উন্নত ভারত নির্মাণ’ কে কেন্দ্র করে বিজেএমএম শ্রমিক মঞ্চের রাজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত

২৫ নভেম্বর,২০২৫ কলকাতা -মঙ্গলবার কলকাতায় ভারতীয় জনতা মজদুর মঞ্চ (BJMM) এবং বিকশিত ভারত সংকল্প সংস্বস্থান, পশ্চিমবঙ্গ-এর যৌথ উদ্যোগে একটি রাজ্যস্তরের শ্রমিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শ্রম সংস্কার, শ্রমিক-কেন্দ্রিক উদ্যোগ এবং “বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর জাতীয় দৃষ্টিকোণকে সামনে রেখে আযোজিত এই সম্মেলন সিয়ালদহের ডি.আর.এম. বিল্ডিং, ড. বিসি রায় ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়।সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন BJMM এবং বিকশিত ভারত সংকল্প সংস্থানের সর্বভারতীয় সভাপতি ড. মহেশ শর্মা। তিনি ভারতের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় দেশের বিশাল শ্রমিকশক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিজেপি কেন্দ্রীয় সম্পাদক শ্রীমান রাহুল সিনহা, প্রাক্তন সাংসদ শ্রী অর্জুন সিং, প্রাক্তন বিধায়ক শ্রী তাপস রায়, বিধায়ক স্ত্রী সুরত ঠাকুর (গাইঘাটা), শ্রী বিশাল লম্বা (কালচিনি), কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর স্ত্রী সজল ঘোষ, BJMM পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি শ্রী পশুপতি মণ্ডল, ও কার্যকরী সভাপতি শ্রী অমর সিং।সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের সংগঠিত ও অসংগঠিত শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা আলোচনায় উঠে আসে-চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের শোষণ, ন্যায্য মজুরি ও নিয়োগপত্রের অভাব, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা, মহিলা শ্রমিকদের মাতৃত্বসুবিধা ও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি। পাশাপাশি MSME, বিড়ি, খনি, চা-বাগান, অডিও-ভিজ্যুয়াল ও টেক্সটাইল শিল্পের শ্রমিকদের বিশেষ দাবি-দাওয়াও উপস্থাপন করা হয়। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় শ্রমসংস্কার কাঠামোয় উল্লিখিত ন্যূনতম মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী সুরক্ষা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সমান মজুরির বিধানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

Whatsapp image 2025 11 25 at 18.43.10

“উন্নত ভারতের নির্মাণে শ্রমিকদের ভূমিকা-ডিশন ২০৪৭” শিরোনামে বিশেষ বক্তৃতায় ড. শর্মা বলেন, দেশের উন্নয়নের মেরুদণ্ড হলো সংগঠিত, অসংগঠিত, MSME, চুক্তিভিত্তিক, গিগ কর্মী, প্ল‍্যাটফর্ম কর্মী, নারী ও যুব শ্রমিকরা। তিনি ২৪ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত জয়পুরঅনুষ্ঠিত বিকশিত ভারত সংকল্প মেলা-কে জাতীয় উন্নয়ন, শিল্প-বাণিজ্য, দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার এক ঐতিহাসিক মঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করেন।তিনি মেলায় উপস্থাপিত ৮টি উন্নয়ন-স্তম্ভ ব্যাখ্যা করেন-শিক্ষা, কর্মসংস্থান, শিল্প-বাণিজ্য, সংস্কৃতি-পর্যটন, স্বাস্থ্য-আয়ুর্বেদ, স্টার্টআপ-ইনভেস্টমেন্ট, কৃষি-গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবেশ-স্থিতিশীলতা।১০,০০০-এরও বেশি কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন অঞ্চল, শিল্প-শ্রমিক সরাসরি যোগাযোগ এবং শ্রমিক-বান্ধব নীতিগুলি মেলাকে শ্রমিক সমাজের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। BJMM পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি শ্রী পশুপতি মণ্ডল তাঁদের মূল দাবি উপস্থাপন করেন-

শ্রম কোড বাস্তবায়ন,নারী শ্রমিকদের উন্নত নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ,সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও ESI সুবিধা,চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের শোষণ রো্দ,ক্ষতা-উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন,MSME শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা-স্কিম,কার্যকরী সভাপতি শ্রী অমর সিং বিকশিত ভারত ২০৪৭-এ শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা ব্যাখ্যা করেন-,দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতি, আধুনিক শিল্প চালাবে উৎপাদনশীল শ্রমশক্তি, বৈদেশিক বাণিজ্য ও রপ্তানিতে শ্রমিক হবে মুখ্য চালিকা শক্তি, আর টেকসই উন্নয়ন, সবুজ শক্তি ও গ্রামীণ উন্নয়নে শ্রমিকদের অবদান হবে অপরিহার্য।।তিনি ২০২৫-২৬ সালের BJMM-এর নানা উদ্যোগ যোষণা করেন-,শ্রমিক অধিকার সচেতনতা অভিযান, নারী শ্রমিক সুরক্ষা মঞ্চ, গিগ-প্ল‍্যাটফর্ম ইউনিট, স্বাস্থা শিবির, আইন-সহায়তা কেন্দ্র, স্কিল ও জব ম্যাপিং ড্রাইভ, এবং ‘বিকাশ যাত্রা’ শ্রমিক র‍্যালি।BJMM পুনর্ব্যক্ত করে-“শ্রমিক শক্তি- ভারতের শক্তি।”

সংস্থাগুলি সংবাদমাধ্যমকে শ্রমিক-কেন্দ্রিক এই উদ্যোগগুলিকে বৃহত্তর সমাজে পৌঁছে দিতে সহযোগিতার আহ্বান জানায় এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের অনুরোধ জানায়।

  • Related Posts

    চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস
    • July 2, 2026

    কলকাতা ২ জুলাই ২০২৬ : আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কূটনীতির মাধ্যমে ভারত–চীন সংলাপের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে আরও সুদৃঢ় করে চীনের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম ২০২৬-এর সপ্তম অধিবেশন সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ার পর কলকাতায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়, যেখানে বিশিষ্ট সমাজউদ্যোক্তা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রবক্তা ডা. চৈতালি দাস চীন–দক্ষিণ এশিয়া চিন্তক ফোরাম-এ ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

    এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের কলকাতাস্থ কনসাল জেনারেল মহামান্য সু ওয়েই। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সেই সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা, যারা আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন।

    ইউনান প্রদেশের বৈদেশিক বিষয়ক দপ্তরের আমন্ত্রণে ডা. চৈতালি দাস বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট চিন্তাবিদদের উদ্দেশে সুস্থতা, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব পণ্য, আঞ্চলিক স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা, পরিবেশভিত্তিক পর্যটন, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, গ্রামীণ প্রশাসন, নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

    তাঁর বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল চীন–দক্ষিণ এশিয়া ক্যানসার চিকিৎসা বিনিময় কর্মসূচি গঠনের প্রস্তাব। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হবে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হাসপাতাল, গবেষক ও ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি ক্যানসার গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসাবিষয়ক জ্ঞান বিনিময় এবং ক্যানসারজয়ীদের চিকিৎসা-পরবর্তী মানসিক পুনর্বাসনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা।

    WhatsApp Image 2026 07 02 at 17.56.25

    ডা. দাস তাঁর বক্তব্যে যোগব্যায়াম ও তাই চি-র মতো ঐতিহ্যবাহী সুস্থতা চর্চার মাধ্যমে ভারত ও চীনের অভিন্ন সভ্যতাগত ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন। একইসঙ্গে ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটন, টেকসই জীবিকা, গ্রামীণ উদ্ভাবন এবং নারী নেতৃত্বাধীন সামাজিক উদ্যোগের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

    সাংবাদিক সম্মেলনে ডা. চৈতালি দাস বলেন, “চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম প্রমাণ করেছে যে টেকসই উন্নয়নের সর্বোত্তম পথ হলো সংলাপ, জ্ঞান বিনিময় এবং মানুষকেন্দ্রিক অংশীদারিত্ব। আমার বিশ্বাস, স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত ও চীন আরও শক্তিশালী সহযোগিতার সেতুবন্ধন গড়ে তুলে এই অঞ্চলের জন্য আরও সুস্থ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে।”

    ফোরামের সমাপ্তিতে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক সংযোগ এবং সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততার ওপর নতুন করে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এর মাধ্যমে ভারত ও চীনের মধ্যে গঠনমূলক সহযোগিতার সম্ভাবনা আরও জোরদার হওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে দীর্ঘমেয়াদি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

    Continue reading
    চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস।
    • July 2, 2026

    1000620883

    ২ জুলাই ২০২৬ কলকাতা: আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কূটনীতির মাধ্যমে ভারত–চীন সংলাপের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে আরও সুদৃঢ় করে চীনের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম ২০২৬-এর সপ্তম অধিবেশন সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ার পর কলকাতায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়, যেখানে বিশিষ্ট সমাজউদ্যোক্তা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক প্রবক্তা ডা. চৈতালি দাস চীন–দক্ষিণ এশিয়া চিন্তক ফোরাম-এ ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

    এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের কলকাতাস্থ কনসাল জেনারেল মহামান্য সু ওয়েই। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সেই সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা, যারা আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন।

    ইউনান প্রদেশের বৈদেশিক বিষয়ক দপ্তরের আমন্ত্রণে ডা. চৈতালি দাস বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট চিন্তাবিদদের উদ্দেশে সুস্থতা, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব পণ্য, আঞ্চলিক স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা, পরিবেশভিত্তিক পর্যটন, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, গ্রামীণ প্রশাসন, নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন এবং দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

    তাঁর বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল চীন–দক্ষিণ এশিয়া ক্যানসার চিকিৎসা বিনিময় কর্মসূচি গঠনের প্রস্তাব। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হবে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হাসপাতাল, গবেষক ও ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি ক্যানসার গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসাবিষয়ক জ্ঞান বিনিময় এবং ক্যানসারজয়ীদের চিকিৎসা-পরবর্তী মানসিক পুনর্বাসনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা।

    ডা. দাস তাঁর বক্তব্যে যোগব্যায়াম ও তাই চি-র মতো ঐতিহ্যবাহী সুস্থতা চর্চার মাধ্যমে ভারত ও চীনের অভিন্ন সভ্যতাগত ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন। একইসঙ্গে ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটন, টেকসই জীবিকা, গ্রামীণ উদ্ভাবন এবং নারী নেতৃত্বাধীন সামাজিক উদ্যোগের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

    সাংবাদিক সম্মেলনে ডা. চৈতালি দাস বলেন, “চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম প্রমাণ করেছে যে টেকসই উন্নয়নের সর্বোত্তম পথ হলো সংলাপ, জ্ঞান বিনিময় এবং মানুষকেন্দ্রিক অংশীদারিত্ব। আমার বিশ্বাস, স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত ও চীন আরও শক্তিশালী সহযোগিতার সেতুবন্ধন গড়ে তুলে এই অঞ্চলের জন্য আরও সুস্থ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে।”

    ফোরামের সমাপ্তিতে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক সংযোগ এবং সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততার ওপর নতুন করে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এর মাধ্যমে ভারত ও চীনের মধ্যে গঠনমূলক সহযোগিতার সম্ভাবনা আরও জোরদার হওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে দীর্ঘমেয়াদি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

    Continue reading

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    মিস করে যাওয়া

    জেআইএস এডুকেশন এক্সপো ২০২৬ – কল্যাণী সংস্করণে জ্ঞান, উদ্ভাবন ও ক্যারিয়ার গঠনের দিশায় এক অনন্য উদ্যোগ |

    জেআইএস এডুকেশন এক্সপো ২০২৬ – কল্যাণী সংস্করণে জ্ঞান, উদ্ভাবন ও ক্যারিয়ার গঠনের দিশায় এক অনন্য উদ্যোগ |

    এপিএআই-ডব্লিউবি কলকাতায় নিয়ে এলো প্রি-কাউন্সেলিং ও শিক্ষা মেলা ২০২৬ |

    এপিএআই-ডব্লিউবি কলকাতায় নিয়ে এলো প্রি-কাউন্সেলিং ও শিক্ষা মেলা ২০২৬ |

    চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস

    চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস

    চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস।

    চীন–দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন ডা. চৈতালি দাস।

    শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য সুখবর মিলছে বেশকিছু এসি লোকাল আরো বেশ কিছু নতুন ট্রেন নিত্যযাত্রীদের সুবিধের কথা মাথায় রেখেই রেল কর্তৃপক্ষের এই বিরাট ঘোষণা।

    শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য সুখবর মিলছে বেশকিছু এসি লোকাল আরো বেশ কিছু নতুন ট্রেন নিত্যযাত্রীদের সুবিধের কথা মাথায় রেখেই রেল কর্তৃপক্ষের এই বিরাট ঘোষণা।

    অম্বুজা নিওটিয়া আয়োজিত নবম চার্লস কোরিয়া স্মারক বক্তৃতা |

    অম্বুজা নিওটিয়া আয়োজিত নবম চার্লস কোরিয়া স্মারক বক্তৃতা |