২৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক দল নিয়ে ‘রাগবি প্রিমিয়ার লিগ’-এ ঐতিহাসিক অভিষেকের অপেক্ষায় ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’ |
  • June 11, 2026

রাগবি প্রিমিয়ার লিগে কলকাতার প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’ এই মৌসুমে তাদের বহু-প্রত্যাশিত অভিষেক ঘটাতে চলেছে। ১১টি দেশের ২৬ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে গঠিত এই দলে রয়েছেন অলিম্পিয়ান, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, জাতীয় চ্যাম্পিয়ন এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা রাগবি প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা।রাগবি প্রিমিয়ার লিগে কলকাতার এই প্রথমবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে পূর্ব ভারতে রাগবি খেলার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়া প্রতিভার সমন্বয়ে গঠিত এই দলটি প্রতিযোগিতায় নিজেদের একটি শক্তিশালী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি এই অঞ্চলে রাগবির প্রসারে অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে।এই মৌসুমের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’-এর নারী দলের সূচনা। এর ফলে, এ বছর রাগবি প্রিমিয়ার লিগে নারী দল গঠনকারী ভারতের মাত্র চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠল তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ‘রাগবি ইন্ডিয়া’-র ভাইস প্রেসিডেন্ট সানায়া মেহতা ব্যাস। রাগবি প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবারের মতো কলকাতার প্রতিনিধিত্ব দেখে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। নিজে একজন রাগবি খেলোয়াড় এবং কলকাতার বাসিন্দা হওয়ায়, পূর্ব ভারতে এই খেলার প্রসারের ক্ষেত্রে লিগে শহরের এই অন্তর্ভুক্তির তাৎপর্য নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। খেলাধুলায় নারীদের অংশগ্রহণের একজন বলিষ্ঠ প্রবক্তা হিসেবে তিনি ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’-এর নারী দলের গুরুত্ব এবং দেশজুড়ে নারী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ, পরিচিতি ও সুযোগ বৃদ্ধিতে এই নারী প্রতিযোগিতার ভূমিকা নিয়েও আলোকপাত করেন।

WhatsApp Image 2026 06 10 at 19.00.17 (3)

“রাগবির সাথে কলকাতার সম্পর্ক বরাবরই বিশেষ। রাগবি প্রিমিয়ার লিগের মঞ্চে শহরটির প্রতিনিধিত্ব দেখতে পাওয়া সত্যিই দারুণ ব্যাপার। ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’-এর সূচনা পূর্ব ভারতে এই খেলার প্রসারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই মৌসুমে কলকাতার নারী দল গঠনের বিষয়টি নিয়েও আমি সমানভাবে উচ্ছ্বসিত; এটি নারী রাগবি খেলোয়াড়দের জন্য আরও বেশি সুযোগ ও পরিচিতি তৈরির পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের পরবর্তী প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে।” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’-এর মুখপাত্র শ্রুতি আরও বলেন:”‘হানচ ভেঞ্চারস’ (Hunch Ventures) বেশ কয়েক বছর ধরেই ভারতে রাগবি খেলার সাথে যুক্ত। ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’-এর মাধ্যমে ‘রাগবি প্রিমিয়ার লিগ’-এ আমাদের অংশগ্রহণ সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা। রাগবির ইতিহাসে কলকাতার অনন্য অবস্থানের কথা বিবেচনা করলে, এই ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য শহরটি একটি উপযুক্ত কেন্দ্র।”

“আমরা প্রচুর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একদল প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে একত্রিত করেছি। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি দল গঠন করা যারা তীব্রতা, শৃঙ্খলা এবং গর্বের সাথে খেলবে। ফ্র্যাঞ্চাইজির উদ্বোধনী মৌসুমে কলকাতার প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত।””নারী দলটির যাত্রা শুরু হওয়া ভারতের রাগবি খেলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আমাদের দলে একদল শক্তিশালী অ্যাথলেট রয়েছেন যারা সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী। আমরা আশা করি, এই দলটি আরও বেশি সংখ্যক তরুণীকে এই খেলাটিতে যুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করবে।”বিশ্বজুড়ে সেরা আন্তর্জাতিক প্রতিভা, অভিজ্ঞ নেতৃত্ব এবং উদীয়মান তারকাদের নিয়ে গঠিত ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’ তাদের প্রথম ‘রাগবি প্রিমিয়ার লিগ’ অভিযানের জন্য প্রস্তুত। এর মাধ্যমে তারা এই খেলার অন্যতম বড় মঞ্চে কলকাতার আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নকে তুলে ধরতে চলেছে।হায়দ্রাবাদের গাছিবোলি স্টেডিয়ামে ১৬ থেকে ৩০ জুন ‘এইচএসবিসি (HSBC) রাগবি প্রিমিয়ার লিগ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টটি ‘জিও-হটস্টার’ (JioHotstar) এবং ‘স্টার স্পোর্টস ১ সিলেক্ট’ (Star Sports 1 Select)-এ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

‘‘হানচ ভেঞ্চারস’-এর মালিকানাধীন ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’ হলো ‘রাগবি প্রিমিয়ার লিগ’-এ কলকাতার প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি। অলিম্পিয়ান, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং জাতীয় চ্যাম্পিয়নসহ ১১টি দেশের ২৬ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে গঠিত এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি পূর্ব ভারতে রাগবি খেলার এক নতুন যুগের সূচনা করছে। পুরুষ ও নারী দলের মাধ্যমে ‘কলকাতা…

Continue reading
মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টারের ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’সেশন এবং পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে সমন্বিত গ্রন্থও প্রকাশ |
  • March 26, 2026


কলকাতা, ২৪ মার্চ ২০২৬: মণিপাল হসপিটালস সল্টলেক ক্লাস্টার আজ সল্টলেকের ব্রডওয়ে ইউনিটে “ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড” শীর্ষক একটি তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় সেশনের সফল আয়োজন করেছে। এই উপলক্ষে পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে একটি সমন্বিত গ্রন্থও প্রকাশ করা হয়, যা মণিপাল হসপিটাল ব্রডওয়ে ও সল্টলেকের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে তৈরি।
এই গ্রন্থটি পাচনতন্ত্র সংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান সমস্যাগুলির উপর একটি ব্যবহারিক ও বিস্তৃত নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, প্রতিরোধমূলক উপায়, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং জীবনযাত্রা-ভিত্তিক সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই সেশনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের একটি দল, যার মধ্যে ছিলেন ডা. সুজিত চৌধুরী (হেড, মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুদীপ্ত ঘোষ (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সুজয় মৈত্র (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. দেবকুমার রায় (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. সঞ্জয় মণ্ডল (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. অরিজিৎ সিংহ মহাপাত্র (কনসালট্যান্ট – সার্জিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কিংশুক ধর (সিনিয়র কনসালট্যান্ট – মেডিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ডা. কুশান সেনগুপ্ত (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) এবং ডা. অভিষেক ব্যানার্জি (কনসালট্যান্ট – গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)।

WhatsApp Image 2026 03 24 at 21.01.55 (1)

বিশেষজ্ঞরা জানান, আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে পাচনতন্ত্রের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘ সময় বসে থাকা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং প্রসেসড খাবারের ব্যবহার – এসবই এর প্রধান কারণ। অ্যাসিডিটি, ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS), ফ্যাটি লিভার, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ এবং কোলোরেক্টাল সমস্যার মতো রোগ ক্রমেই বাড়ছে, যা অনেক ক্ষেত্রেই দেরিতে ধরা পড়ে।
সেশনে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এবং আধুনিক মিনিমালি ইনভেসিভ ও জটিল গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উপস্থিতরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে পাচনতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখার বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ পান।
এই প্রসঙ্গে ডা. সুজিত চৌধুরী বলেন, “বর্তমান জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও সচেতনতার অভাবে পাচনতন্ত্রের রোগ দ্রুত বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় প্রতি ৫ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন কোনো না কোনো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া, শহুরে জনসংখ্যার প্রায় ২৫–৩০ শতাংশ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। অনেকেই অ্যাসিডিটি, ফাঁপা ভাব বা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তনের মতো প্রাথমিক লক্ষণ উপেক্ষা করেন, যা কখনও গুরুতর রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। ‘ডাইজেস্টিভ ওয়েলনেস রিডিফাইন্ড’ উদ্যোগ এবং এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসা-সংক্রান্ত জ্ঞান সহজভাবে পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তারা প্রতিরোধ ও উন্নত চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন।”

Continue reading
মুখ ও গলার ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে মণিপাল হসপিটাল, ইএম বাইপাস-এ ক্যান্সার সার্ভাইভার মিট
  • November 30, 2025

কলকাতা, ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫: মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস, যা ভারতের অন্যতম বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা চেইন মণিপাল হসপিটালস গ্রুপের একটি অংশ, মুখগহ্বর ও মাথা-ঘাড়ের ক্যানসার সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে একটি বিশেষ ক্যানসার সারভাইভার মিটের আয়োজন করে। ভারতে মোট ক্যানসার রোগীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশই মুখগহ্বর ও মাথা-ঘাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত, যার প্রধান কারণ তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ব্যাপক ব্যবহার। পাশাপাশি, নিয়মিত অ্যালকোহল সেবন মুখগহ্বরের ক্যানসারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। এ ধরনের ক্যানসার সাধারণত পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা গেলেও সাম্প্রতিক বছরে নারীদের মধ্যেও উদ্বেগজনক হারে এই রোগের বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, সঙ্গে ছিলেন মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসের সিনিয়র অনকোলজিস্টরা। ক্যানসার সারভাইভাররা এদিন তাঁদের লড়াইয়ের গল্প, ভয়কে জয় করার মুহূর্ত এবং নবউদ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।মুখের ক্যান্সারের প্রধান চিকিৎসা সার্জারি। প্রাথমিক স্তরে (Early Oral Cancer) অপারেশনের পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে স্টেজ ৩ ও ৪ এর রোগীদের ক্ষেত্রে অপারেশনের পর রেডিয়েশন থেরাপি এবং কিছু ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি প্রয়োজন হয়।

Whatsapp image 2025 11 29 at 20.40.39 (1)

ড. সৌরভ দত্ত, , ডিরেক্টর – মণিপাল অঙ্কোলজি, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – হেড অ্যান্ড নেক সার্জিক্যাল অনকোলজি , মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস, মুকুন্দপুর এবং ব্রডওয়ে বলেন, “ভারতে এখনও মুখগহ্বর ও মাথা-ঘাড়ের ক্যান্সারের বোঝা অত্যন্ত বেশি, প্রতি বছরই ২ লক্ষেরও বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হন। এদের প্রায় ৬৫–৭০%-ই তামাক বা তামাকজাত পণ্যের ব্যবহারকারী। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে মুখের ক্যান্সার সম্পূর্ণভাবে নিরাময়যোগ্য—এই পর্যায়ে সাফল্যের হার ৭৫–৮০%-এরও বেশি। তাই উপসর্গের প্রতি সময়মতো নজর দেওয়া এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।“পুনর্গঠন সার্জারির ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে ড. হর্ষ ধর, সিনিয়র কনসালট্যান্ট – সার্জিকাল অঙ্কোলজি, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস এবং ব্রডওয়ে বলেন, “আমাদের অধিকাংশ রোগীই দেরিতে বা অগ্রসর পর্যায়ে হাসপাতালে আসেন, যেখানে জটিল অস্ত্রোপচার ও পুনর্গঠনের প্রয়োজন হয়। মাইক্রোভাসকুলার ফ্রি ফ্ল্যাপ এখন মুখগহ্বর ও মাথা-ঘাড়ের ক্যান্সারের অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত সবচেয়ে উন্নত ও নির্ভরযোগ্য পুনর্গঠন পদ্ধতিগুলির মধ্যে একটি। অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে রোগীর শরীরের অন্য অংশ থেকে টিস্যু সংগ্রহ করে আক্রান্ত স্থানে প্রতিস্থাপন করা হয় এবং রক্তনালীর সঙ্গে পুনরায় সংযুক্ত করা হয়। এর ফলে শুধু মুখমণ্ডলের গঠনই পুনরুদ্ধার হয় না, রোগী আবার স্বাভাবিকভাবে কথা বলা, চিবোনো ও গিলতে পারার মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্ষমতাও ফিরে পান। সফল পুনর্গঠন ক্যান্সারজয়ীর চিকিৎসা-পরবর্তী জীবনের মানকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে পারে।”সঠিক সময়ে রোগনির্ণয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে ইভেন্টে উপস্থিত অন্য বিশেষজ্ঞ ড. কিংশুক চ্যাটার্জি, কনসালট্যান্ট – সার্জিকাল অঙ্কোলজি, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস এবং ব্রডওয়ে বলেন,“যেসব রোগীর ক্যান্সার প্রাথমিক স্তরে শনাক্ত করা যায়, তাঁদের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র সার্জারির মাধ্যমেই সফল চিকিৎসা সম্ভব হয়। রেডিয়েশন বা কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয় না। এর ফলে রোগীর পরবর্তী জীবনযাত্রার মান অত্যন্ত ভালো থাকে এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।”

প্লাস্টিক ও রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারির গুরুত্ব নিয়ে ড. সিঞ্জিনি দাস, কনসালট্যান্ট – প্লাস্টিক, রিকনস্ট্রাকটিভ & কসমেটিক সার্জারি, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাস,, বলেন, “মুখের ক্যান্সারের অস্ত্রোপচারে অনেক সময় গাল, জিহ্বা বা চোয়ালের কিছু অংশ অপসারণ করতে হয়, যা স্বাভাবিকভাবেই রোগীদের মনে আবার আগের মতো কথা বলা বা খাওয়া-দাওয়া করতে পারবে কি না—এই নিয়ে ভয় তৈরি করে। কিন্তু আধুনিক পুনর্গঠন প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা এই অংশগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পুনর্গঠন করতে পারি, ফলে রোগীরা ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে কথা বলা, খাবার গ্রহণ এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে ফিরে যেতে পারেন। আজকের দিনে পুনর্গঠনমূলক সার্জারি মুখের ক্যান্সার চিকিৎসার অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই মাইক্রোভাসকুলার ফ্রি ফ্ল্যাপ ব্যবহার করা হয়। গত চার বছরে আমাদের বিভাগে ৮০০-রও বেশি ফ্রি ফ্ল্যাপ সার্জারি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৬৫০টি ছিল মুখের ক্যান্সার রোগীদের জন্য।”এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, যার নির্মিত জনপ্রিয় চলচ্চিত্র কণ্ঠ–তে একজন ল্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার সার্ভাইভারের সংগ্রাম, তাঁর কণ্ঠনালী অপসারণের পর নতুনভাবে কথা বলতে শেখা এবং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার লড়াই অত্যন্ত বাস্তব ও সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর এই চরিত্রায়ণ কেবল দর্শকদের অনুপ্রাণিতই করেনি, বরং মুখ ও গলার ক্যান্সার নিয়ে সমাজে বহমান ভয়, অস্বস্তি ও ভুল ধারণা দূর করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। তাই এই ইভেন্টে তাঁর উপস্থিতি ছিল গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

ইভেন্টে উপস্থিত সকল ক্যান্সার সার্ভাইভাররা তাঁদের ভয়কে জয় করার অভিজ্ঞতা, চিকিৎসকদের সঠিক পরামর্শ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি ও পরিবারের সহায়তা কীভাবে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত কীভাবে তাঁরা আজ সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছেন—এই সবকিছু বিভিন্ন গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেন।একজন ক্যান্সার সার্ভাইভার, এস. কে. আমিন আলি (বয়স ৪৭), যিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নিজের জীবনের লড়াইয়ের কথা বলেন, “আমি সবসময় শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পরিশ্রমী জীবন যাপন করেছি। দীর্ঘ কর্মসময় সামলে বডিবিল্ডিংয়ের প্রতি আমার ভালোবাসা এবং ট্রেকিংয়ের আগ্রহ, দুটোকেই সমান গুরুত্ব দিয়েছি। কিন্তু যখন বুঝতে পারলাম শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তখন এক মুহূর্ত দেরি করিনি। অনলাইনে খুঁজে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করি এবং দ্রুত চিকিৎসার জন্য এখানে আসি। প্রতিটি ধাপে চিকিৎসকেরা আমাকে আত্মবিশ্বাস এবং দৃঢ় সমর্থন দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য,আবার শক্তি ফিরে পেয়ে নতুন উদ্যমে ২০২৬ সালের জাতীয় বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে দাঁড়ানো।”আরেকজন ক্যান্সার সার্ভাইভার, শাশ্বতী বিশ্বাস (বয়স ৪৫), নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “যখন আমার রোগ নির্ণয় হলো, আমি সম্পূর্ণ একা ছিলাম, কি করব? কোথায় যাব, কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কিন্তু মণিপাল হাসপাতালে পৌঁছানোর পর সবকিছু বদলে গেল। ডাক্তার, নার্স এবং পুরো টিম আমাকে আন্তরিক যত্নে আগলে রাখলেন। তাঁরা আমাকে মানসিক শক্তি দিয়েছেন, সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, আর সেই আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিয়েছেন যা আমি খুঁজছিলাম। আমি এনজিওর সঙ্গে কাজ করেছি এবং অসংখ্য ক্যান্সার রোগীকে চিকিৎসা না পাওয়ায় ভয়াবহ কষ্ট সহ্য করতে দেখেছি। কিন্তু এখানে আমি সময়মতো রোগ নির্ণয়, সম্পূর্ণ চিকিৎসা এবং মর্যাদাপূর্ণ আচরণ—সবই পেয়েছি। আজ আমার অস্ত্রোপচারের পর আপনাদের সামনে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছি, জীবনের প্রতি প্রেরণা ও আশা নিয়ে।

Continue reading
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের উদ্যোগ”বইকথাকও” খ্যাতিসম্পন্ন বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী রাজর্ষি ব্যানার্জি।
  • November 5, 2025

Whatsapp image 2025 11 05 at 10.30.06 (1)


পূর্ব ভারতের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ তাদের অনন্য মানবকেন্দ্রিক উদ্যোগ ‘আনওইন্ড – বই কথা কও’-এর ষষ্ঠ পর্বে স্বাগত জানাল আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী রাজর্ষি ব্যানার্জিকে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সংরক্ষণ ও ফটোগ্রাফির নৈতিকতা নিয়ে তাঁর অনুপ্রেরণাদায়ক আলোচনা মুগ্ধ করল উপস্থিত ছাত্রছাত্রী ও অতিথিদের।
এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের প্রবর্তক প্রফেসর মানোশী রায়চৌধুরী, কো-চেয়ারপার্সন, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ। তাঁর কথায়,

“বই কথা কও-এর উদ্দেশ্য তরুণদের বইয়ের পৃষ্ঠা পেরিয়ে জীবনের গল্প পড়তে শেখানো। রাজর্ষি ব্যানার্জির যাত্রা আমাদের অধ্যবসায়, ভালোবাসা ও প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা শেখায়। তাঁর লেন্স আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ এবং টেকসই উন্নয়নের মূল্যবোধ।”

1000294978

অনুষ্ঠানে রাজর্ষি ব্যানার্জি তাঁর বহু বছরের জঙ্গলজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন চিত্র ও কাহিনির মাধ্যমে। কাজিরাঙার বাঘ, গণ্ডার কিংবা ‘ব্ল্যাক প্যান্থার আন্ডার দ্য স্টারস’-এর মতো বিশ্বজয়ী ছবির পেছনের গল্প শোনান তিনি। এই ছবিটি তাঁকে এনে দিয়েছে স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ৩৫তম মেমোরিয়াল মারিয়া লুইসা প্রতিযোগিতা-র গ্র্যান্ড প্রাইজ, যেখানে তিনি ৯৫টি দেশের ১,৫৯০ আলোকচিত্রীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
তাঁর সাফল্যের তালিকায় রয়েছে আরও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি — যেমন গোল্ডেন টার্টল অ্যাওয়ার্ড (রাশিয়া, ২০২৫) এবং সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫, যেখানে তিনি কেনিয়ার কিংবদন্তি হাতি ‘ক্রেগ’-এর এক অবিস্মরণীয় প্রতিকৃতি তুলে ধরেন।
প্রশ্নোত্তর পর্বে ছাত্রছাত্রীরা বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ, ধৈর্য ও বন্যজীবন ফটোগ্রাফির নৈতিকতা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করেন। প্রফেসর মানোশী রায়চৌধুরী-র সঞ্চালনায় এই সংলাপ রূপ নেয় শিল্প, বিজ্ঞান ও মানবিকতার এক অসাধারণ মেলবন্ধনে।
‘আনওইন্ড – বই কথা কও’ মূলত ‘হিউম্যান লাইব্রেরি’ আন্দোলনের অনুপ্রেরণায় তৈরি, যা ২০০০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে শুরু হয়েছিল। এর লক্ষ্য — “মানুষকে বইয়ের বদলে মানুষ পড়া”, অর্থাৎ জীবন্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া।
এর আগে এই সিরিজে অংশ নিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা — চলচ্চিত্র পরিচালক সন্দীপ রায়, প্রাক্তন আইএফএস অফিসার ড. প্রদীপ ব্যাস, আফগানিস্তানের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী রঙ্গিনা হামিদি, সেলসফোর্স ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন ও সিইও অরুন্ধতী ভট্টাচার্য, এবং মনোবিজ্ঞানী ড. সুমন্ত্র চট্টার্জি।

Continue reading
কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের উদ্যোগে সেরা ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান।
  • October 26, 2025


কলকাতা,২৪ অক্টোবর ২০২৫ – এই সুটকেসটা আকাশদীপের জন্য খুব ভালো উপহার। সারাবছরই তো সুটকেস গুছিয়ে রাখতে হচ্ছে। একটা সময় আমাকে সুটকেস গুছিয়ে রাখতে হত। এখন আকাশদীপকে রাখতে হচ্ছে,”এভাবেই কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের বার্ষিক পুরস্কার অনুষ্ঠানে সেরা ক্রিকেটারের সম্মান প্রাপক আকাশদীপের প্রশংসা করলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। একটা সময় নিজে ক্রীড়া সাংবাদিকদের বিচারে সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছিলেন। এখন তিনি অবসরপ্রাপ্ত তারকা ক্রীড়াব্যক্তিত্ব। নতুন প্রতিভাবান ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সেরার পুরস্কার নিতে দেখে উৎসাহিত করলেন। এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লিয়েণ্ডার পেজ। জীবনকৃতি সম্মান পেলেন তিনি।
৩০ বছর দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। জিতেছেন একাধিক পদক। ১৯৯৬ সালের আটলান্টা অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ জয় যেন পেজ পরিবারের উত্তরাধিকার বহনের সাক্ষ্য। প্রথম এশিয়ান হিসেবে অলিম্পিকে টেনিসে পদক পেয়েছেন তিনি। এ বার ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে লিয়েন্ডার নস্টালজিক।
বলছেন, ‘আমার টেনিস খেলার সময় বিশ্বের যেখানেই খেলেছি, আমার মন সবসময় কলকাতায় থেকেছে। আমি প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম ভারতের প্রত্যেক ছেলে, প্রত্যেক মেয়ে অলিম্পিকে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে।’
সদ্য বাবাকে হারিয়েছেন লিয়েন্ডার। ডঃ ভেস পেজে প্রয়াণে ছিল শোকের ছায়া। এ দিন লিয়েন্ডারের কথায় উঠে এল ভেস পেজের কথা। বলেন, ‘আমার বাবা অলিম্পিক্সে পদক জিতেছিলেন, আমি সবসময় বাবার মতো হতে চেয়েছি।’
বর্তমানে লিয়েণ্ডার অবসরের পর এখন স্থানীয় টেনিসের উন্নতিতে কাজ করছেন। এক্ষেত্রে তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টানেন। এই অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সৌরভও। তিনি বলেন, ‘আমি সৌরভকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমি এবং সৌরভ দু’জনেই নিজেদের রুটে ফিরেছি, কলকাতায় এসে ক্রিকেট ও টেনিস নিয়ে কাজ করছি। ভবিষ্যতে আরও চ্যাম্পিয়ন তৈরি করতে চাই।’

Whatsapp image 2025 10 26 at 12.11.43

লিয়েন্ডার পেজের পাশাপাশি হকি কিংবদন্তী দিলীপ তিরকেকে জীবনকৃতি সম্মান দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘সিএসজেসি-কে ধন্যবাদ আমাকে এই সম্মান দেওয়ার জন্য। ১৯৯২-৯৩ সালে আমি কলকাতার সাই-তে ছিলাম, ফলে কলকাতার সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। কলকাতায় আসা আমার কাছে সবসময় স্পেশাল। হকির জন্য কলকাতা বরাবরই পথিকৃত। প্রথম হকি টুর্নামেন্ট, প্রথম অলিম্পিক টিম সবকিছুতেই ছিল কলকাতার নাম। আশা করি ভবিষ্যতে আরও তারকা কলকাতা থেকে উঠে আসবেন।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক পুরস্কার প্রাপকদের তালিকাঃ

ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-এর সভাপতি: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ,বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (সিনিয়র): ঐহিকা মুখার্জি,বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (জুনিয়র): সর্বার্থ মানি,বর্ষসেরা কোচ: কিবু ভিকুনা,বর্ষসেরা ক্রিকেটার: আকাশ দীপ
বর্ষসেরা ফুটবলার: সুভাষিস বোস,স্টার ফুটবলার অব দ্য ইয়ার: রবি হাঁসদা
বর্ষসেরা মহিলা ফুটবলার: সঙ্গীতা বসফোরে,বর্ষসেরা মহিলা অ্যাথলিট: মৌমিতা মণ্ডল,বর্ষসেরা পুরুষ অ্যাথলিট: সতায়ু মণ্ডল,বর্ষসেরা জিমন্যাস্ট: প্রতিষ্ঠা সামন্ত
বর্ষসেরা শ্যুটার: অভিনব শ’,বর্ষসেরা রোয়ার: শ্বেতা ব্রহ্মচারী,বর্ষসেরা খো খো খেলোয়াড়: সুমন বর্মন,বর্ষসেরা সাঁতারু: সানিথি মুখার্জি,বর্ষসেরা হকি খেলোয়াড়: অভয় এক্কা,বর্ষসেরা ভলিবল খেলোয়াড়: কুনাল দাস।

Continue reading

মিস করে যাওয়া

অম্বুজা নিওটিয়া আয়োজিত নবম চার্লস কোরিয়া স্মারক বক্তৃতা |
কলকাতার এইচসিজি ক্যান্সার হাসপাতালের ব্রেস্ট সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট ডঃ জ্যোতি গুপ্তা, স্তন ক্যান্সার নিয়ে আলোচনাকে উদ্বেগ থেকে কর্মে পরিণত করার আহ্বান |
রোবোটিক-সহায়তাযুক্ত কার্ডিয়াক সার্জারি চালুর মাধ্যমে বিএম বিড়লা হার্ট হসপিটাল তার কার্ডিয়াক সার্জারি কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে।
অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালস, কলকাতা: ‘প্রিসিশন পার্শিয়াল নি রিকনস্ট্রাকশন’-এর মাধ্যমে অর্থোপেডিক চিকিৎসায় এক নতুন যুগের সূচনা |
২৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক দল নিয়ে ‘রাগবি প্রিমিয়ার লিগ’-এ ঐতিহাসিক অভিষেকের অপেক্ষায় ‘কলকাতা বঙ্গ টাইগার্স’ |
বাণিজ্য বিভাগের গত ১২ বছরের যুগান্তকারী অগ্রগতির চিত্র ও চা খাতের ঐতিহাসিক রপ্তানি সাফল্য তুলে ধরা হলো কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে |