বি.পি. পোদ্দার হসপিটালে পালিত হল ‘নো টোব্যাকো ডে’
  • June 2, 2025

কলকাতাঃ31মে 2025 :- ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।সিগারেটের প্যাকেটেই হোক বা সিনেমায় সিগারেট হাতে কোনও দৃশ্য— এই লেখাটা চোখে পড়বেই। আমাদের চেতনা তবু জাগ্রহ হয় না। জেনেশুনে বিষ পান করার মতোই আমরা ধূমপান করি। সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে লেগে থাকা সতর্কীকরণকে পাত্তাই দিই না। আর এভাবেই বিপদ ডেকে আনি নিজের। মুশকিল হল, ধুমপান শুধু নিজেরই ক্ষতি করে না। আশপাশে কেউ থাকলে তারও ক্ষতি করে। অর্থাৎ, আমাদের প্রিয়জনদেরও ক্ষতি করি ধূমপানের মাধ্যমে। কিন্তু সব জেনেও নিজেদের আটকানো যায় না। তামাকের নেশা এমনই সর্বনাশা। কেউ কেউ তো দিনে দুই-তিন প্যাকেট সিগারেটও উড়িয়ে দেন।
আবার মনে করানো যাক, বিড়ি, সিগারেটের মতো তামাকজাত দ্রব্য আপনাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। কারণ,
নিয়মিত ধূমপান মানেই বিপদ ডেকে আনা। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে সি.ও.পি.ডি, ব্রঙ্কাইটিস, এমফাইসিমা’র মতো ফুসফুসে আরও নানা সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। এমনকী, লাংস ক্যানসার, হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসারের প্রধান কারণ অত্যধিক ধূমপানই। সেজন্যই ধূমপানকে চিরতরে ত্যাগ করা জরুরি। ৩১ মে-র ‘নো টোব্যাকো ডে’ তাই তাৎপর্যপূর্ণ।

Dsc 0385

ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশে শনিবার দক্ষিণ কলকাতার বি.পি. পোদ্দার হসপিটালে হয়ে গেল বিশেষ উদ্যোগ। সেখানে এক আলোচনা সভায় তুলে ধরা হল এই দিনটির তাৎপর্য। হসপিটালের গ্রুপ অ্যাডভাইজার সুপ্রিয় চক্রবর্তীর কথায়, ‘ধূমপান যে ক্ষতিকর, তা আমাদের কারওর অজানা নয়। তার পরও আমরা বিড়ি-সিগারেট ধরাই। একবারও ভাবি না যে এতে নিজে তো বটেই, পুরো পরিবারকেই বিপদে ফেলা হচ্ছে। অথচ, মনের জোর ও সচেতনতার মাধ্যমে আমরা ধূমপানকে ছেঁটে ফেলতে পারি চিরতরে। এটা আমাদের নিজের হাতেই রয়েছে। তামাককে বর্জন করতে দরকার মনের জোর ও সচেতনতা। এদিনের অনুষ্ঠানের লক্ষ্য সেটাই। যুবসমাজকেই এজন্য দায়িত্ব নিতে হবে। আর যাঁরা কোনওভাবেই বিড়ি-সিগারেট ছাড়তে পারছেন না, তাঁরা মাত্রা কমান। এভাবে ধীরে ধীরে চেষ্টা করুন তামাক থেকে দূরে সরতে। আর অবশ্যই নিয়মিত চেক-আপ করুন।’ প্রসঙ্গত, বি.পি. পোদ্দার হসপিটালের পালমোনোলজি ক্লিনিকে ধূমপানের ফলে যে সমস্ত সমস্যা হতে পারে, সেগুলির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য রয়েছে আধুনিকতম পরিকাঠামো। ধূমপানের ফলে কোনও সমস্যা থাকলে তা এখানে প্রাথমিক অবস্থাতেই ধরা পড়ে। তাই সারিয়ে তোলা যায় সহজে। দেরিতে কোনও রোগ ধরা পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে। তবে সারিয়ে তোলার চেয়ে রোগকে এড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ। আর তাই তামাক বা ‘টোব্যাকো’কে বিদায় দিন জীবন থেকে।

Continue reading
মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল ব্লাডার ক্যানসার সারভাইভারদের নিয়ে আয়োজন করল এক হৃদয়ছোঁয়া ‘চ্যাম্পিয়নস মিট’
  • June 2, 2025

কলকাতা, ২৯শে মে ২০২৫: মণিপাল হাসপাতাল নেটওয়ার্কের অংশ, পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল, আজ একটি আবেগঘন ব্লাডার ক্যানসার সারভাইভার্স মিট-এর আয়োজন করল। এই বিশেষ মিলনমেলায় ক্যানসারজয়ী রোগী, তাঁদের পরিবার, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা একত্রিত হয়ে উদযাপন করলেন সাহস, আরোগ্য এবং সচেতনতার এক অনন্য গল্প।

এই আয়োজন শুধু ক্যানসারজয়ীদের জন্য নয়, শ্রদ্ধা জানানো হল তাঁদের প্রিয়জনদেরও যারা এই লড়াইয়ে পরাজিত হয়েছেন—যাতে তাঁরা অনুভব করেন, তাঁদের দুঃখ-ভাগের যাত্রায় তাঁরা একা নন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোলজিক্যাল ক্যানসার  – ব্লাডার ক্যানসার সম্পর্কে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যও নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের আবেগঘন মুহূর্তগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল বাস্তব জীবনের সাহস ও সহিষ্ণুতার গল্পগুলি। প্রয়াত গৌতম মুখার্জীর স্ত্রী মৈত্রেয়ী মুখার্জী ও পুত্র কৌশিক মুখার্জী তাঁদের ক্যানসারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের যাত্রা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। প্রয়াত বিউটি দাসের কন্যা শ্রীজিতা দাসও তাঁর মায়ের সাহসিক লড়াইয়ের স্মৃতিচারণ করেন।

৩০ জনেরও বেশি ব্লাডার ক্যানসারজয়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা শোনান। তাঁদের মধ্যে একজন, কেষ্টপুরের ৪৪ বছর বয়সী গৃহবধূ ঝুনু বিশ্বাস বলেন, “ডিসেম্বর ২০২৩-এ আমার ব্লাডারে একটি টিউমার ধরা পড়ে। ডঃ অভয় কুমার প্রথম অপারেশন করেন এবং বায়োপসিতে ক্যানসার ধরা পড়ে। পরে আবার অপারেশন করতে হয়। আমি মুম্বই গিয়ে চিকিৎসা শুরু করলেও আত্মবিশ্বাস পাইনি। অবশেষে ডঃ কুমারের তত্ত্বাবধানে মেডিকায় ফিরে আসি। ব্লাডার অপসারণের পরামর্শে প্রথমে দ্বিধা থাকলেও জুন ২০২৪-এ সার্জারির পরে আমি সুস্থ হয়ে উঠছি এবং প্রতিদিন আরও শক্তিশালী অনুভব করছি।”

৬০ বছর বয়সী ব্যবসায়ী প্রদীপ মুখার্জী, যিনি সোদপুরের বাসিন্দা, বলেন,
“২০২২ সালে ব্লাডার ক্যানসার ধরা পড়ার পর আমি অবিলম্বে চিকিৎসা শুরু করি। ডঃ অভয় কুমার আমার অস্ত্রোপচার করেন এবং পুরো সময়টায় ভরসা ও সাহস জুগিয়েছেন। মেডিকার টিমের সহায়তায় আমি নতুন করে জীবন শুরু করতে পেরেছি।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর (ডঃ) সুবীর গাঙ্গুলী, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও অ্যাডভাইজার, রেডিয়েশন অনকোলজি, মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। তিনি বলেন, “একজন ক্যানসার রোগীর আরোগ্য শুধু চিকিৎসা নয়, বরং সার্বিক সহায়তার উপর নির্ভর করে। মেডিকায় আমরা সার্জারি, রেডিয়েশন থেরাপি, মানসিক সহায়তা এবং পুষ্টির পরামর্শ একত্রে মিলিয়ে একটি হোলিস্টিক কেয়ার মডেল গড়ে তুলেছি। কেয়ারগিভারদের মানসিক স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের জন্য আমরা চালু করেছি ‘মনবীণা ক্লিনিক’, যেখানে তারা বিনামূল্যে কাউন্সেলিং ও গাইডেন্স পান।”

মেডিকার ইউরোলজি বিভাগের প্রধান ও ইউরো-অনকো ও রোবোটিক সার্জারির বিশেষজ্ঞ ডঃ অভয় কুমার বলেন,
“ব্লাডার ক্যানসার প্রায়শই উপেক্ষিত হয়, ফলে দেরিতে রোগ ধরা পড়ে এবং চিকিৎসা কঠিন হয়ে যায়। আমরা রোবোটিক প্রযুক্তিকে রোগীকেন্দ্রিক যত্নের সঙ্গে মিলিয়ে ফলাফলকে উন্নত করার দিকে জোর দিচ্ছি। ২০২৩ সালে আমরা ব্লাডার ক্যানসার সাপোর্ট গ্রুপ চালু করেছি, যেখানে রোগীরা একে অপরকে সমর্থন করেন এবং অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।”

সিনিয়র কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট, মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের সোহিনী সাহা বলেন, “ক্যানসার শুধু দেহ নয়, মনকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। আতঙ্ক, দুশ্চিন্তা ও মানসিক অবসাদ রোগীর চিকিৎসা জার্নির বড় অংশ। আমাদের মানসিক সহায়তা ব্যবস্থা এই যাত্রাকে সহজ করতে সহায়তা করে।”

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান প্রীতিশা ঘোষ বলেন, “চিকিৎসার আগে, সময় ও পরে পুষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যালান্সড এবং পার্সোনালাইজড ডায়েট রিকভারি ও ইমিউনিটিকে প্রভাবিত করে। আমরা প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা ডায়েট প্ল্যান তৈরি করি যাতে তাঁরা সুস্থভাবে তাঁদের যাত্রা চালিয়ে যেতে পারেন।”

অনুষ্ঠান শেষ হয় ক্যানসার সারভাইভারদের সুরেলা পরিবেশনা, কেয়ারগিভারদের নিয়ে মুক্ত আলোচনা এবং একটি সচেতনতামূলক অঙ্গীকারের মাধ্যমে—প্রাথমিক উপসর্গ যেমন প্রস্রাবে রক্ত, ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রবণতা এবং পেলভিক অঞ্চলে ব্যথা দেখা দিলে যেন কেউ অবহেলা না করেন এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।

Continue reading
মণিপাল হাসপাতাল বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি ও অ্যাসিড হামলার শিকারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফার্স্ট এইড ও সিপিআর সচেতনতা ছড়াতে উদ্যোগী হয়েছে
  • June 2, 2025



কলকাতা, ২৭ মে ২০২৫: পূর্ব ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল চেইন, মণিপাল হাসপাতাল, আজ বিশ্ব জরুরি দিবস উপলক্ষে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি ও অ্যাসিড হামলার শিকারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, এই প্রথমবারের মতো এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই শহরব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে, মণিপাল হাসপাতাল জগার্স পার্ক, রেলস্টেশন, কর্পোরেট অফিস, আইটি পার্ক এবং Rapido রাইডারদের মধ্যে সিপিআর সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। এরপর, মুকুন্দপুর থেকে ঢাকুরিয়া, ব্রডওয়ে ও সল্টলেক হয়ে ২০টি অ্যাম্বুলেন্সের একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সারাদিনব্যাপী এই ইভেন্টগুলির লক্ষ্য ছিল একটি সুস্থ ও জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত সমাজ গড়ে তোলা। বিশ্বাস থেকে যে প্রতিটি ব্যক্তি, তাদের পটভূমি বা সক্ষমতা নির্বিশেষে, সংকটের সময় প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হওয়া উচিত, আজ শহরের ১৫০০-এরও বেশি মানুষ এই দক্ষতা অর্জন করেছেন, যা তাদের বাস্তব জীবনের সিপিআর হিরোতে রূপান্তরিত করার একটি পদক্ষেপ।

Whatsapp image 2025 05 28 at 18.03.48

এই জীবন রক্ষাকারী হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মিশন চালিয়ে যেতে, মণিপাল হাসপাতাল বেঙ্গালুরু ইতিমধ্যেই সিপিআর প্রশিক্ষণ ও জরুরি প্রস্তুতির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান অর্জন করেছে। আজকের ইভেন্টগুলি সকাল ৬:০০ টায় জগারস পার্ক থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসে শেষ হয়। আজকের সিপিআর প্রশিক্ষণ সেশনগুলি পরিচালনা করেন ডাঃ ইন্দ্রনীল দাস, মেডিকা সুপারস্পেশালটি হাসপাতাল (মণিপাল হাসপাতাল গ্রুপের একটি ইউনিট) জরুরি বিভাগের প্রধান; ডাঃ সুজয় দাস ঠাকুর, পরামর্শদাতা ও ইন-চার্জ – জরুরি চিকিৎসা, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর; এবং ডাঃ কিশান গোয়েল, পরামর্শদাতা ও জরুরি বিভাগের প্রধান, মণিপাল হাসপাতাল – ব্রডওয়ে।

ডাঃ ইন্দ্রনীল দাস বলেন, “জরুরি পরিস্থিতি যেকোনো জায়গায় ঘটতে পারে—বাড়িতে, অফিসে, রাস্তায় বা সকালে হাঁটার সময়। তাই আমরা হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে পার্ক, অফিস এবং কমিউনিটি এলাকায় যাচ্ছি, যাতে যতটা সম্ভব মানুষকে সিপিআর হিরো বানানো যায়। সন্তোষপুর পার্ক, আরবান সবুজায়ন, সেন্ট্রাল পার্ক, অ্যাক্সিস মল এবং রবীন্দ্র সরোবরের মতো জায়গাগুলি আমাদের জীবন রক্ষাকারী জ্ঞানকে সকালের হাঁটার মতো সাধারণ করে তুলতে সাহায্য করেছে। যখন মৌলিক জরুরি প্রতিক্রিয়া জনসচেতনতায় পরিণত হয়, তখন আমরা শহরজুড়ে বেঁচে থাকার শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করি।”

ইভেন্ট চলাকালীন, ডাঃ সুজয় দাস ঠাকুর বলেন, “জীবন রক্ষা করা শুধুমাত্র একজন ডাক্তারের দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক বাধ্যবাধকতাও। আমরা Rapido রাইডার, এনজিও থেকে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং বিভিন্ন জেলার অ্যাসিড হামলার শিকারদের সিপিআর ও ফার্স্ট এইড প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রতিদিনের হিরোদের জরুরি পরিস্থিতিতে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করছি। আমাদের অ্যাম্বুলেন্স র‍্যালি আমাদের প্রতিরোধমূলক যত্নের প্রতিশ্রুতির আরেকটি শক্তিশালী প্রতীক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রশিক্ষণটি প্রয়োজনীয় সচেতনতা বাড়াবে এবং সবাইকে মনে করিয়ে দেবে যে প্রতিটি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ।”

উদ্যোগ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, ডাঃ কিশান গোয়েল বলেন, “একটি জরুরি পরিস্থিতি যা পথচারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, শুধুমাত্র সচেতনতার উপর নির্ভর করতে পারে না; প্রাথমিক যত্নের জন্য সাহায্য করার ইচ্ছা এবং প্রস্তুতি উভয়ই থাকতে হবে। আমরা ডিএলএফের মতো আইটি হাব, সাউথ সিটি মলের মতো পাবলিক স্পেস এবং মিডিয়া হাউসগুলিতে সিপিআর প্রশিক্ষণ সেশন সম্প্রসারণের মাধ্যমে জীবন রক্ষাকারী জ্ঞানের একটি তরঙ্গ তৈরি করছি। মণিপাল হাসপাতাল, আমরা বিশ্বাস করি যে পেশাদার থেকে সাংবাদিক পর্যন্ত বিভিন্ন গোষ্ঠীকে ক্ষমতায়ন করা পথচারীদের প্রথম প্রতিক্রিয়াকারীতে পরিণত করতে পারে।”

ডাঃ পারমিতা কঞ্জিলাল বলেন, “মণিপাল হাসপাতাল দৃঢ়ভাবে ফার্স্ট এইড এবং সিপিআর সম্পর্কে সচেতনতা ছড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে মানুষ সংকটের সময় সাহায্যের হাত বাড়াতে পারে। আমরা সারা বছর ধরে এমন গণসচেতনতামূলক উদ্যোগ চালিয়ে যাব, যাতে বৃহত্তর সম্প্রদায় উপকৃত হয়।”

Continue reading

মিস করে যাওয়া

জেআইএসসিই-তে আয়োজিত হলো জেআইএসটেক ২ কে ২৬ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রদর্শনী |
কলকাতা লেডিস লিগ এই উদ্যোগটি মহিলাদের একত্রিত করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে সমর্থন, সম্প্রসারণ ও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।
ডিসান হাসপাতালের উদ্যোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার দপ্তরে শারীরিক চ্যালেঞ্জ এবং বয়স্কদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হুইল চেয়ার প্রদান।
ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |
আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |