প্রেরণা ও আশা নিয়ে।

Continue reading
মণিপাল হাসপাতাল বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি ও অ্যাসিড হামলার শিকারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফার্স্ট এইড ও সিপিআর সচেতনতা ছড়াতে উদ্যোগী হয়েছে
  • June 2, 2025



কলকাতা, ২৭ মে ২০২৫: পূর্ব ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল চেইন, মণিপাল হাসপাতাল, আজ বিশ্ব জরুরি দিবস উপলক্ষে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি ও অ্যাসিড হামলার শিকারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, এই প্রথমবারের মতো এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই শহরব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে, মণিপাল হাসপাতাল জগার্স পার্ক, রেলস্টেশন, কর্পোরেট অফিস, আইটি পার্ক এবং Rapido রাইডারদের মধ্যে সিপিআর সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। এরপর, মুকুন্দপুর থেকে ঢাকুরিয়া, ব্রডওয়ে ও সল্টলেক হয়ে ২০টি অ্যাম্বুলেন্সের একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সারাদিনব্যাপী এই ইভেন্টগুলির লক্ষ্য ছিল একটি সুস্থ ও জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত সমাজ গড়ে তোলা। বিশ্বাস থেকে যে প্রতিটি ব্যক্তি, তাদের পটভূমি বা সক্ষমতা নির্বিশেষে, সংকটের সময় প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হওয়া উচিত, আজ শহরের ১৫০০-এরও বেশি মানুষ এই দক্ষতা অর্জন করেছেন, যা তাদের বাস্তব জীবনের সিপিআর হিরোতে রূপান্তরিত করার একটি পদক্ষেপ।

Whatsapp image 2025 05 28 at 18.03.48

এই জীবন রক্ষাকারী হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মিশন চালিয়ে যেতে, মণিপাল হাসপাতাল বেঙ্গালুরু ইতিমধ্যেই সিপিআর প্রশিক্ষণ ও জরুরি প্রস্তুতির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান অর্জন করেছে। আজকের ইভেন্টগুলি সকাল ৬:০০ টায় জগারস পার্ক থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসে শেষ হয়। আজকের সিপিআর প্রশিক্ষণ সেশনগুলি পরিচালনা করেন ডাঃ ইন্দ্রনীল দাস, মেডিকা সুপারস্পেশালটি হাসপাতাল (মণিপাল হাসপাতাল গ্রুপের একটি ইউনিট) জরুরি বিভাগের প্রধান; ডাঃ সুজয় দাস ঠাকুর, পরামর্শদাতা ও ইন-চার্জ – জরুরি চিকিৎসা, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর; এবং ডাঃ কিশান গোয়েল, পরামর্শদাতা ও জরুরি বিভাগের প্রধান, মণিপাল হাসপাতাল – ব্রডওয়ে।

ডাঃ ইন্দ্রনীল দাস বলেন, “জরুরি পরিস্থিতি যেকোনো জায়গায় ঘটতে পারে—বাড়িতে, অফিসে, রাস্তায় বা সকালে হাঁটার সময়। তাই আমরা হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে পার্ক, অফিস এবং কমিউনিটি এলাকায় যাচ্ছি, যাতে যতটা সম্ভব মানুষকে সিপিআর হিরো বানানো যায়। সন্তোষপুর পার্ক, আরবান সবুজায়ন, সেন্ট্রাল পার্ক, অ্যাক্সিস মল এবং রবীন্দ্র সরোবরের মতো জায়গাগুলি আমাদের জীবন রক্ষাকারী জ্ঞানকে সকালের হাঁটার মতো সাধারণ করে তুলতে সাহায্য করেছে। যখন মৌলিক জরুরি প্রতিক্রিয়া জনসচেতনতায় পরিণত হয়, তখন আমরা শহরজুড়ে বেঁচে থাকার শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করি।”

ইভেন্ট চলাকালীন, ডাঃ সুজয় দাস ঠাকুর বলেন, “জীবন রক্ষা করা শুধুমাত্র একজন ডাক্তারের দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক বাধ্যবাধকতাও। আমরা Rapido রাইডার, এনজিও থেকে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং বিভিন্ন জেলার অ্যাসিড হামলার শিকারদের সিপিআর ও ফার্স্ট এইড প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রতিদিনের হিরোদের জরুরি পরিস্থিতিতে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করছি। আমাদের অ্যাম্বুলেন্স র‍্যালি আমাদের প্রতিরোধমূলক যত্নের প্রতিশ্রুতির আরেকটি শক্তিশালী প্রতীক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রশিক্ষণটি প্রয়োজনীয় সচেতনতা বাড়াবে এবং সবাইকে মনে করিয়ে দেবে যে প্রতিটি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ।”

উদ্যোগ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, ডাঃ কিশান গোয়েল বলেন, “একটি জরুরি পরিস্থিতি যা পথচারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, শুধুমাত্র সচেতনতার উপর নির্ভর করতে পারে না; প্রাথমিক যত্নের জন্য সাহায্য করার ইচ্ছা এবং প্রস্তুতি উভয়ই থাকতে হবে। আমরা ডিএলএফের মতো আইটি হাব, সাউথ সিটি মলের মতো পাবলিক স্পেস এবং মিডিয়া হাউসগুলিতে সিপিআর প্রশিক্ষণ সেশন সম্প্রসারণের মাধ্যমে জীবন রক্ষাকারী জ্ঞানের একটি তরঙ্গ তৈরি করছি। মণিপাল হাসপাতাল, আমরা বিশ্বাস করি যে পেশাদার থেকে সাংবাদিক পর্যন্ত বিভিন্ন গোষ্ঠীকে ক্ষমতায়ন করা পথচারীদের প্রথম প্রতিক্রিয়াকারীতে পরিণত করতে পারে।”

ডাঃ পারমিতা কঞ্জিলাল বলেন, “মণিপাল হাসপাতাল দৃঢ়ভাবে ফার্স্ট এইড এবং সিপিআর সম্পর্কে সচেতনতা ছড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে মানুষ সংকটের সময় সাহায্যের হাত বাড়াতে পারে। আমরা সারা বছর ধরে এমন গণসচেতনতামূলক উদ্যোগ চালিয়ে যাব, যাতে বৃহত্তর সম্প্রদায় উপকৃত হয়।”

Continue reading

মিস করে যাওয়া

ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |
আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |
অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ উন্মোচন করল ‘ধড়কন’ (DHADKAN): সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী হৃদরোগের অস্ত্রোপচার |
“কলকাতা, হাওড়া পৌরসভা ও পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্যব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২৬ মেনে চলার করণীয় কর্মপন্থা। পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা।“
ফরচুন হাইটস নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল, বারাসাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই ৯৩৫টি বাড়ি হস্তান্তর |