অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এবং স্টুয়ার্ডশিপ নিয়ে JISIASR এবং ICMR–NIRBI-এর যৌথ কনফারেন্স |

কলকাতা, ২৮ মার্চ, ২০২৬: জেআইএস ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ (জেআইএসআইএএসআর) -এর উদ্যোগে পরিচালিত ‘সেন্টার ফর হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ (সিএইচইএসটি), আইসিএমআর–ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনস (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই)-এর সহযোগিতায় সাঁতরাগাছিতে অবস্থিত জেআইএসআইএএসআর ক্যাম্পাসে “অরক্ষা’ (ARAKSHA – অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অ্যান্ড স্টুয়ার্ডশিপ) শীর্ষক একটি বিশেষ কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। এই সমস্যা মোকাবিলায় একটি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কলকাতা ও হাওড়ার প্রায় ১,৩০০ জন নন-মেডিক্যাল স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রীদের ওপর একটি বিস্তারিত সমীক্ষা চালানো হয়। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল স্থানীয় পরিসরে সচেতনতা গড়ে তোলা এবং অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা। এই সমীক্ষার ফলাফল থেকে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপের পরিস্থিতিগত বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে একটি মডেল ‘হোয়াইট পেপার’ বা শ্বেতপত্র তৈরি করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নয়াদিল্লির আইসিএমআর-এর সায়েন্টিস্ট ‘জি’ ও প্রধান, ডেস্ক্রিপটিভ রিসার্চ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ডিভিশন, ডঃ কামিনী ওয়ালিয়া। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন JISIASR-এর ডিরেক্টর অধ্যাপক অজয় কুমার রায়; অধ্যাপক রোকসানা চৌধুরী; ডঃ আশীষ কুমার মুখোপাধ্যায় (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ অরুণাংশু তালুকদার (কলকাতা মেডিকেল কলেজ); ডঃ কুমকুম ভট্টাচার্য (IPGME&R); ডঃ দীপঙ্কর সরকার (মণিপাল হাসপাতাল); ডঃ প্রমিত ঘোষ (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ দেবজিৎ চক্রবর্তী (আইসিএমআর–এনআইআরবিআই); ডঃ মঞ্জুশ্রী রায় (প্রিন্সিপাল, জেআইএস স্কুল অফ মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ); ডঃ রাজর্ষি মুখোপাধ্যায় এবং ডঃ সন্দীপ পাল।

সম্পূর্ণ কর্মসূচিটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়েছে, যথা ওরিয়েন্টেশন সেশন, আইসিএমআর অনুমোদিত প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে সামাজিক সমীক্ষা এবং সবশেষে এই আলোচনা সভা। লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, স্কটিশ চার্চ কলেজ, বিজয়গড় কলেজ, অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটি এবং JISIASR-এর শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে তাদের সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরেন। পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীরা সচেতনতামূলক ভিডিও (Reels) এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি প্যানেল ডিসকাশন, যেখানে ভারতের স্থানীয় পরিসরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।ভারত সরকারের অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ANRF)-এর সায়েন্টিফিক সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (SSR) এবং জেআইএস গ্রুপ এই উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করেছে।

এই উপলক্ষে জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সর্দার সিমরপ্রীত সিং বলেন, “অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় জনস্বাস্থ্য মূলক সমস্যা । এটি মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল পদক্ষেপ প্রয়োজন। ‘অরক্ষা’র মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো তরুণ প্রজন্মকে সঠিক জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ দিয়ে সুদক্ষ করে তোলা, যাতে তারা অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহারের দূত হয়ে উঠতে পারে। জাতীয় স্বাস্থ্যের স্বার্থে এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে আমরা সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

Related Posts

ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |
  • April 8, 2026

কলকাতা, ৭ই এপ্রিল, ২০২৬ : আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক সামাজিক বিঘ্নতা কা আইন ফেরত সরকার ইউজিসি রোলব্যাক মহাঅভিয়ান বিজয় কৌশিক সম্পাদক মহোদয়কে মূলনীতিতে জাতীয় সভাপতি শ্রী বিজয় কৌশিক জির নেত্রে দেশব্যাপি জন জাগরণ অভিযান প্রেস কথোপকথন প্রস্তাবিত ইউজিসি আইন কোজ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভারী অসমতোষ ব্যাপ্ত হচ্ছে 13 জানুয়ারী থেকে জানুয়ারিতে এই বিষয়ের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং সরকার এই আইনের পুনর্বিবেচনা করার জন্য আমরা চাই কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোন পালন করা হয় না কি করা হয়েছে তাই মজবুর হোকর দেশব্যাপি জন জাগরণ অভিযান চলিয়া যায় সতর্কতা সৃষ্টি কর এবং আপনার গুরুত্বপূর্ণ অনুরোধ জানাতে তিনি সর্বোচ্চ আদালতকে ধন্যবাদ জানান ব্যবসায়িকভাবে বলা হয়েছে যে কেন্দ্র সরকার দ্বারা দেওয়া হয়েছে কিছু সময়ের মধ্যে সমাধানের প্রত্যাশা দেশের জনগণ করছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত সরকারকেও কোনো পজিটিভ রুখ দেখতে পাওয়া যায় না তারা সরকার থেকে সংলাপ স্থাপন করে প্রবর্তিত নিয়মকানুন আবারও গ্রহণ করে কিন্তু সরকার কি নমক কাজ কিতন কারণে আজ দেশকে সনা ভাইয়ের নামক কোন মজবুর করতে হবে। আজ পর্যন্ত কোন আন্দোলন হয়নি এবং সরকার আপনার ব্যাংক সাধনার খাতির কিছু রাজ্য নির্বাচনের কারণে দেশের জনগণের মোহরা তৈরি করা হয়েছে এই বিল থেকে জাতিকে মধ্য থেকে অনেক খাই বান্টেনে। কা কাজ হয়েছে এবংসনাতনকে সহজ করার কাজ করা হয়েছে দেশটির জনসাধারণ এই বিলের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ আমার দেশের জনগণ সননী এবং ঈশ্বরের রামকে মানতে হবে, তিনি কখনই এই আইনের সমর্থন করবেন এবং ভাই সে ভাই। উধার নিয়মে জড় থেকে খাড় ছুঁড়ে, তাই সরকার থাকবেন এই বিল এই ইউজিসি এর রেকর্ডটি রোলব্যাক করুন কোন দেশ এবং প্রকাশ হবে।

WhatsApp Image 2026 04 08 at 01.41.23

কৌশিক জি বলেছে যে দেশকে যুবকের ভবিষ্যতের সাধারণ শ্রেণির কাছে হার বার সরকারকে দেওয়া হয়েছে তাকে নোটবন্দী করে করোনার মতো পরিস্থিতিও সঙ্গে দেওয়া আছে কিন্তু সরকার সাধারণ শ্রেণির জন্ম অপরাধী কা ঠাপ লাগাতে তারা আপনাকে দেয় তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এই আন্দোলনের মাধ্যম থেকে ইচ্ছাগুলোকে লোকতান্ত্রিক পদ্ধতি থেকে রাখছে আছে, তারা স্থানীয় লোকদের থেকে আপিলের এই আইনের পূর্বজোট ঘোষণা করে দেশকে বিরোধিতা করে দেশকে বিরোধিতা করে জাতিসত্তা ও সনাতন ও স্বাধীনতার স্বাধীনতার আইনকে এই রোব্যাক করতে হবে না তা সরকারের কোনো রাষ্ট্র উগ্র আন্দোলন হতে পারে। পরিষ্কারভাবে বলেছে যে একই রকমের ভবিষ্যত পরের পর আমরা চুপ না বন করতে পারি। এটা দেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্ন আছে, দেশের সাধারণ অবস্থা স্বাভাবিক শান্তির সাথে থাকে, নোটবন্দী হয়, বন্দী হয়, যেমন দেশের শান্তির সাথে সংঘটিত সমাজের সকল মমীশদের এবং সমাজ থেকে আবাহন উঠো জাগো এবং আপনার হক মঙ্গল এখনও করতে পারে না বুলন্দ, আমাদের হক মাঙ্গতে। না কোন থেকেও চাই পছন্দের নারোরা থেকে গুঞ্জা মহৌল দেশের আজাদীর পরে ৮ মার্চ ২৬ গিফ্টারিয়ান দিন হয়েছে এবং গ্রুপের ইনক্লাব জিন্দবাদ নারে হয়েছে আমরা রামলীলা হাইরন্দর প্রদর্শনী কে গিফট থি এবং লক্ষকে লক্ষ লোককে রোখা হয়েছে, বিরাজের বিরুদ্ধে দেশহার, সহ অন্যান্য রাজ্যে ইউজিসি বিলপি আন্দোলনের বিরুদ্ধে। সরকারের সময় কো ইউজিসি কালে আইন রোলব্যাক করা জাতীয় হবে হিন্দু মহাসভার জাতীয় মহা সুর যোগেশ শর্মা জি বলেছেন যে কৌশিক জিকে সারা দেশে অনেক জায়গায় যেতে হবে , সংবর্ধিত নৈত্যক ব্যক্তিত্বশীলতা কি তিনি আপনার সন্তানের নেতৃত্বে আছেন ভুবিষ্যৎ এর জন্য অগ্রগতি ইউজিসি রোলব্যাক মহাজন যোগাযোগে বাতি অংশ নিতে এবং সরকারকে তার কাছে একজুট হয়ে উঠার জন্য কোনো চাপ তার আওয়াজকে বুলন্দ করুন। আপনি আমাদের দেশে আসতে পারেন এবং কোনো দেশও খাই না এবং সমরতা বনী। প্রেস কথোকথনে আশিষ গুপ্তা, বেদ আলো দীক্ষিত, নীতা শর্মা, রবিন্দ্র নরুকা, মেঘাশ্রী সুজিত রায়, কিশন বান,এবং অন্যান্য লোকের প্রেসার সংবিধান করা হয়েছে।

Continue reading
“কলকাতা, হাওড়া পৌরসভা ও পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্যব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২৬ মেনে চলার করণীয় কর্মপন্থা। পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা।“
  • April 6, 2026

কলকাতাঃ৪ এপ্রিলঃ-২০২৬ সালের ১লা এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (এসডব্লিউএম) বিধিমালা, ২০২৬, যা ২০১৬ সালের বিধিমালাকে প্রতিস্থাপন করেছে, তাতে নগর সংস্থা (ইউএলবি) এবং বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদনকারীদের ভূমিকায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। অধিকন্তু, বিধিমালা পালনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কর্মসূচিতে পরিবেশগত এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (এসডব্লিউএম) সংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে ধরে না।
এই সংবাদ সম্মেলনে দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে:
১. কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (SWM) বিধি ২০২৬-এর পরিবর্তনসমূহ এবং তা মেনে চলার ক্ষেত্রে নগর সংস্থা (ULB) ও বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব।
২. কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো যে বিষয়গুলো উত্থাপন করতে পারে।
ক. প্রধান পরিবর্তনগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত, যা নগর সংস্থাগুলিকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

  1. উৎসস্থলে কঠিন বর্জ্যের চার-বিনে পৃথকীকরণ, বর্জ্যকে নিম্নলিখিতভাবে পৃথক করতে হবে:
    ক) ভেজা পচনশীল বর্জ্য (সবুজ বিন) এর মধ্যে রয়েছে রান্নাঘরের বর্জ্য, শাকসবজি, ফলের খোসা, মাংস, ফুল ইত্যাদি, যা নিকটতম কেন্দ্রে কম্পোস্ট বা বায়ো-মিথেনেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রস্তুত করতে হবে।
    খ) শুকনো পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য (নীল বিন) এর মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিক, কাগজ, ধাতু, কাচ, কাঠ এবং রাবার ইত্যাদি, যা বাছাই এবং পুনর্ব্যবহারের জন্য মেটেরিয়াল রিকভারি ফ্যাসিলিটিজ (MRFs)-এ পরিবহন করতে হবে।
    গ) স্যানিটারি বর্জ্য (লাল বিন) এর মধ্যে রয়েছে ব্যবহৃত ডায়াপার, স্যানিটারি প্যাড ও টাওয়েল, ট্যাম্পন, কনডম ইত্যাদি, যা এই পণ্যগুলির প্রস্তুতকারক বা ব্র্যান্ড মালিকদের সরবরাহ করা পাউচে সুরক্ষিতভাবে মুড়িয়ে রাখতে হবে;
    ঘ) বিশেষ পরিচর্যার বর্জ্য (কালো বিন) এর মধ্যে রয়েছে রঙের ক্যান, বাল্ব, পারদ থার্মোমিটার, ঔষধপত্র ইত্যাদি, যা অনুমোদিত সংস্থা দ্বারা সংগ্রহ করতে হবে অথবা নির্ধারিত সংগ্রহ কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।
  2. নগর সংস্থা কর্তৃক সংগ্রহ, পৃথকীকরণ এবং বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র (MRF) –
    ক) সংগ্রহ ও পরিবহনের সময় বর্জ্যের বিভিন্ন ধারার মিশ্রণ যাতে না ঘটে এবং নির্ধারিত বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত তা পৃথক থাকে, তা নিশ্চিত করা;
    খ) কঠোর ‘দূষণকারীই পরিশোধ করবে’ নীতি অনুযায়ী পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ এবং বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদনকারীদের (BWGs) জন্য বর্ধিত জবাবদিহিতা।
    গ) বর্জ্য সংগ্রহকারী যানবাহনে বাধ্যতামূলক ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হবে।
    ঘ) কেন্দ্রীভূত ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ: বর্জ্য নিষ্কাশন এবং নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়টি ট্র্যাক করার জন্য খণ্ডিত ম্যানুয়াল রিপোর্টিং-এর পরিবর্তে সিপিসিবি (CPCB) পরিচালিত একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে।
    ঙ) কঠোর প্রয়োগ ও জরিমানা: পৌরসভার উপ-আইনের উপর নির্ভরতার বাইরে গিয়ে, নিয়ম না মানার জন্য ‘দূষণকারীই পরিশোধ করবে’ নীতির উপর ভিত্তি করে “পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ” জরিমানা চালু করা হবে।
    চ) নগর সংস্থা বর্জ্য উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ব্যবহার ফি বাড়াতে পারবে।
    বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদকের বর্ধিত দায়িত্ব (EBWGR): বৃহৎ বর্জ্য উৎপাদকদের (যেমন, > ২০,০০০ বর্গমিটার বা ১০০ কেজি/দিন) সংজ্ঞা বিস্তৃত করে এবং কঠোরতর অন-সাইট প্রক্রিয়াকরণ বা বর্জ্য শোধন সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করে।
    ল্যান্ডফিল সীমাবদ্ধতা: শুধুমাত্র অ-পুনর্ব্যবহারযোগ্য নিষ্ক্রিয় পদার্থ ল্যান্ডফিলে পাঠানোর উপর কঠোর সীমা আরোপ, এবং বর্জ্য শোধন না করার জন্য উচ্চতর খরচ আরোপ।
    আরডিএফ-এর বর্ধিত ব্যবহার: সিমেন্ট/বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনকারী প্ল্যান্টে ছয় বছরের মধ্যে রিফিউজ ডিরাইভড ফুয়েল (আরডিএফ)-এর ব্যবহার ৫% থেকে বাড়িয়ে ১৫% করা বাধ্যতামূলক।
    পর্যবেক্ষণ ও তথ্যের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক খাতের অব্যাহত, কিন্তু সীমিত, স্বীকৃতি।

কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিষয়াবলী
ক. ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এয়ার অ্যান্ড ওয়াটার (ISWMAW)-এর গবেষণা সমীক্ষা ও অনুমান অনুযায়ী, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকালে নিম্নলিখিত বর্জ্য উৎপন্ন হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের আয়তন প্রায় ৩০০ বর্গ কিমি, যেখানে কুলতলি বিধানসভা কেন্দ্রের সর্বোচ্চ আয়তন ১১৭৬ বর্গ কিমি।
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের সময় উৎপন্ন অতিরিক্ত ১৫,৩৬২ টন বর্জ্য কীভাবে অপসারণ করা হবে?
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন চলাকালীন, যদিও কলকাতা এবং সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সাধারণভাবে খুবই দুর্বল এবং বর্জ্যের কোনো সংগঠিত ব্যবহার নেই, কোনো রাজনৈতিক দলই তাদের প্রচারপত্রে এর কোনো বাস্তবসম্মত ও সুনির্দিষ্ট সমাধানের কথা উল্লেখ করেনি। কলকাতা, হাওড়া এবং শিলিগুড়িতে বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনকারী প্ল্যান্ট স্থাপনের কোনো প্রস্তাব নেই, কার্যকর সমন্বিত বর্জ্য সংগ্রহ, পরিশোধন এবং পুনর্ব্যবহৃত পণ্য বিক্রির এমআরএফ (MRF) স্থাপনেরও কোনো প্রস্তাব নেই।

Continue reading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মিস করে যাওয়া

ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা

ইনফ্রাফিউশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের উদ্বোধন: ভারতের ওয়েল্ডিং শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা

ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |

ইউজিসি আইনের বিরোধিতা করে দেশব্যাপী জনজাগরণ অভিযান শুরু বিজয় কৌশিক জির |

আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |

আইএমএ (IMA) বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের উদ্যোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: “বিজ্ঞানের সাথে সংহতি” অভিযান এবং অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি |

অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ উন্মোচন করল ‘ধড়কন’ (DHADKAN): সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী হৃদরোগের অস্ত্রোপচার |

অম্বুজা নিওটিয়া গ্রুপ উন্মোচন করল ‘ধড়কন’ (DHADKAN): সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী হৃদরোগের অস্ত্রোপচার |

“কলকাতা, হাওড়া পৌরসভা ও পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্যব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২৬ মেনে চলার করণীয় কর্মপন্থা। পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা।“

“কলকাতা, হাওড়া পৌরসভা ও পঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্যব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২৬ মেনে চলার করণীয় কর্মপন্থা। পরিবেশগত স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা।“

ফরচুন হাইটস নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল, বারাসাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই ৯৩৫টি বাড়ি হস্তান্তর |

ফরচুন হাইটস নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল, বারাসাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই ৯৩৫টি বাড়ি হস্তান্তর |