মণিপালহাসপাতালমুকুন্দপুরেরনিউরোসায়েন্সেসকনক্লেভেসমন্বিতস্নায়ুচিকিৎসারভবিষ্যৎনিয়েআলোচনা |


কলকাতা, ১০ আগস্ট ২০২৬: স্নায়ু ও অন্যান্য জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়টিকে সামনে রেখে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরে আয়োজিত ‘নিউরোসায়েন্সেস কনক্লেভ’-এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস’। এই অনুষ্ঠানে নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন, স্পাইন সার্জারি এবং নিউরোসায়েন্সের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আধুনিক স্নায়ু চিকিৎসার বিভিন্ন দিক এবং রোগীর চিকিৎসায় একাধিক বিভাগের বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।বিশ্বজুড়ে স্নায়ুর বিভিন্ন রোগের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ২০২৫ সালের গ্লোবাল স্টেটাস রিপোর্ট অন নিউরোলজি অনুযায়ী, স্নায়ুর রোগ বর্তমানে বিশ্বে অসুস্থতা ও শারীরিক অক্ষমতার অন্যতম প্রধান কারণ এবং বিশ্বজুড়ে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনেরও বেশি মানুষ কোনও না কোনওভাবে এর দ্বারা আক্রান্ত। ভারতে স্ট্রোক এখনও একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ভারতে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ৫৩.৫ জনের মৃত্যু স্ট্রোকের কারণে হয়েছে। স্ট্রোক, এপিলেপসি, মস্তিষ্কের রক্তনালির সমস্যা এবং জটিল নিউরোসার্জারির মতো ক্ষেত্রে দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। তাই নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন এবং রিহ্যাবিলিটেশন—এই সমস্ত পরিষেবা এক জায়গায় পাওয়া যায় এমন সমন্বিত চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রয়োজন ক্রমেই বাড়ছে।এই প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এ একাধিক বিশেষজ্ঞ বিভাগকে একসঙ্গে নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিউরোলজি, ফাংশনাল নিউরোসার্জারি, নিউরোসার্জারি, নিউরোইন্টারভেনশন ও এন্ডোভাসকুলার সার্জারি, স্পাইন সার্জারি, নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন, নিউরো ফিজিওথেরাপি, নিউরো সাইকোলজি এবং নিউরো অ্যানাস্থেশিয়া। এর ফলে জটিল স্নায়ুর রোগের ক্ষেত্রে রোগীরা রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার এবং পুনর্বাসন—সব ক্ষেত্রেই সমন্বিত ও রোগীকেন্দ্রিক পরিষেবা পাবেন।

জরুরি চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট কলকাতায় একটি ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস -এরও ঘোষণা করেছে। অংশগ্রহণকারী মণিপাল হাসপাতালগুলির প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে থাকা যোগ্য জরুরি রোগীরা এই পরিষেবা পাবেন। MARS কমান্ড সেন্টার এবং টিম MARS-এর মূল্যায়নে কোনও রোগীর জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রাপ্যতা এবং পরিষেবার নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে নিকটবর্তী মণিপাল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট -এ বিনামূল্যে নিয়ে যাওয়া হবে। স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, পথ দুর্ঘটনা, তীব্র শ্বাসকষ্ট, অচেতন হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য আকস্মিক জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিষেবার মাধ্যমে জরুরি সময়ে পরিবহণের অভাবে যাতে কোনও রোগীর চিকিৎসা পেতে দেরি না হয়, সেই লক্ষ্যেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিষেবার সঙ্গে রয়েছে ২৪ ঘণ্টার প্রযুক্তিনির্ভর কমান্ড সেন্টার, GPS-যুক্ত অ্যাম্বুল্যান্স, অ্যাম্বুল্যান্সের নিয়মিত ট্র্যাকিং, হোয়াটসঅ্যাপ -এর মাধ্যমে QR কোড ব্যবহার করে লোকেশন শেয়ার করার ব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত জরুরি পরিষেবা কর্মী এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম-সমৃদ্ধ অ্যাম্বুল্যান্স। এর ফলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া এবং হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সঙ্গে আগে থেকেই সমন্বয় করা সম্ভব হবে।

WhatsApp Image 2026 08 10 at 12.59.31

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর ও হেড – নিউরোলজি, ডা. জয়ন্ত রায় বলেন,
“স্নায়ুর রোগের পরিধি অনেক বড়। স্ট্রোক ও এপিলেপসি থেকে শুরু করে মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ এবং অন্যান্য জটিল স্নায়ুর সমস্যার ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা এবং সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন। স্ট্রোক এমন একটি জরুরি অবস্থা যেখানে সময়মতো রোগ নির্ণয় এবং দ্রুত সঠিক চিকিৎসা রোগীর ভবিষ্যৎ ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর মাধ্যমে আমরা আধুনিক রোগ নির্ণয়, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে নিয়ে এসে সম্পূর্ণ স্নায়ু চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি স্নায়ুর রোগের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার গুরুত্বও তুলে ধরা আমাদের লক্ষ্য।”মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও ক্লিনিক্যাল লিড – স্পাইন সার্জারি, ডা. অনিন্দ্য বসু বলেন,
“আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নতির ফলে স্পাইন সার্জারিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারির মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে কম ক্ষত তৈরি করে, কম রক্তক্ষরণ এবং কম ব্যথার সঙ্গে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে। উপযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এর ফলে সুস্থ হয়ে ওঠার সময়ও কমতে পারে। মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরে আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ও চিকিৎসা দক্ষতার মাধ্যমে রোগীকেন্দ্রিক স্পাইন চিকিৎসা দেওয়ার উপর গুরুত্ব দিই। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর মাধ্যমে জটিল স্পাইন সমস্যার রোগীরা রোগ নির্ণয়, অস্ত্রোপচার এবং রিহ্যাবিলিটেশন—প্রতিটি পর্যায়ে সমন্বিত চিকিৎসা পাবেন।”

উন্নত নিউরোইন্টারভেনশন-এর গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর – নিউরোইন্টারভেনশন অ্যান্ড এন্ডোভাসকুলার সার্জারি, ইমেজিং সায়েন্সেস অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি, ডা. সুকল্যাণ পুরকায়স্থ বলেন, “নিউরোইন্টারভেনশনের উন্নতির ফলে মস্তিষ্কের রক্তনালির বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। খুব ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে রক্তনালির ভিতর দিয়ে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে। আমাদেরহাসপাতালে থাকা বাইপ্লেন ক্যাথ ল্যাব এই ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একই সময়ে বিভিন্ন দিক থেকে  উচ্চমানের লাইভ ছবি পাওয়া যায়, ফলে জটিল নিউরোইন্টারভেনশনাল চিকিৎসা আরও নির্ভুলভাবে করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে স্ট্রোক, মস্তিষ্কের রক্তনালির অ্যানিউরিজম, রক্তনালির অস্বাভাবিক গঠন এবং অন্যান্য নিউরোভাসকুলার সমস্যার ক্ষেত্রে দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসার জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ডিরেক্টর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোসার্জারি, ডা. মিলিন্দ দেওগাঁওকর বলেন,
“মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারের চিকিৎসায় ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন (DBS)-এর মতো আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আমাদের হাসপাতালে ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন ক্লিনিক -এর মাধ্যমে এমন রোগীদের মূল্যায়ন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়, যাঁরা এই উন্নত চিকিৎসা থেকে উপকৃত হতে পারেন। বিশেষ করে পারকিনসন্স ডিজিজ এবং অন্যান্য মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। DBS-এর জন্য রোগী নির্বাচন, বিস্তারিত নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারি পরীক্ষা, সঠিক অস্ত্রোপচার পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলো-আপ প্রয়োজন। একটি বিশেষায়িত ক্লিনিকের মাধ্যমে আমরা রোগীদের পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগতভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

এর সঙ্গে যোগ করে মণিপাল হাসপাতাল মুকুন্দপুরের ক্লিনিক্যাল লিড ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – নিউরোসার্জারি, ডা. দীপেন্দ্র কুমার প্রধান বলেন, “আধুনিক নিউরোসার্জারি শুধু অস্ত্রোপচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। উন্নত ইমেজিং, আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত সিদ্ধান্ত এখন চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মস্তিষ্ক ও স্পাইনের জটিল রোগ থেকে শুরু করে দুর্ঘটনাজনিত আঘাত এবং অন্যান্য নিউরোসার্জিক্যাল সমস্যার ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমাদের নিউরোসার্জারি টিম নিউরোলজিস্ট, নিউরোইন্টারভেনশন বিশেষজ্ঞ, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ এবং রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে। সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস এই সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জটিল রোগীদের জন্য বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের অভিজ্ঞতা এক জায়গায় নিয়ে আসবে।”

অনুষ্ঠানে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট-এর রিজিওনাল ডিরেক্টর, ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত বলেন, “সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর উদ্বোধন পূর্ব ভারতে উন্নত, সম্পূর্ণ এবং সমন্বিত স্নায়ু চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করে। মণিপাল হাসপাতালে আমরা মনে করি, স্নায়ুর জরুরি সমস্যা, বিশেষ করে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিটি মিনিট রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিদিন প্রায় ৫০০টি স্ট্রোকের ঘটনা ঘটছে। তাই দ্রুত রোগ শনাক্ত করা, জরুরি পরিষেবা দেওয়া এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার কাছে রোগীকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন। আমাদের সব হাসপাতালই স্ট্রোকের জরুরি চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত এবং সেখানে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ও আধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামো রয়েছে। মণিপাল অ্যাডভান্সড রোডসাইড ইমার্জেন্সি সার্ভিসেস (MARS) এবং নতুন ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস -এর মাধ্যমে আমরা জরুরি চিকিৎসার পুরো ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছি। আমাদের লক্ষ্য হল রোগী যেন সঠিক সময়ে সঠিক বিশেষজ্ঞের কাছে পৌঁছতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান, যাতে তাঁর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে।”

সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর নিউরোসায়েন্সেস-এর উদ্বোধন এবং ফ্রি ইমার্জেন্সি পিকআপ সার্ভিস চালু করা মণিপাল হসপিটালস ইস্ট-এর সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা তৈরির বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। দ্রুত জরুরি পরিষেবা এবং উন্নত রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে বিশেষায়িত চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার, রিহ্যাবিলিটেশন এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন—চিকিৎসার প্রতিটি ধাপকে আরও ভালোভাবে একসঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।এই দুই উদ্যোগের মাধ্যমে কলকাতায় জরুরি চিকিৎসাকে আরও সহজলভ্য করার পাশাপাশি জরুরি সময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে পরিবহণের সমস্যা যাতে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে মণিপাল হাসপাতালস ইস্ট। একই সঙ্গে রোগীকেন্দ্রিক, সহানুভূতিশীল এবং আরও দ্রুত ও কার্যকর জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও আরও শক্তিশালী হল।

Related Posts

নতুন মডুলার ও রোবোটিক অপারেশন থিয়েটারের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার পরিষেবায় নতুন মাত্রা যোগ করল রুবি জেনারেল হাসপাতাল |
  • September 10, 2026

কলকাতা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ – রুবি জেনারেল হাসপাতাল তার অস্ত্রোপচার পরিকাঠামোর ব্যাপক সম্প্রসারণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছে। এর মাধ্যমে পূর্ব ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে হাসপাতালটি তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। হাসপাতালে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ৬টি নতুন মডুলার অপারেশন থিয়েটার (OT) সংযোজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২টি বিশেষভাবে নির্ধারিত ট্রান্সপ্লান্ট OT এবং ২টি অত্যাধুনিক রোবোটিক সার্জারি OT। এই গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রসারণের পাশাপাশি হাসপাতালের পূর্ববর্তী ৫টি সুপার স্পেশালিটি OT-ও চালু থাকবে। ফলে জটিল ও জীবনরক্ষাকারী অস্ত্রোপচার করার হাসপাতালের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পরিকাঠামোগত সম্প্রসারণের পাশাপাশি হাসপাতালটি দুটি অত্যাধুনিক রোবোটিক সিস্টেমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করেছে— অর্থোপেডিক টোটাল নি রিপ্লেসমেন্ট (TKR) রোবোটিক সার্জারি সিস্টেম এবং সাধারণ ও জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য বিশ্বখ্যাত
দা ভিঞ্চি রোবোটিক সার্জিক্যাল সিস্টেম ।এই যুগান্তকারী পরিকাঠামো ও রোবোটিক সিস্টেমগুলির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডাঃ কমল কুমার দত্ত (চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর), ডাঃ সৌরভ দত্ত (ডিরেক্টর) এবং মিসেস রুবি দত্ত (ডিরেক্টর)।

WhatsApp Image 2026 09 09 at 17.43.57

• ৬টি নতুন মডুলার OT : সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ল্যামিনার এয়ারফ্লো সিস্টেম-সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত।
• ২টি বিশেষায়িত ট্রান্সপ্লান্ট OT : জটিল অঙ্গ প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচারের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত।
• ২টি রোবোটিক সার্জারি OT : উন্নত রোবোটিক আর্ম ও কনসোল ব্যবহারের উপযোগী করে বিশেষভাবে তৈরি।
• ৫টি বিদ্যমান OT : নতুন ইউনিটগুলির পাশাপাশি এগুলিও চালু থাকবে। ফলে হাসপাতালের মোট অত্যাধুনিক ও বিশেষায়িত সার্জিক্যাল স্যুটের সংখ্যা দাঁড়াল ১১টি।

• দা ভিঞ্চি রোবোটিক সিস্টেম : ন্যূনতম ইনভেসিভ পদ্ধতিতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সাধারণ ও জটিল অস্ত্রোপচার করতে সাহায্য করে এবং রোগীর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করে।• অর্থোপেডিক টি কে আর রোবোটিক সিস্টেম : টোটাল নি রিপ্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে সাব-মিলিমিটার পর্যায়ের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে সক্ষম। এর ফলে ইমপ্ল্যান্টের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ এবং কৃত্রিম জয়েন্টের দীর্ঘস্থায়িত্ব আরও উন্নত হয়।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাসপাতালের CMD ডাঃ কমল কুমার দত্ত বলেন, এই সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক মানের উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক স্তরে তার সহজলভ্যতার মধ্যে থাকা ব্যবধান কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ডিরেক্টর ডাঃ সৌরভ দত্ত জানান, অপারেশন থিয়েটারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও রোবোটিক প্রযুক্তির সমন্বয় রোগীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালে থাকার সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে। ডিরেক্টর মিসেস রুবি দত্ত বলেন, এই সম্প্রসারণ রুবি জেনারেল হাসপাতালের তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত স্বাস্থ্য পরিষেবায় উদ্ভাবন এবং রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসার প্রতি প্রতিশ্রুতিরই প্রমাণ।

প্রেস মিটে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরাও। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুপরিচিত নেফ্রোলজিস্ট ডাঃ প্রতীক দাস এবং খ্যাতনামা ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন ডাঃ টি. কে. সাহা । উভয় চিকিৎসকই এই অঞ্চলে আধুনিক ও উন্নত ট্রান্সপ্লান্ট পরিষেবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এবং জানান যে রুবি জেনারেল হাসপাতালের নতুন পরিকাঠামো এই প্রয়োজন যথাযথভাবে পূরণ করছে।.বিশিষ্ট রোবোটিক সার্জনদের মধ্যে ডাঃ দেবার্চন ঘোষ (জেনারেল ও রোবোটিক সার্জন) এবং ডাঃ দীপাঞ্জন ভদ্র (অর্থোপেডিক্স ও রোবোটিক সার্জন)-ও তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসা বিভাগের সমন্বিত রোবোটিক সার্জারি দক্ষতা তুলে ধরা হয়।

হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ অনকোলজি পরিষেবার কথা তুলে ধরে ডাঃ গৌতম মুখোপাধ্যায় , এমেরিটাস সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট এবং ডিরেক্টর, রুবি ক্যান্সার সেন্টার বলেন: “দা ভিঞ্চি রোবোটিক সিস্টেমের মাধ্যমে রুবি ক্যান্সার সেন্টার আঞ্চলিক স্তরে প্রথম স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্র্যান্ড হিসেবে এই বিশ্বমানের রোবোটিক সিস্টেম নিয়ে এসেছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র, যেখানে মেডিক্যাল, সার্জিক্যাল, রেডিয়েশন, হেমাটো-অনকোলজি ও স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্ট, নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগে Digital PET CT, অনকো-প্যাথলজি, মনোবিজ্ঞানী, পুষ্টিবিদ এবং প্রতিটি বিভাগে রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসকদের সমন্বয়ে সমস্ত ধরনের পরিষেবা রয়েছে।”নবনির্মিত মডুলার OT-গুলি শীঘ্রই চালু হবে এবং রোবোটিক সিস্টেমগুলি ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণরূপে কার্যকর ও রোগী পরিষেবার জন্য উন্মুক্ত।পূর্ব ভারতে রোবোটিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন পরিবর্তন আনা এবং অত্যাধুনিক ৬টি OT সংযোজন-সহ আমাদের এই বিনম্র প্রচেষ্টার কথা আপনাদের সম্মানিত সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে আমরা আশাবাদী।

Continue reading
শিশুদের মধ্যে চক্ষুদান বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ‘ড্র ফর সাইট’ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করল দিশা আই হসপিটালস ও প্রোভা আই ব্যাংক |
  • September 10, 2026

কলকাতা, সেপ্টেম্বর ২০২৬: ৪১তম জাতীয় চক্ষুদান পক্ষকাল ২০২৬ (National Eye Donation Fortnight)-এর অঙ্গ হিসেবে, দিশা আই হসপিটালস ও প্রোভা আই ব্যাংক ‘ড্র ফর সাইট’ নামে একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। স্কুল পড়ুয়াদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা এবং চক্ষুদান ও দৃষ্টিশক্তি প্রদানের গুরুত্ব সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে সংবেদনশীল করে তোলাই ছিল এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য। কলকাতার নিউ টাউনে অবস্থিত দিশা আই হসপিটালস-এর প্রাঙ্গণে এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।

WhatsApp Image 2026 09 10 at 09.20.14

এই উদ্যোগটি খুদে অংশগ্রহণকারীদের চক্ষুদান, দৃষ্টিশক্তি এবং দৃষ্টিশক্তি প্রদানের মাধ্যমে জীবনে যে পরিবর্তন আসে—তা নিয়ে নিজেদের ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের একটি সৃজনশীল মঞ্চ করে দেয়। শিল্পকলা ও কল্পনাশক্তির মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতাটি চক্ষুদান নিয়ে অর্থবহ আলোচনাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থী, পরিবার ও বৃহত্তর সমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়াস চালিয়েছে। প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগ ছিল: প্রথম বিভাগে পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এবং দ্বিতীয় বিভাগে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারীরা তাদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীলতা তুলে ধরে এবং চক্ষুদান বিষয়ক বিষয়বস্তুকে (থিম) ফুটিয়ে তোলে।

দিশা আই হসপিটালস-এর চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. দেবাশিস ভট্টাচার্য বলেন, “কাউকে দৃষ্টিশক্তি উপহার দেওয়া এবং পৃথিবীকে নতুন করে দেখার সুযোগ করে দেওয়ার অন্যতম অর্থবহ উপায় হলো চক্ষুদান। ‘ড্র ফর সাইট’-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে যুক্ত করতে চেয়েছি এবং অন্য কোনো ব্যক্তির জীবনে চক্ষুদান কতটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে, তা বুঝতে তাদের উৎসাহিত করতে চেয়েছি। এমন একটি অর্থবহ বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে শিল্পকলা এক শক্তিশালী ও ভাবপ্রকাশক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা ব্যবহার করে চক্ষুদান বিষয়ক সচেতনতা প্রসারে এগিয়ে এসেছে দেখে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”

এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় কলকাতার মোট ১৭টি স্কুলের ৬০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অত্যন্ত উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করে। দ্য নিউ টাউন স্কুল, লাইটিং লাইভস স্কুল, আইইএম (IEM) পাবলিক স্কুল, জি.ডি. গোয়েঙ্কা পাবলিক স্কুল, নারায়ণা স্কুল (নিউ টাউন), দিল্লি পাবলিক স্কুল (নিউ টাউন), দিল্লি পাবলিক স্কুল (মেগাসিটি), হারমনি হাই স্কুল এবং লা মার্টিনিয়ার ফর গার্লস-সহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা ও রঙিন চিত্রকর্মের মাধ্যমে এই আয়োজনে অংশ নেয়। ৪১তম জাতীয় চক্ষুদান পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাটি সৃজনশীলতা, সহানুভূতি ও সামাজিক সচেতনতার এক অনন্য মেলবন্ধন ঘটিয়েছে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রদানের মতো জীবন-পরিবর্তনকারী উপহারের গুরুত্ব অনুধাবনে তরুণ প্রতিযোগীদের অনুপ্রাণিত করেছে।

Continue reading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মিস করে যাওয়া

নতুন মডুলার ও রোবোটিক অপারেশন থিয়েটারের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার পরিষেবায় নতুন মাত্রা যোগ করল রুবি জেনারেল হাসপাতাল |

নতুন মডুলার ও রোবোটিক অপারেশন থিয়েটারের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার পরিষেবায় নতুন মাত্রা যোগ করল রুবি জেনারেল হাসপাতাল |

শিশুদের মধ্যে চক্ষুদান বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ‘ড্র ফর সাইট’ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করল দিশা আই হসপিটালস ও প্রোভা আই ব্যাংক |

শিশুদের মধ্যে চক্ষুদান বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ‘ড্র ফর সাইট’ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করল দিশা আই হসপিটালস ও প্রোভা আই ব্যাংক |

পশ্চিমবঙ্গের সড়ক পরিকাঠামোর বড় সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, জানালেন পূর্তমন্ত্রী অজয় কুমার পোদ্দার |

পশ্চিমবঙ্গের সড়ক পরিকাঠামোর বড় সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, জানালেন পূর্তমন্ত্রী অজয় কুমার পোদ্দার |

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইরত শিশুদের সমর্থনে কলকাতায় নিয়ে আসছে এসবিওএইচ কনসার্ট ২০২৬, ‘আশার সুর’। এস. ডি. বর্মণ এবং আর. ডি. বর্মণের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে এই একাদশ বার্ষিক কনসার্টটি এক দশকের প্রভাবকে চিহ্নিত করছে।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইরত শিশুদের সমর্থনে কলকাতায় নিয়ে আসছে এসবিওএইচ কনসার্ট ২০২৬, ‘আশার সুর’। এস. ডি. বর্মণ এবং আর. ডি. বর্মণের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে এই একাদশ বার্ষিক কনসার্টটি এক দশকের প্রভাবকে চিহ্নিত করছে।

NATS প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর প্রায় ৭৯% শিক্ষানবিশ চাকরি পান, BOPT(ER) ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ১.৫ লক্ষ শিক্ষানবিশ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

NATS প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর প্রায় ৭৯% শিক্ষানবিশ চাকরি পান, BOPT(ER) ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ১.৫ লক্ষ শিক্ষানবিশ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

টালিগঞ্জ মহানায়ক উত্তম কুমার কালচারাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটি মহানায়ক উত্তম কুমারের কালজয়ী স্মৃতির প্রতি এক বিশাল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করল ||

টালিগঞ্জ মহানায়ক উত্তম কুমার কালচারাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটি মহানায়ক উত্তম কুমারের কালজয়ী স্মৃতির প্রতি এক বিশাল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করল ||