কলকাতা ৩ নভেম্বর ২০২৫ – আর্জেন্টিনাকে ফোকাস করে শুরু হতে চলেছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলা।পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ উৎসব আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। ৪৯তম বইমেলার উদ্বোধন হবে ২২ জানুয়ারি ২০২৬, চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, স্থান সল্টলেক। উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী; উপস্থিত থাকবেন দেশ–বিদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অতিথিবৃন্দ। গিল্ড কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সহযোগী সংস্থাকে প্রাঙ্গণের উন্নয়ন ও আয়োজনে সমর্থনের জন্য। ২০২৫ সালের মেলায় ২৭ লক্ষ দর্শক এসেছিলেন, বিক্রি হয়েছিল ২৩ কোটি টাকার বই। নতুন প্রকাশকদের আগ্রহ সত্ত্বেও স্থান সংকীর্ণতার কারণে এবার স্টলের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব নয়।এই প্রথম ফোকাল থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিচ্ছে আর্জেন্তিনা, যাদের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। গিল্ড আশা করছে, এই অংশগ্রহণ দুদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে। আর্জেন্তিনা দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন।
২০২৭ সালের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী—১৯৭৬ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ময়দানে আয়োজিত বইমেলার দুর্লভ ছবিগুলি থেকে সেরা দশটি ছবিকে পুরস্কৃত করা হবে। নির্বাচিত ছবি ২০২৬ সালের প্রেস কর্ণারে প্রদর্শিত হবে। ছবি পাঠানোর শেষ তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫। ২০২৬ সালের মেলায় অংশ নেবে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, পেরু, কলম্বিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড ও লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশ। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রকাশকরাও উপস্থিত থাকবেন। থাকবে লিটল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়ন, চিলড্রেনস কর্নার ও নানা আকর্ষণ। কলকাতা লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল (KLF) অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি। গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে ও সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব কৃষ্ণ চ্যাটার্জী সকল পাঠক, লেখক ওপ্রকাশককে আসন্ন বই উৎসবে আন্তরিক স্বাগত জানিয়েছেন।উপস্থিত ছিলেন গিল্টের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে,মিসেস আনন্দী কুইপো রিয়াভিটজ, কনস্যুলার সেকশনের প্রধান,রাজু বর্মণ, কোষাধ্যক্ষ, গিল্ডসুদীপ্ত দে, নির্বাহী কমিটির সদস্যত্রিদিব কৃষ্ণ চ্যাটার্জী, মাননীয় সাধারণ সম্পাদক, গিল্ডএশা চ্যাটার্জী, নির্বাহী কমিটির সদস্যমিঃ আন্দ্রেস সেবাস্তিয়ান রোজাস, কাউন্সেলর শুভঙ্কর দে, নির্বাহী কমিটির সদস্য।
কলকাতা, ২৯ অক্টোবর ২০২৫: যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রক, ভারত সরকার-এর অধীনে মেরা যুবা ভারত (MY Bharat) কলকাতা দক্ষিণ ও বেঙ্গল অ্যাকাডেমি ফর কারাতে অ্যান্ড সেল্ফ ডিফেন্স-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ব্লক লেভেল স্পোর্টস মিট ২০২৫ সাফল্যের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হলো ঠাকুরপুকুর সরকারি মাঠে। দুই দিনব্যাপী এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা (২৮ ও ২৯ অক্টোবর) তে অংশ নেয় ১৫০ জনেরও বেশি প্রতিযোগী, যার মধ্যে ছিলেন এনসিসি ক্যাডেট ছেলে ও মেয়েরা, ঠাকুরপুকুর স্পোর্টস ক্লাব-সহ বিভিন্ন স্থানীয় দলের খেলোয়াড়রা। প্রতিযোগিতায় ছেলেদের জন্য তিনটি ও মেয়েদের জন্য তিনটি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। ছেলেদের বিভাগে: ফুটবল, স্লো সাইক্লিং ও ঘুড়ি ওড়ানো মেয়েদের বিভাগে: ব্যাডমিন্টন, টাগ অফ ওয়ার (দড়ি টানা) ও ২০০ মিটার দৌড় বিজয়ীরা আগামী জেলা স্তরের স্পোর্টস মিট-এ অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। অনুষ্ঠানের বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রমেশ কুমার সিং, স্পোর্টস সেল সেক্রেটারি, বাংলীয় সংখ্যালঘু বুদ্ধিজীবী মঞ্চ ও (বেহালা বিধানসভা)-র সভাপতি এবং সন্ধা সরকার, ১২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। অতিথিবৃন্দ তরুণ প্রতিযোগীদের ক্রীড়া মনোভাব, শৃঙ্খলা ও উদ্দীপনার প্রশংসা করেন এবং বলেন যে মেরা যুবা ভারত-এর এই উদ্যোগ যুব সমাজকে ক্রীড়া ও সামাজিক সম্প্রীতির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর করে তুলবে।
কলকাতা,২৪ অক্টোবর ২০২৫ – এই সুটকেসটা আকাশদীপের জন্য খুব ভালো উপহার। সারাবছরই তো সুটকেস গুছিয়ে রাখতে হচ্ছে। একটা সময় আমাকে সুটকেস গুছিয়ে রাখতে হত। এখন আকাশদীপকে রাখতে হচ্ছে,”এভাবেই কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের বার্ষিক পুরস্কার অনুষ্ঠানে সেরা ক্রিকেটারের সম্মান প্রাপক আকাশদীপের প্রশংসা করলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। একটা সময় নিজে ক্রীড়া সাংবাদিকদের বিচারে সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছিলেন। এখন তিনি অবসরপ্রাপ্ত তারকা ক্রীড়াব্যক্তিত্ব। নতুন প্রতিভাবান ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সেরার পুরস্কার নিতে দেখে উৎসাহিত করলেন। এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লিয়েণ্ডার পেজ। জীবনকৃতি সম্মান পেলেন তিনি। ৩০ বছর দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। জিতেছেন একাধিক পদক। ১৯৯৬ সালের আটলান্টা অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ জয় যেন পেজ পরিবারের উত্তরাধিকার বহনের সাক্ষ্য। প্রথম এশিয়ান হিসেবে অলিম্পিকে টেনিসে পদক পেয়েছেন তিনি। এ বার ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে লিয়েন্ডার নস্টালজিক। বলছেন, ‘আমার টেনিস খেলার সময় বিশ্বের যেখানেই খেলেছি, আমার মন সবসময় কলকাতায় থেকেছে। আমি প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম ভারতের প্রত্যেক ছেলে, প্রত্যেক মেয়ে অলিম্পিকে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে।’ সদ্য বাবাকে হারিয়েছেন লিয়েন্ডার। ডঃ ভেস পেজে প্রয়াণে ছিল শোকের ছায়া। এ দিন লিয়েন্ডারের কথায় উঠে এল ভেস পেজের কথা। বলেন, ‘আমার বাবা অলিম্পিক্সে পদক জিতেছিলেন, আমি সবসময় বাবার মতো হতে চেয়েছি।’ বর্তমানে লিয়েণ্ডার অবসরের পর এখন স্থানীয় টেনিসের উন্নতিতে কাজ করছেন। এক্ষেত্রে তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টানেন। এই অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সৌরভও। তিনি বলেন, ‘আমি সৌরভকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমি এবং সৌরভ দু’জনেই নিজেদের রুটে ফিরেছি, কলকাতায় এসে ক্রিকেট ও টেনিস নিয়ে কাজ করছি। ভবিষ্যতে আরও চ্যাম্পিয়ন তৈরি করতে চাই।’
লিয়েন্ডার পেজের পাশাপাশি হকি কিংবদন্তী দিলীপ তিরকেকে জীবনকৃতি সম্মান দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘সিএসজেসি-কে ধন্যবাদ আমাকে এই সম্মান দেওয়ার জন্য। ১৯৯২-৯৩ সালে আমি কলকাতার সাই-তে ছিলাম, ফলে কলকাতার সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। কলকাতায় আসা আমার কাছে সবসময় স্পেশাল। হকির জন্য কলকাতা বরাবরই পথিকৃত। প্রথম হকি টুর্নামেন্ট, প্রথম অলিম্পিক টিম সবকিছুতেই ছিল কলকাতার নাম। আশা করি ভবিষ্যতে আরও তারকা কলকাতা থেকে উঠে আসবেন।
একনজরে দেখে নেওয়া যাক পুরস্কার প্রাপকদের তালিকাঃ
ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-এর সভাপতি: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ,বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (সিনিয়র): ঐহিকা মুখার্জি,বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (জুনিয়র): সর্বার্থ মানি,বর্ষসেরা কোচ: কিবু ভিকুনা,বর্ষসেরা ক্রিকেটার: আকাশ দীপ বর্ষসেরা ফুটবলার: সুভাষিস বোস,স্টার ফুটবলার অব দ্য ইয়ার: রবি হাঁসদা বর্ষসেরা মহিলা ফুটবলার: সঙ্গীতা বসফোরে,বর্ষসেরা মহিলা অ্যাথলিট: মৌমিতা মণ্ডল,বর্ষসেরা পুরুষ অ্যাথলিট: সতায়ু মণ্ডল,বর্ষসেরা জিমন্যাস্ট: প্রতিষ্ঠা সামন্ত বর্ষসেরা শ্যুটার: অভিনব শ’,বর্ষসেরা রোয়ার: শ্বেতা ব্রহ্মচারী,বর্ষসেরা খো খো খেলোয়াড়: সুমন বর্মন,বর্ষসেরা সাঁতারু: সানিথি মুখার্জি,বর্ষসেরা হকি খেলোয়াড়: অভয় এক্কা,বর্ষসেরা ভলিবল খেলোয়াড়: কুনাল দাস।
কলকাতা, ২০ অক্টোবর ২০২৫:আমাদের দেশে ক্যানসার আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে ৩০ শতাংশই স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। এবছরে (২০২৫) দেশে নতুন করে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা ২,৩০,০০০। এর মধ্যে এরাজ্যে সংখ্যাটা ১৫,০০০ এরও বেশি। সবথেকে চিন্তার বিষয় হল এঁদের মধ্যে বেশিরভাগের ক্যানসার ধরা পড়েছে অ্যাডভান্স স্টেজে। এখানে উল্লেখ্য এদেশে ক্যানসার রোগীদের গড় বয়স পাশ্চাত্যের থেকে প্রায় দশ বছর কম, এঁদের বেশির ভাগেরই তাঁদের সাংসারিক বা কর্ম জীবনে থাকতেই ক্যানসার ধরা পড়ে। ওদেশে ৬০ থেকে ৭৪ বছরে স্তন ক্যনসার আক্রান্ত হবার ঘটনা বেশি। সেই তুলনায় আমাদের দেশে ৫০ বছরের নিচেই স্তন ক্যানসার হচ্ছে। এজন্য দরকার সচেতনতা। অক্টোবর মাসে বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস। ১৯৮৫ সালে বিশ্বজুড়ে মহিলাদের মধ্যে এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্যোগে ব্রেস্ট ক্যানসার অ্যাওয়ারনেস নিয়ে কাজ শুরু হয়। এই বিষয়টিকে মনে রেখে ডিশান হাসপাতালে ব্রেস্ট ক্যানসার স্পেশালিটি ক্লিনিক চালু হল। আক্রান্ত স্তনকে যতদুর সম্ভব অক্ষুন্ন রেখে আধুনিক পদ্ধতিতে ব্রেস্ট কনসারভেশন সার্জারি করা এই ক্লিনিকের অন্যতম লক্ষ্য। এই পদ্ধতির অস্তোপচারে রোগীর ক্যানসার মুক্তির সঙ্গে আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসে। আপাতত প্রতি সোম, বুধ ও শুক্রবারে ডিসান হাসপাতালে এই ক্লিনিক চালু থাকবে।
এই উপলক্ষ্যে কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ডা. শ্রেয়া মল্লিক, কন্সাল্টেন্ট মেডিক্যাল অংকোলজিস্ট, ডিসান হাসপাতাল বলেন যে টারগেটেড থেরাপি, প্রিসিসান কেমোথেরাপি ও অপারেশনের পরে পোস্টঅপারেটিভ রেডিও থেরাপির সহ ব্রেস্ট কনভেশন সার্জারিকে অনেক মহিলা ক্যানসার রোগীই নিরাপদ ও কার্যকরী চিকিৎসা হিসাবে বেছে নেন। ডিসান হাসপাতালের বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত টিউমার বোর্ড প্রত্যেক ক্যানসার রোগীর জন্য ষ্টেজ ও অবস্থা পর্যালোচনা করে পৃথক চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করে। ডিসান হাসপাতালের ও ব্রেস্ট সার্জারি স্পেশালিস্ট ডা. জ্যোতি গুপ্ত জানান ‘একই সঙ্গে ক্যানসারকে নির্মুল করে স্তনের স্বাভাবিকতা ধরে রাখতে আমরা অ্যাডভান্স ইমেজিং ও সার্জিক্যাল প্ল্যানিংএর উপরে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। একজন মহিলা ক্যানসার রোগীকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ, সক্ষম ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।হাসপাতালের অপর একজন কন্সাল্টেন্ট ক্যানসার সার্জন ডা. আমন প্রকাশ তাঁর বক্তব্যে বলেন যে প্রাথমিক পর্যায়ের ব্রেস্ট ক্যানসার চিকিৎসায় পোস্টঅপারেটিভ রেডিও থেরাপির সহ ব্রেস্ট কনভেশন সার্জারির সাফল্যের হার ম্যাস্টেক্টটমি বা সম্পুর্ন স্তন বাদ দিয়ে করা চিকিৎসার সমান। শুধু ক্যানসার থেকে মুক্তিই নয়, একজন মহিলার স্বাভাবিকতা ও শারীরিক গঠন বজায় রাখতে তাঁরা যতদুর সম্ভব চেষ্টা করে থাকেন। ব্রেস্ট ক্যানসার চিকিৎসার মনোবিজ্ঞানগত দিক নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে কন্সাল্টেন্ট সাইকোলজিস্ট অনুশীলা দত্ত জানান যে ব্রেস্ট ক্যানসার চিকিৎসায় শারীরিক রোগ মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠাও অত্যন্ত জরুরী। এবিষয়ে সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং ভয় থেকে মুক্তি পেতে, নিজের ব্যাক্তিত্ত্ব পুনরুদ্ধার করতে ও মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করে। পরিশেষে হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী সজল দত্ত বলেন ডিসানে তাঁরা চিকিৎসা বিজ্ঞানকে মা্নবিকতা ও সহানুভুতির সঙ্গে ব্যবহার করে থাকেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন তাঁদের নতুন ব্রেস্ট ক্যানসার ক্লিনিকও সেই ঐতিহ্যকে বজায় রেখে মহিলাদের চিকিৎসার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দেবে।
কলকাতা, ১৭ অক্টোবর ২০২৫: SPK জৈন ফিউচারিস্টিক একাডেমি তাদের ক্যাম্পাসকে “দীপাবলির সৌজন্যে – আলো ও শিক্ষার উৎসব” দিয়ে আলোকিত করে, এক দর্শনীয় উপায়ে উৎসব শিক্ষার সাথে মিলিত হয়। বহু প্রতীক্ষিত এই উৎসব স্কুলটিকে রঙ, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীলতার একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্রে পরিণত করে, যেখানে উদ্ভাবন এবং আনন্দের মাধ্যমে দীপাবলির চেতনা জীবন্ত হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীরা তরুণ উদ্যোক্তা এবং স্রষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে, প্রাণবন্ত স্টল, হস্তনির্মিত কারুশিল্প এবং ইন্টারেক্টিভ প্রদর্শনী স্থাপন করে যা প্রতিভা এবং দলবদ্ধতা উভয়কেই প্রতিফলিত করে।শ্রী শ্বেতাম্বর স্থানকবাসী জৈন সভার বিশিষ্ট সদস্য, শ্রী সরদারমুল কাঙ্করিয়া, শ্রী পান্নালাল কোচর, শ্রী অশোক মিন্নি, শ্রী প্রদীপ পাটোয়া এবং শ্রী জয়দীপ পাটোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যা অনুষ্ঠানের তাৎপর্য এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করে। এই উপলক্ষে, শ্রী শ্বেতাম্বর স্থানকবাসী জৈন সভার সভাপতি শ্রী সরদারমুল কাঁকারিয়া বলেন, “এই স্কুলের অসাধারণ অগ্রগতির কারণ হল এর নিয়মিতভাবে ঘটে যাওয়া বৈচিত্র্যময় এবং উদ্ভাবনী কার্যকলাপের ধারাবাহিক প্রবাহক। এই ধরনের উদ্যোগগুলি কেবল শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা এবং দক্ষতাকে লালন করে না বরং আত্মবিশ্বাস এবং উৎসাহের সাথে বাস্তব বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হওয়ার জন্য তাদের প্রস্তুত করে।”
বহু প্রতীক্ষিত দীপাবলি বনানজায় শিক্ষার্থীরা তরুণ উদ্যোক্তা, শিল্পী এবং পরিবর্তনকারীতে রূপান্তরিত হয়েছে, লাইভ স্টল পরিচালনা করেছে, রিয়েল-টাইম লেনদেন পরিচালনা করেছে এবং হস্তনির্মিত কারুশিল্প এবং সৃজনশীল ব্যবসায়িক ধারণা প্রদর্শন করেছে, শ্রেণীকক্ষের বাইরেও অভিজ্ঞতামূলক শিক্ষার স্বাদ পেয়েছে। এই উদ্যোগটি দীপাবলির উৎসবের আভায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা এবং সহযোগিতাকে উৎসাহিত করেছে। ঝলমলে এবং উদযাপনের বাইরেও, স্কুলটি পরিবেশ-সচেতন পদ্ধতির উপর জোর দিয়েছে, সকলকে দায়িত্বশীলভাবে উদযাপন করার আহ্বান জানিয়েছে। পরিবেশ-বান্ধব সাজসজ্জা, হস্তনির্মিত দিয়া এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণের ব্যবহারে প্রতিফলিত স্থায়িত্বের বার্তা পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়েছে, যা উৎসবটিকে কেবল আনন্দময়ই নয়, বরং অর্থপূর্ণ এবং মননশীল করে তুলেছে। এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে, এসপিকে জৈন ফিউচারিস্টিক একাডেমির অধ্যক্ষ ডঃ জয়িতা গাঙ্গুলি বলেন, “এসপিকে জৈন ফিউচারিস্টিক একাডেমিতে, আমরা বিশ্বাস করি যে শিক্ষাকে সৃজনশীলতা, করুণা এবং সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততার সাথে হাত মিলিয়ে চলতে হবে। দীপাবলির এই উৎসব কেবল একটি উদযাপনের চেয়েও বেশি কিছু ছিল – এটি ছিল একটি জীবন্ত শ্রেণীকক্ষ যেখানে শিক্ষার্থীরা দলগত কর্ম, স্থায়িত্ব এবং দান করার আনন্দের মূল্য শিখেছিল। আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রতিটি বিবরণের মালিকানা নিতে দেখে আমরা প্রচুর গর্বিত হয়ে উঠি।”
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে, ক্যাম্পাস হাসি, সঙ্গীত এবং দীয়ার উষ্ণ আভায় ঝলমল করে উঠল – কিন্তু যা সত্যিকার অর্থে পরিবেশকে আলোকিত করেছিল তা হল শিক্ষার্থীদের চোখে গর্ব এবং উত্তেজনা। স্কুলের অনুষ্ঠান হিসেবে যা শুরু হয়েছিল তা সৃজনশীলতা, দলগত কর্ম এবং শেখার একটি সুন্দর উদযাপনে পরিণত হয়েছিল। দীপাবলির এই উৎসব কেবল উৎসবের বিষয় ছিল না; এটি ছিল তরুণ মনদের তাদের সম্ভাবনা আবিষ্কার করা এবং তাদের চারপাশের সকলের সাথে সেই আলো ভাগ করে নেওয়ার বিষয়। এসপিকে জৈন ফিউচারিস্টিক একাডেমি আবারও দেখিয়েছে যে যখন শিক্ষা বইয়ের বাইরে যায়, তখন এটি কেবল উজ্জ্বল শিক্ষার্থীদেরই নয় – বরং উজ্জ্বল ভবিষ্যতও তৈরি করে।
কলকাতা, ২২অক্টোবর ২০২৫ – ফিনোলেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (FIL)-এর CSR শাখা মুখুল মাধব ফাউন্ডেশন (MMF) FICCI FLO কলকাতার সহযোগিতায় একটি সাইকেল বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য গ্রামীণ এলাকার ছাত্রীদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং চলাচলের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও মর্যাদার অনুভূতি জাগানো।মুখুল মাধব ফাউন্ডেশন বহু বছর ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণের ক্ষেত্রে কাজ করে চলেছে। এর লক্ষ্য হলো সমাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক উন্নয়ন ঘটানো। গত দুই বছরে, ফাউন্ডেশনটি ভারতের বিভিন্ন FLO চ্যাপ্টারের সঙ্গে যৌথভাবে গ্রামীণ জীবিকা উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করছে।FLO-র গ্রামীণ জীবিকা বিভাগ নারীদের জন্য টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরি, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে। দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও জীবিকা সক্ষমতা কর্মসূচির মাধ্যমে FLO নারীর ক্ষমতায়ন ও আত্মনির্ভরতার পথ তৈরি করছে।এই বছরের সাইকেল বিতরণ কর্মসূচি সেই সহযোগিতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সারা দেশে ৩০০-রও বেশি সাইকেল বিতরণ করা হচ্ছে যাতে গ্রামীণ এলাকার মেয়েরা নিরাপদে স্কুলে যেতে পারে এবং মর্যাদা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।
মুখুল মাধব ফাউন্ডেশনের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও ফিনোলেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের CSR প্রধান, মিসেস ঋতু ছাবরিয়া বলেন:“শিক্ষা হলো ক্ষমতায়নের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করছি যে দূরত্ব বা চলাচলের অভাব কোনো মেয়ের শিক্ষার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। একটি সাধারণ সাইকেল একটি মেয়ের জীবনের গতিপথ বদলে দিতে পারে – তাকে নিরাপদে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে স্কুলে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে।”
অনুষ্ঠানে বিসেস অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমতি তুলিকা দাস, চেয়ারপার্সন, পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন (WBCPCR)শ্রীমতি অনন্যা চক্রবর্তী, সদস্য, WBCPCRচলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী জয়া সিল ঘোষশিক্ষিকা ও সামাজিক মাধ্যম প্রভাবক কোনিনিকা দেFICCI FLO কলকাতার চেয়ারপার্সন মিসেস নিধি ঝুনঝুনওয়ালা বলেন:“FICCI FLO-তে আমাদের লক্ষ্য সবসময়ই টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন করা। এই সাইকেল বিতরণ কর্মসূচি কেবল একটি প্রতীক নয়—এটি স্বাধীনতা, সুযোগ এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতার প্রতীক। মুখুল মাধব ফাউন্ডেশন ও ফিনোলেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে একত্রে আমরা আত্মবিশ্বাসী ও স্বাধীন নারীদের এক নতুন প্রজন্ম তৈরি করছি।”এই যৌথ উদ্যোগ শিক্ষা, ক্ষমতায়ন ও সমতার মাধ্যমে সমাজে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।
কলকাতা, ৯ অক্টোবর, ২০২৫: সিকে বিড়লা হাসপাতালের একটি ইউনিট, ক্যালকাটা মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিএমআরআই) ২০২৫ সালের রোগী অভিজ্ঞতা সপ্তাহ উদযাপনের জন্য একটি বিশেষ ওয়াকাথনের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানে রোগী, ডাক্তার, নার্স এবং হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে অসাধারণ বন্ধন উদযাপন করা হয়েছিল – এমন একটি বন্ধন যা চিকিৎসার বাইরেও করুণা, বিশ্বাস এবং আশার প্রতীক। ওয়াকাথনের নেতৃত্বে ছিলেন সিকে বিড়লা হাসপাতাল – সিএমআরআই, কলকাতার ইউনিট প্রধান শ্রী সম্ব্রত রায় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বর্ধিত সিএমআরআই পরিবারকে একত্রিত করা, যত্নশীল এবং স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার থেকে শুরু করে যারা একসময় গুরুতর অসুস্থতার সাথে লড়াই করেছিলেন এবং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলেন। এই অনুষ্ঠানে গভীর আবেগময় স্পর্শ যোগ করে, অনেক প্রাক্তন রোগী যারা একসময় জীবন-হুমকির সম্মুখীন হয়েছিলেন এবং বেঁচে থাকার সমস্ত আশা হারিয়ে ফেলেছিলেন, তারা তাদের ডাক্তার এবং যত্নশীলদের সাথে হাত ধরে ওয়াকাথনে যোগ দিয়েছিলেন। তাদের উপস্থিতি মানব স্থিতিস্থাপকতা, চিকিৎসা উৎকর্ষতা এবং সিএমআরআই-এর স্থায়ী নিরাময়ের চেতনার এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়েছিল।
এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিকে বিড়লা হাসপাতাল – সিএমআরআই, কলকাতার ইউনিট প্রধান শ্রী সম্ব্রত রায় বলেন, “রোগীদের অভিজ্ঞতা সপ্তাহ হল নিরাময়ের অসাধারণ যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি যা রোগী, যত্নশীল এবং স্বাস্থ্যসেবা দলকে একত্রিত করে। এই ওয়াকাথন হল সেই বন্ধন উদযাপনের আমাদের উপায় – যা হাসপাতালের দেয়ালের বাইরেও বিস্তৃত। আমাদের প্রাক্তন রোগীদের, যাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে লড়াই করেছেন, আজ তাদের ডাক্তারদের পাশে হাঁটা দেখা আশা, বিশ্বাস এবং সহানুভূতিশীল যত্নের শক্তির সবচেয়ে বড় প্রমাণ।”
ভোরে সিএমআরআই ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে শত শত মানুষের উৎসাহী অংশগ্রহণ দেখা গেছে, যাদের মধ্যে সুস্থ রোগী, স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরাও ছিলেন – সবাই একসাথে জীবন এবং নিরাময়ের যাত্রা উদযাপন করতে হাঁটছিলেন। ওয়াকাথন সহানুভূতির সাথে ক্লিনিকাল উৎকর্ষতার প্রতি সিএমআরআই-এর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যেখানে প্রতিটি পুনরুদ্ধার কেবল একটি চিকিৎসা সাফল্য নয় বরং সাহস এবং যত্নের একটি মানবিক গল্প।
কলকাতা,15.10.2025 : জন্য আনন্দ গড়ে তুলছে Greenply – CareForAll উদ্যোগে সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিএই ভাবনাকেই সামনে রেখে Greenply নিয়েছে তাদের উদ্যোগ #CareForAll। এটি শুধু একটি প্রজেক্ট নয়, বরং একটি বিশ্বাস—যেখানে সবার জন্য জায়গা তৈরি করা হয়, যেখান থেকে কেউ বঞ্চিত হয় না।
এই বিষয়ে Greenply Industries Ltd.-এর যৌথ ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী সানিধ্য মিত্তল বলেন, “#CareForAll উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা প্রতিটি কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছি ‘অ্যাক্সেসিবিলিটি’। আমাদের লক্ষ্য, এমন এক সমাজ গড়ে তোলা যেখানে সবাই মিলে আনন্দ করতে পারে, কোনো বাধা ছাড়াই। Maa on Wheels, আইপিএল স্টেডিয়ামে প্লাইউড র্যাম্প তৈরি—এই সব উদ্যোগই আমাদের সেই বিশ্বাসের অংশ, যাতে সবাই অংশ নিতে পারে এবং নিজেকে অন্তর্ভুক্ত মনে করে।”
অনেক ব্র্যান্ড যেখানে ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগকে শুধু প্রচারের মাধ্যম হিসেবে দেখে, সেখানে Greenply দেখেছে এক ভিন্ন সুযোগ। ২০২৩ সাল থেকে পরপর তিন বছর তারা লখনৌর একানা স্টেডিয়ামে হুইলচেয়ার-বান্ধব প্লাইউড র্যাম্প তৈরি করেছে, যাতে শারীরিকভাবে ভিন্ন সক্ষম ভক্তরাও মাঠে বসে সরাসরি খেলা দেখতে পারেন। এই উদ্যোগের বিশেষত্ব হলো এর উদ্দেশ্য—যেখানে প্রচারের চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অন্তর্ভুক্তি ও অ্যাক্সেসিবিলিটিকে।
তবে Greenply-এর এই চিন্তা নতুন নয়। ২০১৮ সালে কলকাতায় তারা শুরু করেছিল #PujoForAll। দুর্গাপূজার সময় তারা তৈরি করেছিল ‘অ্যাক্সেসিবল প্যান্ডেল ম্যাপ’ এবং জনগণকে উৎসাহ দিয়েছিল সেই প্যান্ডেলগুলি চিহ্নিত করতে যেখানে এখনো র্যাম্প ছিল না। প্রতিটি অনুরোধে Greenply নিজেরাই সেই পরিকাঠামো তৈরি করেছিল, ফলে উৎসবের সময় এক নতুন অন্তর্ভুক্তির দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়।
এই বছর আবারও কলকাতায় এই ভাবনা পেয়েছে নতুন রূপ—Maa on Wheels উদ্যোগে। এর মাধ্যমে দুর্গাপূজার আনন্দ পৌঁছে যাচ্ছে বৃদ্ধাশ্রমে থাকা প্রবীণ মানুষদের কাছে। যারা ভিড়ভাট্টা পূজোর রাস্তায় যেতে পারেন না, তাদের জন্য নিজের উঠোনে মা দুর্গার আগমন মানে আবেগ, স্মৃতি ও ভালোবাসার এক অনন্য মুহূর্ত—একটি মৃদু স্মরণ যে, তারাও এই উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
প্যান্ডেল হোক, স্টেডিয়াম বা বৃদ্ধাশ্রম—সব জায়গায় Greenply-এর উদ্দেশ্য একটাই: যাতে আনন্দ ও অংশগ্রহণ কখনো শারীরিক সীমাবদ্ধতায় আটকে না যায়। র্যাম্প, মানচিত্র বা একবারের সফর—এই ছোট ছোট উদ্যোগগুলোই মানুষকে একত্র করে, অন্তর্ভুক্তি তৈরি করে, আর উদযাপনকে সত্যিকারের করে তোলে।
বিশেষ দিন উদযাপনের আসল আনন্দ তখনই সম্পূর্ণ হয়, যখন সবাই একসাথে থাকে। যখন কারো মুখ, কারো হাসি, বা উপস্থিতি বাদ যায় না। অন্তর্ভুক্তির মানে হচ্ছে আনন্দ যেন শুধু কিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
এই ভাবনাকেই সামনে রেখে Greenply নিয়েছে তাদের উদ্যোগ #CareForAll। এটি শুধু একটি প্রজেক্ট নয়, বরং একটি বিশ্বাস—যেখানে সবার জন্য জায়গা তৈরি করা হয়, যেখান থেকে কেউ বঞ্চিত হয় না।
এই বিষয়ে Greenply Industries Ltd.-এর যৌথ ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী সানিধ্য মিত্তল বলেন, “#CareForAll উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা প্রতিটি কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছি ‘অ্যাক্সেসিবিলিটি’। আমাদের লক্ষ্য, এমন এক সমাজ গড়ে তোলা যেখানে সবাই মিলে আনন্দ করতে পারে, কোনো বাধা ছাড়াই। Maa on Wheels, আইপিএল স্টেডিয়ামে প্লাইউড র্যাম্প তৈরি—এই সব উদ্যোগই আমাদের সেই বিশ্বাসের অংশ, যাতে সবাই অংশ নিতে পারে এবং নিজেকে অন্তর্ভুক্ত মনে করে।”
অনেক ব্র্যান্ড যেখানে ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগকে শুধু প্রচারের মাধ্যম হিসেবে দেখে, সেখানে Greenply দেখেছে এক ভিন্ন সুযোগ। ২০২৩ সাল থেকে পরপর তিন বছর তারা লখনৌর একানা স্টেডিয়ামে হুইলচেয়ার-বান্ধব প্লাইউড র্যাম্প তৈরি করেছে, যাতে শারীরিকভাবে ভিন্ন সক্ষম ভক্তরাও মাঠে বসে সরাসরি খেলা দেখতে পারেন। এই উদ্যোগের বিশেষত্ব হলো এর উদ্দেশ্য—যেখানে প্রচারের চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অন্তর্ভুক্তি ও অ্যাক্সেসিবিলিটিকে।
তবে Greenply-এর এই চিন্তা নতুন নয়। ২০১৮ সালে কলকাতায় তারা শুরু করেছিল #PujoForAll। দুর্গাপূজার সময় তারা তৈরি করেছিল ‘অ্যাক্সেসিবল প্যান্ডেল ম্যাপ’ এবং জনগণকে উৎসাহ দিয়েছিল সেই প্যান্ডেলগুলি চিহ্নিত করতে যেখানে এখনো র্যাম্প ছিল না। প্রতিটি অনুরোধে Greenply নিজেরাই সেই পরিকাঠামো তৈরি করেছিল, ফলে উৎসবের সময় এক নতুন অন্তর্ভুক্তির দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়।
এই বছর আবারও কলকাতায় এই ভাবনা পেয়েছে নতুন রূপ—Maa on Wheels উদ্যোগে। এর মাধ্যমে দুর্গাপূজার আনন্দ পৌঁছে যাচ্ছে বৃদ্ধাশ্রমে থাকা প্রবীণ মানুষদের কাছে। যারা ভিড়ভাট্টা পূজোর রাস্তায় যেতে পারেন না, তাদের জন্য নিজের উঠোনে মা দুর্গার আগমন মানে আবেগ, স্মৃতি ও ভালোবাসার এক অনন্য মুহূর্ত—একটি মৃদু স্মরণ যে, তারাও এই উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
প্যান্ডেল হোক, স্টেডিয়াম বা বৃদ্ধাশ্রম—সব জায়গায় Greenply-এর উদ্দেশ্য একটাই: যাতে আনন্দ ও অংশগ্রহণ কখনো শারীরিক সীমাবদ্ধতায় আটকে না যায়। র্যাম্প, মানচিত্র বা একবারের সফর—এই ছোট ছোট উদ্যোগগুলোই মানুষকে একত্র করে, অন্তর্ভুক্তি তৈরি করে, আর উদযাপনকে সত্যিকারের করে তোলে।
#CareForAll উদ্যোগের মাধ্যমে Greenply শুধু জায়গা নয়, জীবন বদলানোর পথে এগোচ্ছে—যাতে কেউ বাদ না পড়ে, আর সবাই একসাথে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারে।
বিশেষ দিন উদযাপনের আসল আনন্দ তখনই সম্পূর্ণ হয়, যখন সবাই একসাথে থাকে। যখন কারো মুখ, কারো হাসি, বা উপস্থিতি বাদ যায় না। অন্তর্ভুক্তির মানে হচ্ছে আনন্দ যেন শুধু কিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫: মায়ের স্নেহ ও শক্তিকে উদযাপন করা ব্র্যান্ড আইটিসি সানফিস্ট মম’স ম্যাজিক পশ্চিমবঙ্গে লঞ্চ করল মম’স ম্যাজিক শাইনস। যেমন একজন মা তাঁর সন্তানের জীবনে আলো ছড়ান, তেমনই এই বাটার কুকির বিশেষত্ব হলো সূক্ষ্ম চিনি প্রলেপ যা তাকে করে তোলে ঝলমলে ও সুস্বাদু। এই ভাবনাকেই সামনে রেখে এ বছরের দুর্গাপূজায় সানফিস্ট মম’স ম্যাজিক শাইনস উপস্থাপন করেছে ‘জ্যোতির্ময়ী মা’ দেবী দুর্গার এক উজ্জ্বল রূপ। দেবী প্রতিমা সজ্জিত হয়েছে এক লক্ষেরও বেশি মোজাইক আয়নার টুকরো দিয়ে, যা প্রতীক মায়ের অন্তহীন ইচ্ছা ও আশীর্বাদের।“Mom’s Magic Shines Presents Jyotirmoyi Maa – মায়ের ঠেকেই আসবে শিশুর জীবনে Shine!” খ্যাতনামা টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বাগবাজার সর্বজনীন পূজা মণ্ডপে দেবী দুর্গার এই আলোকোজ্জ্বল প্রতিমার উন্মোচন করেন।শুধু দর্শন নয়, এই অভিজ্ঞতা আরও বিস্তৃত হয়েছে একটি বিশেষ এআই টুলের মাধ্যমে, যেখানে মায়েরা তাঁদের সন্তানের জন্য ইচ্ছে প্রকাশ করতে পারেন এবং দেবী দুর্গার আশীর্বাদে সেই ইচ্ছা ডিজিটাল রূপে বাস্তবায়িত হতে দেখতে পারেন ইন্টার্যাক্টিভ ফটো বুথে।ঐতিহ্য, প্রযুক্তি এবং আবেগের এই অনন্য মিশ্রণ এক জাদুকরী অভিজ্ঞতার জন্ম দিয়েছে, যা তুলে ধরে দেবী দুর্গা কীভাবে তাঁর ভক্তদের মনোকামনা পূর্ণ করে জীবনে আলো ছড়ান।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে মত প্রকাশ করে আইটিসি লিমিটেডের বিস্কুট ও কেক ক্লাস্টারের চিফ এক্সিকিউটিভ কবিতা চতুর্বেদী বলেন: “একজন মা-ই প্রকৃত অর্থে সন্তানের জীবনে আলো নিয়ে আসেন। এই দুর্গাপূজায় ‘জ্যোতির্ময়ী মা’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে মম’স ম্যাজিক শাইনস সেই বিশ্বাসকে জীবন্ত করেছে — যেখানে মায়েরা তাঁদের সন্তানের জন্য দুর্গা মায়ের কাছে আন্তরিক প্রার্থনা করতে পারেন এবং সেই প্রার্থনাকে ডিজিটাল রূপে বাস্তবায়িত হতে দেখতে পারেন।”“মম’স ম্যাজিক শাইনস ক্যাম্পেইনের পেছনের ভাবনাটি সত্যিই অভিনব ও প্রশংসনীয়। দুর্গাপূজা আশা, শক্তি ও আশীর্বাদের উৎসব, আর এই উদ্যোগ প্রতিটি মায়ের সন্তানের জন্য করা ইচ্ছেকে এক সুন্দর ও সৃজনশীল উপায়ে জীবন্ত করে তুলেছে। নিজেও একজন মা হিসেবে আমি এর সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত।”এই দুর্গাপূজায় আন্তরিক ইচ্ছে জানান ‘জ্যোতির্ময়ী মা’-কে এবং দেখুন আপনার সন্তান ভাসছে দেবী মায়ের আশীর্বাদের আলোয়।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পেট্রোলিয়াম ডিলাররা এই শিবিরে অংশ নেন, যেখানে তারা সহজে ও দ্রুত তাদের বাধ্যতামূলক অগ্নি-নিরাপত্তা লাইসেন্স নবীকরণ সম্পন্ন করেন — যা পেট্রোল পাম্প ও জ্বালানি সম্পর্কিত ব্যবসা চালাতে অপরিহার্য।
“সেফটি ফার্স্ট, কমপ্লায়েন্স অলওয়েজ” (প্রথমে নিরাপত্তা, সর্বদা বিধি মেনে চলা) শিরোনামে আয়োজিত এই শিবিরের লক্ষ্য ছিল স্বচ্ছ, ঝামেলামুক্ত ও দ্রুত লাইসেন্স নবীকরণের পাশাপাশি অগ্নি-নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানো, বিশেষত পেট্রোলিয়াম বিতরণের মতো উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ খাতে।
✨ উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি শিবিরে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও সরকারি ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরা— অরুণ সিংহানিয়া – সভাপতি, WBPDA কল্যাণ মান্না – সম্পাদক, WBPDA বশন্ত কুমার শ’ – সহ-সভাপতি, WBPDA উৎপল ভদ্র, আইএএস – সিনিয়র স্পেশাল সেক্রেটারি, পশ্চিমবঙ্গ অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতর সঞ্জয় আগরওয়াল – সভাপতি, HP গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন
তাঁরা অংশগ্রহণকারীদের দিকনির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অগ্নি-নিরাপত্তা প্রয়োগ ও ডিলার সহায়তায় আরও উন্নতির প্রস্তাব রাখেন।
কেন এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোলিয়াম খাতে অগ্নি-ঝুঁকি সর্বদা বিরাজমান। তাই এই শিবিরে গুরুত্ব দেওয়া হয়— সময়মতো লাইসেন্স নবীকরণ সর্বশেষ নিরাপত্তা বিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি অগ্নি দফতরের কর্মকর্তাদের অন-স্পট সহায়তা সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় বৃদ্ধি
উপস্থিতদের প্রশংসা অংশগ্রহণকারীরা শিবিরের দক্ষতা, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ এবং সহযোগিতামূলক পরিবেশের প্রশংসা করেন। অগ্নি দফতরের মাঠ পর্যায়ের সহায়তায় সব প্রযুক্তিগত প্রশ্নের দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়।
এই উদ্যোগ কেবল লাইসেন্স নবীকরণ সহজ করেই থেমে থাকেনি, বরং স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে — অগ্নি-নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়।