লেটেস্ট স্টোরি
পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম আয়কর বিভাগ কর্তৃক আন্তর্জাতিক নারী দিবস” উদযাপন |ট্রান্সজেন্ডার আইনের সংশোধনী নিয়ে ট্রান্সজেন্ডার তরুণ-তরুণীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বলেছেন “নালসা থেকে পিছু হটা চলবে না”।বিশ্ব কিডনি দিবস উদযাপন কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউটের।মনিপাল হসপিটাল গুলিতে বহু অঙ্গ প্রতিস্থাপন সেবা চালু করার জন্য কম্প্রেহেনসিভ ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টারের উদ্বোধন।এসপিকে জৈন ফিউচারিস্টিক একাডেমির আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন।ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশন এবং CK-12 ফাউন্ডেশন শিক্ষক ক্ষমতায়নের জন্য ভারতের সবচেয়ে ব্যাপক AI-একীকরণের একটি চালু করেছে |মহাসমারোহে পালিত হলো কুমুদ সাহিত্য মেলাআন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন করল মণিপাল হসপিটালস কলকাতা |ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সের উদ্যোগে কলকাতায় ৭ম ইনক্রেহ্যাবকন ২০২৬ |হুগলী জেলার বৈদ্যবাটীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন|

মেন স্টোরি

আজকের আপডেট

বি.পি. পোদ্দার হসপিটালে পালিত হল ‘নো টোব্যাকো ডে’
  • June 2, 2025

কলকাতাঃ31মে 2025 :- ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।সিগারেটের প্যাকেটেই হোক বা সিনেমায় সিগারেট হাতে কোনও দৃশ্য— এই লেখাটা চোখে পড়বেই। আমাদের চেতনা তবু জাগ্রহ হয় না। জেনেশুনে বিষ পান করার মতোই আমরা ধূমপান করি। সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে লেগে থাকা সতর্কীকরণকে পাত্তাই দিই না। আর এভাবেই বিপদ ডেকে আনি নিজের। মুশকিল হল, ধুমপান শুধু নিজেরই ক্ষতি করে না। আশপাশে কেউ থাকলে তারও ক্ষতি করে। অর্থাৎ, আমাদের প্রিয়জনদেরও ক্ষতি করি ধূমপানের মাধ্যমে। কিন্তু সব জেনেও নিজেদের আটকানো যায় না। তামাকের নেশা এমনই সর্বনাশা। কেউ কেউ তো দিনে দুই-তিন প্যাকেট সিগারেটও উড়িয়ে দেন।
আবার মনে করানো যাক, বিড়ি, সিগারেটের মতো তামাকজাত দ্রব্য আপনাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। কারণ,
নিয়মিত ধূমপান মানেই বিপদ ডেকে আনা। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে সি.ও.পি.ডি, ব্রঙ্কাইটিস, এমফাইসিমা’র মতো ফুসফুসে আরও নানা সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। এমনকী, লাংস ক্যানসার, হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসারের প্রধান কারণ অত্যধিক ধূমপানই। সেজন্যই ধূমপানকে চিরতরে ত্যাগ করা জরুরি। ৩১ মে-র ‘নো টোব্যাকো ডে’ তাই তাৎপর্যপূর্ণ।

Dsc 0385

ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশে শনিবার দক্ষিণ কলকাতার বি.পি. পোদ্দার হসপিটালে হয়ে গেল বিশেষ উদ্যোগ। সেখানে এক আলোচনা সভায় তুলে ধরা হল এই দিনটির তাৎপর্য। হসপিটালের গ্রুপ অ্যাডভাইজার সুপ্রিয় চক্রবর্তীর কথায়, ‘ধূমপান যে ক্ষতিকর, তা আমাদের কারওর অজানা নয়। তার পরও আমরা বিড়ি-সিগারেট ধরাই। একবারও ভাবি না যে এতে নিজে তো বটেই, পুরো পরিবারকেই বিপদে ফেলা হচ্ছে। অথচ, মনের জোর ও সচেতনতার মাধ্যমে আমরা ধূমপানকে ছেঁটে ফেলতে পারি চিরতরে। এটা আমাদের নিজের হাতেই রয়েছে। তামাককে বর্জন করতে দরকার মনের জোর ও সচেতনতা। এদিনের অনুষ্ঠানের লক্ষ্য সেটাই। যুবসমাজকেই এজন্য দায়িত্ব নিতে হবে। আর যাঁরা কোনওভাবেই বিড়ি-সিগারেট ছাড়তে পারছেন না, তাঁরা মাত্রা কমান। এভাবে ধীরে ধীরে চেষ্টা করুন তামাক থেকে দূরে সরতে। আর অবশ্যই নিয়মিত চেক-আপ করুন।’ প্রসঙ্গত, বি.পি. পোদ্দার হসপিটালের পালমোনোলজি ক্লিনিকে ধূমপানের ফলে যে সমস্ত সমস্যা হতে পারে, সেগুলির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য রয়েছে আধুনিকতম পরিকাঠামো। ধূমপানের ফলে কোনও সমস্যা থাকলে তা এখানে প্রাথমিক অবস্থাতেই ধরা পড়ে। তাই সারিয়ে তোলা যায় সহজে। দেরিতে কোনও রোগ ধরা পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে। তবে সারিয়ে তোলার চেয়ে রোগকে এড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ। আর তাই তামাক বা ‘টোব্যাকো’কে বিদায় দিন জীবন থেকে।

Continue reading
মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল ব্লাডার ক্যানসার সারভাইভারদের নিয়ে আয়োজন করল এক হৃদয়ছোঁয়া ‘চ্যাম্পিয়নস মিট’
  • June 2, 2025

কলকাতা, ২৯শে মে ২০২৫: মণিপাল হাসপাতাল নেটওয়ার্কের অংশ, পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল, আজ একটি আবেগঘন ব্লাডার ক্যানসার সারভাইভার্স মিট-এর আয়োজন করল। এই বিশেষ মিলনমেলায় ক্যানসারজয়ী রোগী, তাঁদের পরিবার, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা একত্রিত হয়ে উদযাপন করলেন সাহস, আরোগ্য এবং সচেতনতার এক অনন্য গল্প।

এই আয়োজন শুধু ক্যানসারজয়ীদের জন্য নয়, শ্রদ্ধা জানানো হল তাঁদের প্রিয়জনদেরও যারা এই লড়াইয়ে পরাজিত হয়েছেন—যাতে তাঁরা অনুভব করেন, তাঁদের দুঃখ-ভাগের যাত্রায় তাঁরা একা নন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোলজিক্যাল ক্যানসার  – ব্লাডার ক্যানসার সম্পর্কে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যও নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের আবেগঘন মুহূর্তগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল বাস্তব জীবনের সাহস ও সহিষ্ণুতার গল্পগুলি। প্রয়াত গৌতম মুখার্জীর স্ত্রী মৈত্রেয়ী মুখার্জী ও পুত্র কৌশিক মুখার্জী তাঁদের ক্যানসারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের যাত্রা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। প্রয়াত বিউটি দাসের কন্যা শ্রীজিতা দাসও তাঁর মায়ের সাহসিক লড়াইয়ের স্মৃতিচারণ করেন।

৩০ জনেরও বেশি ব্লাডার ক্যানসারজয়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা শোনান। তাঁদের মধ্যে একজন, কেষ্টপুরের ৪৪ বছর বয়সী গৃহবধূ ঝুনু বিশ্বাস বলেন, “ডিসেম্বর ২০২৩-এ আমার ব্লাডারে একটি টিউমার ধরা পড়ে। ডঃ অভয় কুমার প্রথম অপারেশন করেন এবং বায়োপসিতে ক্যানসার ধরা পড়ে। পরে আবার অপারেশন করতে হয়। আমি মুম্বই গিয়ে চিকিৎসা শুরু করলেও আত্মবিশ্বাস পাইনি। অবশেষে ডঃ কুমারের তত্ত্বাবধানে মেডিকায় ফিরে আসি। ব্লাডার অপসারণের পরামর্শে প্রথমে দ্বিধা থাকলেও জুন ২০২৪-এ সার্জারির পরে আমি সুস্থ হয়ে উঠছি এবং প্রতিদিন আরও শক্তিশালী অনুভব করছি।”

৬০ বছর বয়সী ব্যবসায়ী প্রদীপ মুখার্জী, যিনি সোদপুরের বাসিন্দা, বলেন,
“২০২২ সালে ব্লাডার ক্যানসার ধরা পড়ার পর আমি অবিলম্বে চিকিৎসা শুরু করি। ডঃ অভয় কুমার আমার অস্ত্রোপচার করেন এবং পুরো সময়টায় ভরসা ও সাহস জুগিয়েছেন। মেডিকার টিমের সহায়তায় আমি নতুন করে জীবন শুরু করতে পেরেছি।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর (ডঃ) সুবীর গাঙ্গুলী, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও অ্যাডভাইজার, রেডিয়েশন অনকোলজি, মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। তিনি বলেন, “একজন ক্যানসার রোগীর আরোগ্য শুধু চিকিৎসা নয়, বরং সার্বিক সহায়তার উপর নির্ভর করে। মেডিকায় আমরা সার্জারি, রেডিয়েশন থেরাপি, মানসিক সহায়তা এবং পুষ্টির পরামর্শ একত্রে মিলিয়ে একটি হোলিস্টিক কেয়ার মডেল গড়ে তুলেছি। কেয়ারগিভারদের মানসিক স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের জন্য আমরা চালু করেছি ‘মনবীণা ক্লিনিক’, যেখানে তারা বিনামূল্যে কাউন্সেলিং ও গাইডেন্স পান।”

মেডিকার ইউরোলজি বিভাগের প্রধান ও ইউরো-অনকো ও রোবোটিক সার্জারির বিশেষজ্ঞ ডঃ অভয় কুমার বলেন,
“ব্লাডার ক্যানসার প্রায়শই উপেক্ষিত হয়, ফলে দেরিতে রোগ ধরা পড়ে এবং চিকিৎসা কঠিন হয়ে যায়। আমরা রোবোটিক প্রযুক্তিকে রোগীকেন্দ্রিক যত্নের সঙ্গে মিলিয়ে ফলাফলকে উন্নত করার দিকে জোর দিচ্ছি। ২০২৩ সালে আমরা ব্লাডার ক্যানসার সাপোর্ট গ্রুপ চালু করেছি, যেখানে রোগীরা একে অপরকে সমর্থন করেন এবং অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।”

সিনিয়র কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট, মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের সোহিনী সাহা বলেন, “ক্যানসার শুধু দেহ নয়, মনকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। আতঙ্ক, দুশ্চিন্তা ও মানসিক অবসাদ রোগীর চিকিৎসা জার্নির বড় অংশ। আমাদের মানসিক সহায়তা ব্যবস্থা এই যাত্রাকে সহজ করতে সহায়তা করে।”

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান প্রীতিশা ঘোষ বলেন, “চিকিৎসার আগে, সময় ও পরে পুষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যালান্সড এবং পার্সোনালাইজড ডায়েট রিকভারি ও ইমিউনিটিকে প্রভাবিত করে। আমরা প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা ডায়েট প্ল্যান তৈরি করি যাতে তাঁরা সুস্থভাবে তাঁদের যাত্রা চালিয়ে যেতে পারেন।”

অনুষ্ঠান শেষ হয় ক্যানসার সারভাইভারদের সুরেলা পরিবেশনা, কেয়ারগিভারদের নিয়ে মুক্ত আলোচনা এবং একটি সচেতনতামূলক অঙ্গীকারের মাধ্যমে—প্রাথমিক উপসর্গ যেমন প্রস্রাবে রক্ত, ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রবণতা এবং পেলভিক অঞ্চলে ব্যথা দেখা দিলে যেন কেউ অবহেলা না করেন এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।

Continue reading
মণিপাল হাসপাতাল বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি ও অ্যাসিড হামলার শিকারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফার্স্ট এইড ও সিপিআর সচেতনতা ছড়াতে উদ্যোগী হয়েছে
  • June 2, 2025



কলকাতা, ২৭ মে ২০২৫: পূর্ব ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল চেইন, মণিপাল হাসপাতাল, আজ বিশ্ব জরুরি দিবস উপলক্ষে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি ও অ্যাসিড হামলার শিকারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, এই প্রথমবারের মতো এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই শহরব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে, মণিপাল হাসপাতাল জগার্স পার্ক, রেলস্টেশন, কর্পোরেট অফিস, আইটি পার্ক এবং Rapido রাইডারদের মধ্যে সিপিআর সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। এরপর, মুকুন্দপুর থেকে ঢাকুরিয়া, ব্রডওয়ে ও সল্টলেক হয়ে ২০টি অ্যাম্বুলেন্সের একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সারাদিনব্যাপী এই ইভেন্টগুলির লক্ষ্য ছিল একটি সুস্থ ও জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত সমাজ গড়ে তোলা। বিশ্বাস থেকে যে প্রতিটি ব্যক্তি, তাদের পটভূমি বা সক্ষমতা নির্বিশেষে, সংকটের সময় প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হওয়া উচিত, আজ শহরের ১৫০০-এরও বেশি মানুষ এই দক্ষতা অর্জন করেছেন, যা তাদের বাস্তব জীবনের সিপিআর হিরোতে রূপান্তরিত করার একটি পদক্ষেপ।

Whatsapp image 2025 05 28 at 18.03.48

এই জীবন রক্ষাকারী হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মিশন চালিয়ে যেতে, মণিপাল হাসপাতাল বেঙ্গালুরু ইতিমধ্যেই সিপিআর প্রশিক্ষণ ও জরুরি প্রস্তুতির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান অর্জন করেছে। আজকের ইভেন্টগুলি সকাল ৬:০০ টায় জগারস পার্ক থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসে শেষ হয়। আজকের সিপিআর প্রশিক্ষণ সেশনগুলি পরিচালনা করেন ডাঃ ইন্দ্রনীল দাস, মেডিকা সুপারস্পেশালটি হাসপাতাল (মণিপাল হাসপাতাল গ্রুপের একটি ইউনিট) জরুরি বিভাগের প্রধান; ডাঃ সুজয় দাস ঠাকুর, পরামর্শদাতা ও ইন-চার্জ – জরুরি চিকিৎসা, মণিপাল হাসপাতাল, মুকুন্দপুর; এবং ডাঃ কিশান গোয়েল, পরামর্শদাতা ও জরুরি বিভাগের প্রধান, মণিপাল হাসপাতাল – ব্রডওয়ে।

ডাঃ ইন্দ্রনীল দাস বলেন, “জরুরি পরিস্থিতি যেকোনো জায়গায় ঘটতে পারে—বাড়িতে, অফিসে, রাস্তায় বা সকালে হাঁটার সময়। তাই আমরা হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে পার্ক, অফিস এবং কমিউনিটি এলাকায় যাচ্ছি, যাতে যতটা সম্ভব মানুষকে সিপিআর হিরো বানানো যায়। সন্তোষপুর পার্ক, আরবান সবুজায়ন, সেন্ট্রাল পার্ক, অ্যাক্সিস মল এবং রবীন্দ্র সরোবরের মতো জায়গাগুলি আমাদের জীবন রক্ষাকারী জ্ঞানকে সকালের হাঁটার মতো সাধারণ করে তুলতে সাহায্য করেছে। যখন মৌলিক জরুরি প্রতিক্রিয়া জনসচেতনতায় পরিণত হয়, তখন আমরা শহরজুড়ে বেঁচে থাকার শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করি।”

ইভেন্ট চলাকালীন, ডাঃ সুজয় দাস ঠাকুর বলেন, “জীবন রক্ষা করা শুধুমাত্র একজন ডাক্তারের দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক বাধ্যবাধকতাও। আমরা Rapido রাইডার, এনজিও থেকে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং বিভিন্ন জেলার অ্যাসিড হামলার শিকারদের সিপিআর ও ফার্স্ট এইড প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রতিদিনের হিরোদের জরুরি পরিস্থিতিতে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করছি। আমাদের অ্যাম্বুলেন্স র‍্যালি আমাদের প্রতিরোধমূলক যত্নের প্রতিশ্রুতির আরেকটি শক্তিশালী প্রতীক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রশিক্ষণটি প্রয়োজনীয় সচেতনতা বাড়াবে এবং সবাইকে মনে করিয়ে দেবে যে প্রতিটি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ।”

উদ্যোগ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, ডাঃ কিশান গোয়েল বলেন, “একটি জরুরি পরিস্থিতি যা পথচারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, শুধুমাত্র সচেতনতার উপর নির্ভর করতে পারে না; প্রাথমিক যত্নের জন্য সাহায্য করার ইচ্ছা এবং প্রস্তুতি উভয়ই থাকতে হবে। আমরা ডিএলএফের মতো আইটি হাব, সাউথ সিটি মলের মতো পাবলিক স্পেস এবং মিডিয়া হাউসগুলিতে সিপিআর প্রশিক্ষণ সেশন সম্প্রসারণের মাধ্যমে জীবন রক্ষাকারী জ্ঞানের একটি তরঙ্গ তৈরি করছি। মণিপাল হাসপাতাল, আমরা বিশ্বাস করি যে পেশাদার থেকে সাংবাদিক পর্যন্ত বিভিন্ন গোষ্ঠীকে ক্ষমতায়ন করা পথচারীদের প্রথম প্রতিক্রিয়াকারীতে পরিণত করতে পারে।”

ডাঃ পারমিতা কঞ্জিলাল বলেন, “মণিপাল হাসপাতাল দৃঢ়ভাবে ফার্স্ট এইড এবং সিপিআর সম্পর্কে সচেতনতা ছড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে মানুষ সংকটের সময় সাহায্যের হাত বাড়াতে পারে। আমরা সারা বছর ধরে এমন গণসচেতনতামূলক উদ্যোগ চালিয়ে যাব, যাতে বৃহত্তর সম্প্রদায় উপকৃত হয়।”

Continue reading
দশ দিবসীয় সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবির ও ‘সংস্কৃত সংস্কৃতিক সন্ধ্যা’।
  • May 27, 2025


কলকাতা : ২৪ মে শনিবার – আয়োজক সংস্কৃত ভারতী, (দক্ষিণবঙ্গ) ও বিবেকানন্দ দশ দিবসীয় সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবিরের ও কার্যক্রম উপলক্ষে ‘সংস্কৃত সংস্কৃতিক সন্ধ্যা’যোগ অনুসন্ধান সংস্থান (কলকাতা)। সহায়ক-হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্।

সংস্কৃত হল ভারতীয় সংস্কৃতির মূল। বিশ্বের প্রায় সব ভাষার জননী হল সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃত ভাষার প্রচার এবং প্রসারের উদ্দেশ্যে সংস্কৃত ভারতী নিরন্তর কাজ করে চলেছে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংস্কৃত ভারতের বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। সংস্কৃত ভারতের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হল নিঃশুল্ক দশ দিবসীয় সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবির। মাত্র ১০ দিন ২ ঘন্টা করে সময় দিয়ে সাধারণ মানুষ এই শিবিরে অংশগ্রহণ করে সংস্কৃত ভাষায় কথা বলতে পারেন। সংস্কৃত ভারতী (দক্ষিণবঙ্গ) ও বিবেকানন্দ যোগ অনুসন্ধান সংস্থানের (কলকাতা) যৌথ উদ্যোগে গত ১০ মে থেকে ১৯ মে পর্যন্ত একটি দশ দিবসীয় সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন বয়সের প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী এই শিবিরে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। শিবিরের সবার হোক কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে একটি সংস্কৃত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার পরিকল্পনা করা হয়। এই বিষয়ে স্থান প্রদান করে এবং বিভিন্নভাবে সাহায্য করে অনুষ্ঠানটিকে বাস্তবায়িত হতে সাহায্য করে হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্ । ২৪ শে মে ২০২৫ বিকেল সাড়ে চারটে থেকে হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্-এর স্বামী বিবেকানন্দ সভাগৃহে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ছিল বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, সরস্বতী বন্দনা, সংস্কৃত নাটক, সংস্কৃত সম্ভাষণ প্রদর্শন, লঘু নাটিকা, সুভাষিত ও গীতাশ্লোক ইত্যাদি। সর্বোপরি সংস্কৃত গীতের সঙ্গে সংস্কৃত নৃত্য ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণীয় বিষয়। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বার সংস্কৃত সংগীত ও সংস্কৃত নৃত্য বাদ্যযন্ত্র সহযোগে একসঙ্গে মঞ্চে সাক্ষাৎ প্রদর্শিত হয়। বৈদিক যুগের সঙ্গীত কেমন ছিল তার একটি ক্ষুদ্র প্রতিরূপ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। সঙ্গীতের গবেষণামূলক এই বিষয়টি যাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তিনি হলেন প্রসিদ্ধ সঙ্গীতজ্ঞ আচার্য সঞ্জয় চক্রবর্তী। মহাশয়ও দশ দিন নিয়মিত সংস্কৃত সম্ভাষণ শিবিরের অংশগ্রহণ করে সংস্কৃত সঙ্গীতকে নতুন রূপদান করার প্রচেষ্টা করেন। বিভিন্ন সংস্কৃত সংগীতকে নতুন করে সুর প্রদান করে এবং রবীন্দ্র সংগীতকেও নতুন করে সংস্কৃত ভাষায় উপস্থাপন করে অনুষ্ঠানটিকে অন্য মাত্রা প্রদান করেন। ভারতীয় আদি শাস্ত্রীয় সংস্কৃত সংগীতকে নতুন করে তুলে ধরার এটি ছিল একটি অনন্য প্রয়াস। এছাড়াও আচার্য সঞ্জয় মহাশয় নিজে বন্দেমাতরম সংগীতের সঙ্গে চিত্রাবীণা বাজিয়ে দর্শকদের সম্মোহিত করেন। সংস্কৃত নৃত্য কেমন হওয়া উচিত তার নিদর্শন দর্শকদের কাছে উপস্থাপিত করেন শ্রী প্রদ্যুৎ কুমার দত্ত (অধ্যাপক, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, নৃত্য বিভাগ) মহাশয়। প্রদ্যুৎ মহাশয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা সংস্কৃত সংগীতের সঙ্গে মঞ্চে সংস্কৃত নৃত্য উপস্থাপিত করেন, যা অনুষ্ঠানটিকে একটি অন্যত্র প্রদান করে। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটিকে সংস্কৃত ভাষায় পরিচালনা করেন বিশিষ্ট গায়িকা শ্রীমতি রেশমি চক্রবর্তী। সংস্কৃত ভাষায়ও যে এত সুন্দর অনুষ্ঠান পরিচালনা হতে পারে তার একটি নিদর্শন মহাশয়া তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অনেক প্রসিদ্ধ গায়ক-গায়িকা উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা মাত্র ১০ দিন শিবিরে অংশগ্রহণ করে অনন্য সংস্কৃত সংগীত উপস্থাপিত করেন। ৮ বছর বয়সের শিশু থেকে ৭৮ বছর বয়সের প্রবীণ ব্যক্তিও সংস্কৃত ভাষার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বিষয় উপস্থাপিত করেন। এ ছাড়াও সর্বতোভাবে অনুষ্ঠানটি সফল হতে সাহায্য করেন শ্রী প্রদীপ আগরওয়াল (সি.ই.ও, হেরিটেজ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউশনস্) এবং ড. অভিজিৎ ঘোষ (অধ্যক্ষ বিবেকানন্দ যোগ অনুসন্ধান সংস্থান,কলকাতা)। এই অনুষ্ঠানের সংস্কৃত ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে নিঃশুল্ক দশ দিবসীয় সংস্কৃত শিবিরের আয়োজন করার পরিকল্পনা চলছে। আশা করি পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই বিষয়টিকে সাদরে গ্রহণ করবেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা ও রূপদান করছেন এবং ১০ দিনের শিবিরে শিক্ষক রূপে পাঠদান করেছেন আচার্য অনুভব হাজরা ( বিভাগীয় প্রধান, সংস্কৃত বিভাগ, বিবেকানন্দ যোগ অনুসন্ধান সংস্থান কলকাতা এবং কার্যকর্তা, সংস্কৃত ভারতী দক্ষিণবঙ্গ)।

Continue reading
নৈহাটির ব্রাত্যজনের পরিবেশনায় দায়বদ্ধ নাটকটির ৩১ তম মঞ্চস্থ হলো মধুসূদন মঞ্চে।
  • May 23, 2025


কলকাতা, ২০ মে ২০২৫: অরিত্র ব্যানার্জি পরিচালিত নৈহাটি ব্রাত্যজনের দয়াবদ্ধ (কর্তব্যের আবদ্ধ) ৩১তম মঞ্চায়ন ২০ মে মধুসূদন মঞ্চে একটি জনাকীর্ণ মিলনায়তনে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়। আবেগপ্রবণ এবং সামাজিকভাবে অনুরণিত এই প্রযোজনা দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল এবং অসংখ্য বিশিষ্ট ব্যক্তি, বুদ্ধিজীবী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা তাদের সম্মানিত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেছিলেন।
দয়াবদ্ধ সম্পর্কের সারাংশ, বিশেষ করে পিতৃত্বের উপর একটি গভীর দার্শনিক প্রতিফলন প্রদান করে, প্রশ্ন তোলে যে জৈবিক বন্ধনই কি প্রেম এবং দায়িত্বের একমাত্র বৈধ ভিত্তি। এই নাটকটি কর্তব্য, নৈতিকতা এবং ব্যক্তিদের উপর সমাজের প্রত্যাশার বিষয়বস্তুগুলির গভীরে প্রবেশ করে, দর্শকদের পিতার ঐতিহ্যবাহী ভাবমূর্তি পুনর্বিবেচনা করার চ্যালেঞ্জ জানায়।

Whatsapp image 2025 05 22 at 11.26.11

প্রবীণ অভিনেতা পার্থ ভৌমিক বাবার চরিত্রে এক মর্মস্পর্শী এবং স্তরপূর্ণ পরিবেশনা পরিবেশন করেছেন, যেখানে ভালোবাসা এবং কর্তব্যের জটিলতাকে নীরব শক্তি এবং আবেগগত গভীরতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে। মায়ের চরিত্রে দেবযানী সিংহ মঞ্চে তার আকর্ষণীয় উপস্থিতির জন্য আন্তরিক প্রশংসা অর্জন করেছেন।

Whatsapp image 2025 05 22 at 11.26.07

দেবাশিস রায়ের মনোমুগ্ধকর মঞ্চ নকশা এবং সমীর সরকারের তৈরি হৃদয়গ্রাহী শব্দচিত্রের মাধ্যমে প্রযোজনার আবেগগত প্রভাব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ইতিমধ্যেই শক্তিশালী আখ্যানকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।
বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট অতিথি এবং খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বদের সদয় উপস্থিতিতে সন্ধ্যাটি সমৃদ্ধ হয়েছিল। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ব্যারাকপুর নির্বাচনী এলাকার বিধায়ক এবং একজন বিখ্যাত পরিচালক ও প্রযোজক শ্রীমতি রাজ চক্রবর্তী এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের একজন শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী শ্রীমতি শুভশ্রী গাঙ্গুলি।
এই অনুষ্ঠানের জাঁকজমক আরও বাড়িয়ে তুলেছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রশংসিত শিল্পী, সম্মানিত লেখক, সিনিয়র সাংবাদিক এবং উল্লেখযোগ্য জনসাধারণ ব্যক্তিত্বরা, যারা সকলেই এই অসাধারণ সাংস্কৃতিক সমাবেশে তাদের উপস্থিতি দান করেছিলেন।
এটি কেবল একটি নাট্য পরিবেশনা ছিল না – এটি প্রতিফলন এবং সংলাপের একটি শক্তিশালী সন্ধ্যা হয়ে ওঠে। দয়াবদ্ধের মাধ্যমে, নৈহাটি ব্রাত্যজন আবারও সমসাময়িক সামাজিক উদ্বেগ এবং নৈতিক প্রশ্নগুলির সাথে গভীরভাবে জড়িত চিন্তা-উদ্দীপক থিয়েটারের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

Continue reading
শংকর নেত্রালয়ের উদ্যোগে শিশুদের চোখের ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা শিবির।
  • May 19, 2025

কলকাতা – ১৭ মে ২০২৫ : শংকর নেত্রালয়, শিশুদের এমন এক ধরনের চোখের ক্যান্সার যার নাম রেটিনোব্লাস্টোমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।
রেটিনোব্লাস্টোমা রেটিনার একটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রভাবিত করে। এই অবস্থাটি এক বা উভয় চোখেই দেখা দিতে পারে, প্রায় ২৫% ক্ষেত্রে উভয় চোখেই এটি দেখা দেয়। প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সময় মত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বেঁচে থাকার হার ৯০% ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে বিলম্বিত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার সীমিত শুযগের ফলে অন্ধত্ব বা মৃত্যু হতে পারে।
এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল অভিভাবকদের এই রোগের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষিত করা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। উপস্থিত ছিলেন রেটিনোব্লাস্টোমা রোগে আক্রান্ত ২৫ জন শিশু এবং তাদের বাবা মা এবং সম্মানিত চিকিৎসকরা। শংকর নেত্রালয়ের সভাপতি ডাক্তার গিরিশ সি ব্রাও, রেটিনা বিভাগের পরিচালক ডাক্তার প্রমথ ভেন্ডে,শংকর নেত্রালয় চক্ষু অংক লজিস্ট ডাক্তার সু গনেশ্বরি জি।

Whatsapp image 2025 05 20 at 1.39.26 am (1)

এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল অভিভাবকদের এই রোগের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে শিক্ষিত করা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। উপস্থিত টাটা মেডিকেল সেন্টারের মেডিকেল অনকোলজিস্ট ডাক্তার অর্পিতা ভট্টাচার্য এবং শংকর নেত্রালয়ের সিনিয়র চক্ষু অনকোলজিস্ট ডাক্তার ইস নিগাম, এছাড়াও এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। রেটিন ব্লাস্টোমা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়। রেটিনোব্লাস্টোমা পিউপিলারি রিফ্লেক্স ,স্টাবিশ মাস স্টা বিসমাস স্ট্রবিজমাস, চোখের লাল ভাব বা জ্বালা ফুলা ভাব চোখের ব্যথা দৃষ্টিশক্তি হাসির মতো লক্ষণগুলির সাথে উপস্থিত হতে পারে রোগ নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রা সাউন্ড এমআরআই বা সিটি স্ক্যান সহ ইমেজিং পরীক্ষার অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে এই ধরনের টিউমার আকার এবং আয়ুকেশন রোগের পরিমাণ এবং ও ভাই চোখ জড়িত কিনা তার উপর নির্ভর করে। চিকিৎসার বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে কেমোথেরাপি রেজার থেরাপি ক্রায়ো থেরাপি রেডিয়েশন থেরাপি এবং আরো কিছু নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।চোখের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ চিকিৎসা প্রদান করে সেন্টারের সঙ্গে উদ্যোগ রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে ইউনিটটি প্রায় 1000 রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছে তার মধ্যে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাচ্ছেন।সবমিলিয়ে সেদিনকার অনুষ্ঠান ছিল অনবদ্য।

Continue reading
বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স এবং চাউম্যানের যৌথ উদ্যোগ ‘আহারের একাল সেকাল’
  • May 19, 2025

কলকাতা – ১৭ মে ২০২৫ : ঐতিহ্যের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে দা বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং চাউম্যান রেস্টুরেন্টের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রন্ধন সম্পর্কীয় সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান আহারের একাল সেকাল পাট ২। বিসিসিআইয়ের চেয়ারম্যান মিস্টার দেবাদিত্ব চৌধুরীর ব্যবস্থাপনায় কুড়িটিরো বেশি কলকাতার আইকনিক খাবারের দোকানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বিসিসিআইয়ের উইলিয়ামসন মাগর হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বসেছিল চাঁদের হাট কে ছিলেন না এই অনুষ্ঠানে অনুপম রায়,রজতাভ দত্ত, দেবজ্যোতি মিশ্র,তনুশ্রীশংকর এবং বিক্রম ঘোষের মতো ব্যক্তিরাও যারা খাদ্য প্রিয় মানুষ তারা ঐদিন তাদের বিভিন্ন স্মৃতি উন্মোচন করেন।

Whatsapp image 2025 05 20 at 01.20.57

এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে চাউম্যানের কর্ণধার মিস্টার দেবাদিত চৌধুরী বলেন কলকাতার খাদ্য ঐতিহ্যকে কেবল সাধের বিষয় নয় গল্প,মানুষ এবং স্থানের বিষয় যা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। আহারের একাল সেকাল প্রথম পর্ব আরেকটি অত্যন্ত সফল উদ্যোগের পর এই বছর সেইসব রন্ধন প্রণালী প্রতিষ্ঠানগুলিকে সম্মান জানানোর একটি বিনয়ী প্রচেষ্টা যারা কেবল প্রজন্মের পর প্রজন্মই নয় আমাদের শহরের সাংস্কৃতিক হৃদ স্পন্দনকেও পুষ্ঠু করেছে।
বেঙ্গল চেম্বার চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি পরিচালক মিসেস সুকন্যা বোস বলেন কলকাতা তার গভীর সংস্কৃতি শিকড় এবং প্রাণবন্ত রন্ধন সম্পর্কীয় ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত। তুই দেবাদিত্য চৌধুরী তার মস্তিষ্কপ্রসূত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের আইকনিক খাবারের দোকানগুলির ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্য রাখি স্থাপনাগুলি যা একটি শহর হিসেবে আমাদের পরিচয়কে রুপ দেয়। আহারে একাল সেকাল হল কালজয়ী স্বাদ এবং কলকাতার চেতনার উদযাপন । এটি এমন একটি অনুষ্ঠান যা বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আমরা এটি আয়োজন করতে পেরে অত্যন্ত গর্বিত।

Whatsapp image 2025 05 20 at 01.22.26

Continue reading
মায়ের অবদান অমূল্য — মাতৃদিবসে মণিপাল হসপিটালস-এরআবেগ ঘনশ্রদ্ধার্ঘ্য
  • May 15, 2025

কলকাতা, ১৩ই মে ২০২৫: মাতৃত্বের অমোঘ ছায়াকে সম্মান জানিয়ে, মণিপাল হসপিটালস কলকাতা এই বছরের মাতৃ দিবস-এ একটি হৃদয়ছোঁয়া উদ্যোগ গ্রহণ করে। সল্টলেক ও মুকুন্দপুর ইউনিটে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয় চিকিৎসকদের সেই মায়েদের প্রতি — যাঁরা নীরবে, নিঃস্বার্থভাবে গড়ে তুলেছেন তাঁদের সন্তানদের, যারা আজ মানুষের জীবন রক্ষার কাজে নিবেদিত।

সল্টলেক ইউনিটে এই অনুষ্ঠান ঘিরে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা ও তাঁদের পরিবারবর্গ একত্রিত হন। হাসপাতালের কর্মীদের সন্তানরা তাঁদের মায়েদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন বার্তা পড়ে শোনায়। উত্তরে মায়েরা তাঁদের সন্তানের জন্য ভালোবাসা ও গর্বে ভরা চিঠি লিখে পাঠান। এই বিনিময়ে আবেগের ঢেউ বইয়ে যায়, যা মনে করিয়ে দেয় — পৃথিবী যতই এগিয়ে যাক, একজন মায়ের প্রভাব চিরকালই অপরিবর্তনীয়।

সল্টলেক ইউনিটের চিকিৎসকেরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এই আয়োজনে, মায়েদের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতে। আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়, যা রচে যায় স্মৃতির পাতায় এক উজ্জ্বল মুহূর্ত।

এই শহরজুড়ে উদযাপনের অংশ হিসেবে, মণিপাল হসপিটালস-এর ধাকুরিয়া ও ব্রডওয়ে ইউনিটও মাতৃ দিবস পালনে অংশ নেয়। সেখানেও চিকিৎসকদের মায়েদের হাতে তুলে দেওয়া হয় একগুচ্ছ ফুল ও ‘ধন্যবাদ’ বার্তা — তাঁদের নীরব অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ।

এই মাতৃ দিবসে, মণিপাল হসপিটালস তাঁদের শ্রদ্ধা জানাল সেই সব নারীদের, যাঁরা নেপথ্যে থেকেও সন্তানদের আলোকিত করেছেন মানবসেবার পথ ধরে হাঁটার জন্য। এই শ্রদ্ধার্ঘ্য ছিল তাঁদের উদ্দেশেই — মাতৃত্বের মুকুটধারী সেই অদৃশ্য নায়িকাদের, যাঁরা প্রতিটি সাফল্যের পেছনের আসল শক্তি।

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.09.22 (2)

Continue reading
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন
  • May 14, 2025


কলকাতা, ১২ই মে, ২০২৫: গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জন্য, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ, নম্রতা ওয়েভসের সাথে সহযোগিতায় “সোনার তোরি – বেঙ্গল নিমজ্জন: ড্রেপস, ডিলাইটস, ডায়ালগস” আয়োজন করেছে – একটি দিনব্যাপী অভিজ্ঞতামূলক শ্রদ্ধাঞ্জলি যা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং সম্প্রদায়কে একত্রিত করেছিল। ঠাকুরের ঐক্য, মানবতাবাদ, শৈল্পিক উৎকর্ষতা এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের দৃষ্টিভঙ্গির সম্মানে, ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, গল্প বলা এবং মননশীল ঐতিহ্যকে এক নিমজ্জিত দিনব্যাপী উদযাপনে একত্রিত করে।
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মানসী রায়চৌধুরী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার মিঃ অ্যান্ড্রু ফ্লেমিং, চীনা ডেপুটি কনসাল জেনারেল মিঃ কিন ইয়ং, শ্যুটার মিঃ জয়দীপ কর্মকার, অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক মিঃ অশোক বিশ্বনাথন, বাগ্মী মধুমন্তী মৈত্র, পরিচালক মিঃ সত্রাজিৎ সেন এবং নম্রতা ওয়েভসের প্রতিষ্ঠাতা মিঃ নম্রতা মিত্র। দিনটি শুরু হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী ‘বোরন’ (স্বাগত) দিয়ে, যা বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক কাঠামোর মধ্যে যাত্রার সুর তৈরি করে। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল বাংলার টেক্সটাইল ঐতিহ্যের একটি নির্দেশিত ওয়াকথ্রু, যেখানে কিউরেটেড ড্রেপ এবং বুনন রয়েছে।
দিনের কিউরেটেড অভিজ্ঞতাগুলির মধ্যে ছিল:

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.42


নম্রতা ওয়েভসের নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান টেক্সটাইলের সাথে ড্রেপিং এবং স্টাইলিং, ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের জটিলতা প্রদর্শন করে
আলতা প্রয়োগ, আল্পনা শিল্প, মালা গাথা (মালা তৈরি) এবং পান সাজসজ্জা সহ হাতে-কলমে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি কার্যকলাপ
প্রাণবন্ত মুহূর্তগুলি নথিভুক্ত করার জন্য কিউরেটেড ফটোগ্রাফি কর্নার দিয়ে স্মৃতি ধরে রাখা
TIGPS শিক্ষকদের দ্বারা ব্যাখ্যা করা প্রতিটি খাবারের পিছনের গল্প সহ খাঁটি বাঙালি নৈশভোজে আমোদিত
কোজি আড্ডা সেশন, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সৃজনশীল, একাডেমিক এবং টেক্সটাইল জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সাথে আলাপচারিতা করেছিলেন
টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুল (TIGPS) এর শিক্ষকদের নির্দেশে (টেকনো মেইন সল্টলেকের শিক্ষার্থীদের সঙ্গীত পরিবেশনার সাথে) প্রতিটি কার্যকলাপ ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট প্রদান করে, যা বাংলার জীবন্ত ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে একটি সমৃদ্ধ, শিক্ষামূলক এবং আনন্দময় যাত্রা নিশ্চিত করে।

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.41


“সোনার তোরি হল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সারমর্মের উদযাপন – নিমজ্জিত শিক্ষার প্রতি তাঁর বিশ্বাস, দৈনন্দিন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে বোনা সৌন্দর্য এবং ভাগ করা সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা থেকে আসা গভীর আনন্দ। ঠাকুর শিক্ষাকে কেবল জ্ঞান অর্জন হিসেবেই কল্পনা করেননি, বরং মন, হৃদয় এবং আত্মাকে সংযুক্ত করে এমন একটি সামগ্রিক যাত্রা হিসেবে কল্পনা করেছিলেন। এই অনুষ্ঠানটি সেই দর্শনের প্রতীক – শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে নয়, স্পর্শ, স্বাদ, শব্দ এবং চেতনার মাধ্যমে বাংলার জীবন্ত ঐতিহ্যকে সরাসরি অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ করে দেয়। নম্রতা ওয়েভসের সাথে আমাদের সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা ঐতিহ্যবাহী শিল্পের সমৃদ্ধি সংরক্ষণ করার লক্ষ্য রাখি, একই সাথে তরুণ প্রজন্মের কাছে সেগুলিকে সহজলভ্য এবং অর্থবহ করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করি। এটি এমন একটি স্থান তৈরি করার বিষয়ে যেখানে ঐতিহ্য কৌতূহলের সাথে মিলিত হয় এবং যেখানে সাংস্কৃতিক গর্ব সৃজনশীলতা এবং সহানুভূতির জন্য একটি শক্তিশালী শক্তি হয়ে ওঠে। টেকনো ইন্ডিয়াতে

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.45

তোরি সেই দিকেই একটি পদক্ষেপ,” বলেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মানসী রায়চৌধুরী।

সোনার তোরি – বেঙ্গল ইমারসন: ড্রেপস, ডিলাইটস, ডায়ালগস একটি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে যা টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রতিশ্রুতির প্রতিধ্বনি করে যে তারা সুপরিকল্পিত, সাংস্কৃতিকভাবে সচেতন শিক্ষার্থীদের লালন-পালন করে যারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে।
গ্রুপ, আমরা কেবল পেশাদারদের নয়, বরং মূলবান, দায়িত্বশীল নাগরিকদের গঠনে বিশ্বাস করি – এবং সোনারের মতো ইভেন্টগুলি সহানুভূতি এবং সৃজনশীলতার সাথে ভারতীয় ঐতিহ্যের সমৃদ্ধি তুলে ধরে।

Whatsapp image 2025 05 13 at 18.35.46

Continue reading

মিস করে যাওয়া

পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম আয়কর বিভাগ কর্তৃক আন্তর্জাতিক নারী দিবস” উদযাপন |
ট্রান্সজেন্ডার আইনের সংশোধনী নিয়ে ট্রান্সজেন্ডার তরুণ-তরুণীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বলেছেন “নালসা থেকে পিছু হটা চলবে না”।
মনিপাল হসপিটাল গুলিতে বহু অঙ্গ প্রতিস্থাপন সেবা চালু করার জন্য কম্প্রেহেনসিভ ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টারের উদ্বোধন।
এসপিকে জৈন ফিউচারিস্টিক একাডেমির আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন।
ভারতী এয়ারটেল ফাউন্ডেশন এবং CK-12 ফাউন্ডেশন শিক্ষক ক্ষমতায়নের জন্য ভারতের সবচেয়ে ব্যাপক AI-একীকরণের একটি চালু করেছে |